অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ ঘোষণা দিয়েছেন যে দেশটি ব্রুনাই ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে অতিরিক্ত ১০ কোটি লিটার ডিজেল আমদানি করবে। মালয়েশিয়া সফরকালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, এই ডিজেল দুটি পৃথক চালানে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছাবে।
এএফপি জানায়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ অস্থিরতার মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অ্যালবানিজ বলেন, একটি চালান আসবে ব্রুনাই থেকে, যেখানে তিনি সম্প্রতি সফর করেছেন, এবং অন্যটি আসবে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার অভ্যন্তরীণ জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই উদ্যোগের ফলে জ্বালানি সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্ন মোকাবিলায় অস্ট্রেলিয়ার সক্ষমতা বাড়বে এবং জ্বালানি মজুত স্থিতিশীল থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ব্রুনাই ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ডিজেল আনছে অস্ট্রেলিয়া
বৈশ্বিক প্রভাব ও নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইতিহাসের সর্বোচ্চ সামরিক বাজেট বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ২০২৬ সালের ১৬ এপ্রিল প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস দেশটির প্রতিরক্ষা কৌশলের সর্বশেষ দ্বিবার্ষিক হালনাগাদ প্রকাশ করে জানান, আগামী এক দশকে প্রতিরক্ষা খাতে অতিরিক্ত ৫ হাজার ৩০০ কোটি অস্ট্রেলীয় ডলার (৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। চলতি বছর জিডিপির ২.৮ শতাংশ থেকে ২০৩৩ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা বাজেট ৩ শতাংশে উন্নীত করা হবে।
মার্লেস বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে সবচেয়ে জটিল ও হুমকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি। তিনি স্পষ্ট করেন, এই সিদ্ধান্ত কোনো বাহ্যিক চাপে নয়, বরং বর্তমান কৌশলগত বাস্তবতার ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। এর আগে জানুয়ারিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ মিত্র দেশগুলোকে নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছিল।
নতুন বিনিয়োগের বড় অংশ ব্যয় হবে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে অকাস জোটের আওতায় পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরিতে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা ও ইরান সংশ্লিষ্ট ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে চায়।
বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার রেকর্ড সামরিক বাজেট বৃদ্ধির ঘোষণা
অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস বলেছেন, ক্যানবেরা হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতার পক্ষে এবং এ বিষয়ে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যসহ সহযোগীদের সঙ্গে কাজ করছে। তিনি অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেন, যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইরানি বন্দর অবরোধে অস্ট্রেলিয়ার সমর্থন আছে কি না।
মার্লেস বলেন, অস্ট্রেলিয়া হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের শৃঙ্খল স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে গভীরভাবে আগ্রহী। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হলে তবেই অস্ট্রেলিয়া প্রণালি পুনরায় সচল করার প্রচেষ্টায় অবদান রাখবে। বর্তমান পরিস্থিতিকে তিনি অত্যন্ত অনিশ্চিত বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, যুদ্ধবিরতির বাকি সময়ে কী ঘটে তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
এই মন্তব্য অস্ট্রেলিয়ার সতর্ক অবস্থানকে নির্দেশ করে, যেখানে তারা নৌ চলাচলের স্বাধীনতাকে সমর্থন করলেও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নিতে চায় না।
