ইউরোপীয় কমিশন সদস্য দেশগুলোর ড্রোন ও ড্রোন প্রতিরোধী সক্ষমতা বাড়াতে এবং জোটের বহির্সীমার নিরাপত্তা জোরদারে আরও ১৩ কোটি ইউরো বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছে। সোমবারের এক বিবৃতিতে কমিশন জানায়, বর্ডার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভিসা ইনস্ট্রুমেন্টের আওতায় এই অর্থ দেওয়া হবে। সীমান্ত নজরদারি জোরদার এবং নতুন ধরনের নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় ইইউর বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ এটি।
এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ২৫ কোটি ইউরো এবং চলতি বছরের শুরুতে আরও ১৬ কোটি ৯০ লাখ ইউরো বরাদ্দের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ওই অর্থ নজরদারি ড্রোন ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম সংগ্রহে ইইউর সদস্য দেশ এবং ইউরোপীয় বর্ডার অ্যান্ড কোস্ট গার্ড এজেন্সি ফ্রন্টেক্সকে সহায়তার জন্য দেওয়া হয়।
নতুন বরাদ্দের ফলে নজরদারি ও ড্রোন প্রতিরোধী প্রযুক্তির জন্য ইইউর স্বরাষ্ট্রবিষয়ক তহবিল থেকে মোট উপলভ্য অর্থ ৫০ কোটি ইউরোর বেশি হয়েছে। কমিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, এই অর্থ সদস্য দেশগুলোর তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি বোঝার সক্ষমতা বাড়াবে, বহির্সীমা সুরক্ষিত করতে সহায়তা করবে এবং অননুমোদিত বা শত্রুতাপূর্ণ ড্রোন কার্যক্রমের ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা জোরদার করবে।
সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন প্রতিরোধে ইইউর আরও ১৩ কোটি ইউরো বরাদ্দ
ডিজিটাল বিজ্ঞাপনবিষয়ক একটি ব্যাখ্যামূলক লেখায় বলা হয়েছে, বেশি ক্লিক পাওয়া মানেই কোনো ক্যাম্পেইন সফল—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। রাফিদ ও তানভীরের কথোপকথনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে, বিজ্ঞাপনে ক্লিকের পর ব্যবহারকারী ল্যান্ডিং পেজে পৌঁছালেন কি না, পণ্য দেখলেন কি না, ফর্ম পূরণ করলেন, নিবন্ধন করলেন বা কেনাকাটা করলেন কি না—এসবও যাচাই জরুরি। কাঙ্ক্ষিত এসব কাজকে কনভার্সন বলা হয়েছে এবং CTR-কে পুরো ফলাফলের একটি মাত্র মেট্রিক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
লেখাটি বলছে, বিজ্ঞাপন পরিবেশন, ক্লিক এবং নির্দিষ্ট ব্যবহারকারী-অ্যাকশন মাপতে বিভিন্ন ট্র্যাকিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। অ্যাট্রিবিউশনের মাধ্যমে কেনাকাটার আগে গ্রাহক কোন কোন বিজ্ঞাপন, সার্চ বা অন্য চ্যানেলে সাড়া দিয়েছেন তা নির্ণয় করে সংশ্লিষ্ট মাধ্যমকে ক্রেডিট দেওয়া হয়। কোন অ্যাট্রিবিউশন মডেল ব্যবহৃত হচ্ছে, তার ওপর ফল নির্ভর করতে পারে।
ভুল ট্র্যাকিংয়ের কারণে বাস্তব কনভার্সন রিপোর্টে না-ও আসতে পারে, আবার দুর্বল সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও কোনো বিজ্ঞাপনের নামে কনভার্সন যুক্ত হতে পারে। তাই ক্যাম্পেইন শুরুর আগে ও চলাকালে টেস্ট ক্লিক, ল্যান্ডিং পেজ, ইভেন্ট ফায়ারিং এবং রিপোর্টিং যাচাইয়ের কথা বলা হয়েছে। লেখার শেষে ভিউয়াবিলিটি, অর্থাৎ ব্যবহারকারী সত্যিই বিজ্ঞাপনটি দেখেছেন কি না, সেই প্রসঙ্গ তোলা হয়েছে।
ক্লিকের পরের কনভার্সন ও নির্ভুল ট্র্যাকিংই বিজ্ঞাপনের প্রকৃত ফল দেখায়
গাজামুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার চার কর্মী গত মার্চ থেকে তিউনিসিয়ায় বিচারাধীন অবস্থায় কারাগারে থাকায় তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। আটকরা হলেন ওয়ায়েল নাওয়ার, ঘাসান হেনচিরি, ঘাসান বোগদিরি ও নাবিল চান্নুফি। ফ্লোটিলার অর্থ সংগ্রহ ও অর্থ ব্যবহারে কথিত অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত চলছে, তবে তারা ও তাদের আইনজীবীরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এখনো কারও বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হয়নি।
