মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোর দক্ষিণে বাগো অঞ্চলের ইয়েসদাশে শহরে জান্তা বাহিনীর ওপর প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সমন্বিত হামলায় অন্তত ৪০ সেনা নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার এই হামলা ঘটে বলে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে নেপিদো পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (পিডিএফ) জানিয়েছে। তারা জানায়, সিত্তাং নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীরে জান্তা অবস্থানের ওপর হামলা চালানো হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল দোয়েতান, খিনতানলে ও ওমিয়াতু গ্রামের সামরিক ফাঁড়ি।
পিডিএফ জানায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে সাতটায় দোয়েতানের কাছে প্রথম হামলায় দুই সেনা নিহত হয় এবং কিছু গোলাবারুদ জব্দ করা হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর ওই ক্যাম্পে সহায়তায় যাওয়া ৭০ সেনার বহরে হামলা চালিয়ে অন্তত ২০ জনকে হত্যা করা হয়। একইদিন দুপুরে ওমিয়াতু গ্রামে পৃথক হামলায় আরও ২০ সেনা নিহত হয়, তিনজনকে বন্দি করা হয় এবং বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়।
হামলার পর প্রতিরোধ বাহিনী ওমিয়াতু গ্রামের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেয় বলে দাবি করেছে পিডিএফ।
নেপিদোর কাছে প্রতিরোধ বাহিনীর হামলায় মিয়ানমারের ৪০ জান্তা সেনা নিহত
মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোর দক্ষিণে বাগো অঞ্চলের ইয়েসদাশে শহরে জান্তা বাহিনীর ওপর প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সমন্বিত হামলায় অন্তত ৪০ সেনা নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার এই হামলা ঘটে বলে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে নেপিদো পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (পিডিএফ) জানিয়েছে। তারা জানায়, সিত্তাং নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীরে জান্তা অবস্থানের ওপর হামলা চালানো হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল দোয়েতান, খিনতানলে ও ওমিয়াতু গ্রামের সামরিক ফাঁড়ি।
পিডিএফ জানায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে সাতটায় দোয়েতানের কাছে প্রথম হামলায় দুই সেনা নিহত হয় এবং কিছু গোলাবারুদ জব্দ করা হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর ওই ক্যাম্পে সহায়তায় যাওয়া ৭০ সেনার বহরে হামলা চালিয়ে অন্তত ২০ জনকে হত্যা করা হয়। একইদিন দুপুরে ওমিয়াতু গ্রামে পৃথক হামলায় আরও ২০ সেনা নিহত হয়, তিনজনকে বন্দি করা হয় এবং বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়।
হামলার পর প্রতিরোধ বাহিনী ওমিয়াতু গ্রামের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেয় বলে দাবি করেছে পিডিএফ।
নেপিদোর কাছে প্রতিরোধ বাহিনীর হামলায় মিয়ানমারের ৪০ জান্তা সেনা নিহত
মিয়ানমারের সামরিক জান্তা দেশটির স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাধারণ ক্ষমার অংশ হিসেবে ৬ হাজারের বেশি বন্দিকে মুক্তির ঘোষণা দিয়েছে। জান্তার জাতীয় প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা পরিষদের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ইউনিয়ন অব দ্য রিপাবলিক অব মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেশের বিভিন্ন কারাগার, আটক কেন্দ্র ও ক্যাম্পে দণ্ড ভোগরত মোট ৬ হাজার ১৩৪ জন পুরুষ ও নারী বন্দিকে ক্ষমা প্রদান করেছেন।
এএফপি জানিয়েছে, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মিয়ানমারে প্রতি বছরই এ ধরনের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে থাকে কর্তৃপক্ষ। তবে বিবৃতিতে মুক্তিপ্রাপ্তদের পরিচয় বা রাজনৈতিক বন্দিদের অন্তর্ভুক্তি সম্পর্কে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
জাতীয় দিবসকে কেন্দ্র করে এ ধরনের সাধারণ ক্ষমা মিয়ানমারে দীর্ঘদিনের প্রথা, যা দেশের স্বাধীনতা উদযাপনের অংশ হিসেবে প্রতীকী সদয়তার প্রকাশ হিসেবে দেখা হয়।
স্বাধীনতা দিবসে মিয়ানমারে ৬ হাজারের বেশি বন্দিকে ক্ষমা ঘোষণা
