হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল অব্যাহত রাখতে নতুন একটি খসড়া প্রস্তাব দিয়েছে ওমান। শনিবার মাস্কাটে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি এই প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবটির লক্ষ্য হলো বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল নির্বিঘ্ন রাখা।
সিএনএনের বরাতে জানা গেছে, আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে প্রস্তাব অনুযায়ী হরমুজ প্রণালিটি দুটি পৃথক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এতে প্রণালির উত্তর ও দক্ষিণ উভয় দিকের নৌপথই জাহাজ চলাচলের জন্য খোলা থাকবে। প্রস্তাবিত চুক্তিটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং আলোচনা চলছে।
চুক্তিটি কার্যকর হলে হরমুজ প্রণালির দুই দিকের নৌপথে স্থিতিশীলতা ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হতে পারে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
হরমুজ প্রণালির নৌপথে নতুন নিয়ন্ত্রণ প্রস্তাব দিল ওমান
ওমানের লিমা উপকূলের কাছে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পরিচালনাবিষয়ক সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, হামলার পর জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। ঘটনাটি লিমা উপকূল থেকে আট নটিক্যাল মাইল পূর্বে ঘটে, যখন জাহাজটি দক্ষিণ দিকে যাচ্ছিল। সংস্থাটি জানায়, ক্ষেপণাস্ত্রটি ট্যাংকারের বাম পাশে আঘাত করে।
ইউকেএমটিও জানিয়েছে, এই হামলায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি এবং পরিবেশগত ক্ষতির আশঙ্কাও নেই। কর্তৃপক্ষ পুরো ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং হামলার উৎস সম্পর্কে এখনো কিছু জানানো হয়নি।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থাগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মূল্যায়ন করছে।
ওমানের লিমা উপকূলে তেল ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হতাহতের খবর নেই
ওমানের দুকম বন্দরে নোঙর করা সেলেস্টিয়াল নামের একটি জাহাজে এক ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার রাতে মাস্কটে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানায়, জাহাজে অবস্থানকালে ওই নাবিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পরে মারা যান। মরদেহ দ্রুত ভারতে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও দূতাবাস জানিয়েছে।
ভারতের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজে তিন লাখের বেশি ভারতীয় নাবিক কর্মরত রয়েছেন, যার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ১৮ হাজারেরও বেশি কাজ করছেন। কয়েকদিন আগেই ওমান উপকূলে মার্কিন হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার পর নতুন করে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটল।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের বিরোধী দলগুলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আহ্বান জানিয়েছে আসন্ন জি-সেভেন সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ট্যাংকার হামলার বিষয়টি উত্থাপন করতে। এ ঘটনায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন কূটনীতিকদের তলব করে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে।
ওমানের দুকম বন্দরে জাহাজে ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু, মরদেহ ফেরাতে দূতাবাসের উদ্যোগ
ওমান উপকূলে হরমুজ প্রণালির কাছে একটি ট্যাংকারের ইঞ্জিন রুমে আগুন লেগেছে বলে জানিয়েছে ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)। আগুন লাগার কারণ প্রকাশ করা হয়নি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনাটি ওমানের সোহার থেকে প্রায় ২১ নটিক্যাল মাইল উত্তর-পূর্বে ঘটেছে।
এই ঘটনা এমন সময় ঘটল যখন সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার পর ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছে। ইরান জানিয়েছে, এই সমুদ্রপথ দিয়ে যাতায়াতের চেষ্টা করা যেকোনো নৌযানকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ, এবং এর বন্ধ হওয়া আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়িয়েছে।
বন্ধ প্রণালির কাছাকাছি ট্যাংকারে আগুনের এই ঘটনা সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সম্ভাব্য সংঘাত বৃদ্ধির আশঙ্কা আরও বাড়িয়েছে, যদিও আগুনের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার সরাসরি সম্পর্ক নিশ্চিত নয়।
হরমুজ প্রণালির কাছে ট্যাংকারে আগুন, ইরান প্রণালি বন্ধ রেখেছে
