সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) তার ভিসা নীতি হালনাগাদ করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ ১০৭ দেশের নাগরিকদের দেশটিতে প্রবেশের আগে ভিসা নিতে হবে। এই তালিকায় আফ্রিকা, এশিয়া, ইউরোপ এবং আমেরিকার বিভিন্ন দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা ভ্রমণ প্রক্রিয়া আরও সুসংগঠিত এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য রাখে। উল্লেখযোগ্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, নাইজেরিয়া, ফিলিপাইন, কেনিয়া, ভিয়েতনাম এবং ক্যারিবিয়ান ও প্যাসিফিক অঞ্চলের কিছু দেশ। পাশাপাশি, ইউএই প্রশাসন সাময়িকভাবে নয়টি দেশের নাগরিকদের জন্য পর্যটন ও কর্ম ভিসা নিষিদ্ধ করেছে—নাইজেরিয়া, ঘানা, সিয়েরা লিওন, সুদান, ক্যামেরুন, লাইবেরিয়া, বেনিন, কঙ্গো এবং বুরুন্ডি। প্রশাসনিক ও নীতিগত কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং এটি ভবিষ্যতে পর্যালোচনার পর পরিবর্তিত হতে পারে। ভ্রমণকারীদের আগে থেকে ভিসার আবশ্যিক শর্ত পূরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) তার ভিসা নীতি হালনাগাদ করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ ১০৭ দেশের নাগরিকদের দেশটিতে প্রবেশের আগে ভিসা নিতে হবে
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ৭ আগস্ট মস্কো পৌঁছেছেন রাষ্ট্রীয় সফরে। সামরিক সমাবেশের মধ্যে তাকে স্বাগত জানানো হয়। তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও জ্বালানি খাতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেন। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়েও কথা হয়। শেখ মোহাম্মদ আশা প্রকাশ করেছেন এই সফর দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করবে।
রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বীদের দমন-পীড়নের অংশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত ১১ জন ভিন্নমতাবলম্বী ও তাদের স্বজনদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানায়, তালিকাভুক্তদের পূর্বে কোনো সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি এবং নিজেদের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়নি। তালিকাভুক্ত ১১ জনের মধ্যে অন্তত ৯ জন রাজনৈতিক বিরোধী বা তাদের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। এদের মধ্যে মাত্র দু’জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ-সম্পর্কিত কোনো অভিযোগ বা দণ্ড রয়েছে। ২০১৪ সালে দেশটি ৮৩টি সংগঠনকে ‘সন্ত্রাসী’ ঘোষণা করে। দেশটিতে প্রতিবাদ ও রাজনৈতিক বিরোধিতার স্থান নেই!
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গুপ্তচরবৃত্তি এবং সামরিক সহযোগিতার অভিযোগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে হুথি আনসারুল্লাহ। সংগঠনটির নেতা মোহাম্মদ আল-ফারাহ শুক্রবার এক্সে এক পোস্টে লেখেন, যে কোনো আমিরাতি ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ইয়েমেনের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ বা সামরিক সহায়তা দেয়, তাহলে তারা ইয়েমেনি প্রতিশোধের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। এখন থেকে ইয়েমেনের পাল্টা হামলা শুধু মোখা ও শাবওয়াহ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে না—বরং আবুধাবি ও দুবাইও আমাদের লক্ষ্যবস্তুতে থাকবে। আমিরাতের এই ‘বেপরোয়া’ কর্মকাণ্ড বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।
শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান মিশর সফরে গেছেন। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি স্বাগত জানান। দুই নেতা রমজান মাসের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের শক্তি প্রতিফলিত করে আন্তরিক কথোপকথন করেন। সফর শেষে কায়রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রেসিডেন্ট আল-সিসি এবং বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদকে বিদায় জানান। গাজায় ইসরাইলি হামলার সময়ে এই সফর বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান সফররত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে জানিয়ে দিয়েছেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণকে তাদের নিজেদের ভূমি থেকে বাস্তুচ্যূত করার যে কোন প্রচেষ্টাকে’ সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রত্যাখ্যান করে। ঐ অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য প্রেসিডেন্ট গাজা পুনঃনির্মাণ করে দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের প্রতি জোর আরোপ করেন। উল্লেখ্য, এর আগে গাজাবাসীকে বাস্তুচ্যুত করে আরবের দুই দেশে পুনর্বাসন করে গাজা দখলের পরিকল্পনা জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। পুরো আরব এ পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করে।
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ৬০ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।