Web Analytics
দেশ / Country

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সোমবার ইরানের রাজধানী তেহরান সফর করবেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এ তথ্য জানিয়েছেন। ২৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্সের বরাত দিয়ে সফরের খবর দেওয়া হয়। সফরের বিস্তারিত সূচি বা বৈঠক সম্পর্কে উৎসে কিছু বলা হয়নি।

বাঘাই বলেন, আসিম মুনিরের সফরের অন্যতম লক্ষ্য দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করা। তিনি সফরটির সঙ্গে আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানের ‘আন্তরিক প্রচেষ্টা’ অব্যাহত রাখার বিষয়টিও যুক্ত করেছেন। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে বা কোনো চুক্তির পরিকল্পনা আছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে তথ্য নেই।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান ও ইরানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগের অংশ হিসেবেই মুনির তেহরান যাচ্ছেন। আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার বিষয়েও দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। সফরটি কতদিনের হবে কিংবা আলোচনায় আর কোন কর্মকর্তারা অংশ নেবেন, তা উল্লেখ করা হয়নি।

23 Aug 26 1NOJOR

দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারে সোমবার তেহরান সফরে যাচ্ছেন আসিম মুনির

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি ইসরাইলের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান। ২৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি ১০২ জন সাবেক ব্রিটিশ ও ফরাসি কূটনীতিকের একটি খোলা চিঠির প্রসঙ্গও তুলে ধরেন।

গারিবাবাদি উদ্ধৃত ওই চিঠিতে সাবেক কূটনীতিকরা বলেন, ইসরাইলি নীতি জাতিগত নির্মূল এবং ফিলিস্তিনকে নিশ্চিহ্ন করার দিকে এগোচ্ছে। তিনি বলেন, ইসরাইলকে অব্যাহত অস্ত্র সরবরাহ এবং যেকোনো ধরনের সমর্থন জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার অপরাধে ইচ্ছাকৃত অংশগ্রহণের শামিল।

সাবেক কূটনীতিকরা ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা অবৈধ বসতিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য নিষিদ্ধ করা এবং হেগের আন্তর্জাতিক আদালতের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দাবিও জানান। প্রতিবেদনে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স বা ইসরাইল সরকারের কোনো প্রতিক্রিয়া উল্লেখ করা হয়নি। তথ্যের উৎস হিসেবে প্রেস টিভির নাম দেওয়া হয়েছে।

23 Aug 26 1NOJOR

সাবেক কূটনীতিকদের চিঠি তুলে ধরে ইসরাইলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ চাইল ইরান

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে প্রতিবেশী দেশগুলো ইরানকে একাধিক বার্তা দিয়েছে। শনিবার সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন ও নিজস্ব আঞ্চলিক ব্যবস্থা প্রয়োজন। প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে ২৩ আগস্ট ২০২৬।

গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের নীতির কঠোর সমালোচনা করে অভিযোগ করেন, ওয়াশিংটন ইসরাইলের স্বার্থ রক্ষায় মিত্রদের স্বার্থ উপেক্ষা করছে। তার মতে, এ নীতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে। তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটনের কর্মকাণ্ডে কিছু সময়ের জন্য অঞ্চলের কয়েকটি দেশের অস্তিত্বও হুমকির মুখে পড়েছিল।

পোস্টে গালিবাফ লেখেন, একটি দেশীয় ও স্বাধীন ব্যবস্থাই প্রকৃত অর্থে শান্তি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাতে ওয়াশিংটন সফল হয়নি এবং তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছানোর সক্ষমতাও দেখাতে পারেনি। প্রতিবেদনের সূত্র হিসেবে প্রেস টিভির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

23 Aug 26 1NOJOR

নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক কাঠামো নিয়ে ইরানকে বার্তার দাবি গালিবাফের

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির ফোনালাপে আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা জোরদারের কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন। রোববার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়। তবে আলোচনার সময় বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট ফলাফল সম্পর্কে বিবৃতিতে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

বিবৃতি অনুযায়ী, দুই কর্মকর্তা আঞ্চলিক নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ এবং অঞ্চলে স্থিতিশীলতা শক্তিশালী করার উপায় নিয়ে কথা বলেন। আলোচনা থেকে কোনো প্রস্তাব, সমঝোতা বা সিদ্ধান্ত এসেছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধ চলাকালে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাকিস্তান একটি প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। দেশটি উভয় পক্ষের সঙ্গেই ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখছে। প্রতিবেদনের তথ্য ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি ও বার্তা সংস্থা মেহেরের সূত্রে প্রকাশিত হয়েছে।