ওমানের উপকূলের কাছে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে ভারতের নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। মাদাগাস্কারের পতাকাবাহী ‘মারিভেক্স’ নামের জাহাজটিতে ২৪ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন, এবং সবাই নিরাপদ আছেন। ভারতের কেন্দ্রীয় বন্দর ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের পরিচালক ওপেশ কুমার শর্মা এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, আগুন লাগার সময় জাহাজটি কোনো ধরনের পণ্য বা তেল বহন করছিল না। নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিদেশে অবস্থিত ভারতীয় মিশন, ভারতীয় নৌবাহিনী এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একযোগে কাজ করছে।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনো জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাটির কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে বলে শর্মা জানিয়েছেন।
ওমান উপকূলে ট্যাঙ্কারে আগুন, ২৪ ভারতীয় নাবিক নিরাপদ
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের জমাদারগ্রামের বাসিন্দা শহীদুল ইসলাম (৪০) ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। শনিবার রাতে বেরুমি এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। তার মরদেহ বর্তমানে বেরুমি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। দীর্ঘ ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে তিনি ওমানে এমব্রয়ডারির কাজ করতেন। দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে আগামী বৃহস্পতিবার দেশে ফেরার কথা ছিল তার, এজন্য বিমানের টিকিটসহ সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছিলেন।
স্বজনদের বরাতে জানা যায়, শনিবার রাতে স্ত্রী, সন্তান ও আত্মীয়দের জন্য উপহার কিনে বাসায় ফেরার পথে দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। প্রবাসী সংগঠনের নেতারা মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছেন এবং সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
শহীদুল ইসলামের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন ও প্রতিবেশীরা তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
দেশে ফেরার আগে ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু
ওমানের মিনা আল ফাহাল তেল টার্মিনালে বিস্ফোরণের পর দেশটির প্রধান এই তেল রপ্তানি কেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে সূত্রের বরাতে জানানো হয়, টার্মিনালের সিঙ্গেল-বুই মুরিং (এসবিএম) বার্থের কাছে বিস্ফোরণ ঘটে এবং এর পরপরই তেল লোডিং কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
সূত্রমতে, এসবিএম ১ ও ২ বার্থের মধ্যে সন্দেহভাজন ড্রোন হামলার কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটে, যদিও হামলার সঠিক সময় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিস্ফোরণের পর বন্দরের বাইরে বেশ কয়েকটি সুপারট্যাঙ্কারকে নোঙর করা অবস্থায় দেখা গেছে, যা সাময়িক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
ঘটনাটি ওমানের তেল রপ্তানি অবকাঠামোর জন্য তাৎক্ষণিক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, তবে ক্ষয়ক্ষতি বা পুনরায় কার্যক্রম শুরু হওয়ার সময় সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
ওমানের মিনা আল ফাহাল টার্মিনালে বিস্ফোরণে কার্যক্রম বন্ধ, সন্দেহভাজন ড্রোন হামলার অভিযোগ
হরমুজ প্রণালিতে কোনো টোল আরোপ করা হবে না বলে যুক্তরাষ্ট্রকে আশ্বস্ত করেছে ওমান। বৃহস্পতিবার মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানান, তিনি ওমানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং রাষ্ট্রদূত নিশ্চিত করেছেন যে প্রণালিটিতে টোল আরোপের কোনো পরিকল্পনা নেই। হোয়াইট হাউসে এক ব্রিফিংয়ে বেসেন্ট বলেন, দুই দেশের মধ্যে ২০০ বছরের সুসম্পর্ক রয়েছে এবং ওমান এই সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।
বেসেন্ট আরও জানান, ওমান তার কোনো ব্যক্তি বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি নিতে চায় না। এর আগে তিনি সতর্ক করেছিলেন যে, ইরানের টোল আরোপ পরিকল্পনায় ওমান সমর্থন দিলে যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা নেবে। বুধবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ওমানকে সতর্ক করে বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই তেলবাহী রুটে হস্তক্ষেপ করা যাবে না, নইলে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে।
বেসেন্ট পরে ব্যাখ্যা করেন, প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচলের স্বাধীনতার গুরুত্ব তুলে ধরা।
হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপ না করার আশ্বাস দিল ওমান
হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা ও বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর শুল্ক আরোপে ওমানের সঙ্গে সমন্বয়ের দাবি করার পর ইরানের কারণে উপসাগরীয় দেশ ওমান ভূ-রাজনৈতিক টানাপোড়েনে পড়েছে। বিশ্বের সমুদ্রবাহিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়, তবে ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি হামলার পর গত দশ সপ্তাহ ধরে এটি অবরুদ্ধ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানকে কোনো ধরনের টোল বা শুল্ক দেওয়ার শর্তযুক্ত সমাধান তারা মেনে নেবে না এবং ওমানও একই অবস্থান নিয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি প্রণালিটিকে ইরান ও ওমানের যৌথ জলসীমা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। পশ্চিমা কূটনীতিকরা ইরানের প্রস্তাবকে বেআইনি বলেছেন, কারণ এতে জাহাজের জাতীয়তার ভিত্তিতে বৈষম্য ও জাতিসংঘ নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য নৌ-চলাচলের স্বাধীনতার ওপর ভিত্তি করে একটি বিকল্প পরিকল্পনা ওমানকে দিয়েছে, যা অধিকাংশ উপসাগরীয় দেশের সমর্থন পেয়েছে।
মূল অচলাবস্থা উপকূলীয় দেশগুলোর শুল্ক আরোপের আইনি অধিকার নিয়ে। ইরান ১৯৮২ সালের জাতিসংঘ সমুদ্র আইন চুক্তি অনুমোদন না করায় তারা প্রথাগত আন্তর্জাতিক আইনের ওপর নির্ভর করছে। নতুন পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি রাজস্ব আয়ের প্রত্যাশা করছে, তবে চীনের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ ও শুল্ক পরিকল্পনা নিয়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বন্দ্বে ওমান চাপে
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার চার প্রবাসী ভাই ওমানের মুলাদ্দা এলাকায় একটি গাড়ির ভেতর মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে এবং বুধবার সকালে স্থানীয়রা পুলিশকে জানায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গাড়ির এসি বিস্ফোরণ বা গ্যাস লিকেজজনিত বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন রাসেদুল ইসলাম, শাহেদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে চারজন ওমানে ছিলেন এবং দেশে থাকা ভাইয়ের বিয়ের কেনাকাটার জন্য তারা বেরিয়েছিলেন। বড় ভাই বিবাহিত ছিলেন এবং তার দুই সন্তান রয়েছে, অপর এক ভাই সম্প্রতি বিয়ে করে প্রবাসে যান। এ ঘটনায় তাদের পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ওমান পুলিশ জানিয়েছে, গাড়িটি দীর্ঘক্ষণ চালু অবস্থায় স্থির ছিল, ফলে এসি থেকে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়ে থাকতে পারে। এটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনো কারণ, তা নিশ্চিত করতে তারা মেডিকেল রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে। নিহতদের লাশ বর্তমানে রুস্তাক থানার হেফাজতে রয়েছে এবং পরে মাস্কাটে নেওয়া হবে।
ওমানে গাড়িতে চার বাংলাদেশি ভাইয়ের মৃত্যু, গ্যাস লিকেজের সন্দেহ
রোমানিয়া অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশি কর্মীদের জন্য শর্তসাপেক্ষে বৈধ হওয়ার নতুন সুযোগ চালু করেছে। দেশটির সরকার ২৩ এপ্রিল জরুরি অধ্যাদেশ নং-৩২ জারি করে, যা ২৭ এপ্রিল অফিসিয়াল গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের কর্মীরা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে আবার বৈধ মর্যাদা ফিরে পেতে পারবেন। রোমানিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং জানিয়েছে যে এতে অনেক বাংলাদেশি কর্মীর অবস্থান নিয়মিত করার সুযোগ তৈরি হবে।
এই সুবিধা তাদের জন্য প্রযোজ্য, যারা বৈধভাবে প্রবেশ করেও পরবর্তীতে নিয়োগকর্তার সমস্যার কারণে বা প্রশাসনিক জটিলতায় অনিয়মিত হয়ে পড়েছেন। আইন কার্যকর হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে কর্মীদের রোমানিয়ার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে বৈধ নিয়োগকর্তা খুঁজে ওয়ার্ক পারমিট নিতে হবে এবং পরে টিআরসি কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে। যারা অবৈধভাবে প্রবেশ করেছেন বা ‘রিটার্ন ডিসিশন’ পেয়েছেন, তারা এই সুবিধার আওতায় আসবেন না।
এই বিশেষ সুযোগ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এবং প্রয়োজনে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
রোমানিয়ায় অনিয়মিত বিদেশি কর্মীদের বৈধতার সুযোগ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, সংঘাত এড়াতে সব পক্ষকেই আপসের পথে এগোতে হবে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি উল্লেখ করেন যে সফলতা পেতে হলে কিছু কঠিন ছাড় দিতে হতে পারে, তবে তা যুদ্ধ ও ব্যর্থতার যন্ত্রণার তুলনায় অনেক কম।