ওয়ায়েল নাওয়ার ১৬ আগস্ট কারাগারে অনশন শুরু করেন এবং শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আইনজীবী ও সমর্থকদের অনুরোধে ৩৮ দিন পর তিনি অনশন স্থগিত করেন। পরিবারের ভাষ্য, তার ওজন কমেছে এবং মাথা ঘোরা, দুর্বলতা ও পানি ধরে রাখতে না পারার সমস্যা হয়েছে। ঘাসান হেনচিরি ৯ সেপ্টেম্বর থেকে অনশনে রয়েছেন; তার বাবা বলেছেন, তিনি অত্যন্ত দুর্বল এবং ইসরাইলে আটক অবস্থায় মাথায় পাওয়া আঘাতের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাননি।
আইনজীবীদের করা আবেদন খারিজ করে তিউনিসের আপিল আদালত চারজনের বিচারপূর্ব কারাবাস আরও চার মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এটি রাজনৈতিক বা ফিলিস্তিনপন্থী তৎপরতার মামলা নয়, বরং অর্থসংক্রান্ত তদন্ত। মানবাধিকার সংগঠনগুলো নাগরিক সমাজকর্মীদের বিরুদ্ধে আর্থিক ও মানি লন্ডারিং আইন ব্যবহারে উদ্বেগ জানিয়েছে। পরিবার ও সমর্থকেরা দ্রুত মুক্তি এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দাবি করছেন।
তিউনিসিয়ায় আটক চার ফ্লোটিলা কর্মীর স্বাস্থ্য অবনতির অভিযোগ
রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয়ব্যবস্থার বিধান যুগোপযোগী করতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে রোববার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
সংশোধিত সরকারি ক্রয় আইনের মাধ্যমে দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা, ক্রয়কার্যে অধিক প্রতিযোগিতা সৃষ্টি এবং ক্রয় চুক্তি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত বিধান সম্প্রসারণের কথা বলা হয়েছে। এতে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির কার্যপ্রণালি আধুনিকায়ন এবং টেকসই ক্রয়ব্যবস্থার জন্য আরও বিধান অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।
পণ্য, কার্য ও ভৌতসেবা ক্রয়ে নির্ণায়কের অনুপাতভিত্তিক মূল্যায়নের বিধান রাখা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত Rated Criteria ধারণার সমার্থক। সম্পদের সুষম বিস্তারের লক্ষ্যে সীমিত দরপত্র পদ্ধতির প্রয়োগ এবং পেশাগত অসদাচরণ বিষয়ে স্পষ্ট বিধানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে খসড়াটি চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে।
জরুরি ক্রয়ব্যবস্থা ও দরপত্রের নিয়ম আধুনিক করতে অধ্যাদেশে মন্ত্রিসভার অনুমোদন
ইউরোপিয়ান পলিসি সেন্টারের প্রধান নির্বাহী ফ্যাবিয়ান জুলিগ কানাডার জন্য ‘ইন্টিগ্রেটেড পার্টনারশিপ’ নামে একটি নতুন কাঠামোর প্রস্তাব দিয়েছেন। এতে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য না হয়েও কানাডা সদস্য রাষ্ট্রের মতো গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারবে। প্রস্তাবিত সম্পর্ক শুধু বাণিজ্য বা একক বাজারে প্রবেশাধিকারে সীমাবদ্ধ নয়; প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতিও এর অন্তর্ভুক্ত হবে।
এই কাঠামোর ভিত্তি হবে ভৌগোলিক অবস্থান নয়, বরং অভিন্ন রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ। ইইউ সদস্য হতে অনিচ্ছুক দেশও ইন্টিগ্রেটেড পার্টনার হতে পারবে এবং নির্দিষ্ট নীতিক্ষেত্রে ইইউর সঙ্গে সার্বভৌম ক্ষমতার কিছু অংশ সমন্বিতভাবে প্রয়োগ করতে পারবে। আইসল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, নরওয়ে, কানাডা, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াকে সম্ভাব্য অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সুবিধার পাশাপাশি অংশীদারদের সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব ও ব্যয়ও বহন করতে হবে।