23 Aug 26 1NOJOR

ফোনালাপে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা ইরান-পাকিস্তানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর আরও কঠোর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের হুমকি দিয়েছেন এবং এটিকে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ২৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে আগে থেকেই ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা থাকলেও নতুন পদক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে ইরানি অপরিশোধিত তেল কেনা চীনের স্বাধীন শোধনাগারগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা, ইরানের লেনদেন প্রক্রিয়াজাতকারী বড় চীনা ব্যাংককে লক্ষ্য করা, স্থলপথে ইরানে পণ্য প্রবেশে বাধা দেওয়া এবং ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ। ইরানি তেল কেনার কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে চীনের একটি ‘টিপট’ শোধনাগারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

দুটি বড় চীনা ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চীনের আর্থিক ব্যবস্থায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে এবং পাল্টা পদক্ষেপের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। স্থল অবরোধ কার্যকর করতে ইরানের সাত প্রতিবেশী দেশের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে, যা কঠিন বলে মনে করা হচ্ছে। ইরান-ব্যবসায়ী দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের উদ্যোগ কংগ্রেস ও আদালতে আইনি বাধার মুখে পড়তে পারে।

23 Aug 26 1NOJOR

ইরানের ওপর নতুন চাপের বিকল্প ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র, তবে ঝুঁকিও বড়

ভবিষ্যতে সংঘাত আরও বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় ইরান তার সামরিক নীতিতে পরিবর্তন আনছে এবং হুমকি বাস্তব হামলায় রূপ নেওয়ার আগেই তা ঠেকানোর ওপর বেশি জোর দিচ্ছে। ক্লিনজেন্ডেল ইনস্টিটিউটের ইরানবিষয়ক গবেষক ও ইরান অ্যানালিটিকা নিউজলেটারের লেখক হামিদরেজা আজিজি ২৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই পরিবর্তনের কথা জানান। তাঁর মতে, তেহরান এখন আরও আগের পর্যায়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চাইছে।

আজিজি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বারবার হামলা ঠেকাতে ইরানের আগের প্রতিরোধকৌশল ব্যর্থ হয়েছে। এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, ইরান এমন বার্তা দিতে চায় যে দেশটির বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তারা জবাব দিতে পারে। তাঁর বিশ্লেষণে নতুন আক্রমণাত্মক সামরিক নীতির দুটি দিক হলো আগাম বা প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ এবং মাত্রাতিরিক্ত পাল্টা জবাব।

আজিজির ভাষ্য অনুযায়ী, আগাম পদক্ষেপের উদ্দেশ্য সম্ভাব্য হুমকি বাস্তবে পরিণত হওয়ার আগেই তা ঠেকানো। আর হামলার জবাবের মূল্য এত বেশি করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ হামলার সিদ্ধান্তের আগে তা বিবেচনা করে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধে না জড়াতে উপসাগরীয় দেশগুলোকে দেওয়া সতর্কতাকেও তিনি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন। তাঁর মতে, ইরানের সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামো আরেক দফা উত্তেজনা বা সংঘাতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

23 Aug 26 1NOJOR

সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে আগাম প্রতিরোধ ও কঠোর জবাবে জোর দিচ্ছে ইরান

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর বিশ্বজুড়ে পরমাণু অস্ত্র অর্জনের আকাঙ্ক্ষা বেড়েছে। আলজাজিরার বরাতে ২৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত আমার দেশ অনলাইনের প্রতিবেদনে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডকে বেপরোয়া বলে অভিহিত করেন।

রেজায়ি বলেন, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার সদস্যপদ এবং পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে থাকা সত্ত্বেও ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ঠেকানো যায়নি—এটি দেখার পর বিশেষভাবে এই আকাঙ্ক্ষা বেড়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প পারমাণবিক নিরাপত্তার বদলে পারমাণবিক অনিরাপত্তা তৈরি করেছেন।

তিনি বলেন, ইরান সব আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিধি মেনে নিয়েছে এবং সেগুলো অনুসরণ করেছে। ইরান এনপিটির সদস্য এবং পরিদর্শনে সম্মত বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পরমাণু সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক বিধিবিধান মানার ক্ষেত্রে ইরান অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে দাবি করেন রেজায়ি।