২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর প্রথমবারের মতো মিয়ানমারে সাধারণ নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ রবিবার সম্পন্ন হয়েছে। ইলেভেন মায়ানমারের তথ্য অনুযায়ী, ১০২টি শহরে সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কূটনৈতিক সংস্থা ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকসহ মোট ১৩৯ জন প্রতিনিধি ভোট পর্যবেক্ষণ করেছেন। আগামী ১১ জানুয়ারি দ্বিতীয় ধাপ এবং ২৫ জানুয়ারি তৃতীয় ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। দেশজুড়ে ২১,৫১৭টি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
২০২১ সালে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন এনএলডি সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে দেশটি সামরিক শাসনের অধীনে রয়েছে। ২০২৩ সালে এনএলডি ও আরও ৪০টি দল বিলুপ্ত হলেও, অন্তত ছয়টি দল ৪,৯৬৩ জন প্রার্থী নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। আঞ্চলিক পর্যায়ে ৫৭টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। সামরিক বাহিনী সমর্থিত ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি প্রায় ১,০১৮ জন প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। রাজধানী নেপিদোতে ভোট দেওয়ার পর জান্তা নেতা মিন অং হ্লাইং দাবি করেছেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ দূত টম অ্যান্ড্রুজ সামাজিক মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই নির্বাচনের বৈধতা প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জানিয়েছেন।
২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারে প্রথম দফা নির্বাচন অনুষ্ঠিত, জাতিসংঘের সমালোচনা
মিয়ানমারের জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং চলমান জাতীয় নির্বাচনকে ‘অবাধ ও সুষ্ঠু’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। রোববার রাজধানী নেপিডোতে নিজের ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এএফপি জানিয়েছে, তিনি এই মন্তব্য করেন ভোট দেওয়ার পর।
পাঁচ বছর আগে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা মিন অং হ্লাইং দাবি করেন, নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্বে সামরিক বাহিনী থাকলেও এর বিশ্বাসযোগ্যতা বা ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না। তিনি বলেন, সামরিক তত্ত্বাবধানে নির্বাচন সঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই নির্বাচন মিয়ানমারের সাধারণ নির্বাচনের প্রথম ধাপ, যা অভ্যুত্থানের পর জান্তা সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
নেপিডোতে ভোট দিয়ে নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু বললেন মিয়ানমারের জান্তা প্রধান
চলমান গৃহযুদ্ধ ও বৈধতা নিয়ে সন্দেহের মধ্যেই মিয়ানমারে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ২০২১ সালে সেনাবাহিনী নির্বাচিত সরকার উৎখাত করে ক্ষমতা দখলের পর এটিই প্রথম জাতীয় নির্বাচন। জান্তা সরকার বলছে, এই ভোট দেশের রাজনীতি ও দীর্ঘদিনের অস্থিতিশীল অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করবে।
তবে জাতিসংঘ, পশ্চিমা সরকার ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, এই নির্বাচন অবাধ বা বিশ্বাসযোগ্য নয়, কারণ এতে জান্তা-বিরোধী দলগুলো অংশ নিচ্ছে না। অবসরপ্রাপ্ত জেনারেলদের দল সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি) অংশ নিচ্ছে, কিন্তু অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) দলটি সামরিক সরকার বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে।
তিন ধাপে ভোট অনুষ্ঠিত হবে—প্রথম ধাপ চলছে, পরের দুটি ধাপ ১১ ও ২৫ জানুয়ারি। ৩৩০টি টাউনশিপের মধ্যে ২৬৫টিতে ভোটের পরিকল্পনা থাকলেও সব এলাকায় জান্তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেই। ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণার তারিখ এখনও নির্ধারিত হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচন সামরিক শাসন দীর্ঘায়িত করার কৌশল হতে পারে।
গৃহযুদ্ধ ও বৈধতা সংকটের মধ্যেই মিয়ানমারে প্রথম জাতীয় নির্বাচন শুরু
মিয়ানমারের সামরিক জান্তা তিন ধাপে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে, যার শেষ ধাপ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৫ জানুয়ারি। রাষ্ট্রীয় পত্রিকা গ্লোবাল নিউলাইট অব মিয়ানমারে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৩৩০টি প্রশাসনিক এলাকার মধ্যে ২০২টিতে ভোট হবে ২৮ ডিসেম্বর ও ১১ জানুয়ারি, আর তৃতীয় ধাপে ৬৩টি টাউনশিপে ভোট হবে। জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং স্বীকার করেছেন, সারা দেশে ভোট আয়োজন সম্ভব নয়। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর এটি প্রথম নির্বাচন হতে যাচ্ছে, যদিও ভোট গণনা ও ফল ঘোষণার তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি।