আগামী অক্টোবরে ইইউ-কানাডা শীর্ষ সম্মেলনে কানাডার বিশেষ মর্যাদা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করার কথা বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ইইউর সঙ্গে একটি ‘ইউনিক অ্যালায়েন্স’ গঠনের আগ্রহ জানিয়েছেন। ইউক্রেন ও পশ্চিম বলকানের দেশগুলোর জন্য এই ব্যবস্থা অন্তর্বর্তী সেতু হতে পারে, তবে তা যেন পূর্ণ সদস্যপদের বিকল্প না হয়—সেই সতর্কতাও রয়েছে।
পূর্ণ সদস্যপদ ছাড়াই কানাডার জন্য ইইউ-ধাঁচের বিশেষ অংশীদারত্বের প্রস্তাব
সূত্রে বলা হয়েছে, বেতন ১০০ শতাংশ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ছে। তবে এই বেতন বৃদ্ধি কার জন্য, কোন প্রতিষ্ঠান বা খাতে, কোথায় এবং কবে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
বর্তমান বেতনের পরিমাণ, বৃদ্ধির ভিত্তি, কারা এর আওতায় থাকবেন, বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া কিংবা কতজন উপকৃত হতে পারেন—এসব বিষয়ে উৎসে কোনো বিস্তারিত তথ্য নেই। সেখানে কোনো উদ্ধৃতি, তারিখ, সংশ্লিষ্ট পক্ষের মন্তব্য বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণার তথ্যও নেই।
উৎসে আরও বলা হয়েছে, দেশের খবর পেতে পাঠকদের গুগল নিউজে ‘আমার দেশ’ চ্যানেল অনুসরণ করতে। বেতন বৃদ্ধির উল্লিখিত হার ছাড়া পরবর্তী পদক্ষেপ বা সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে অন্য কোনো যাচাইকৃত তথ্য দেওয়া হয়নি।
সূত্র বলছে, বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ছে
উৎসের শিরোনামে বলা হয়েছে, পরিস্থিতিতে স্বস্তি থাকলেও অর্থ জোগান একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। তবে এই মূল্যায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, খাত, স্থান বা সময় সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
প্রদত্ত লেখায় কোনো সহায়ক তথ্য, সংখ্যা, উদ্ধৃতি, পটভূমি বা অংশীজনের প্রতিক্রিয়া নেই। কী কারণে স্বস্তির কথা বলা হয়েছে কিংবা অর্থ জোগান কেন চ্যালেঞ্জ, সে বিষয়েও উৎসে ব্যাখ্যা করা হয়নি।
উৎসে পাঠকদের আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে কোনো পরবর্তী পদক্ষেপ, নীতিগত ব্যবস্থা, অর্থায়ন পরিকল্পনা বা সম্ভাব্য ফলাফলের তথ্য উল্লেখ নেই।
স্বস্তি থাকলেও অর্থ জোগান চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে
আলোচিত অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্ত পবিত্র মক্কায় আধ্যাত্মিক সফরে গিয়ে নিজের দেশ ও দেশের তরুণ প্রজন্মের নিরাপত্তা, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করেছেন। তিনি ঈশ্বরের কাছে দেশকে রক্ষা করার আবেদন জানান এবং মানুষকে ভুল পথে চালিত করা ব্যক্তিদের হাত থেকে দেশকে নিরাপদ রাখার প্রার্থনা করেন। রাজনৈতিক নেতাদেরও সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
প্রার্থনার সময় রাখি দেশের একটি সাম্প্রতিক মর্মান্তিক ঘটনার কথা স্মরণ করেন, যেখানে আইফোন কেনার আবদারকে কেন্দ্র করে পারিবারিক অশান্তির জেরে এক পরিবারের তিন সদস্য আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনার উল্লেখ করে তিনি তরুণদের নিজের পায়ে দাঁড়ানোর পরামর্শ দেন এবং দামি জিনিস বা আইফোনের চাহিদার কারণে বাবা-মাকে কষ্ট না দিতে বলেন।
তিনি কঠোর পরিশ্রম করে নিজের উপার্জনে ভবিষ্যৎ ও জীবন গড়ে তোলার আহ্বান জানান। ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে রাখি বলেন, তিনি জন্মসূত্রে হিন্দু, পরে খ্রিষ্টান ধর্মের সঙ্গে যুক্ত হন এবং বর্তমানে ইসলাম অনুসরণ করেন; তবে সব ধর্মকে সমান সম্মান করেন। সফরে তিনি শিক্ষা, সততা ও বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানদের দায়িত্ববোধের ওপর জোর দেন।
