ফ্রান্সে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে ইসলামী শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্যারিসের ওভারভিলিয়ে এলাকায় মাল্টি কালচারাল (এমসি) ইনস্টিটিউট ফ্রান্সের উদ্যোগে অভিভাবক ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার বিকেলে এমসি ইনস্টিটিউটের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল প্রফেসর বদরুল বিন হারুন।
বক্তারা এমসি ইনস্টিটিউটের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরে প্রবাসী সন্তানদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী ও বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নেন। তারা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান এবং সম্মিলিত সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
ফান্ডরেইজিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারীরা আন্তরিকভাবে সাড়া দেন এবং প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানটি শেষ হয় এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর পরিসরে কার্যক্রম পরিচালনার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
ফ্রান্সে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সন্তানদের নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষায় উৎসাহ
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে প্যারিসে পার্ক দে প্রিন্সেসে লিভারপুলকে ২-০ গোলে হারিয়েছে পিএসজি। ২০২৬ সালের ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য দেখায় ফরাসি ক্লাবটি। আর্নে স্লটের দল কার্যত নিজেদের ছন্দ খুঁজে পায়নি। একাদশ মিনিটে উসমান দেম্বেলের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলেও দেজিরে দুয়ে রিবাউন্ড থেকে গোল করে পিএসজিকে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধে আরও কয়েকটি সুযোগ পেলেও লিভারপুলের গোলরক্ষক জিওরজি মামারদাশভিলি চমৎকার সেভে ব্যবধান বাড়তে দেননি।
বিরতির পরও একই চিত্র দেখা যায়। ৬৫ মিনিটে জোয়াও নেভেসের নিখুঁত পাস থেকে খিচা কাভারৎস্খেলিয়া একক প্রচেষ্টায় গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। পুরো ম্যাচে পিএসজির বল দখল ছিল ৭৪ শতাংশ, তারা ১৮টি শট নেয় যার ৬টি লক্ষ্যে ছিল। বিপরীতে লিভারপুল মাত্র ৩টি শট নিলেও একটিও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি। এক পর্যায়ে পিএসজি পেনাল্টি পেলেও ভিডিও সহকারী রেফারির সিদ্ধান্তে তা বাতিল হয়।
এই হারের ফলে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা তিন ম্যাচে পরাজিত হলো লিভারপুল। আগামী মঙ্গলবার অ্যানফিল্ডে ফিরতি লেগে ঘুরে দাঁড়ানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে তাদের সামনে।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্যারিসে লিভারপুলকে ২-০ গোলে হারাল পিএসজি
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী ও বিশ্বাসযোগ্য শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করা অপরিহার্য। আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, তিনি ইরান ও মার্কিন নেতাদের বলেছেন যে যুদ্ধবিরতিই ছিল সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত এবং এতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করাই শান্তির সর্বোত্তম পথ।
ম্যাক্রোঁ বলেন, যুদ্ধবিরতিকে বিশ্বাসযোগ্য ও স্থায়ী করার জন্য এটি একটি অপরিহার্য শর্ত। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যেকোনো চূড়ান্ত চুক্তিতে ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, আঞ্চলিক নীতি এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলে প্রতিবন্ধকতার মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নিতে হবে।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছেন এবং হরমুজ প্রণালি খোলার জন্য যৌথ সামরিক অভিযানের প্রস্তাবকে আগে অবাস্তব বলে মন্তব্য করেছিলেন।
মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির জন্য যুদ্ধবিরতিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান ম্যাক্রোঁর
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঘোষিত যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং এটিকে অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, লেবাননের পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটাপন্ন এবং এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় দেশটিকেও অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনের বরাতে জানা যায়, ম্যাক্রোঁ দীর্ঘদিন ধরে লেবাননে সংঘাত বন্ধের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছেন এবং দেশটিকে আরও সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। তার মতে, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে আঞ্চলিক সব সংঘাতকে বিবেচনায় নিয়ে একটি সমন্বিত সমাধানের পথে এগোতে হবে।
