ইসরাইলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সব রণাঙ্গনে যুদ্ধবিরতি নিয়ে সমঝোতা হলেও লেবাননে দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতির প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। ইসরাইলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কান জানিয়েছে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে সেনাবাহিনী রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্দেশ পেলে লেবাননে দীর্ঘ সময় থাকার জন্য প্রস্তুত। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সুইজারল্যান্ডে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চুক্তি এগোলেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলা এবং উত্তর ইসরাইলের দিকে গোলাগুলি অব্যাহত রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনুষ্ঠেয় সমঝোতা স্মারকে লেবাননসহ পুরো অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বন্ধের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, লেবাননে যুদ্ধের অবসান ও ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তির অবিচ্ছেদ্য অংশ।
প্রতিবেদনগুলো ইঙ্গিত দেয় যে কূটনৈতিক অগ্রগতি সত্ত্বেও ইসরাইলের সামরিক প্রস্তুতি লেবাননে দীর্ঘমেয়াদি সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা রাখছে।
যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতা সত্ত্বেও লেবাননে দীর্ঘ উপস্থিতির প্রস্তুতি ইসরাইলের
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের জাতীয় বার্তা সংস্থা। মঙ্গলবার মাইফাদুন এলাকায় দুটি গাড়ি ও শৌকিন গ্রামে আরেকটি গাড়িতে হামলা চালানো হয়। যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চললেও এসব হামলায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ইরান সতর্ক করেছে, দক্ষিণ লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে ইসরায়েলকে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
ইরানি কর্মকর্তারা বারবার বলেছেন, যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে লেবাননে ইসরাইলি হামলা বন্ধ করতে হবে। সংঘাতে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত চুক্তিতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান অবিলম্বে বন্ধের কথা বলা হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের দখলদারিত্ব অব্যাহত থাকলে তা চুক্তির লঙ্ঘন হবে।
ইরানের যৌথ সামরিক কমান্ডও সতর্ক করেছে, হামলা অব্যাহত থাকলে ইসরায়েলকে কঠোর প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হবে। ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছেন, ইসরাইলকে হামলা বন্ধ ও দখলকৃত এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারে বাধ্য করতে।
লেবাননে ইসরাইলি হামলায় নিহত ৪, কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের
লেবাননের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইসরাইলের হামলায় এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৮২৬ জন নিহত এবং ১১ হাজার ৮৫১ জন আহত হয়েছেন। স্বাস্থ্য বিভাগ সম্প্রতি প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যে জানায়, গত ২ মার্চ থেকে চলমান সংঘাতে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
নিহতদের মধ্যে শত শত নারী ও শিশু ছাড়াও জরুরি চিকিৎসাসেবাকর্মী, প্যারামেডিক এবং উদ্ধার কার্যক্রমে নিয়োজিত প্রথম সারির কর্মীরা রয়েছেন। এই তথ্য লেবাননের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সংঘাতের ভয়াবহ মানবিক প্রভাব তুলে ধরে।
ইসরাইলি সামরিক অভিযানের কারণে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে মানবিক পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে অবনতি হয়েছে। ইতোমধ্যে ১০ লাখের বেশি মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন, যা দেশটির জন্য বড় মানবিক সংকট তৈরি করেছে।
ইসরাইলি হামলায় লেবাননে নিহত ৩৮২৬, বাস্তুচ্যুত ১০ লাখের বেশি মানুষ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তি ঘোষণার পরও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। ১৫ জুন ২০২৬ তারিখে লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি’ (এনএনএ) জানিয়েছে, এই হামলাগুলো চুক্তির পরপরই সংঘটিত হয়েছে, যদিও তেহরান বলেছিল চুক্তির আওতায় লেবাননে হামলা বন্ধ থাকবে।
এনএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরাইলি বিমান বাহিনী খিয়াম এলাকায় দুটি বিমান হামলা চালায় এবং কাফর তিবনিত শহরে একটি গাড়ি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়, যাতে কয়েকজন আহত হন। একই সময়ে কাফর তিবনিত ও নবাতিহ আল-ফাওকা শহরে গোলাবর্ষণ করা হয়। এছাড়া টায়ার শহরের দিকে যাওয়ার প্রধান হারিস-তিবতিন সড়কে বিস্ফোরকবোঝাই রিমোট-কন্ট্রোলড ‘এম১১৩’ সাঁজোয়া যান উড়িয়ে দেয় ইসরাইলি সেনারা।