মক্কায় তরুণদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ববোধের জন্য রাখির প্রার্থনা
নিবন্ধটিতে বলা হয়েছে, কান্না থামানো বা খাওয়ানোর জন্য শিশুদের স্মার্টফোন, ট্যাব কিংবা টেলিভিশনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ভাষা, সামাজিক যোগাযোগ, মনোযোগ ও সামগ্রিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এতে ‘ভার্চুয়াল অটিজম’ শব্দটি ব্যবহার করে সতর্ক করা হয়েছে যে, স্ক্রিনের একমুখী যোগাযোগ বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা, খেলা ও পরিবেশের সঙ্গে সরাসরি অংশগ্রহণের বিকল্প নয়।
সতর্কতার লক্ষণ হিসেবে দেরিতে কথা বলা, চোখে চোখ না রাখা, নামে সাড়া না দেওয়া, সামাজিক মেলামেশায় অনীহা, যৌথ মনোযোগের ঘাটতি, খেলাধুলার দক্ষতা কমে যাওয়া, নির্দেশনা বুঝতে সমস্যা এবং স্ক্রিন বন্ধ হলে তীব্র কান্না বা জিনিস ছোড়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই স্ক্রিন দায়ী বা শিশুর অটিজম হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সঠিক মূল্যায়নের জন্য শিশু বিশেষজ্ঞ বা স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্টের পরামর্শ নিতে বলা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, দুই বছরের কম বয়সিদের বিনোদনমূলক স্ক্রিন ব্যবহার এড়িয়ে চলা এবং দুই থেকে পাঁচ বছর বয়সিদের ক্ষেত্রে দিনে সর্বোচ্চ এক ঘণ্টায় সীমিত রাখার কথা বলা হয়েছে। অভিভাবকদের সন্তানদের সঙ্গে কথা বলা, গল্প করা, খেলা এবং নিরাপদ ঘরোয়া কাজে যুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
শিশুর স্ক্রিন সময় কমিয়ে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর পরামর্শ
ইতালির উদ্দেশে যাত্রার সময় তিউনিসিয়ার উপকূলের কাছে অভিবাসীবাহী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১৩ তিউনিসীয় নিখোঁজ হয়েছেন। তিউনিসিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটসের প্রধান মোস্তফা আবদেলকেবির শনিবার এ তথ্য জানান। নৌকাটি বৃহস্পতিবার ভোরে যাত্রা শুরু করেছিল।
নৌকাটি থেকে দুজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের একজন উদ্ধারকারীদের জানান, নৌকাটি উল্টে যাওয়ার পর তারা কয়েক ঘণ্টা সমুদ্রে আটকা ছিলেন। নৌকাটি কী কারণে উল্টে যায় বা নিখোঁজ ব্যক্তিদের অবস্থা সম্পর্কে প্রতিবেদনে আর কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার জন্য একসময় তিউনিসিয়া অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান যাত্রাপথ ছিল। তবে গত দুই বছরে দেশটি থেকে অভিবাসীদের যাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ঘটনাটি ইতালিমুখী সমুদ্রযাত্রার সময় ঘটেছে।
তিউনিসিয়া উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকাডুবিতে অন্তত ১৩ তিউনিসীয় নিখোঁজ
হাঙ্গেরির একটি মহাসড়কে পোল্যান্ডের নিবন্ধিত একটি বাস উল্টে ১২ জন নিহত এবং অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী পিটার মাগিয়ার ও পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার খবর প্রকাশিত হয়েছে।
পুলিশের এক বিবৃতি অনুযায়ী, শনিবার গ্রিনিচ মান সময় রাত ১টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। বাসটি রাজধানী বুদাপেস্টের পূর্বদিকে মেসোকেরেস্তেসের কাছে এম-৩ মহাসড়কে উল্টে যায়।