তার এই মন্তব্য ফ্রান্সের মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা রক্ষায় কূটনৈতিক ভূমিকার ধারাবাহিকতা এবং লেবাননের নাজুক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগকে প্রতিফলিত করে।
লেবাননের সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতিতে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান ম্যাক্রোঁর
ফ্রান্স যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভে রাখা অবশিষ্ট স্বর্ণ বিক্রি সম্পন্ন করেছে, যা দেশের স্বর্ণ মজুদ দেশে ফিরিয়ে আনা ও আধুনিক মানে উন্নীত করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংক দ্য ফ্রান্স, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারির মধ্যে ১২৯ টন স্বর্ণ নবায়ন করে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ইউরো (প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার) আয় করেছে। ব্যাংকটি জানিয়েছে, এই পদক্ষেপটি রাজনৈতিক নয়, বরং একটি বাস্তব আর্থিক সিদ্ধান্ত।
প্যারিসে স্বর্ণ মজুদ একত্রিত করে এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বার গ্রহণের মাধ্যমে ফ্রান্স তার স্বর্ণ ব্যবস্থাপনা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আরও সহজ করেছে। মোট ২,৪৩৭ টন স্বর্ণের মধ্যে প্রায় ৫ শতাংশ বিক্রি করা হয়েছিল, যা উচ্চ স্বর্ণমূল্যের সময়ে সম্পন্ন হওয়ায় উল্লেখযোগ্য মুনাফা এনে দেয়। পুরনো বার পরিবহন না করে ব্যাংকটি ইউরোপে নতুন মানসম্পন্ন স্বর্ণ ক্রয় করে, ফলে মোট মজুদের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে।
রয়টার্স জানিয়েছে, ২০২৫ সালে ব্যাংক দ্য ফ্রান্স ১১ বিলিয়ন ইউরো বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে এবং ২০২৬ সালের লেনদেনসহ মোট লাভ প্রায় ১৩ বিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে। ব্যাংকটি ২০২৮ সালের মধ্যে আরও ১৩৪ টন স্বর্ণ আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনা করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বর্ণ ফিরিয়ে এনে ফ্রান্সের ১৩ বিলিয়ন ইউরো মুনাফা
ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রভাবমুক্ত একটি ‘স্বাধীনতার জোট’ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে ইয়োনসেই বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বক্তৃতায় তিনি আন্তর্জাতিক আইন, গণতন্ত্র ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতি অভিন্ন প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে নতুন জোট গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। সম্ভাব্য এই জোটে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ব্রাজিল, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
ম্যাক্রোঁ সামরিক শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার সমালোচনা করে পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। একই সময়ে, ফ্রান্স জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে, যার ফলে ইসরাইলের সঙ্গে ফ্রান্সের সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। ইসরাইল ফ্রান্স থেকে সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ম্যাক্রোঁর এই অবস্থান বৈশ্বিক রাজনীতিতে নতুন ভারসাম্য তৈরির প্রচেষ্টা, যেখানে মধ্যম শক্তির দেশগুলো আরও স্বাধীনভাবে নিজেদের অবস্থান নির্ধারণ করতে পারবে।
ম্যাক্রোঁর আহ্বান, যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রভাবমুক্ত বৈশ্বিক জোট গঠনের প্রস্তাব
ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইসরাইলকে কোনো আক্রমণাত্মক অস্ত্র দেবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। রোববার প্রেসটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, ফরাসি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্যাথরিন ভোত্রাঁ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, ফ্রান্স ইসরাইলকে অস্ত্র সরবরাহ করছে না। তিনি বলেন, কেবল কিছু উপাদান বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়, যেমন আয়রন ডোমের প্রজেক্টাইল এবং কিছু সরঞ্জাম যা ফরাসি সশস্ত্র বাহিনীরও প্রয়োজন।
এর কয়েকদিন আগে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পক্ষ নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো আগ্রাসনে অংশ নেবে না ফ্রান্স। এই অবস্থান ফ্রান্সের মধ্যপ্রাচ্যে ভারসাম্যপূর্ণ নীতি বজায় রাখার প্রচেষ্টাকে প্রতিফলিত করে।
ফ্রান্সের এই সিদ্ধান্ত ইরানকে ঘিরে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত থেকে দূরে থাকার ইঙ্গিত দেয়।
ইরান উত্তেজনার মধ্যে ইসরাইলকে আক্রমণাত্মক অস্ত্র না দেওয়ার ঘোষণা ফ্রান্সের
দক্ষিণ কোরিয়া সফরকালে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, যুদ্ধ বা সামরিক হামলা চালিয়ে ইরানের পরমাণু সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইলের হামলা ইরানের পরমাণু কর্মসূচির কোনো স্থায়ী সমাধান দিতে পারবে না এবং এর পরিবর্তে কূটনৈতিক পথ অনুসরণের আহ্বান জানান।