23 Aug 26 1NOJOR

ইরানে হামলার পর পরমাণু অস্ত্র অর্জনের আকাঙ্ক্ষা বেড়েছে বলে দাবি রেজায়ির

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব রেজাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘বোকা’ বলেছেন। ২৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে আলজাজিরার বরাত দিয়ে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত ও কূটনৈতিক আচরণের ক্ষেত্রে তেহরানকে তার দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

রেজাই বলেন, আজকের ইরান যুদ্ধের আগের ইরানের মতো নয়। তিনি আরও বলেন, দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সাম্প্রতিক সামরিক নিয়োগগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে তেহরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে চায়।

খামেনির অভিমত তুলে ধরে রেজাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শান্তিপ্রিয়’ দেশ হিসেবে দেখার ধারণায় ইরানি তরুণদের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। তিনি দাবি করেন, পুরো বিশ্ব বুঝে গেছে ট্রাম্প একজন বোকা।

23 Aug 26 1NOJOR

ইরানি নিরাপত্তা কর্মকর্তা ট্রাম্পকে বোকা বলে তেহরানের যুদ্ধপ্রস্তুতির কথা বললেন

ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি বলেছেন, বছরের পর বছর নিষেধাজ্ঞা ও বাহ্যিক চাপের মধ্যেও দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্প জাতীয় নিরাপত্তার প্রধান স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। জাতীয় প্রতিরক্ষা শিল্প দিবস উপলক্ষে দেওয়া বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রতিবেদনটি ২২ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত হয়।

ইরানি বলেন, ইরান অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা, অভ্যন্তরীণ জ্ঞান এবং জাতীয় ইচ্ছাশক্তির ওপর নির্ভর করার পথ বেছে নিয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ পথ অনুসরণ করে এমন একটি প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে উঠেছে, যা দেশের নিরাপত্তা ও শক্তির অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

নৌবাহিনীর কমান্ডার দাবি করেন, ইরানের অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে নির্ণায়ক ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেন, এ সক্ষমতা দেশের আক্রমণাত্মক ক্ষমতা বাড়িয়েছে এবং প্রতিপক্ষের উদ্দেশ্য ব্যর্থ করেছে। প্রতিবেদনের সূত্র হিসেবে আল জাজিরার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

22 Aug 26 1NOJOR

ইরানের নৌকমান্ডার বলছেন, দেশীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রতিপক্ষের উদ্দেশ্য ব্যর্থ করেছে

ইরানের নৌবাহিনীপ্রধান বলেছেন, বছরের পর বছর নিষেধাজ্ঞা ও বহিরাগত চাপের মধ্যেও দেশটি তার প্রতিরক্ষা শিল্প শক্তিশালী করেছে। জাতীয় প্রতিরক্ষা শিল্প দিবস উপলক্ষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ইরান নিজস্ব সক্ষমতা, অভ্যন্তরীণ জ্ঞান ও জাতীয় ইচ্ছাশক্তির ওপর নির্ভর করার পথ বেছে নিয়েছে। তাঁর মতে, গড়ে ওঠা এই শিল্প এখন জাতীয় নিরাপত্তা ও শক্তির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। ২২ আগস্ট ২০২৬ এ বিষয়ে ইরানের মেহর বার্তা সংস্থার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

নৌবাহিনীপ্রধান বলেন, দীর্ঘদিনের বিধিনিষেধ ও বাইরের চাপের মধ্যে ইরান নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উন্নত করেছে। এর ফলে প্রতিরক্ষা খাতে দেশের আত্মনির্ভরশীলতা বেড়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে নির্ণায়ক ভূমিকা রেখেছে।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব সক্ষমতা ইরানের আক্রমণাত্মক সক্ষমতাও বাড়িয়েছে এবং প্রতিপক্ষদের নির্ধারিত লক্ষ্য ব্যর্থ করতে ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞা ও বহিরাগত চাপ সত্ত্বেও নিজস্ব জ্ঞান ও সক্ষমতার ভিত্তিতে প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়ন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করেছে।

22 Aug 26 1NOJOR

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বেড়েছে বলে দাবি ইরানের নৌবাহিনীপ্রধানের

ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া ২২ আগস্ট ২০২৬ সালে বলেছেন, দেশের সামরিক কৌশল ধীরে ধীরে প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক দুটি যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে এই পরিবর্তন এসেছে বলে তিনি জানান। ইরানের ওপর হামলা হলে আগ্রাসনের মাত্রার চেয়েও ব্যাপক ও শক্তিশালী জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেন, কৌশলগত এই পরিবর্তনের অর্থ শত্রুর বিরুদ্ধে আগাম বা পূর্বপ্রস্তুতিমূলক অভিযান চালানো নয়। তার মতে, যেকোনো আগ্রাসনের জবাব তাৎক্ষণিকভাবে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আগের সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক সরঞ্জাম ও ব্যবস্থা মেরামত করা হয়েছে এবং বাহিনীতে নতুন কিছু সামরিক ব্যবস্থা ও প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে।