দুর্ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আহতদের বিষয়ে প্রতিবেদনে গুরুতর আহত হওয়ার তথ্য দেওয়া হলেও তাদের পরিচয়, বাসটিতে মোট কতজন ছিলেন বা দুর্ঘটনার পর কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে—এসব বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
হাঙ্গেরির এম-৩ মহাসড়কে পোল্যান্ডের নিবন্ধিত বাস উল্টে নিহত ১২, গুরুতর আহত অন্তত ১০
ইউরোপজুড়ে দীর্ঘস্থায়ী খরা ও তীব্র তাপপ্রবাহে দানিয়ুব নদীর পানির স্তর রেকর্ড পরিমাণ কমে যাওয়ায় হাঙ্গেরির একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পাকস বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পিটার মাগিয়ার রোববার জানান, ৪৪ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হতে যাচ্ছে। কেন্দ্রটি বুদাপেস্টের দক্ষিণে অবস্থিত।
পাকস কেন্দ্র সাধারণত হাঙ্গেরির মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সরবরাহ করে। এর শীতলীকরণ ব্যবস্থা দানিয়ুব থেকে পাম্পে তোলা পানির ওপর নির্ভরশীল। মে মাস থেকে বৃষ্টির অভাব এবং ধারাবাহিক তাপপ্রবাহে নদীর পানি রেকর্ড সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। মাগিয়ার এক্সে বলেন, শেষ দুটি উৎপাদন ইউনিটের একটি রাত ১টা ৩০ মিনিটে বন্ধ করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই পদক্ষেপে কেন্দ্রটির উৎপাদনক্ষমতা কমে ২৪০ মেগাওয়াটে নামবে এবং পরদিন সেটি পুরোপুরি বন্ধ হবে। শুক্রবার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানও জানিয়েছিল, পানির স্তর কমতে থাকলে আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি পূর্ণ বন্ধের প্রয়োজন হতে পারে। হাঙ্গারোমেট আগামী কয়েক দিনে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার পূর্বাভাস দিয়েছে; বৃহস্পতিবার তা ৪২ ডিগ্রিতে পৌঁছাতে পারে।
দানিয়ুবের পানি রেকর্ড কমায় পাকস পারমাণবিক কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধের পথে
স্পেনের ছিটমহল সেউতায় অভিবাসন সংকট এবং ইইউ সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সৃষ্ট উত্তেজনা নিরসনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন জরুরি বৈঠক ডেকেছে। বিবিসির রোববারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকটি আগামী মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে। সম্প্রতি মরক্কো থেকে প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসী একযোগে সেউতায় প্রবেশ করেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইইউর বহিঃসীমান্ত সুরক্ষা ও সমন্বিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে ২২ জন ইইউ নেতার স্বাক্ষরিত একটি যৌথ চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিটি ইইউ প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন এবং আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিনকে উদ্দেশ্য করে লেখা। এতে বলা হয়, অবৈধ প্রবেশ সম্ভব—এমন ধারণা ইউরোপজুড়ে নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি, অভিবাসীদের উৎসাহিত এবং যৌথ নীতির ওপর আস্থা ক্ষুণ্ন করতে পারে।
এই সীমান্ত পারাপারে অন্তত ৬৭ জন নিহত হয়েছেন, যদিও কর্মকর্তারা বলেছেন ৩০ জুলাই সেউতায় পৌঁছানো প্রায় সবাই ফিরে গেছেন। ইতালি এক মাসের জন্য স্পেনের সঙ্গে শেনজেন চুক্তি স্থগিত করেছে; ফিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক পদক্ষেপটি সমর্থন করেছে। স্পেন এটি স্বার্থপর, বিভাজনমূলক ও বেআইনি বলেছে। স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মার্লাস্কা জানান, পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক এবং জলপথে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে প্রতিবন্ধক নির্মাণ চলছে।
সেউতা সংকট নিয়ে মঙ্গলবার জরুরি বৈঠক ডেকেছে ইইউ