জান্তা আশা করছে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের ক্ষমতা বৈধতা পাবে এবং আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার হবে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, চলমান গৃহযুদ্ধ ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মধ্যে এই উদ্যোগ সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম। সাবেক নেতারা কারাগারে, প্রধান রাজনৈতিক দল ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
পশ্চিমা দেশগুলো ও জাতিসংঘ এই ভোটকে প্রহসন বলে উড়িয়ে দিয়েছে, তবে চীন এটিকে স্থিতিশীলতার পথে ফেরার সুযোগ হিসেবে দেখছে। সংঘাত পর্যবেক্ষক সংস্থা অ্যাকলেড জানিয়েছে, গত বছরের তুলনায় এ বছর সামরিক বিমান ও ড্রোন হামলা ৩০ শতাংশ বেড়েছে এবং বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গৃহযুদ্ধ ও সমালোচনার মধ্যেই তিন ধাপে নির্বাচনের ঘোষণা মিয়ানমারে
জাতিসংঘ জানিয়েছে, মিয়ানমারের সামরিক জান্তা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে জনগণকে ভোট দিতে বাধ্য করতে সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। আগামী রোববার শুরু হতে যাওয়া এই ভোটকে ‘গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন’ হিসেবে প্রচার করছে জান্তা, যদিও জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক একে দমন-পীড়নের পরিবেশে অনুষ্ঠিত নির্বাচন বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, জনগণের ওপর নৃশংসতা ও ভিন্নমতের কারণে গ্রেপ্তার অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
তুর্ক সতর্ক করেছেন, সাধারণ মানুষ সামরিক বাহিনী ও সশস্ত্র বিরোধী গোষ্ঠী উভয়ের হুমকির মুখে রয়েছে। ইয়াঙ্গুনে তিন তরুণকে নির্বাচনবিরোধী পোস্টার টাঙানোর দায়ে ৪২ থেকে ৪৯ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ম্যান্ডালে অঞ্চলের বাস্তুচ্যুতদের জানানো হয়েছে, ভোট না দিলে তাদের ঘরবাড়ি দখল করা হবে। তুর্ক বলেন, অনিরাপদ অবস্থায় মানুষকে ভোট দিতে বাধ্য করা মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এই নির্বাচনকে সামরিক শাসনের নতুন রূপ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। সাবেক নেত্রী অং সান সু চি এখনো কারাগারে, আর তার দল বিলুপ্ত।
জাতিসংঘের অভিযোগ, মিয়ানমারে ভোটে বাধ্য করতে সহিংসতা চালাচ্ছে সামরিক জান্তা
আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) জানিয়েছে, গাম্বিয়ার দায়ের করা রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার শুনানি আগামী ১২ থেকে ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। পশ্চিম আফ্রিকার মুসলিম প্রধান দেশ গাম্বিয়া ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার সহায়তায় ২০১৯ সালে মামলাটি দায়ের করে, যেখানে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের সামরিক অভিযানে রোহিঙ্গা মুসলমানদের গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়। অভিযানে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।
শুনানির প্রথম সপ্তাহে গাম্বিয়া ১২ থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত তার যুক্তি উপস্থাপন করবে, এরপর ১৬ থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত মিয়ানমার নিজেদের পক্ষে বক্তব্য দেবে। আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য তিন দিন বরাদ্দ করেছে। মিয়ানমার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তাদের অভিযান ছিল রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে।
এই শুনানি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও জবাবদিহিতা নিয়ে বৈশ্বিক আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। চূড়ান্ত রায় পেতে সময় লাগলেও এটি রোহিঙ্গা সংকটের ভবিষ্যৎ আইনি দিক নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলায় জানুয়ারিতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আইসিজেতে শুনানি শুরু
মিয়ানমারে সোমবার দিবাগত রাতে ৩ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস)। স্থানীয় সময় রাত ২টা ২১ মিনিটে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয় এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার গভীরে। এর আগে একই দিনে ৩ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প ওই অঞ্চলে আঘাত হানে।