চুক্তি সত্ত্বেও এসব হামলা অব্যাহত থাকায় চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলা অব্যাহত
দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর এক শীর্ষ সামরিক কমান্ডার নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরাইল। দেশটির সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সপ্তাহান্তে লিতানি নদীর দক্ষিণে আলি মুসা দাকদুক নিহত হন। বিবৃতিতে তাকে হিজবুল্লাহর অন্যতম প্রভাবশালী কমান্ডার হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং বলা হয়, তিনি দক্ষিণ সিরিয়ায় হিজবুল্লাহর ঘাঁটি স্থাপনের প্রচেষ্টা ‘গোলান ফাইল’-এর নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।
ইসরাইলের এই দাবির বিষয়ে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২ মার্চ থেকে ইসরাইল লেবাননে ধারাবাহিকভাবে বোমা হামলা চালিয়ে আসছে এবং দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কয়েকটি শহর দখল করেছে। লেবাননের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসব হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ৮০০ জন নিহত, ১১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি আহত এবং ১৫ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
এই পরিস্থিতি ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর সংঘাতের তীব্রতা এবং দক্ষিণ লেবাননের মানবিক সংকটকে আরও গভীর করছে।
দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলায় হিজবুল্লাহ কমান্ডার নিহতের দাবি
লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহর ঘোবেইরিতে শনিবার (১৪ জুন) ইসরাইলি হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন এবং ১৬ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এই তথ্য লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সির এক বিবৃতিতে প্রকাশ করা হয়।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ইসরাইলি হামলায় লেবাননে মোট ৩ হাজার ৭৮৩ জন নিহত এবং ১১ হাজার ৬৯৯ জন আহত হয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলমান হামলায় দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক মানবিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এই পরিসংখ্যান লেবাননে সংঘাতের ক্রমবর্ধমান মানবিক প্রভাব এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বৈরুত উপশহরে ইসরাইলি হামলায় নিহত ৩, লেবাননে মৃতের সংখ্যা ৩,৭৮৩
লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলের সাম্প্রতিক হামলা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা বা চুক্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। লেভান্ট ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক সামি নাদের বলেন, এই হামলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার মুহূর্ত। ইসরাইল হিজবুল্লাহ ইস্যুকে আলোচনার বাইরে রাখতে চাইলেও ইরান সেটিকে আলোচনার অংশ হিসেবে রাখতে আগ্রহী।
আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাদের বলেন, ইসরাইল হিজবুল্লাহ ফ্রন্টকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার বাইরে রাখতে চায়, অন্যদিকে ইরান এই সংযোগ বজায় রাখতে চায় এবং এটিকে চুক্তি এগিয়ে নেওয়ার শর্ত হিসেবে দেখছে। তিনি আরও বলেন, এই ঘটনা সম্ভাব্য চুক্তিকে সম্পূর্ণভাবে ভেস্তে দিতে পারে। নাদেরের মতে, ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিও হামলার পেছনে ভূমিকা রেখেছে, যেখানে কট্টর ডানপন্থীরা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে যথেষ্ট কঠোর না হওয়ার অভিযোগ তুলেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ইরান কীভাবে এই হামলার জবাব দেয়, কারণ তেহরানের পদক্ষেপই নির্ধারণ করবে উত্তেজনা আরও বাড়বে নাকি কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা থাকবে।
বৈরুতে ইসরাইলি হামলায় উত্তেজনা বৃদ্ধি, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি হুমকির মুখে
২০২৬ সালের ১৪ জুন লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ উপশহরে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। ইসরাইলি ব্রডকাস্টিং অথরিটির তথ্যমতে, দুটি যুদ্ধবিমান থেকে চারটি নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে এতে বহু হতাহতের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
এই হামলার পর সম্ভাব্য পাল্টা আক্রমণের আশঙ্কায় ইসরাইল দেশজুড়ে সতর্কতা জোরদার করেছে। ইসরাইলের হোম ফ্রন্ট কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া এবং তেহরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিজবুল্লাহর পাল্টা পদক্ষেপের আশঙ্কায় সতর্কতা স্তর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক এই হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগজনক ইঙ্গিত বহন করছে।