প্রেসিডেন্ট কাইস সাইদের ক্ষমতা দখলের পাঁচ বছর পর তিউনিসিয়ায় রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, অর্থনৈতিক অবনতি, ভেঙে পড়া জনসেবা এবং দীর্ঘ বিদ্যুৎ-পানি সংকটকে কেন্দ্র করে জনঅসন্তোষ তীব্র হচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানী তিউনিসে হাজারো মানুষ সাইদের ক্রমবর্ধমান কর্তৃত্ববাদ ও জীবনযাত্রার অবনতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন। একই সময়ে তার সমর্থকেরা পাল্টা সমাবেশ করে বিরোধীদের দেশদ্রোহী আখ্যা দিয়ে কারাবন্দির দাবি জানান।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তিউনিসিয়া পরিচালক সালসাবিল শেল্লালি বলেন, সরকারবিরোধী সমালোচনা কার্যত অসহনীয় হয়ে উঠেছে এবং বিরোধী দল, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী নেতাদের অনেকে কারাগারে বা নির্বাসনে রয়েছেন। এন্নাহদার শীর্ষ নেতাদের অধিকাংশ বন্দি; ৮৫ বছর বয়সী নেতা রাশেদ ঘানুশিও কারাগারে আছেন।
তাপপ্রবাহ ও দাবানলে প্রায় ৪ হাজার ৪০০ হেক্টর জমি পুড়েছে, আর লোডশেডিংয়ে বহু এলাকায় টানা ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। গবেষক হামজা মেদদেবের মতে, সেন্সরশিপের কারণে মানুষ প্রেসিডেন্টকে প্রকাশ্যে দায়ী করতে ভয় পায়। বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইইউ, আলজেরিয়া ও লিবিয়ার সমর্থনে সাইদের অবস্থান শক্ত হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সংস্কারের আশা ক্ষীণ।
দমন, অর্থনৈতিক সংকট ও সেবা বিপর্যয়ে তিউনিসিয়ায় বাড়ছে জনঅসন্তোষ
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) গুগলকে নির্দেশ দিয়েছে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে প্রতিদ্বন্দ্বী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) অ্যাপগুলোর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে। পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী সার্চ ইঞ্জিন ও যোগ্য এআই চ্যাটবটের সঙ্গে নির্দিষ্ট সার্চ-সংক্রান্ত তথ্য অ্যানোনিমাইজড আকারে ভাগাভাগি করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইইউর পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গুগলের নিজস্ব এআই সহকারী জেমিনি অ্যান্ড্রয়েডে বিশেষ সুবিধা পায়, যা প্রতিযোগিতাকে বাধাগ্রস্ত করছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্যবহারকারীরা ভবিষ্যতে নিজেদের পছন্দের এআই সহকারী বেছে নিতে পারবেন এবং গুগলকে নিশ্চিত করতে হবে যে এসব অ্যাপ ভয়েস কমান্ড ও স্মার্ট ফিচার ব্যবহারে সক্ষম হয়। ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে সার্চ ডেটা ভাগাভাগি শুরু করতে হবে এবং জুলাইয়ের মধ্যে অ্যান্ড্রয়েডের সফটওয়্যার সুবিধা উন্মুক্ত করতে হবে। তথ্য সুরক্ষার প্রক্রিয়া একটি স্বাধীন তৃতীয় পক্ষ মূল্যায়ন করবে।
গুগল এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে, দাবি করেছে এটি ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। অ্যাপলও একই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ইইউ বলেছে, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো ডিজিটাল বাজারে ন্যায্য প্রতিযোগিতা, উদ্ভাবন এবং ব্যবহারকারীর বিকল্প বৃদ্ধি করা।
অ্যান্ড্রয়েড উন্মুক্ত ও সার্চ ডেটা ভাগের নির্দেশে গুগলকে বাধ্য করল ইইউ
নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, সুস্থ থাকতে শুধু কী খাচ্ছেন তা নয়, বরং কীভাবে ও কখন খাচ্ছেন সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণায় দেখা যায়, ধীরে ধীরে ও ভালোভাবে চিবিয়ে খাওয়া এবং নিয়মিত সময়ে খাবার গ্রহণ হজম, বিপাকক্রিয়া ও ওজন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। ধীরে খাওয়ার ফলে শরীর সহজে খাবার প্রক্রিয়াজাত করতে পারে, দ্রুত তৃপ্তি অনুভব হয় এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে।