আল-বুসাইদি জানান, সংঘাত শুরুর আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি ও ট্রাম্প উভয়েই সংঘাত এড়ানোর ব্যাপারে আন্তরিক ও দৃঢ় ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। ওমান এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল, তবে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলার পর আলোচনা ভেস্তে যায়।
বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা ও তা দীর্ঘায়িত করার জন্য নতুন করে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে, যেখানে ওমান আবারও সংযম ও সংলাপের আহ্বান জানাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি বাড়াতে ওমানের আহ্বান
ওমানের শুরা পরিষদের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসহাক বিন সেলিম আল-সিয়াবি সব মার্কিন পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বিরোধ নিষ্পত্তি ও স্থায়ী শান্তি অর্জনের আলোচনায় ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ করেছে। সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি এই অভিযোগ তুলে ধরেন।
আল-সিয়াবি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নির্দোষ মানুষের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য, ঘৃণ্য ও অন্যায় আগ্রাসন চালাচ্ছে, যাদের একমাত্র অপরাধ হলো মর্যাদাপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ জীবনের প্রতি ভালোবাসা। তিনি উল্লেখ করেন, এখন সব মার্কিন পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তির আলোচনায় ওমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছিল এবং পরবর্তীতে আরও কয়েকবার মধ্যস্থতার চেষ্টা করলেও তেমন সাফল্য পায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ওমানের সাবেক কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগে নিষেধাজ্ঞার আহ্বান
ওমানে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের ঘরের ভেতরে নিরাপদে থাকার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ২৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে মাসকাটে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এই নির্দেশ জারি করে, যা পুরো ওমানের জন্য প্রযোজ্য। দূতাবাস জানিয়েছে, চলমান পরিস্থিতির কারণে এই সতর্কতা নেওয়া হয়েছে, তবে বিস্তারিত কোনো কারণ প্রকাশ করা হয়নি।
এর আগে ৩ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জরুরি নয় এমন সরকারি কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের ওমান ত্যাগের অনুমতি দিয়েছিল। সর্বশেষ নির্দেশনার মাধ্যমে ওমানে অবস্থানরত সব মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করা হলো।
ঘটনার প্রকৃতি বা সতর্কতার মেয়াদ সম্পর্কে কোনো অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, ফলে পরিস্থিতি অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
ওমানে মার্কিন নাগরিকদের ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি দ্য ইকোনমিস্টে প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে বলেছেন, ইরান যুদ্ধ ছিল সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘সবচেয়ে বড় ভুল হিসাব’। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনায় তিনি মধ্যস্থতা করেছিলেন। আলবুসাইদি এই ‘অবৈধ যুদ্ধ’ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ওমানসহ উপসাগরীয় দেশগুলো বহু বছর ধরে সম্ভাব্য ইরানি হামলা মোকাবিলায় মার্কিন অস্ত্র কিনেছে এবং ঘাঁটি স্থাপন করেছে, যার ফলে তারা আপেক্ষিক শান্তি ও সমৃদ্ধি ভোগ করছিল। কিন্তু এখন সেই স্থিতি হুমকির মুখে, কারণ যুক্তরাষ্ট্র তার পররাষ্ট্রনীতির নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। আলবুসাইদি মনে করেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের স্বার্থেই এই সংঘাত দ্রুত শেষ হওয়া উচিত।
তিনি আরও বলেন, ইসরাইল সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রকে এই যুদ্ধে সহজ জয়ের আশ্বাস দিয়ে প্ররোচিত করেছে, কিন্তু ইসরাইলের লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রকে সেনা পাঠাতে হবে এবং দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে হবে, যা ট্রাম্প শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
ইরান যুদ্ধ ট্রাম্পের বড় ভুল, সংঘাত শেষের আহ্বান জানাল ওমান
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ওমান থেকে জরুরি নয় এমন মার্কিন সরকারি কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের কনস্যুলার বিষয়ক ব্যুরো এক বিবৃতিতে এ নির্দেশনা দেয়। একই সঙ্গে মার্কিন নাগরিকদের ওমান–ইয়েমেন সীমান্ত এলাকায় ভ্রমণ পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের পক্ষ থেকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ চলাচলেও উল্লেখযোগ্য বিঘ্ন ঘটছে।
