২০২৬ সালের ১৯ জুলাই জর্ডানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর আকাবার দিকে ইরান থেকে নিক্ষিপ্ত চারটি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে তিনটি ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইরান থেকে ছোড়া হয়েছে এবং কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের ভূখণ্ডেও পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে। জর্ডানের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চতুর্থ ক্ষেপণাস্ত্রটি দক্ষিণাঞ্চলের একটি দূরবর্তী এলাকায় পড়েছে।
জর্ডানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, সশস্ত্র বাহিনী সফলভাবে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে, ফলে কোনো হতাহত বা সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি ঘটেনি। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী সতর্ক করেছে, সাইরেন বাজলে সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।
ঘটনাটিতে কোনো প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলে জর্ডানের কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। আলজাজিরা সূত্রে জানা যায়, এটি জর্ডানের আকাশে বিরল ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধের একটি ঘটনা।
আকাবার কাছে ইরানের তিন ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত, জর্ডানে কোনো হতাহত নেই
জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস দেশটিতে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের আকাবার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দূতাবাস জানায়, একটি নির্দিষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য নিরাপত্তা হুমকির কারণে জর্ডানের কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দর খালি করে দিয়েছে। দূতাবাস মার্কিন নাগরিকদের এসব স্থানে না যাওয়ার এবং জর্ডানের কর্তৃপক্ষের জারি করা সব নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
আম্মানে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস আরও সতর্ক করে বলেছে, জর্ডানের সামরিক ঘাঁটিগুলোতেও ভ্রমণ এড়িয়ে চলা উচিত। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল, তারা টানা অষ্টম রাতের মতো ইরানে সামরিক হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে, জর্ডানে ইরানের এক হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও জর্ডানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা সতর্কতা অব্যাহত থাকতে পারে।
জর্ডানে আকাবা বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দর এড়াতে মার্কিন নাগরিকদের সতর্কতা
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় জর্ডানে অবস্থানরত মার্কিন ও মিত্র বাহিনীর দুই সেনা নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) শনিবার এক বিবৃতিতে জানায়, শুক্রবার হামলার সময় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার চেষ্টায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। এক মার্কিন সেনা এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নিহতদের পরিচয় প্রকাশের আগে তাদের পরিবারের সদস্যদের অবহিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
পেন্টাগন জানিয়েছে, আহত চার সেনাকে চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং সামান্য আহতদের দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১৬ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং ৪৩০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি হামলা অব্যাহত রাখে তবে তাদের অবিস্মরণীয় শিক্ষা দেওয়া হবে।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা টানা সপ্তম রাতের মতো ইরানের সামরিক স্থাপনা ও অস্ত্রভান্ডারে হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইরান কুয়েত, ইরাক, বাহরাইন, জর্ডান ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালায়, যার মধ্যে কুয়েতে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
জর্ডানে ইরানের হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জর্ডানের আল-আজরাকে অবস্থিত একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। হামলার লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান রাখার স্থান এবং একটি বড় বিমান পার্কিং র্যাম্প। আইআরজিসি দাবি করেছে, এতে অন্তত দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে এবং আরও কয়েকটি যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আইআরজিসি জর্ডানের সেনাবাহিনীকে মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, এই আগ্রাসী সামরিক বাহিনীকে বৈধ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, জর্ডানের ভূমিকে বিদেশি সামরিক উপস্থিতি থেকে মুক্ত করা ধর্মীয় ও মানবিক কর্তব্য।
আলজাজিরা সূত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্র বা জর্ডানের পক্ষ থেকে কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া উল্লেখ করা হয়নি।
জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, দুটি যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, জর্ডানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটিতে সপ্তম দফায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। আজরাক বিমানঘাঁটিতে থাকা মার্কিন এফ-১৮ যুদ্ধবিমান, সেনাদের থাকার ভবন ও সামরিক সরঞ্জাম রাখার বড় হ্যাঙ্গারকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। ইরানের সেনাবাহিনী বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এটি পরিচালিত হয়েছে।
ইরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে তাদের ভূখণ্ডে হামলা চালাচ্ছে, যার জবাবে তারা আগের ছয় দফা ড্রোন হামলা চালিয়েছে। দেশটি সতর্ক করেছে, ভবিষ্যতে তাদের স্থল, সমুদ্র বা আকাশসীমায় হামলা হলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ইরানে নতুন হামলা চালিয়েছে, যার উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জন্য ব্যবহৃত ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা।
জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে সপ্তম দফায় ইরানের ড্রোন হামলা
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে। ইরানের সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজের বরাতে ১৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। হামলার পর আইআরজিসি এক বিবৃতি প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে জর্ডানের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আইআরজিসি তাদের দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ভেঙে ফেলার বা গুটিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানায়। তারা উল্লেখ করে যে ইরানের সঙ্গে জর্ডানের কোনো শত্রুতা নেই এবং জর্ডানিদের তারা ভালোবাসে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জর্ডানিরা একটি সম্মানিত জাতি, যারা ফিলিস্তিনিদের কষ্ট ও নিপীড়ন অন্য যেকোনো জাতির চেয়ে বেশি অনুভব করতে পারেন।
প্রতিবেদনে হামলার পরিণতি, ক্ষয়ক্ষতি বা জর্ডান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
ইরানের আইআরজিসি জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি জানিয়ে স্থানীয়দের আহ্বান জানায়
ইরান জর্ডানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্স হাসান বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সোমবার সকালে আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ এক বিবৃতিতে জানায়, প্রতিশোধমূলক এই অভিযানে ঘাঁটির কয়েকটি জ্বালানি ডিপো ও গোলাবারুদের গুদামে আগুন ধরে যায়। আইআরজিসির দাবি, জর্ডানের এই ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, তাদের বিমান বাহিনী ঘাঁটির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ ও প্রস্তুতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। তারা আরও জানায়, ইরানের উপকূলীয় সামরিক ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
প্রেস টিভি সূত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে হতাহতের সংখ্যা বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।
জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় জ্বালানি ও গোলাবারুদের ডিপোতে আগুন
ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে তারা জর্ডানের আজরাক সামরিক ঘাঁটিতে ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। ইরানের ফার্স নিউজ সংস্থার বরাতে জানা গেছে, এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ঘাঁটিতে অবস্থিত মার্কিন কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার। ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ঘটেছে।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর হামলা অব্যাহত থাকলে তাদের অন্যান্য ঘাঁটিতেও একই ধরনের হামলা চালানো হবে। অন্যদিকে, জর্ডান জানিয়েছে যে তারা ইরান থেকে ছোড়া আটটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই প্রতিহত করেছে এবং কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনাটি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি ও কর্মকাণ্ড নিয়ে চলমান উত্তেজনার সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি আইআরজিসির
জর্ডান সরকার দেশটিতে অবস্থানরত নথিপত্রবিহীন বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে। বুধবার জর্ডানে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই সুযোগে অবৈধ প্রবাসীরা বৈধ হতে পারবেন অথবা জরিমানা ছাড়াই দেশে ফিরতে পারবেন। দূতাবাসের ফেসবুক পেজেও বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাধারণ ক্ষমার আওতায় কোনো শ্রমিক চাইলে শর্তসাপেক্ষে জর্ডানে থেকে কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন। তারা চাইলে কর্মস্থলও পরিবর্তন করতে পারবেন। গৃহকর্মীরা নতুন নিয়োগকর্তার অধীনে কাজ করতে পারবেন এবং যারা ভ্রমণ ভিসায় গিয়েছেন, তারা ওয়ার্ক পারমিটের আবেদন করতে পারবেন।
দূতাবাস প্রবাসীদের আহ্বান জানিয়েছে, সাধারণ ক্ষমার আওতায় প্রযোজ্য যেকোনো সুবিধা নিতে তারা যেন দূতাবাসের সহায়তা গ্রহণ করেন।
জর্ডানে নথিবিহীন বাংলাদেশিদের বৈধতা বা দেশে ফেরার সুযোগে সাধারণ ক্ষমা
ইসলামের তৃতীয় পবিত্র স্থান আল-আকসা মসজিদে ইসরাইলের ক্রমবর্ধমান হস্তক্ষেপ এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ পরিকল্পনার অভিযোগে জর্ডান গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মিডল ইস্ট আইয়ের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে জর্ডানের রাজপরিবারের ঐতিহাসিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব কেড়ে নিয়ে ইসরাইল মসজিদের ইমাম ও কর্মকর্তাদের নিয়োগ এবং খুতবার বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ করবে। যদিও একজন মার্কিন কর্মকর্তা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, জর্ডান এটিকে তাদের সার্বভৌম দায়িত্বের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে দেখছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৪৮ সালে ইসরাইল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আল-আকসা কমপ্লেক্সে তাদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। ২০০০ সালে এরিয়েল শ্যারনের অভিযানের পর থেকে ইসরাইল ধীরে ধীরে জর্ডানের কর্তৃত্ব খর্ব করছে। সম্প্রতি ইসরাইলি বাহিনী কমপ্লেক্সে পুলিশ স্টেশন স্থাপন করেছে, যা আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ। বাদশাহ আবদুল্লাহ দ্বিতীয় এখন ইসরাইলি আগ্রাসনের মুখে প্রতিরোধ ও সংঘাতের ঝুঁকির মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরাইলি হামলার কারণে আঞ্চলিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, আল-আকসার স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা হলে তা বৃহত্তর ধর্মীয় সংঘাতে রূপ নিতে পারে, যা জর্ডানসহ সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে প্রভাবিত করবে।