ইরানের এই কর্মকর্তা বলেন, শত্রু আবার ভুল হিসাব করলে আগের চেয়ে বেশি বিধ্বংসী জবাব দিতে সক্ষম হতে বাহিনী নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। যুদ্ধের পর হরমুজ প্রণালির ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বকে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমার ইঙ্গিত হিসেবে বর্ণনা করেন।

22 Aug 26 1NOJOR

যেকোনো আগ্রাসনের তাৎক্ষণিক ও আরও ব্যাপক জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের

ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরাকের কয়েকটি তেলবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা। ২২ আগস্ট ২০২৬ ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের ইরাক সফরের মধ্যেই এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

ইরনার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরাকের পার্লামেন্ট স্পিকার হাইবাত আল-হালবুসি দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষার জন্য ইরানের কাছে এ অনুমতি চেয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গালিবাফ ইরাকি তেলবাহী জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেন।

কতটি ইরাকি তেলবাহী জাহাজ এ অনুমতি পাবে, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। অনুমতি কবে থেকে কার্যকর হবে কিংবা এর নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ থাকবে কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত জানানো হয়নি। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও জ্বালানি পণ্য পরিবহন করা হয়। এই জলপথে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে।

22 Aug 26 1NOJOR

হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরাকি কয়েকটি তেলবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিল ইরান

ইরানের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি বলেছেন, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর যুদ্ধ সক্ষমতা শত্রুপক্ষকে তাদের কৌশলগত হিসাব-নিকাশ বদলাতে বাধ্য করেছে। জাতীয় প্রতিরক্ষা শিল্প দিবস উপলক্ষে শুক্রবারের এক বার্তায় তিনি দাবি করেন, অস্ত্র-স্বনির্ভরতা শেষ পর্যন্ত শত্রুকে যুদ্ধের রাজনৈতিক সমাধান মেনে নিতে বাধ্য করেছে।

হাতামি বলেন, বিভিন্ন ধরনের সামরিক সরঞ্জাম ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নকশা, নির্মাণ এবং আধুনিকায়নের মাধ্যমে ইরানের প্রতিরোধ সক্ষমতা জোরদারে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। তিনি আরও বলেন, এসব অর্জনের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর প্রকৃত রণক্ষেত্রে নিজেদের কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে।

সেনাপ্রধানের ভাষ্য অনুযায়ী, সশস্ত্র বাহিনীর বর্তমান সক্ষমতা কেবল কিছু সরঞ্জাম ও ব্যবস্থার সমষ্টি নয়। এটি ইরানের সক্ষমতার ওপর আস্থা, আত্মনির্ভরতা, দেশীয় জ্ঞান এবং নিরাপত্তা ও কর্তৃত্ব নিশ্চিত করার জাতীয় দৃঢ়তার প্রকাশ। সামরিক চাহিদা পূরণ, সরঞ্জাম আধুনিকায়ন, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বৈজ্ঞানিক ও শিল্প সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহারে সেনাবাহিনী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

22 Aug 26 1NOJOR

ইরানের প্রতিরক্ষা স্বনির্ভরতা শত্রুদের হিসাব বদলেছে বলে দাবি সেনাপ্রধানের

ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক বলেছেন, গত এক বছরে দেশটির অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে। ২২ আগস্ট ২০২৬ সালে দেওয়া এই বক্তব্যে তিনি জানান, নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আত্মনির্ভরতা জোরদার করতে তেহরান এখন উৎপাদন তিন গুণ বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তালাই-নিক বলেন, যুদ্ধকালীন অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কিছু কৌশলগত সামরিক পণ্যের উৎপাদন সর্বশেষ চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের সময় তিন গুণেরও বেশি বেড়েছে। হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষা উৎপাদন বন্ধ হবে—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি নেতাদের এমন দাবি ভুল প্রমাণিত হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। ধারাবাহিক উৎপাদন, দীর্ঘদিনের কৌশলগত মজুত এবং বিস্তৃত উৎপাদন নেটওয়ার্ককে তিনি সক্ষমতা বৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের প্রতিরক্ষা সরবরাহ ব্যবস্থায় এখন নয় হাজারের বেশি বেসরকারি ও জ্ঞানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান যুক্ত, যা এক বছরে প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। গত বছর ৭৬ শতাংশ গবেষণা প্রকল্প পণ্য উৎপাদনে সফল হয়েছে বলেও তিনি জানান। ইরান এক হাজারের বেশি ধরনের উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও অস্ত্র তৈরি করছে; সামরিক গোপনীয়তার কারণে কিছু ব্যবস্থা প্রকাশ্যে আনা হয়নি।