যুদ্ধবিরতির অনিশ্চয়তার মধ্যে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখতে সতর্ক সমর্থন জানাল অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়া প্রথমবারের মতো সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে একজন নারীকে নিয়োগ দিচ্ছে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েলকে নতুন চিফ অব আর্মি হিসেবে ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। বর্তমানে চিফ অব জয়েন্ট ক্যাপাবিলিটিজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা কয়েল আগামী জুলাই মাসে লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইমন স্টুয়ার্টের স্থলাভিষিক্ত হবেন। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ বলেন, দেশের ১২৫ বছরের সেনাবাহিনীর ইতিহাসে এই প্রথম একজন নারী সেনাপ্রধান হতে যাচ্ছেন।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস এই নিয়োগকে ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সুসান কয়েলের অর্জন অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্সে কর্মরত নারীদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। ৫৫ বছর বয়সী কয়েল ১৯৮৭ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্সে নারীদের অংশগ্রহণ প্রায় ২১ শতাংশ এবং শীর্ষ নেতৃত্বে তাদের হার ১৮.৫ শতাংশ। সংস্থাটি ২০৩০ সালের মধ্যে এই হার ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম নারী সেনাপ্রধান হিসেবে নিযুক্ত হচ্ছেন সুসান কয়েল
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি লেবাননের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত। ব্রিসবেনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এই যুদ্ধবিরতি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলেও এটি এখনো ভঙ্গুর শান্তি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সমঝোতা বৃহত্তর বোঝাপড়ায় পৌঁছাতে সহায়তা করবে।
আলবানিজ আরও বলেন, অনেক অস্ট্রেলিয়ান লেবাননের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন, কারণ এটি শুধু ওই অঞ্চলের নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের ওপর প্রভাব ফেলছে। তার এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে যখন লেবাননে ইসরাইলি হামলায় বহু মানুষ নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়ার এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা আনতে যুদ্ধবিরতির পরিধি বাড়ানোর পক্ষে তাদের সমর্থনকে স্পষ্ট করে।
অস্ট্রেলিয়া বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল-ইরান যুদ্ধবিরতি লেবাননেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত
বাংলাদেশের জনপ্রিয় ধর্মীয় বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনকে ভুল ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, অস্ট্রেলিয়া সরকার তার ভিসা বাতিল করে দেশত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। ডেইলি মেইলের তথ্যমতে, ‘লিগ্যাসি অব ফেইথ’ সিরিজের অংশ হিসেবে ব্রিসবেন, মেলবোর্ন, সিডনি ও ক্যানবেরা সফরকালে তার ভিসা বাতিল করা হয় এবং তিনি দেশত্যাগের অপেক্ষায় ছিলেন।
বুধবার ফেসবুকে এক পোস্টে আজহারী জানান, তিনি গত পাঁচ দিন ধরে অস্ট্রেলিয়ায় মুসলিম কমিউনিটির আমন্ত্রণে অবস্থান করছেন এবং সংবাদটি বিদেশি প্রতিবেদনের ভুল ব্যাখ্যা। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক কোনো বক্তব্যের কারণে ভিসা বাতিলের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা, কারণ তিনি এখনো অস্ট্রেলিয়ায় কোনো বক্তব্য দেননি। আজহারীর মতে, কিছু স্বার্থান্বেষী ও নাস্তিক্যবাদী গোষ্ঠী পুরনো বক্তব্য ব্যবহার করে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে, যেমনটি যুক্তরাজ্যেও ঘটেছিল।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাসী, যা তার আলোচনাতেও প্রতিফলিত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ায় ভিসা বাতিলের খবর অস্বীকার করলেন মিজানুর রহমান আজহারী