বৈরুতের উপশহরে ইসরাইলি হামলায় বহু হতাহতের আশঙ্কা ও উত্তেজনা বৃদ্ধি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার প্রাক্কালে লেবাননজুড়ে বড় ধরনের ইসরাইলি হামলার আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে। বৈরুত আশঙ্কা করছে, নতুন এই কূটনৈতিক পরিস্থিতির সুযোগে ইসরাইল অতীতের মতো প্রাণঘাতী হামলা চালাতে পারে। এর আগেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতি চুক্তির সময় ইসরাইল লেবাননকে চুক্তির বাইরে রেখে মাত্র ১০ মিনিটে ১০০টিরও বেশি স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছিল, যাতে ৩৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইসরাইল জানিয়েছে, তারা এই চুক্তির অংশ নয় এবং লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না। ইতোমধ্যে ইসরাইলি বাহিনী নাবাতিহ শহরের আশপাশে অগ্রসর হয়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ উঁচু স্থানগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। লেবাননের সরকারি বাহিনীকে ওই এলাকা থেকে সরে যেতে দেখা গেছে।
দেশটিতে এখন আশঙ্কা বাড়ছে যে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগেই ইসরাইল নতুন উসকানি সৃষ্টি করতে পারে বা আরও এলাকা দখলের লক্ষ্যে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির আগে ইসরাইলি হামলার আশঙ্কায় লেবাননে আতঙ্ক
দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলি বাহিনী আল-মাজাদেল ও আল-কাওথারিয়াহ এলাকায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে। লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ইসরাইলি সেনারা মারজায়ুন জেলার বেল্ত শহরে বোমাবর্ষণ করেছে এবং খিরবেত সেলাম, বায়ত আল-সায়্যাদ, শাহুর, বুর্জ কালাওইয়া ও জারিয়েহ এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে।
অন্যদিকে হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা ইকলিম আল-তুফাহ অঞ্চলের আকাশে উড়ন্ত একটি হার্মেস ৪৫০ মডেলের ইসরাইলি ড্রোনে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, জেদেইদেত মেস আল-জাবাল এলাকায় ইসরাইলি সামরিক যানবাহন এবং ইয়োহমোর আল-শাকিফের কাছে একটি কমান্ড সেন্টারে ‘ডাইভিং ড্রোন’ দিয়ে আঘাত হেনেছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী এসব দাবির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি এবং স্বাধীনভাবে যাচাই সম্ভব হয়নি।
এই হামলাগুলো সীমান্ত অঞ্চলে চলমান উত্তেজনাকে আরও তীব্র করেছে, তবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলা, পাল্টা আঘাতের দাবি হিজবুল্লাহর
দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ১৩ জুন ২০২৬ তারিখে সংঘটিত এই হামলায় টাইর, জেজিন ও নাবাতিয়েহ জেলার বিভিন্ন স্থানে ক্ষয়ক্ষতি হয়। টাইর জেলার মারাকেহ এলাকায় একজন নিহত হন এবং জেজিন জেলার রিহান পৌরসভার মেয়রও প্রাণ হারান। পরে নাবাতিয়েহ জেলার দেইর আল-জাহরানি এলাকায় আরও দুইজন নিহত হন। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, ওই এলাকায় একটি আবাসিক ভবনও ধ্বংস হয়ে গেছে।
আল জাজিরার বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলাগুলো দক্ষিণ লেবাননের একাধিক বেসামরিক এলাকায় সংঘটিত হয়। তবে প্রতিবেদনে হামলার কারণ বা কোনো পক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া উল্লেখ করা হয়নি।
ঘটনার পর নিহতদের পরিচয়, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলায় চারজন নিহত, আবাসিক ভবন ধ্বংস
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলি বাহিনীর পৃথক হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি। প্রতিবেদনে বলা হয়, আদশিত শহরের ইয়াসিন পোলট্রি ফার্মে চালানো বিমান হামলায় খামারের মালিক ইমাদ আহমদ ইয়াসিন নিহত হন। অন্যদিকে, হাবোশ শহরের আল-শরিফা এলাকায় নিজের বাড়ির সামনে ড্রোন হামলায় ১৬ বছর বয়সি ওসামা হাসান আল-খালেদ নামে এক কিশোর প্রাণ হারায়।
আজ ভোরে কাফর রুমান শহরের আল-মার্জ এলাকায় আরেকটি ড্রোন হামলায় আরও দুজন নিহত হয়েছে। একই সময়ে নাবাতিয়াহ শহর, কাফর সির ও সির আল-গারবিয়ার মধ্যবর্তী এলাকায় বিমান হামলা চালানো হয়। জেবচিত শহরে কামান থেকে গোলাবর্ষণ এবং মানসুরি ও মাজদাল জৌন সীমান্তবর্তী এলাকায়ও ইসরাইলি গোলা নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
আলজাজিরা সূত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নিহতদের পরিচয় বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলায় চারজন নিহত, নিহতদের মধ্যে এক কিশোর
