গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনি ফুটবলারদের স্মরণে স্কটল্যান্ডের হ্যাম্পডেন পার্ক স্টেডিয়ামের বাইরে একটি স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। রেড কার্ড গ্লাসগো এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে, যা স্কটল্যান্ডের জাতীয় স্টেডিয়ামের প্রধান প্রবেশপথে অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারীরা নিহত খেলোয়াড়দের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ফুটবল, জার্সি, জুতা ও ফিলিস্তিনি স্কার্ফ প্রদর্শন করেন।
আয়োজকদের মতে, এই সমাবেশের উদ্দেশ্য ছিল নিহত ফিলিস্তিনি ফুটবলারদের স্মৃতিকে সম্মান জানানো এবং ক্রীড়াঙ্গনে চলমান সংঘাতের প্রভাবের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা। অনুষ্ঠানটি খেলাধুলা ও মানবিক সংবেদনশীলতার সংযোগকে তুলে ধরে, গাজায় সহিংসতার প্রেক্ষাপটে ক্রীড়া সম্প্রদায়ের ক্ষতির প্রতিফলন ঘটায়।
এই স্মরণসভা ছিল সংহতির প্রতীকী প্রকাশ, যা সংঘাতের মানবিক মূল্য ও ক্রীড়াজগতের শোককে সামনে আনে।
গাজায় নিহত ফিলিস্তিনি ফুটবলারদের স্মরণে স্কটল্যান্ডে শ্রদ্ধা অনুষ্ঠান
ইরানে অযৌক্তিক হামলার নিন্দা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা করেছেন স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার জন সুইনি। তিনি বলেছেন, এই হামলার কোনো আন্তর্জাতিক আইনি ভিত্তি নেই এবং ইরানের নিরীহ শিশু ও শান্তির স্বার্থে তা অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান।
সুইনি বলেন, তেহরান জ্বলছে, রাস্তায় আগুন, স্কুলে বোমা হামলা, হাজার হাজার মানুষ নিহত হচ্ছেন—এ পরিস্থিতি কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। তিনি উত্তেজনা প্রশমন ও যুদ্ধের অবসানের জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টার আহ্বান জানান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর থেকে এই অঞ্চলে সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে, যেখানে প্রায় ১,৩০০ জন নিহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও রয়েছেন।
ইরান পাল্টা জবাবে ইসরাইল, জর্ডান, ইরাক ও উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে, যার ফলে হতাহতের পাশাপাশি অবকাঠামোর ক্ষতি ও বৈশ্বিক বাজার ও বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে।
ইরান হামলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সমালোচনা করে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জন সুইনির
দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরছে স্কটল্যান্ড। ডেনমার্ককে ৪-২ গোলে হারিয়ে গ্রুপ ‘সি’ থেকে সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে ইউরোপের এই দলটি। ১৯৯৮ সালের পর এটাই তাদের প্রথম বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ। ম্যাচে বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও ডেনমার্ককে হারাতে পারেনি কার্যকারিতায় পিছিয়ে থাকা দলটি। স্কট ম্যাকটমিনে বাইসাইকেল কিকে প্রথম গোল করেন, এরপর লরেন্স শাঙ্কল্যান্ড, কিয়েরান টিয়েরনি ও কেনি ম্যাকলিন গোল করেন স্কটল্যান্ডের হয়ে। ডেনমার্কের পক্ষে রাসমুস হয়লুন্দ ও প্যাট্রিক ডর্গু গোল করলেও জয় পায়নি তারা। ছয় ম্যাচে চার জয়, এক ড্র ও এক হারে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপসেরা স্কটল্যান্ড সরাসরি বিশ্বকাপে, আর ১১ পয়েন্ট নিয়ে প্লে-অফে নামবে ডেনমার্ক। এই জয়ে উল্লাসে ভাসছে স্কটিশ সমর্থকরা।
২৮ বছর পর ডেনমার্ককে হারিয়ে বিশ্বকাপে ফিরল স্কটল্যান্ড
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ৪৬ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।