অস্ট্রেলিয়া সরকার বাংলাদেশের ধর্মীয় বক্তা মিজানুর রহমান আজহারির ভিসা বাতিল করে তাকে দেশত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ডেইলি মেইলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, ‘লিগ্যাসি অব ফেইথ’ সিরিজের অংশ হিসেবে ব্রিসবেন, মেলবোর্ন, সিডনি ও ক্যানবেরা সফর করছিলেন আজহারি। সফরের মাঝপথে মঙ্গলবার তার ভিসা বাতিল করা হয় এবং তিনি বর্তমানে দেশ ত্যাগের অপেক্ষায় আছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ এবং বাংলাদেশে প্রকাশ্যে ধর্মীয় সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রেও তার ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। অস্ট্রেলিয়ার লিবারেল সিনেটর জোনাথন ডুনিয়াম জানান, বাংলাদেশভিত্তিক অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেশন ফর এথনিক অ্যান্ড রিলিজিয়াস মাইনরিটিজসহ বিভিন্ন সংগঠন সংসদ সদস্যদের আজহারির আগমন সম্পর্কে সতর্ক করেছিল। ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এক আলোচনায় আজহারি হিটলারের প্রশংসা ও ইহুদিবিদ্বেষী মন্তব্য করেছিলেন।
সিনেটে ডুনিয়াম বলেন, আজহারির বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে এবং যুক্তরাজ্যে ২০২১ সালে হিন্দুবিদ্বেষের অভিযোগে তার প্রবেশাধিকার বাতিল করা হয়েছিল।
অস্ট্রেলিয়ায় মিজানুর রহমান আজহারির ভিসা বাতিল, ঘৃণামূলক বক্তব্যের অভিযোগে বিতর্ক
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইরানি পাসপোর্টধারীদের ওপর ছয় মাসের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দেশটির সরকার। ২৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইরান থেকে আগত পর্যটক ও কর্মীদের প্রবেশ আপাতত বন্ধ থাকবে। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে স্বল্পমেয়াদি ভিসাধারীদের নির্ধারিত সময় শেষে দেশে ফিরে না যাওয়ার ঝুঁকি বেড়েছে। তবে অস্ট্রেলীয় নাগরিকদের বাবা-মায়ের মতো বিশেষ ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক বলেন, ইরানের বর্তমান পরিস্থিতির আগে যেসব ভিজিটর ভিসা দেওয়া হয়েছিল, সেগুলোর অনেকগুলো এখন আবেদন করা হলে অনুমোদিত হতো না। তিনি আরও জানান, অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসের সিদ্ধান্ত সরকারিভাবে নেওয়া উচিত, এটি যেন ছুটি কাটানোর সুযোগ হিসেবে ব্যবহৃত না হয়। সরকারি তথ্যমতে, বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় ৮৫ হাজারের বেশি ইরানি বংশোদ্ভূত বাসিন্দা রয়েছেন, যাদের বেশিরভাগ সিডনি ও মেলবোর্নে থাকেন।
চলতি মাসে ইরানের নারী ফুটবল দলের সাতজন খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাকে আশ্রয় দেওয়ায় তেহরানের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে পরিবারের ওপর চাপের আশঙ্কায় তাদের মধ্যে পাঁচজন আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাহার করেন।
যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানি পর্যটকদের ছয় মাসের জন্য নিষিদ্ধ করল অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (এবিসি)-এর সাংবাদিকরা বুধবার থেকে ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছেন, যা গত ২০ বছরে প্রথম। ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তিন বছরে মোট ১০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর এই সিদ্ধান্ত আসে। এবিসির প্রায় ৬০ শতাংশ সাংবাদিক প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেন। জানুয়ারিতে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৩.৮ শতাংশ, যা প্রস্তাবিত হারের চেয়ে বেশি। সাংবাদিকদের মতে, প্রস্তাবে মাতৃত্বকালীন ছুটি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উপেক্ষা করা হয়েছে।