ওয়াশিংটনে মার্কিন মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরাইল সরকারের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নবায়নের ঘোষণার পর হিজবুল্লাহ তা প্রত্যাখ্যান করেছে। দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বোমাবর্ষণ ও অনুপ্রবেশ চলতে থাকলেও চুক্তির শর্তে কেবল হিজবুল্লাহকে হামলা বন্ধ করতে বলা হয়েছিল। এই প্রস্তাবকে ‘অযৌক্তিক ও অপমানজনক’ আখ্যা দিয়ে তারা দ্রুত তা প্রত্যাখ্যান করে।
২০২৬ সালের মার্চে শুরু হওয়া ‘রমজান যুদ্ধ’-এ হিজবুল্লাহ ড্রোন ও বিশেষায়িত ছোট ইউনিটের ওপর নির্ভর করে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। ২০২৪ সালের তুলনায় তাদের সামরিক কাঠামো, যুদ্ধক্ষেত্রের প্রস্তুতি ও পরিচালনায় বড় পরিবর্তন এসেছে। নতুন নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া সরল করেছে এবং মধ্যম সারির কমান্ডারদের বেশি স্বাধীনতা দিয়েছে। এখন তারা সংখ্যার চেয়ে দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
বর্তমানে হিজবুল্লাহর যুদ্ধনীতি ভূখণ্ড রক্ষার পরিবর্তে শত্রুর ওপর ক্রমাগত ক্ষয়ক্ষতি চাপিয়ে দেওয়ার দিকে। তবে লেবাননের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট তাদের দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
হিজবুল্লাহ মার্কিন মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করে ড্রোনভিত্তিক দীর্ঘ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে
লেবাননের নাবাতিয়েহ গভর্নরেটের জেফতা শহরে ইসরাইলি হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নিহতদের মধ্যে এক সিরীয় শিশু ও এক নারী রয়েছেন। আজ ভোরে এই হামলা চালানো হয় এবং এতে অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হামলার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
সাম্প্রতিক সময়ে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। আল জাজিরা সূত্রে এই তথ্য জানিয়েছে লেবাননের সংবাদমাধ্যম।
ঘটনার বিষয়ে উভয় পক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো জানা যায়নি।
লেবাননের জেফতায় ইসরাইলি হামলায় শিশুসহ সাতজন নিহত
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৬৩৭ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার প্রকাশিত পরিসংখ্যানে বলা হয়, একই সময়ে আহত হয়েছেন অন্তত ১১ হাজার ১৮৮ জন। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই সংঘাত লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র মানবিক সংকট সৃষ্টি করেছে। হামলার কারণে বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং দেশটির স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি সহায়তা ব্যবস্থার ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। আন্তর্জাতিক মহল বারবার সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানালেও সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সংঘাত শুরুর পর থেকে নিহত ও আহতের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা পরিস্থিতির অবনতি নির্দেশ করে।
ইসরাইলি হামলায় লেবাননে ৩,৬৩৭ জন নিহত, মানবিক সংকট আরও গভীর
দক্ষিণ লেবাননে অবস্থানরত ইসরাইলি সেনা ও সামরিক যানবাহনের একটি সমাবেশকে লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালানোর দাবি করেছে হিজবুল্লাহ। সোমবার সকালে টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, বেইত ইয়াহুন এলাকার উপকণ্ঠে অবস্থানরত ইসরাইলি সেনাদের ওপর রকেটের ব্যারাজ ছোড়া হয়েছে। হিজবুল্লাহর দাবি, দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন গ্রামে ইসরাইলের হামলা ও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাব হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
এ ঘটনায় ইসরাইল এখনো কোনো মন্তব্য করেনি এবং তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননে স্থল অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে, যা তারা বলছে উত্তর ইসরাইলের দিকে হিজবুল্লাহর রকেট হামলা ঠেকানোর উদ্দেশ্যে পরিচালিত।
সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি সেনাদের ওপর রকেট হামলার দাবি হিজবুল্লাহর
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পরও ইসরাইল লেবাননে প্রায় সাড়ে তিন হাজার হামলা চালিয়েছে। মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক্সে প্রকাশিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ১৭ এপ্রিল থেকে ৭ জুন পর্যন্ত ইসরাইল ৩ হাজার ৪৯১টি বিমান হামলা, ৪০৭টি পরিকল্পিত ধ্বংস অভিযান এবং ছয়টি ‘রেজিং অপারেশন’ পরিচালনা করেছে। এতে দক্ষিণ লেবাননের সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রাম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