আল-আকসা নিয়ন্ত্রণে ইসরাইলি হস্তক্ষেপ ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ষড়যন্ত্রে জর্ডানের সতর্কবার্তা
জর্ডান দাবি করেছে যে তারা ইরান থেকে ছোড়া ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আম্মান থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পূর্বে জারকা প্রদেশের আজরাক এলাকার দিকে নিক্ষেপ করা হয়েছিল এবং সেগুলো প্রতিহত করে ভূপাতিত করা হয়েছে। সামরিক কর্মকর্তারা জানান, ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ নিচে পড়লেও কোনো হতাহত বা অবকাঠামোর ক্ষতি হয়নি। প্রকৌশল ইউনিটগুলো ধ্বংসাবশেষ অপসারণ করে নিশ্চিত করেছে যে সেখানে কোনো বিস্ফোরক দ্রব্য নেই।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এর আগে জানিয়েছিল, তারা টানা দ্বিতীয় রাতের মতো জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ১২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এই ঘটনাটি ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।
ঘটনার পর কোনো পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ বা কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়ার খবর পাওয়া যায়নি, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
ইরান থেকে ছোড়া ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি জর্ডানের
জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র সতর্কতা জারি করেছে। জনগণকে অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে এবং বাড়ির ভেতরে অবস্থান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় ঘোষণা ও সতর্কবার্তা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য সরবরাহ করবে।
এর আগে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানায়, তারা জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ১২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। আইআরজিসি দাবি করে, হামলার লক্ষ্য ছিল ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, মার্কিন সামরিক বাহিনীর এফ-৩৫, এফ-১৫ ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমান এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো। সূত্র হিসেবে আলজাজিরার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এই সতর্কতা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা জারি
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ১২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে বলে ১১ জুন ২০২৬ তারিখে জানানো হয়েছে। আইআরজিসি জানায়, বিমানঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া মার্কিন এফ-৩৫, এফ-১৫ ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমানকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
এই হামলার পর ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছে। তারা সতর্ক করেছে, এই সমুদ্রপথ দিয়ে যেকোনো নৌযান চলাচলের চেষ্টা করলে সেটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
হরমুজ প্রণালির এই বন্ধ ঘোষণা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে যদি পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়।
জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ১০ জুন ২০২৬ তারিখে জানায়, তারা জর্ডানের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে দূরপাল্লার কঠিন জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। আইআরজিসি দাবি করেছে, হামলায় এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার ও একটি প্রধান কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। ওই ঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছিলেন।
আইআরজিসি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে তাদের বৃহত্তর পাল্টা অভিযানের এটি ছিল শেষ ধাপ। তারা দাবি করে, ওই অভিযানে অঞ্চলজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ২১টি বিমান ও নৌঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে এবং ইরানের আকাশসীমায় একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপের জবাবে তারা ‘বিধ্বংসী ও চূড়ান্ত’ প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত এবং উত্তেজনা বাড়লে দায়ভার ওয়াশিংটনের।
এদিকে কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শত্রুপক্ষের লক্ষ্যবস্তু প্রতিহত করছে এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
জর্ডানে মার্কিন সেনা অবস্থানরত ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি
জর্ডানের আকাবার কিং হুসেইন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শত শত ইসরাইলি যাত্রী আটকা পড়েছেন, কারণ জর্ডান কর্তৃপক্ষ রোববার ইসরাইলি বিমান সংস্থা আরকিয়ার ফ্লাইট স্থগিত করেছে। ইসরাইলি চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, ফ্লাইট স্থগিতের কারণে যাত্রীরা বিমানবন্দরে আটকা পড়েছেন। এ বিষয়ে জর্ডানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি এমন সময় ঘটল যখন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর ইসরাইল তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর বন্ধ করে দিয়েছে। এই হামলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আক্রমণের প্রতিশোধ হিসেবে চালানো হয়েছিল। ইসরাইলের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমান সংস্থা আরকিয়া গত সপ্তাহে জানিয়েছিল, তারা তাদের বেশির ভাগ কার্যক্রম জর্ডান ও মিশরের বিমানবন্দরে স্থানান্তর করবে।
তবে দৈনিক ইয়েদিওথ আহরোনথ জানিয়েছে, জর্ডান কর্তৃপক্ষ এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা দিচ্ছে। ইসরাইলি বিমান চলাচল কর্মকর্তারা বলেছেন, আরকিয়া সম্ভবত জর্ডান হয়ে চলাচলকারী সব ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হবে। সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় অনুমতি পেলে তাদের কিছু কার্যক্রম মিশরের তাব্বা বিমানবন্দরে স্থানান্তর করা হবে।
আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে জর্ডানে আরকিয়ার ফ্লাইট স্থগিত, শত শত ইসরাইলি আটকা
ইরানি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তারা বলেছে, এই হামলা ইরানের যুদ্ধজাহাজ ‘ডেনা’ ডুবিয়ে দেওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে পরিচালিত হয়েছে। ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
ইরানি নৌবাহিনীর কমান্ডার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি সতর্ক করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ‘আব্রাহাম লিংকন’ ও এর সঙ্গে থাকা স্ট্রাইক গ্রুপ ইরানের নাগালের মধ্যে এলে উপকূল থেকে বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে তারা ‘ডেনা’র নিহতদের প্রতিশোধ নেবেন। এর আগে ইরান দাবি করেছিল, তারা ‘আব্রাহাম লিংকন’ ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকে লক্ষ্যবস্তু করেছে এবং সেটিকে অবস্থান পরিবর্তনে বাধ্য করেছে।
এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা, ‘ডেনা’ ডুবির প্রতিশোধ দাবি ইরানের
জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী আম্মানে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে ইরান জর্ডানের ভূখণ্ডে ১১৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তাদের তথ্যমতে, ৬০টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৫৯টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল। জর্ডানের বিমান বাহিনী ১০৮টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আটকাতে ও ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে, আর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও ১১টি আটকায়।
সশস্ত্র বাহিনী জানায়, এসব হামলায় ১৪ জন আহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগের আঘাত সামান্য। তবে হামলার নির্দিষ্ট স্থান বা কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক আক্রমণের ব্যাপকতা এবং জর্ডানের প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ক্ষয়ক্ষতি বা কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে কোনো অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, ফলে ঘটনার পরবর্তী প্রভাব এখনো অনিশ্চিত।
জর্ডানের দাবি, এক সপ্তাহে ইরানের ১১৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
ব্লুমবার্গ এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে, ইরান জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ কোটি ডলারের একটি রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে, যা উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সিএনএনের বিশ্লেষিত স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত আরটিএক্স করপোরেশনের এএন/টিপিওয়াই-২ রাডার ও ব্যাটারিসহ সহায়ক সরঞ্জাম যুদ্ধের শুরুতেই ধ্বংস হয়ে গেছে। পরে একজন মার্কিন কর্মকর্তা এই ধ্বংসের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ব্লুমবার্গ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বজুড়ে মোট আটটি থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে, যার মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া ও গুয়ামও অন্তর্ভুক্ত। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি ব্যাটারির মূল্য প্রায় এক বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে প্রায় ৩০ কোটি ডলার রাডারের জন্য ব্যয় হয়। এই রাডার ধ্বংস হওয়ায় ভবিষ্যতে আঞ্চলিক হামলা প্রতিহত করার সক্ষমতা দুর্বল হতে পারে।
ইরান জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের রাডার ধ্বংস করে আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা দুর্বল করেছে
জর্ডান ও অন্যান্য আরব দেশকে লক্ষ্য করে হামলার প্রতিবাদে আম্মানে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শনিবার ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর তেহরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। জর্ডান জানায়, এসব ক্ষেপণাস্ত্রের অন্তত কয়েক ডজন তাদের আকাশসীমায় বাধা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশটি নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এখন পর্যন্ত জর্ডানের ভেতরে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ঘটেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলো ইরানের এই পদক্ষেপকে বিপজ্জনক বলে উল্লেখ করেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।
আকাশসীমায় ক্ষেপণাস্ত্র আটকানোর পর ইরানি রাষ্ট্রদূতকে তলব করল জর্ডান
জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, দেশের আকাশে প্রবেশ করা দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার আগেই ভূপাতিত করা হয়েছে। শনিবার মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা ঘটে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছুড়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এএফপি জানিয়েছে, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, তবে কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার জবাবে ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে। বাহরাইন নিশ্চিত করেছে যে দেশটির মার্কিন নৌবাহিনীর ৫ম নৌবহরের সদর দফতর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
এছাড়া কুয়েত ও আবুধাবিতেও ভয়াবহ বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা বিস্ফোরণের শব্দ ও ধোঁয়ার কুণ্ডলি দেখেছেন বলে জানিয়েছেন। পরিস্থিতি এখনো অস্থিতিশীল এবং তদন্ত চলছে।
ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার মধ্যে জর্ডান দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ৮৫ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।