এনসিএস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে সামাজিক মাধ্যমে কিছু ব্যবহারকারী দাবি করেছেন, এই ভূমিকম্পের কম্পন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও রাঙামাটিতেও অনুভূত হয়েছে, যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করা যায়নি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিয়ানমার ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় মাঝারি মাত্রার কম্পন সেখানে প্রায়ই ঘটে। কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য আফটারশকের জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
রাতের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মিয়ানমার, সীমান্তে বাংলাদেশেও কম্পনের দাবি
মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের তাবায়িন টাউনশিপে শুক্রবার সন্ধ্যায় সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তা ও উদ্ধারকর্মীদের বরাতে এএফপি জানিয়েছে, দুটি বোমা নিক্ষেপের মধ্যে একটি ব্যস্ত চায়ের দোকানে পড়ে, যেখানে অনেক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। হামলায় আশপাশের বেশ কয়েকটি ঘরবাড়িও ধ্বংস হয়েছে।
২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশটিতে চলমান গৃহযুদ্ধে এ ধরনের হামলা প্রায়ই ঘটছে। সামরিক জান্তা বিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বিমান হামলা চালিয়ে আসছে, যার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, চায়ের দোকানে ভিড় থাকায় হতাহতের সংখ্যা বেশি হয়েছে।
এ হামলার সময়ই বিদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের জন্য আগাম ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। জান্তা সরকার এই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা সুসংহত করতে চাইলেও, বিশ্লেষকরা মনে করছেন চলমান সহিংসতা নির্বাচনের বৈধতা ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
নির্বাচনের আগে মিয়ানমারে বিমান হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের কিয়াউকফিউ এলাকায় সামরিক জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে তীব্র সংঘর্ষে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং প্রায় ২০টি গ্রাম জনশূন্য হয়ে পড়েছে। সংঘর্ষের কেন্দ্র মিন পিয়িন গ্রামে আরাকান আর্মির পরিকল্পিত হামলায় জান্তা সেনাদের ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে। এরপর জান্তা বাহিনী আশপাশের গ্রামগুলোতে বোমাবর্ষণ চালায়, ফলে প্রায় ১০ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। বর্তমানে আরাকান আর্মি প্রায় ১৫টি শহর নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে এবং কিয়াউকফিউ ও সীমান্তবর্তী এলাকায় জান্তা বাহিনীর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, চীন-সমর্থিত বিনিয়োগকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলে জান্তা সরকারের নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই সহিংসতা বেড়েছে। ত্রাণকর্মীরা জানিয়েছেন, স্কুল ও গ্রাম লক্ষ্য করে হামলার কারণে স্থানীয়রা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
রাখাইনে জান্তা ও আরাকান আর্মির সংঘর্ষে ১০ হাজার বাস্তুচ্যুত, ২০টি গ্রাম জনশূন্য
মিয়ানমার-থাইল্যান্ড সীমান্তে অনলাইন জালিয়াতি ও জুয়া কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ১,৫৯০ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। জান্তা সরকারের নিয়ন্ত্রিত গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার জানায়, ১৮ থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে এসব বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা অবৈধভাবে মিয়ানমারে প্রবেশ করেছিলেন এবং তাদের মধ্যে চীন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ভারত, নাইজেরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, মিশরসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। অভিযানে ২,৮৯৩টি কম্পিউটার, ২১,৭৫০টি মোবাইল ফোন, ১০১টি স্টারলিংক স্যাটেলাইট রিসিভার, ২১টি রাউটারসহ অনলাইন জালিয়াতি ও জুয়া কার্যকলাপে ব্যবহৃত বিপুল সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান সীমান্তপারের সাইবার অপরাধ দমনে এটি মিয়ানমারের অন্যতম বৃহৎ অভিযান বলে মনে করা হচ্ছে।