22 Aug 26 1NOJOR

ইরানের দাবি, এক বছরে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, তেহরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ব্যর্থ হতে বাধ্য। শুক্রবার সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অর্থনৈতিক পদক্ষেপের হুমকি দেওয়ার পর আরাগচি এই অবস্থান জানান।

আরাগচি বলেন, গত ১৪ বছর ধরে আরোপিত ইতিহাসের ‘সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ ব্যর্থ হয়েছে। তাঁর মতে, আট বছর আগে শুরু হওয়া ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতিও সফল হয়নি। তিনি আরও বলেন, পাঁচ মাস আগে ইরানকে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের’ আহ্বানও সফল হয়নি।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেন, ট্রাম্পের নতুন ও সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযানও ব্যর্থ হবে। এর আগে বুধবার ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে কোনো দেশের বিরুদ্ধে নেওয়া সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান ঘোষণা করবেন। ট্রাম্পের ভাষ্য, ইরান চুক্তির সুযোগ নিতে ব্যর্থ হওয়ায় দেশটিকে নজিরবিহীন মাত্রার অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও বিচ্ছিন্নতার মুখে পড়তে হবে।

22 Aug 26 1NOJOR

আরাগচির দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের নতুন অর্থনৈতিক অভিযান ব্যর্থ হবে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ওপর আরোপ করা নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ফল কী হয়, তা তিনি দেখছেন। ২২ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত আল-জাজিরার প্রতিবেদনে তিনি আবারও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে ইরান অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তি করতে তেহরান খুবই আগ্রহী।

নতুন নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা নিয়ে ট্রাম্প বলেন, “কী হয়, আমরা দেখছি।” তার বক্তব্যে ইরানের ওপর সর্বশেষ অর্থনৈতিক চাপের ফল পর্যবেক্ষণের অবস্থান উঠে এসেছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তেহরানের ওপর চাপ বাড়াতে ওয়াশিংটন নিষেধাজ্ঞাকে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।

ট্রাম্পের দাবির সরাসরি জবাব দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধের পরিকল্পনা সফল হবে না; বরং তা ব্যর্থ হতে বাধ্য। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের এসব পদক্ষেপকে অর্থনৈতিক যুদ্ধ হিসেবে উল্লেখ করে আসছে।

22 Aug 26 1NOJOR

ইরানের ওপর নতুন মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ফল দেখছেন ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ রস হ্যারিসন বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অর্থনৈতিক চাপকে ‘ডি-ডে’ বললেও এর মাধ্যমে ইরানকে নতি স্বীকারে বাধ্য করা সম্ভব হবে না। ২২ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। হ্যারিসনের মতে, ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে যাওয়ার পর সর্বোচ্চ চাপের নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল হওয়ার পর থেকেই ইরানের মানুষ অর্থনৈতিক ‘ডি-ডে’র মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

হ্যারিসন বলেন, ইরানকে নতি স্বীকার করানোর পরিস্থিতি সামরিক অভিযান তৈরি করতে পারেনি বলেই ট্রাম্প অর্থনৈতিক চাপ বোঝাতে সামরিক পরিভাষা ব্যবহার করছেন। তবে এ ধরনের চাপ প্রয়োগ করে ট্রাম্প যে ফল আশা করছেন, তা বাস্তবে অর্জিত হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি যথেষ্ট সন্দিহান।

তার মতে, চীন এখনো ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তার উৎস এবং দেশটির বড় ‘জীবনরেখা’ হতে পারে। কিন্তু এই সম্পর্ককে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ নিলে ওয়াশিংটনের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে, কারণ চীনেরও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রয়োগের মতো নানা প্রভাব ও ক্ষমতা রয়েছে। আগামী মাসে ওয়াশিংটনে সি চিন পিং ও ট্রাম্পের সম্ভাব্য বৈঠকের প্রেক্ষাপটে, চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করার মূল্য যুক্তরাষ্ট্র দেবে কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