ম্যাক্রোঁ সতর্ক করে বলেন, যদি কূটনৈতিক ও প্রযুক্তিগত আলোচনার নির্দিষ্ট কাঠামো না থাকে, তবে পরিস্থিতি আগামী কয়েক মাস বা বছরের মধ্যে আবারও খারাপ হতে পারে। তিনি হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করতে সামরিক অভিযানের প্রস্তাবকে অবাস্তব বলে উড়িয়ে দেন এবং বলেন, এমন অভিযান সময়সাপেক্ষ ও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এতে প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারীরা ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর উপকূলীয় হুমকির মুখে পড়বে।
তার বক্তব্যে ফ্রান্সের অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে যে, ইরান ইস্যুতে সংঘাত নয়, বরং আলোচনাই সমাধানের পথ।
ইরানের পরমাণু সংকটে যুদ্ধ নয়, কূটনীতির আহ্বান জানালেন ম্যাক্রোঁ
ওয়াশিংটনে এক ব্যক্তিগত মধ্যাহ্নভোজে নিজের স্ত্রীকে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। দক্ষিণ কোরিয়া সফরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, এসব মন্তব্য “না মার্জিত, না মানসম্মত” এবং এগুলোর জবাব দেওয়া প্রয়োজন নেই, যা তাঁর অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে।
হোয়াইট হাউসের এক ভিডিওতে দেখা যায়, ট্রাম্প ফরাসি উচ্চারণ অনুকরণ করে ম্যাক্রোঁ ও তাঁর স্ত্রী ব্রিজিট ম্যাক্রোঁকে নিয়ে কটাক্ষ করেন এবং অতীতের একটি ঘটনার উল্লেখ করে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেন। এই ঘটনায় ফ্রান্সে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। দেশটির রাজনৈতিক নেতারা ট্রাম্পের আচরণকে অগ্রহণযোগ্য বলেছেন। ফরাসি পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের স্পিকার ইয়েল ব্রাউন-পিভেট মন্তব্য করেন, এটি মানসম্মত নয় এবং বিশ্ব পরিস্থিতির গুরুত্বের মধ্যে এমন আচরণ দায়িত্বজ্ঞানহীন।
ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটেছে, যখন ইরান ইস্যুতে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা বাড়ছে এবং ন্যাটো জোটের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা চলছে, যা কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও জটিল করেছে।
স্ত্রীকে নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যে ম্যাক্রোঁর তীব্র প্রতিক্রিয়া
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন যে ফ্রান্স যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমানকে ইসরাইলে যাওয়ার জন্য তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেয়নি। আলজাজিরার ৩১ মার্চের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প জানান, ফ্রান্স এ বিষয়ে ‘খুবই অসহযোগী’ আচরণ করেছে। তিনি বলেন, এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এমন সময়ে, যখন একটি উচ্চ পর্যায়ের ইরানি কর্মকর্তাকে হটানোর অভিযান চলছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, সপ্তাহান্তে ফ্রান্স এই অস্বীকৃতি জানায়, যা ইরান সংক্রান্ত চলমান সংঘাতের শুরু থেকে দেশটির প্রথম এমন পদক্ষেপ। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, স্পেনও এর আগে একই ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্গারিটা রোবেলস ৩০ মার্চ ঘোষণা দেন যে, ইরান যুদ্ধসংক্রান্ত কোনো কার্যক্রমে স্পেনের সামরিক ঘাঁটি বা আকাশসীমা ব্যবহার করা যাবে না।
রয়টার্স জানায়, এই সিদ্ধান্তের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অভিযানে যাওয়া মার্কিন সামরিক বিমানগুলোকে স্পেন এড়িয়ে বিকল্প পথ নিতে হবে, যদিও জরুরি পরিস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। স্পেনের অর্থমন্ত্রী বলেন, এটি এমন নীতির অংশ, যার মাধ্যমে সরকার একতরফা ও আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী যুদ্ধে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
ইসরাইলগামী মার্কিন যুদ্ধবিমানের আকাশসীমা বন্ধের অভিযোগে ফ্রান্সকে দোষারোপ ট্রাম্পের
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশালে এক পোস্টে অভিযোগ করেছেন, ফ্রান্স ইসরাইলগামী সামরিক সরঞ্জামবাহী বিমানগুলোকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেয়নি। তিনি বলেন, ফ্রান্সের এই আচরণ ছিল অত্যন্ত অসহায়ক।
ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, ইরানের এক ব্যক্তিকে তিনি ‘কসাই’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যিনি ‘সফলভাবে নির্মূল’ হয়েছেন, এবং এ বিষয়ে ফ্রান্স ‘খুবই অসহায়ক’ ভূমিকা নিয়েছে। পোস্টের শেষে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এটি মনে রাখবে।
ঘটনাটি ইসরাইল ও ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের ফ্রান্সবিরোধী অবস্থানকে তুলে ধরে, যদিও ফ্রান্সের কোনো প্রতিক্রিয়া সূত্রে উল্লেখ করা হয়নি।
ইসরাইলগামী মার্কিন সামরিক বিমানের আকাশসীমা বন্ধে ফ্রান্সকে দোষারোপ ট্রাম্পের