থাই সীমান্তে অনলাইন জালিয়াতি ও জুয়া অভিযানে মিয়ানমারে ১,৫৯০ বিদেশি গ্রেপ্তার
রোববার সকালে মিয়ানমার উপকূলে ৫ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৩৯ মিনিটে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল দাওয়েই শহর থেকে ২৬৭ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে আন্দামান সাগরে, ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। কম্পনটি প্রতিবেশী থাইল্যান্ডেও অনুভূত হয়। এর আগে শুক্রবার বাংলাদেশে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ১০ জন নিহত হন এবং পরদিন কয়েকটি আফটারশক রেকর্ড করা হয়। ভারতের ভূকম্পনবিদ্যা সংস্থা (এনসিএস) জানিয়েছে, শনিবার মিয়ানমারেও ৩ দশমিক ৫, ৩ দশমিক ৭ ও ৩ দশমিক ৪ মাত্রার তিনটি ছোট ভূমিকম্প হয়। সর্বশেষ ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে বিশেষজ্ঞরা অঞ্চলটির ভূমিকম্পীয় কার্যকলাপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
মিয়ানমার উপকূলে ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, থাইল্যান্ডেও কম্পন অনুভূত হলেও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের তৃতীয় কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, যেখানে রোহিঙ্গা মুসলিমদের নিরাপদ, স্বেচ্ছা ও টেকসইভাবে মিয়ানমারে ফেরাতে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে। অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) যৌথভাবে প্রস্তাবটি উত্থাপন করে এবং এতে ১০৫টি দেশ সমর্থন জানায়। প্রস্তাবে রাখাইন রাজ্যে মানবাধিকার লঙ্ঘন, মানবিক সহায়তা প্রবেশাধিকারে বাধা এবং বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশে রোহিঙ্গাদের অব্যাহত অনুপ্রবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এতে রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়। প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল সদস্য দেশগুলোকে ধন্যবাদ জানালেও গত আট বছরে প্রত্যাবাসনে অগ্রগতি না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে। তারা জানায়, বাংলাদেশ আর ১৩ লাখ রোহিঙ্গার বোঝা বহন করতে পারছে না এবং দ্রুত আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান জানায়।
রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসনে বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘের প্রস্তাব গৃহীত
মিয়ানমারের সামরিক জান্তা রাখাইন রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারে নতুন করে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে। বর্তমানে রাজ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা আরাকান আর্মির দখলে থাকলেও চীনের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপের ফলে কয়েকটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী যুদ্ধবিরতিতে গেছে, যা জান্তাকে পুনর্গঠনের সুযোগ দিয়েছে। দক্ষিণ ও মধ্য রাখাইনে স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বিত হামলার প্রস্তুতি চলছে, বিশেষ করে চীনা প্রকল্পসমৃদ্ধ কিয়াকফিউ এলাকা জান্তার কৌশলগত লক্ষ্য। সাম্প্রতিক বিমান হামলায় বহু বেসামরিক নাগরিক নিহত হলেও জান্তা দাবি করছে তারা সন্ত্রাসী অবস্থানে আঘাত হানছে। বিশ্লেষকদের মতে, জান্তার সরবরাহ ব্যবস্থা দুর্বল এবং সীমিত এলাকায় তাদের নিয়ন্ত্রণ টিকে আছে। দীর্ঘ অবরোধে রাখাইনের অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে, খাদ্য ও ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, নতুন অভিযান শুরু হলে আরও বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে এবং আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে প্রভাব পড়বে।
চীনা প্রভাবের মধ্যে আরাকান আর্মির কাছ থেকে রাখাইন পুনর্দখলে জান্তার বড় অভিযান