নওয়াফ সালাম বলেন, লেবানন যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার চেষ্টা করছে, তবে ইরান-ইসরাইল সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে নতুন করে বাস্তুচ্যুত মানুষের ঢল তৈরি হয়েছে, যা দেশটির জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি জানান, বৈরুত, সাইদা ও অন্যান্য অঞ্চলে আশ্রয় দেওয়ার সক্ষমতা প্রায় সীমায় পৌঁছে গেছে, ফলে নতুন আশ্রয়প্রার্থীদের সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২ মার্চ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরাইলের হামলা ও জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়ার কারণে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যা লেবাননের মোট জনসংখ্যার প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ।
যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পরও ইসরাইলের ৩৫০০ হামলার অভিযোগ লেবাননের
সাংবাদিক আবেদ আবু শেহাদেহ বলেছেন, ইসরাইল লেবাননে একটি বড় ধরনের চোরাবালিতে আটকে পড়েছে এবং এই সংঘাত থেকে বের হওয়ার কোনো কৌশল তাদের হাতে নেই। জাফা থেকে আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইসরাইলের সাম্প্রতিক পদক্ষেপকে ‘যুদ্ধবিরতি’ বলা ভুল হবে, কারণ ইসরাইলি গণমাধ্যম নিজেরাই একে ‘যুদ্ধবিরতি যুদ্ধ’ বলে উল্লেখ করছে।
আবু শেহাদেহ জানান, গত কয়েক সপ্তাহে হিজবুল্লাহর নতুন ফাইবারের তৈরি ড্রোনের আঘাতে একের পর এক ইসরাইলি সেনা নিহত হচ্ছে। এই ড্রোন প্রযুক্তির বিরুদ্ধে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর কাছে আপাতত কোনো কার্যকর সমাধান নেই, ফলে তাদের ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে।
প্রতিবেদনটি ইঙ্গিত দেয়, লেবাননে ইসরাইলের সামরিক অভিযান ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে এবং নতুন ড্রোন হামলা তাদের কৌশলগত অবস্থানকে দুর্বল করছে।
হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় লেবাননে চোরাবালিতে আটকে ইসরাইল
দক্ষিণ লেবাননজুড়ে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের সেনাবাহিনী। নিহতদের মধ্যে একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, একজন ক্যাপ্টেন এবং একজন সেনাসদস্য রয়েছেন। খারদালি-নাবাতিয়া সড়কে একটি সামরিক যানে হামলার ঘটনায় তারা প্রাণ হারান।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, শনিবারের হামলাটি একটি “সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রে” চালানো হয়েছে এবং ওই এলাকায় চলাচলের জন্য ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় প্রয়োজন ছিল। তারা বলেছে, ঘটনাটি তদন্তাধীন। লেবাননের সেনাবাহিনী এই হামলাকে ইচ্ছাকৃত ও বারবার চালানো আগ্রাসন হিসেবে বর্ণনা করেছে, যার উদ্দেশ্য সমাধানের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করা।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন হামলাটিকে দেশের সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম একে জঘন্য অপরাধ হিসেবে আখ্যা দিয়ে নিহত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওয়াসাম সাবরা, ক্যাপ্টেন এলি খৌরি ও সেনাসদস্য হুসেইন ঘাজলের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলায় সেনা কর্মকর্তাসহ ১২ জন নিহত
মার্কিন মধ্যস্থতায় ঘোষিত শর্তাধীন যুদ্ধবিরতির কয়েকদিন পর শনিবার দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে উচ্চপদস্থ লেবানিজ সেনা কর্মকর্তারাও রয়েছেন। লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, খারদালি-নাবাতিয়াহ সড়কে একটি সামরিক যান লক্ষ্য করে ইসরায়েলি হামলায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওয়াসাম সাবরা, ক্যাপ্টেন এলি খুরি এবং সৈনিক হুসেইন গোজাল নিহত হন। ইসরায়েল জানিয়েছে, ঘটনাস্থলটি সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্র এবং বিষয়টি তদন্তাধীন।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ও প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম হামলাটিকে সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে নিন্দা করেছেন। হিজবুল্লাহ ও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও হামলার নিন্দা জানিয়েছে, আর সৌদি আরব, জর্ডান ও কাতার লেবাননের সার্বভৌমত্ব রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে। দক্ষিণ লেবাননে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন জানিয়েছে, এসব হামলা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৭০১ নম্বর প্রস্তাবের লঙ্ঘন।
ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান সংঘর্ষের মধ্যেই এই সহিংসতা ঘটছে। লেবাননের সেনাবাহিনী এখন পর্যন্ত সংঘাতে সরাসরি জড়ায়নি, তবে দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি অভিযান ও স্থানান্তর আদেশের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ১২ জন নিহত, নিহতদের মধ্যে উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ৩৯ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।