ফ্রান্সের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক মন্ত্রী ক্যাথরিন ভত্রাঁ জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের চলমান যুদ্ধে ফ্রান্সের অবস্থান সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক। সি-নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে ফ্রান্সের কৌশল মূলত কূটনৈতিক পথে এগোনো, যাতে অঞ্চলে উত্তেজনা আরও না বাড়ে।
হরমুজ প্রণালীর অবরোধ প্রসঙ্গে ভত্রাঁ বলেন, ফ্রান্সের লক্ষ্য কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা, যা শান্তি ফিরিয়ে আনার একমাত্র নিশ্চয়তা দিতে পারে। তিনি আরও জানান, অনেক দেশ এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং একটি সমাধান খুঁজে বের করা এখন অত্যন্ত জরুরি।
তার এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন ইরানের কোম শহরে হামলায় প্রাণহানি ঘটেছে এবং ইসরাইল হামলা আরও জোরদার করার হুমকি দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল-ইরান সংঘাতে কূটনীতিক সমাধানে জোর দিচ্ছে ফ্রান্স
ফ্রান্সের সামরিক বাহিনীর প্রধান ৩৫ দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি ভিডিও কনফারেন্সে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার উপায় নিয়ে আলোচনা করেছেন। ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে, তবে কোন কোন দেশ এতে অংশ নিয়েছে তা উল্লেখ করা হয়নি। আলোচনায় মূলত আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ার পর প্রণালিতে জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক অভিযান থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এবং এটি একটি প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ। এর লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করা, যা বর্তমানে সংঘাতের কারণে বন্ধ রয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন রুট হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালির বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে বড় প্রভাব পড়েছে, যা দ্রুত সমাধানের প্রয়োজন তৈরি করেছে।
হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার বিষয়ে ৩৫ দেশের সঙ্গে ফ্রান্সের আলোচনা
ইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ফ্রান্সের জ্বালানি কোম্পানি টোটালএনার্জিস মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রায় ১,৩০০ কর্মী সরিয়ে নিয়েছে বলে আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। কোম্পানির প্রধান নির্বাহী প্যাট্রিক পুইয়ানে জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, সৌদি আরব ও ইরাক থেকে এসব কর্মীকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, জরুরি কার্যক্রম চালু রাখতে অল্পসংখ্যক স্থানীয় কর্মী ও ঠিকাদারদের রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রভাব তুলে ধরছে, যা আন্তর্জাতিক জ্বালানি কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম ও সরবরাহ স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
ইরান-ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে ১,৩০০ কর্মী সরাল টোটালএনার্জিস
ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিওনেল জোস্পাঁ ৮৮ বছর বয়সে মারা গেছেন। সোমবার তার পরিবার এ তথ্য জানায়। প্যারিস থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি জানায়, তিনি রোববার মারা যান। সমাজতান্ত্রিক নেতা জোস্পাঁ ১৯৯৭ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পরিবার জানায়, গত জানুয়ারিতে তিনি একটি গুরুতর অস্ত্রোপচার করিয়েছিলেন, তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কেও কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। জোস্পাঁ ফ্রান্সের সমাজতান্ত্রিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং তার নেতৃত্বে দেশটি একাধিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়।
তার শেষকৃত্য বা সরকারি শ্রদ্ধা নিবেদনের বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিওনেল জোস্পাঁ ৮৮ বছর বয়সে মারা গেছেন
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ঘোষণা করেছেন, হরমুজ প্রণালি সচল রাখার জন্য কোনো সামরিক অভিযানে ফ্রান্স কখনোই অংশ নেবে না। মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়ে ফ্রান্সের মন্ত্রিসভার বৈঠকের শুরুতে তিনি এ কথা বলেন। ম্যাক্রোঁ স্পষ্ট করে জানান, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান যুদ্ধের মধ্যে ফ্রান্স কোনো সামরিক পদক্ষেপে যুক্ত হবে না।
তিনি বলেন, যুদ্ধ শেষ হলে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্যারিস একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠনের কাজ করছে। ফ্রান্স বর্তমান সংঘাতে কোনো পক্ষ নয় এবং পরিস্থিতি শান্ত হলে অন্যান্য দেশের সঙ্গে মিলে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত থাকবে।
ম্যাক্রোঁর মতে, স্থিতিশীলতা ফিরে এলে ফ্রান্স সহযোগিতার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ-চলাচল পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখবে।