মিডিয়া, এন্টারটেইনমেন্ট অ্যান্ড আর্টস অ্যালায়েন্সের প্রতিনিধি জানান, প্রস্তাবটি কাজের শর্তাবলি কমিয়ে দেয় এবং সাংবাদিকদের পরিবর্তে এআই বট ব্যবহারের সুযোগ রাখে। অন্যদিকে, কমিউনিটি অ্যান্ড পাবলিক সেক্টর ইউনিয়ন জানায়, ন্যায্য প্রস্তাব না আসা পর্যন্ত সম্প্রচারে বিঘ্ন অনিবার্য। এবিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিউ মার্কস বলেন, প্রস্তাবটি বর্তমান পরিস্থিতিতে আর্থিকভাবে দায়িত্বশীল ও টেকসই।
বিরোধ মেটাতে এবিসি অস্ট্রেলিয়ার ফেয়ার ওয়ার্ক কমিশনের সহায়তা চেয়েছে। সর্বশেষ ২০০৬ সালে এবিসি কর্মীরা ধর্মঘটে গিয়েছিলেন।
বেতন ও এআই ইস্যুতে অস্ট্রেলিয়ায় এবিসি সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘট
অস্ট্রেলিয়ায় মানবিক ভিসায় থাকা ইরানি নারী ফুটবল দলের তিন সদস্য দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রোববার অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক জানান, খেলোয়াড়রা বিকল্প নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পাওয়ার পর ইরানে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। শুরুতে সাতজন আশ্রয় নিয়েছিলেন, তবে এখন মাত্র তিনজন অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছেন।
ইরানি দল ফেব্রুয়ারিতে নারী এশিয়ান কাপের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিল এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর আগেই পৌঁছেছিল। ২৬ সদস্যের দল থেকে ছয়জন খেলোয়াড় ও একজন সাপোর্ট স্টাফ মানবিক ভিসায় থেকে যান। ৯ মার্চ বাকি দল সিডনি থেকে কুয়ালালামপুরে যায় এবং শনিবার রাতে আরও তিনজন সেখানে যোগ দিতে রওনা দেন।
ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ফেরত যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুজন খেলোয়াড় ও একজন সাপোর্ট স্টাফ। সংস্থাটি ঘটনাটিকে “আমেরিকান-অস্ট্রেলিয়ান প্রকল্পের লজ্জাজনক ব্যর্থতা” এবং “ট্রাম্পের আরেকটি পরাজয়” হিসেবে বর্ণনা করেছে।
অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় আবেদন তুলে ইরানে ফিরলেন তিন ইরানি নারী ফুটবলার
ইরানের সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকিতে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ১২টি দেশকে সহায়তা দিতে অস্ট্রেলিয়া দূরপাল্লার সামরিক নজরদারি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ জানিয়েছেন, রয়্যাল অস্ট্রেলিয়ান বিমান বাহিনী চার সপ্তাহের জন্য একটি ই-সেভেনএ ওয়েজটেইল নজরদারি বিমান ও সহায়ক কর্মী মোতায়েন করবে, যা উপসাগরীয় আকাশসীমা পর্যবেক্ষণ ও নিরাপত্তা জোরদারে কাজ করবে।
অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুরোধে এই বিমান মোতায়েন করা হচ্ছে এবং দেশটিকে উন্নত মাঝারি পাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করা হবে। আলবানিজ বলেন, এই পদক্ষেপ আক্রমণাত্মক নয়, বরং উপসাগরীয় দেশগুলোর রক্ষণাত্মক সক্ষমতা বাড়ানো ও আকাশসীমা সুরক্ষিত রাখার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে ফোনালাপের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকের নিরাপত্তাও এই পদক্ষেপের অন্যতম কারণ।
উপসাগরে প্রতিরক্ষা জোরদারে নজরদারি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র পাঠাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ নিশ্চিত করেছেন যে শ্রীলঙ্কার কাছে ভারত মহাসাগরে ইরানের যুদ্ধজাহাজে হামলায় জড়িত যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিনে তিনজন অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক ছিলেন। স্কাই নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সাধারণত এ ধরনের বিষয় নিশ্চিত করা হয় না, তবে জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির বৈঠক ও জনস্বার্থ বিবেচনায় এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, কোনো অস্ট্রেলিয়ান কর্মী ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক পদক্ষেপে অংশ নেননি।