গবেষকরা দীর্ঘদিনের প্রচলিত ধারণা—ওজন নিয়ন্ত্রণ কেবল ক্যালরি গ্রহণ ও ব্যয়ের ভারসাম্যের ওপর নির্ভর করে—এটি পুরোপুরি সঠিক নয় বলে উল্লেখ করেছেন। তাদের মতে, শরীর কীভাবে খাবার গ্রহণ ও প্রক্রিয়াজাত করে, সেটিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস শরীরকে পুষ্টি উপাদান কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে সাহায্য করে এবং শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, দীর্ঘমেয়াদে সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে শুধু পুষ্টিকর খাবার নয়, বরং নিয়মিত সময়ে খাওয়া, ধীরে চিবিয়ে খাওয়া, পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের সমন্বয় প্রয়োজন।
গবেষণায় দেখা গেছে, খাওয়ার সময় ও গতি হজম ও ওজন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ২৭ সদস্যদেশজুড়ে শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বয়সভিত্তিক নতুন বিধিনিষেধ আরোপের উদ্যোগ নিয়েছে। সোমবার ব্রাসেলসে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন এই ঘোষণা দেন। অনলাইনে শিশুদের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষায় এটি হতে পারে ইইউর সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। দুই বিশেষজ্ঞের প্রস্তুত করা প্রস্তাবে বয়স অনুযায়ী ধাপে ধাপে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের শুধুমাত্র বাবা-মা, অভিভাবক বা শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে সীমিত সময়ের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব বিধিনিষেধ ধীরে ধীরে শিথিল করা হবে। ভন ডার লিয়েন জানান, গ্রীষ্মকাল শেষে ইউরোপীয় কমিশন একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব উপস্থাপন করবে এবং সেপ্টেম্বরে ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে বিস্তারিত ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।
অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বা বিবেচনা করছে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, তারা কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে।
ইইউর ২৭ দেশে শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বয়সভিত্তিক নতুন বিধিনিষেধ আসছে
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের ‘আসক্তি তৈরির নকশা’ পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছে মেটাকে। শুক্রবার ব্রাসেলস থেকে প্রকাশিত প্রাথমিক মূল্যায়নে বলা হয়, শিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ঝুঁকি কমাতে ব্যর্থ হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ইনফিনিট স্ক্রল, ব্যক্তিকেন্দ্রিক নিউজ ফিড ও অটোপ্লে ভিডিওর মতো বৈশিষ্ট্য ব্যবহারকারীদের দীর্ঘ সময় ধরে প্ল্যাটফর্মে আটকে রাখে।
ইইউর প্রযুক্তিবিষয়ক প্রধান হেনা ভিরক্কুনেন বলেন, ইউরোপের মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা করা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। কমিশন জানিয়েছে, মেটাকে ডিফল্টভাবে অটোপ্লে ও ইনফিনিট স্ক্রল বন্ধ রাখা, কার্যকর স্ক্রিন টাইম বিরতি চালু করা এবং রেকমেন্ডার অ্যালগরিদমের ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে। মেটা কমিশনের মূল্যায়নের সঙ্গে একমত নয়, তবে ইইউর সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ চালিয়ে যাবে।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে ইইউ মেটার বৈশ্বিক বার্ষিক আয়ের সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা করতে পারবে। শিশু সুরক্ষায় ইইউর সাম্প্রতিক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের নকশা না বদলালে মেটাকে বড় জরিমানার হুঁশিয়ারি ইইউর