হরমুজ প্রণালিতে কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না ফ্রান্স, জানালেন ম্যাক্রোঁ
ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটি মধ্যপ্রাচ্যে ১০টি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর কোনো প্রস্তুতি নিচ্ছে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানানোর পর এই ধরনের খবর ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে মন্ত্রণালয় জানায়, নতুন করে কোনো ফরাসি যুদ্ধজাহাজ ওই অঞ্চলে পাঠানো হয়নি।
মন্ত্রণালয়ের মতে, ফরাসি রণতরিগুলো বর্তমানে পূর্ব ভূমধ্যসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। তারা আরও জানায়, ফ্রান্সের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে এবং তা আত্মরক্ষামূলক ও সুরক্ষামূলক। এই বিবৃতির মাধ্যমে ফ্রান্স অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভুল তথ্যের জবাব দিয়েছে।
এই অস্বীকারের মাধ্যমে ফ্রান্স মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি নিয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখার চেষ্টা করছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর খবর অস্বীকার করল ফ্রান্স
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে ফ্রান্সের অবস্থান প্রতিরক্ষামূলক। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার ১৪তম দিনে যখন ইরান পাল্টা জবাব দিচ্ছে, তখন তিনি এই মন্তব্য করেন। ইরাকে এক ফরাসি সেনা ড্রোন হামলায় নিহত হওয়াকে তিনি অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেন এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ সামরিক বিশ্লেষণের নির্দেশ দেন।
ম্যাক্রোঁ আরও বলেন, ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধবিরতির আহ্বান কিছুটা অদ্ভুত, কারণ ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষেত্রে মস্কো নিজেই যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়নি। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ফ্রান্সের ভূমিকা মূলত আত্মরক্ষামূলক।
এই অবস্থান ফ্রান্সের সতর্ক কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নির্দেশ করে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা চাপে রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ফ্রান্সের ভূমিকা প্রতিরক্ষামূলক বলে জানালেন ম্যাক্রোঁ
ফ্রান্স ঘোষণা করেছে যে তারা ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলাকে সমর্থন বা এতে অংশগ্রহণ করবে না। মঙ্গলবার ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট বলেন, এই হামলা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি এবং এর কোনো স্পষ্ট কৌশলগত লক্ষ্য নেই। ফ্রান্স-২ টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ফ্রান্স এই যুদ্ধে জড়িত নয় এবং এটি অনুমোদনও করে না।
ব্যারোট মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত উত্তেজনা হ্রাসের আহ্বান জানিয়ে ইরানকে তার আঞ্চলিক অবস্থান পরিবর্তনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ফ্রান্স আশা করে ইরান অস্থিতিশীল ও বিপজ্জনক শক্তি হিসেবে কাজ করা বন্ধ করবে। স্থায়ী সমাধানের জন্য তেহরানকে অবস্থানের আমূল পরিবর্তন এবং বড় ধরনের ছাড় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। এতে এক হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ১০ হাজার মানুষ আহত হয়েছে। ইরান পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইসরাইল, জর্ডান, ইরাক ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে।
ইরানে হামলা সমর্থন করবে না ফ্রান্স, উত্তেজনা কমানো ও ইরানের নীতি পরিবর্তনের আহ্বান
ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ ঘোষণা করেছেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নৌ-মিশনের অংশ হিসেবে ফ্রান্স লোহিত সাগরে দুটি যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে। সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকোস খ্রিস্টোদুলিদেস ও গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোতাকিসের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
মাক্রোঁ বলেন, এটি একটি সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক ও নিরাপত্তা-সহযোগিতামূলক মিশন হবে, যা ইউরোপীয় ও অ-ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তুত করা হবে। এই ঘোষণা ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাঠামোর মধ্যে ফ্রান্সের সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদারের ইঙ্গিত দেয়।
তবে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর সময়সূচি বা মিশনের নির্দিষ্ট লক্ষ্য সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ইইউ নৌ-মিশনের অংশ হিসেবে লোহিত সাগরে দুটি যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে ফ্রান্স
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ১৪১ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।