আলবানিজ বলেন, তিন অস্ট্রেলিয়ান ‘অকাস’ সামরিক জোটের অংশ হিসেবে মিত্র বাহিনীর সাবমেরিনে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য সেখানে ছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবমেরিনটি ইরানি যুদ্ধজাহাজে টর্পেডো হামলা চালায়, যাতে অন্তত ৮৭ জন ইরানি নাবিক নিহত হন।
ঘটনাটি আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানে একাধিক হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
ইরানি জাহাজে হামলাকারী মার্কিন সাবমেরিনে তিন অস্ট্রেলিয়ান ছিলেন বলে নিশ্চিত করলেন আলবানিজ
অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড বিশ্ববিদ্যালয় জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের বিশেষ প্রতিবেদক ফ্রান্সেসকা আলবানিজকে নিয়ে নির্ধারিত একটি সাহিত্য উৎসবের অনুষ্ঠান বাতিল করেছে। ‘কনস্টেলেশনস: নট রাইটার্স’ উইক’ উৎসবের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এল্ডার হলে অনুষ্ঠানটি হওয়ার কথা ছিল। আয়োজকরা জানান, সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় জানায় যে কিছু প্রক্রিয়াগত শর্ত পূরণ হয়নি এবং বুকিং বাতিল করা হয়েছে। ৬৫০ জন টিকিটধারীর জন্য নতুন ভেন্যু হিসেবে নরউড কনসার্ট হল নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে আলবানিজ ভিডিও লিঙ্কে অংশ নেবেন এবং অধ্যাপক হেনরি রেনল্ডস ও ড. লানা তাতুরের সঙ্গে উপনিবেশবাদ নিয়ে আলোচনা করবেন।
অনুষ্ঠানটির আয়োজক অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ল (এপিআইএল) বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিকে অস্বীকার করে বলেছে, তারা ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই এল্ডার হল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগে ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় জানায়, তারা গত শুক্রবার পর্যন্ত অনুষ্ঠান সম্পর্কে অবগত ছিল না এবং প্রয়োজনীয় পর্যালোচনা ছাড়া অনুমোদন দেওয়া সম্ভব নয়। বাতিলের সিদ্ধান্তটি এমন এক প্রতিবেদনের পর আসে যেখানে বলা হয়েছিল, আলবানিজকে মঞ্চ দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন হতে পারে।
উৎসবের আয়োজক ও বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয়কে গণমাধ্যমের চাপে নতি স্বীকারের অভিযোগ করেছেন, তবে বিশ্ববিদ্যালয় বলেছে যে তারা নীতিমালা অনুযায়ী মুক্ত মতবিনিময়কে সমর্থন করে।
ফ্রান্সেসকা আলবানিজের অনুষ্ঠান বাতিল করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্কে অ্যাডিলেড বিশ্ববিদ্যালয়
ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের প্রেক্ষিতে অস্ট্রেলিয়া জরুরি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সম্পদ মোতায়েন করেছে। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ পার্লামেন্টে এই ঘোষণা দিয়ে জানান, দ্রুত অবনতিশীল পরিস্থিতির কারণে সরকার একটি জরুরি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ছয়টি সংকট প্রতিক্রিয়া দল ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে এবং অন্তত দুটি সামরিক বিমান নির্ধারিত গন্তব্যে মোতায়েন করা হয়েছে বলে অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এসবিএস নিউজ জানিয়েছে।
এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো ওই অঞ্চলে অবস্থানরত অস্ট্রেলীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া। যদিও সরকার বিস্তারিত সামরিক তথ্য প্রকাশ করেনি, ইরান-ইসরাইল সংঘাত ও যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় অংশগ্রহণে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা অস্ট্রেলিয়ার এই সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছে।
পশ্চিমা বিশ্বের মিত্র হিসেবে অস্ট্রেলিয়া আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা পর্যবেক্ষণ ও নাগরিক সুরক্ষায় এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