রাখাইন রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা নতুন করে আক্রমণ শুরু করেছে। বর্তমানে রাজ্যের ৯০ শতাংশ এলাকা আরাকান আর্মির দখলে, আর জান্তা কেবল সিত্তে, কিয়াকফিউ ও মানাউং টাউনশিপ নিয়ন্ত্রণ করছে। চীনের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপের ফলে কিছু বিদ্রোহী গোষ্ঠী যুদ্ধবিরতি করায় জান্তা সেনারা পুনর্গঠনের সুযোগ পেয়েছে। তারা এখন দক্ষিণ ও মধ্য রাখাইনে স্থল, নৌ ও বিমান হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতোমধ্যে বিমান হামলায় বহু বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে এবং অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কিয়াকফিউ সুরক্ষিত করার পর জান্তা দক্ষিণাঞ্চলে অভিযান বাড়াতে পারে। তবে সরবরাহ সংকট, স্থল যোগাযোগের অভাব ও জনসমর্থনের ঘাটতি তাদের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে। দীর্ঘ অবরোধে রাখাইনের অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে, খাদ্য ও কর্মসংস্থানের সংকট তীব্র হয়েছে এবং সংঘাত বাড়লে ব্যাপক বাস্তুচ্যুতির আশঙ্কা রয়েছে।
চীনের প্রভাবে রাখাইন পুনর্দখলে আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে হামলা বাড়িয়েছে মিয়ানমার জান্তা
মিয়ানমারের থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের অংশ টাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) ঘোষণা করেছে যে তারা মান্দালয়ের মোগক এবং শান রাজ্যের মোমেইক শহর থেকে নিজেদের সদস্যদের সরাবে। চীনের কুনমিংয়ে কয়েক দিনের আলোচনার পর চুক্তি হয়, যা আগামী বুধবার থেকে উভয় পক্ষের অগ্রগতি বন্ধ রাখবে এবং জান্তা বাহিনী বিমান হামলা স্থগিত রাখবে। টিএনএলএ, যারা ১২টি শহর নিয়ন্ত্রণ করছে এবং দীর্ঘদিন ধরে স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানিয়ে আসছে, ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর গণতান্ত্রিক প্রতিরোধ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। উত্তর-পূর্ব ও পশ্চিম মিয়ানমারের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো দখল করার পর সেনাবাহিনী প্রধান শহরগুলো পুনরায় নিয়ন্ত্রণ করেছে। চীন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় ভোটে বাধা আসার আশঙ্কা রয়েছে।
মিয়ানমারের থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের অংশ টাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) ঘোষণা করেছে যে তারা মান্দালয়ের মোগক এবং শান রাজ্যের মোমেইক শহর থেকে নিজেদের সদস্যদের সরাবে
মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলীয় চাউং উ শহরে বৌদ্ধদের থাদিঙ্গুত পূর্ণিমা উৎসব চলাকালে জান্তা-বিরোধী বিক্ষোভে সেনাবাহিনীর বোমা হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত ও ৮০ জন আহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শত শত মানুষ উৎসবে অংশ নিচ্ছিলেন এবং জান্তা শাসনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছিলেন। ঠিক তখনই একটি মোটরচালিত প্যারাগ্লাইডার থেকে দুটি বোমা নিক্ষেপ করা হয়, যা মুহূর্তেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটায়। নিহতদের মধ্যে কয়েকজন শিশু রয়েছে। উদ্ধারকারীরা মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ঘটনাস্থল থেকে মানবদেহের খণ্ডাংশ সংগ্রহ করেন। ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকেই মিয়ানমারে সেনা জান্তার বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকামী ও জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর লড়াই চলছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ৪০ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে, যদিও জান্তা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। আগামী ২৮ ডিসেম্বর নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচনকে বিরোধীরা সাজানো বলে আখ্যা দিয়েছে এবং তা প্রতিহতের হুমকি দিয়েছে।
মিয়ানমারের চাউং উ শহরে বৌদ্ধ উৎসব ও জান্তা-বিরোধী সমাবেশে বিমান হামলার পর ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন স্থানীয়রা।
মিয়ানমারের বৃহত্তম জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী ইউনাইটেড ওয়া স্টেট আর্মি (UWSA) ঘোষণা করেছে তারা জান্তা-বিরোধী বাহিনীগুলোকে আর সামরিক বা আর্থিক সহায়তা দেবে না। বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই বছর ধরে চীনের আর্থিক চাপ—বিলিয়ন ইউয়ান জব্দ এবং খাদ্য, ওষুধসহ অপরিহার্য সরবরাহ বন্ধের হুমকি—এই সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে। এ পদক্ষেপ উত্তর মিয়ানমারের প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলিকে দুর্বল করতে পারে এবং গৃহযুদ্ধের ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তন করে বেইজিংয়ের প্রভাব বৃদ্ধি করতে পারে।
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ৮৩ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।