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সর্বোচ্চ আদালত গুগলের বিরুদ্ধে ৪.১ বিলিয়ন ইউরোর অ্যান্টিট্রাস্ট জরিমানা বহাল রেখেছে। বৃহস্পতিবার ঘোষিত এই রায়ে আদালত গুগল ও এর মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের আপিল খারিজ করে জানায়, অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে নিজেদের প্রভাবশালী অবস্থানের অপব্যবহার করে গুগল সার্চকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের এই আইনি লড়াইয়ে এটি মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির জন্য বড় ধাক্কা।
মামলাটি শুরু হয় ২০১৮ সালে, যখন ইউরোপীয় কমিশন অভিযোগ করে যে গুগল অ্যান্ড্রয়েডচালিত ফোনে গুগল সার্চ ও ক্রোম ব্রাউজার প্রি-ইনস্টল করার শর্ত আরোপ করে প্রতিযোগিতাবিরোধী আচরণ করেছে। প্রথমে কমিশন ৪.৩৪ বিলিয়ন ইউরো জরিমানা করে, যা পরে নিম্ন আদালত কমিয়ে ৪.১২৫ বিলিয়ন ইউরো নির্ধারণ করে।
সর্বশেষ রায়ে আদালত জানায়, নিম্ন আদালত আইনের কোনো ভুল ব্যাখ্যা করেনি। আদালতের মতে, গুগলের প্রি-ইনস্টলেশন ও অ্যান্টি-ফ্র্যাগমেন্টেশন চুক্তি প্রতিযোগিতা সীমিত করেছে এবং নতুন প্রতিষ্ঠানের বাজারে প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করেছে। ব্যবহারকারীদের পছন্দ বা সেবার মানের কারণে বাজারে অবস্থান তৈরি হয়েছে—গুগলের এই যুক্তিও আদালত প্রত্যাখ্যান করেছে।
অ্যান্ড্রয়েড বাজার অপব্যবহারে গুগলের বিরুদ্ধে ৪.১ বিলিয়ন ইউরো জরিমানা বহাল
ইউরোপীয় পার্লামেন্ট বুধবার এমন একটি কঠোর অভিবাসন আইন অনুমোদন দিতে যাচ্ছে, যার মাধ্যমে অবৈধভাবে আগত অভিবাসীদের আটক ও বহিষ্কারের ক্ষমতা আরও বাড়বে। নতুন আইনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে নির্বাসন বা ডিপোর্টেশন সেন্টার স্থাপনের সুযোগও তৈরি হবে। স্ট্রাসবুর্গে অনুষ্ঠিত এই ভোটটি দীর্ঘ আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার শেষ ধাপগুলোর একটি, যা অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে বাড়তে থাকা রাজনৈতিক চাপের প্রেক্ষাপটে নেওয়া হয়েছে।
ইইউর অভিবাসন কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনার বলেছেন, এই আইন স্পষ্ট করে জানিয়ে দিচ্ছে যে ইউরোপে কে থাকবে বা যাবে, তা ইইউ-ই নির্ধারণ করবে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই আইনের সমালোচনা করেছে, কারণ এতে ইইউর বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ বা বহিষ্কার কেন্দ্র স্থাপনের বিধান রয়েছে। ডেনমার্ক, অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসসহ কয়েকটি দেশ এই প্রকল্পে আগ্রহ দেখিয়েছে, তবে ফ্রান্স ও স্পেন এর বিরোধিতা করেছে।
গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিৎসোটাকিস জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের মধ্যে প্রথম চুক্তি সম্পন্ন করে ২০২৭ সাল থেকে এসব কেন্দ্র চালু করার লক্ষ্য রয়েছে। বর্তমানে বহিষ্কারের নির্দেশ পাওয়া অভিবাসীদের মাত্র ৩০ শতাংশ নিজ দেশে ফিরে গেছে, তাই ইইউ এখন প্রত্যাবাসন ব্যবস্থার উন্নতিতে মনোযোগ দিচ্ছে।
ইইউ পার্লামেন্ট কঠোর অভিবাসন আইন অনুমোদনে যাচ্ছে, বাড়ছে আটক ও বহিষ্কার ক্ষমতা
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ১৭২ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।