এই নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ওমান ও আশপাশের অঞ্চলে কূটনৈতিক ও বেসামরিক নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে।
ইরান-সম্পর্কিত নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ওমান ছাড়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ওমানে অবস্থানরত জরুরি নয় এমন মার্কিন সরকারি কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর তাদের ভ্রমণ সতর্কতা হালনাগাদ করে জানায়, নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সতর্কবার্তায় বলা হয়, ইরান থেকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা অব্যাহত রয়েছে এবং এর ফলে বাণিজ্যিক ফ্লাইট চলাচলেও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটছে।
ওমানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশের উত্তরাঞ্চলে এক ড্রোন হামলায় দুজন নিহত হয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে ইরান পার্শ্ববর্তী কয়েকটি দেশে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতি অঞ্চলে নিরাপত্তা অস্থিতিশীলতা বাড়িয়ে তুলেছে এবং বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
নতুন সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাতের বিস্তার ও নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগের প্রতিফলন ঘটায়।
ড্রোন হামলার আশঙ্কায় ওমান ছাড়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের
ওমানের সোহার প্রদেশের আল-আওয়াহি শিল্প এলাকায় একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয়ে দুই বিদেশি নাগরিক নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে শুক্রবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ওমান নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে। একই দিনে সোহারের আরেকটি খোলা জায়গায় দ্বিতীয় একটি ড্রোনও বিধ্বস্ত হয়েছে, তবে সেখানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ওমানের কর্তৃপক্ষ দুটি দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে। প্রতিবেদনে নিহতদের জাতীয়তা বা ড্রোনগুলোর উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এই তথ্য ওমান নিউজ এজেন্সি থেকে উদ্ধৃত করে বিবিসি প্রকাশ করেছে।
ঘটনার বিস্তারিত ও আহতদের অবস্থা সম্পর্কে এখনো কোনো অতিরিক্ত তথ্য জানানো হয়নি।
ওমানের সোহারে ড্রোন দুর্ঘটনায় দুই বিদেশি নাগরিক নিহত
ভারতের গুজরাটগামী থাইল্যান্ডের পতাকাবাহী মালবাহী জাহাজ ‘ময়ূরী নারি’ হরমুজ প্রণালিতে অজ্ঞাত এক প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বুধবারের এই ঘটনায় জাহাজে আগুন ধরে যায়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে ও বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্যমতে, ওমানি নৌবাহিনী দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ২৩ জন নাবিকের মধ্যে ২০ জনকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়, তবে তিনজন এখনো জাহাজে রয়েছেন। ঘটনাটি ওমানের উত্তর উপকূল থেকে প্রায় ১১ নটিক্যাল মাইল দূরে ঘটে।
রয়্যাল থাই নেভি ও যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস নিশ্চিত করেছে যে জাহাজটি অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। থাইল্যান্ডের ‘প্রেশাস শিপিং’-এর মালিকানাধীন এই জাহাজের পরিচয় আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার নম্বর ও কাঠামোর ছবির মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও তিন নাবিকের অবস্থা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।
এখন পর্যন্ত কোনো দেশ বা গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি এবং ব্যবহৃত অস্ত্রের ধরনও শনাক্ত করা যায়নি। রয়্যাল থাই নেভি ঘটনাটির কারণ ও পরিস্থিতি তদন্ত করছে।
হরমুজ প্রণালিতে থাই জাহাজে অজ্ঞাত হামলা, উদ্ধার অভিযান চলছে
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপকে অনৈতিক ও অবৈধ বলে নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে নেওয়া এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে এবং এটি অঞ্চলের উত্তেজনা আরও বাড়ানোর ঝুঁকি তৈরি করেছে।
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর ইরানের পাল্টা হামলাকেও দুঃখজনক ও গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন। তিনি পরিস্থিতি আরও অবনতির হাত থেকে রক্ষা করতে সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান।
রয়া নিউজের বরাতে প্রকাশিত এই বিবৃতিতে ওমানের পররাষ্ট্রনীতি অনুযায়ী আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলাকে অনৈতিক বলল ওমান, সংযমের আহ্বান জানাল
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ৪৬ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।