ইরান-ইসরাইল সংঘাতের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক বিমান পাঠাল অস্ট্রেলিয়া
সম্ভাব্য জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া মধ্যপ্রাচ্যে ক্রাইসিস রেসপন্স দল ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করেছে। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ পার্লামেন্টে জানান, সরকার ইতোমধ্যে ছয়টি ক্রাইসিস রেসপন্স দল পাঠিয়েছে এবং সপ্তাহের শুরুতেই সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, এই পদক্ষেপটি অস্ট্রেলিয়ার জরুরি প্রস্তুতি পরিকল্পনার অংশ। তবে আলবানিজ মোতায়েনের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যম এসবিএস নিউজ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে দুটি সামরিক বিমান পাঠানো হয়েছে।
এই মোতায়েন অস্ট্রেলিয়ার সতর্ক অবস্থানকে নির্দেশ করে, যদিও সরকার নির্দিষ্ট হুমকি বা কার্যক্রমের উদ্দেশ্য সম্পর্কে কিছু জানায়নি।
জরুরি প্রস্তুতির অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার ক্রাইসিস রেসপন্স দল ও সামরিক সরঞ্জাম মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং। সোমবার অস্ট্রেলিয়ার নাইন নেটওয়ার্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়া এই হামলায় অংশ নেয়নি এবং ভবিষ্যতেও অংশ নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। খবরটি প্রকাশ করেছে আল–জাজিরা।
ইরানের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক আগে থেকেই টানাপোড়েনপূর্ণ। ২০২৫ সালে সিডনি ও মেলবোর্নে ইহুদিবিদ্বেষী অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ইরানের বিপ্লবী গার্ডের সম্পৃক্ততার অভিযোগে ক্যানবেরা থেকে ইরানি রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করা হয়, যদিও তেহরান অভিযোগ অস্বীকার করে। অতীতে ইরাক যুদ্ধসহ বহু মার্কিন নেতৃত্বাধীন অভিযানে অংশ নিলেও এবার ইরান সংকটে নিজেদের দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
এই অবস্থান দেশটির পররাষ্ট্রনীতিতে মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে আরও সতর্ক ও স্বাধীন দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ইরানবিরোধী অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের সঙ্গে নেই অস্ট্রেলিয়া
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরান হামলার জেরে সৃষ্ট সংঘাতে আকাশপথ বন্ধ থাকায় মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার অস্ট্রেলীয় নাগরিক আটকা পড়েছেন বলে জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং জানিয়েছেন, বাণিজ্যিক ফ্লাইট পুনরায় চালু হলে নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনা সহজ হবে এবং সেটিই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
তিনি বলেন, সংঘাতের কারণে বিভিন্ন স্থানে প্রাণহানি ঘটেছে এবং আকাশসীমা বন্ধ থাকায় অস্ট্রেলীয় বা বাণিজ্যিক কোনো ফ্লাইটই পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ফ্লাইট পুনরায় চালুর বিষয়ে বিভিন্ন এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। ইসরাইল, ইরান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত অস্ট্রেলীয় নাগরিক, স্থায়ী বাসিন্দা ও তাদের নিকটাত্মীয়দের নিবন্ধনের জন্য একটি অনলাইন সংকট পোর্টাল চালু করা হয়েছে।
খামেনি হত্যার প্রসঙ্গে পেনি ওং বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দেওয়ার দায়িত্ব তাদেরই। তিনি আরও বলেন, খামেনির মৃত্যুর জন্য কেউ শোক করছে না, কারণ তিনি এমন এক শাসনব্যবস্থার নেতৃত্ব দিয়েছেন যা নিজ দেশের জনগণকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।
সংঘাতে আকাশপথ বন্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে আটকা ১ লাখ ১৫ হাজার অস্ট্রেলীয় নাগরিক