22 Aug 26 1NOJOR

বিশ্লেষকের সন্দেহ, মার্কিন অর্থনৈতিক চাপ ইরানকে নতি স্বীকারে বাধ্য করবে না

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখেন। শুক্রবার দক্ষিণ ক্যারোলাইনায় সিনেট প্রার্থী ডার্লিন গ্রাহামের প্রচার সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। তখন ইরানের জাহাজ ও বন্দর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবরোধ চলছিল এবং ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ শেষ করতে আলোচনার চেষ্টা করছিল ট্রাম্প প্রশাসন।

ট্রাম্প বলেন, তারা আদৌ জিতেছেন কি না তা তিনি জানেন না, কারণ এই মুহূর্তে তিনি প্রণালিটিকে মার্কিন ভূখণ্ড হিসেবে দেখেন। তিনি ইরানে আরও হামলার প্রসঙ্গও তোলেন এবং প্রশ্ন করেন, তাঁকে কি সেখানে আরও বোমা ফেলতে হবে। ডার্লিন গ্রাহাম তাঁর প্রয়াত ভাই লিন্ডসে গ্রাহামের সিনেট আসনটি স্থায়ীভাবে পূরণের জন্য প্রার্থী হয়েছেন।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ৬৮টি বাণিজ্যিক জাহাজকে পথ পরিবর্তন করে অবরোধ মানতে বাধ্য করেছে। সংঘাত শুরুর প্রায় ছয় মাস পরও কোনো শান্তিচুক্তি হয়নি। ইরান ট্রাম্পের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে; উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি একে ‘ভ্রান্ত ধারণা’ বলেছেন।

22 Aug 26 1NOJOR

ইরানি নৌযান অবরোধের মধ্যে হরমুজকে মার্কিন ভূখণ্ড বললেন ট্রাম্প

ইরানের অবরোধের পর হরমুজ প্রণালিতে ৬৮টি সামুদ্রিক ঘটনার তথ্য নথিভুক্ত করেছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা আইএমও। শুক্রবার পর্যন্ত এসব ঘটনায় ১৯ জন নাবিকের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরান প্রণালিটিতে অবরোধ শুরু করে, যার পর একের পর এক ঘটনা ঘটে।

আইএমও জানিয়েছে, অবরোধ শুরুর পর থেকে তারা ঘটনাগুলো পর্যবেক্ষণ করছে এবং এসব ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়েছে। সংস্থাটির তালিকায় সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে ১৭ আগস্ট, যখন লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ মিনোয়ান ডিগনিটির ইঞ্জিন কক্ষে একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হানে।

ওই হামলায় জাহাজটির একজন নাবিক নিহত হন। সামুদ্রিক যান চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান উইনওয়ার্ড জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তি জাহাজটির প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন। হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হওয়ায় সেখানে সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংকট আন্তর্জাতিক উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

22 Aug 26 1NOJOR

ইরানের অবরোধের পর হরমুজে ৬৮ ঘটনায় ১৯ নাবিকের মৃত্যু নথিভুক্ত

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কেবল একটি দেশের বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থনৈতিক যুদ্ধ নয়; এটি সব সরকারের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’র শামিল। ফারস নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে আল-জাজিরা এ বক্তব্য জানায়। যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেওয়ার পর ২২ আগস্ট ২০২৬ এ প্রতিক্রিয়া আসে।

বাঘাই বলেন, নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের সব স্বাধীন সদস্যরাষ্ট্রের ওপর নিজের এখতিয়ার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। তিনি একে বহির্দেশীয় সার্বভৌমত্ব চাপিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেন। তাঁর মতে, কোনো সরকারের বিদেশি ব্যাংক, প্রতিষ্ঠান বা বিমানবন্দরকে তৃতীয় দেশের সঙ্গে বৈধ বাণিজ্য থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করার অধিকার নেই।

ইরানি মুখপাত্র বলেন, এ ধরনের সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞার আন্তর্জাতিক আইনে কোনো ভিত্তি নেই এবং তা জাতিসংঘ সনদের ২ নম্বর অনুচ্ছেদের ১ নম্বর দফায় স্বীকৃত রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌম সমতার নীতি লঙ্ঘন করে। তিনি অর্থনৈতিক চাপকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ও অন্যায় কর্মকাণ্ড আখ্যা দেন। নৌ অবরোধ যুক্ত হলে অন্য রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব অন্য শক্তির ইচ্ছানির্ভর হয়ে পড়বে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

22 Aug 26 1NOJOR

নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে সব সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বলেছে ইরান

গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ১৯ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।