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ওমানকে ৯ উইকেটে হারিয়ে অভিযান শেষ করেছে। প্রথমে ব্যাট করে ওমান ১৬.২ ওভারে মাত্র ১০৪ রানে অলআউট হয়। অস্ট্রেলিয়ার লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা ২১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে বোলিং আক্রমণ সামলান। জবাবে অস্ট্রেলিয়া মাত্র ৯.৪ ওভারে ১০৮ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে। অধিনায়ক মিচেল মার্শ অপরাজিত ৩৩ বলে ৬৪ রান করেন, আর ওপেনার ট্রাভিস হেড ১৯ বলে ৩২ রান করে আউট হন।
এই জয়টি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্রুততম রান তাড়ার রেকর্ডের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে উঠে এসেছে, যা ২০২৪ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডও করেছিল। জাম্পা ম্যাচসেরার পুরস্কার পান তার দুর্দান্ত বোলিংয়ের জন্য।
এই জয়ে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপ মিশন শেষ করল আত্মবিশ্বাসীভাবে, যেখানে তাদের ব্যাটিং ও বোলিং উভয় দিকেই শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখা গেছে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওমানকে ৯ উইকেটে হারিয়ে রেকর্ড সমান করল অস্ট্রেলিয়া
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের অস্ট্রেলিয়া সফরের বিরুদ্ধে সোমবার দেশজুড়ে হাজারো ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ করেছে। সিডনিতে পুলিশ মরিচের স্প্রে ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়, যখন হারজগ চার দিনের সফর শুরু করেন বন্ডাই বিচে গত বছরের গণহত্যার শিকারদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে। কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে যে সিডনি টাউন হল থেকে নিউ সাউথ ওয়েলস পার্লামেন্ট পর্যন্ত পরিকল্পিত মিছিলে অংশ নিলে গ্রেপ্তারের ঝুঁকি রয়েছে, কারণ এলাকাটি সফরকালীন সুরক্ষিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বিক্ষোভের ওপর আরোপিত সীমাবদ্ধতার বিরুদ্ধে প্যালেস্টাইন অ্যাকশন গ্রুপের করা আইনি চ্যালেঞ্জ আদালত খারিজ করেছে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ সফরের মর্যাদা রক্ষার আহ্বান জানিয়ে বলেন, হারজগ শুভেচ্ছা নিয়েই এসেছেন। হারজগ বলেন, তিনি সংহতি ও বন্ধুত্ব প্রকাশ করতে এসেছেন এবং দাবি করেন, বিক্ষোভগুলো ইসরায়েলের অস্তিত্বকে অবমূল্যায়ন করার প্রচেষ্টা। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অস্ট্রেলিয়া ও জিউইশ কাউন্সিল অফ অস্ট্রেলিয়া সফরটির সমালোচনা করে হারজগের বিরুদ্ধে গণহত্যা উসকে দেওয়ার অভিযোগ তুলে জবাবদিহিতা দাবি করেছে। হারজগ বৃহস্পতিবার ইসরায়েল ফেরার আগে মেলবোর্ন ও ক্যানবেরা সফর করবেন।
গণহত্যার অভিযোগে হারজগের অস্ট্রেলিয়া সফর ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ
দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে শুক্রবার বিকেলে একটি ছোট বিমান সমুদ্রে বিধ্বস্ত হয়ে পাইলটসহ তিনজন নিহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। দুর্ঘটনাটি বন্দর শহর গুলওয়া সাউথের কাছে লংবে এলাকায় ঘটে, যা অ্যাডিলেড থেকে প্রায় ৬৩ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। পুলিশ জানায়, বিমানে থাকা তিনজন পুরুষকেই মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিমানের ধ্বংসাবশেষ উপকূলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
শনিবার অস্ট্রেলিয়ান ট্রান্সপোর্ট সেফটি ব্যুরোর তদন্তকারীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছেন। স্থানীয় গণমাধ্যম সেভেন নিউজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা যায় বিমানটি নাকের দিক নিচের দিকে হয়ে দ্রুতগতিতে সমুদ্রে আছড়ে পড়ছে।
দুর্ঘটনার কারণ ও নিহতদের পরিচয় সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি, এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে ছোট বিমান বিধ্বস্তে তিনজন নিহত
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ১৩৯ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।