তানজানিয়ার মাউন্ট কিলিমাঞ্জারোতে একটি চিকিৎসা উদ্ধার অভিযানের সময় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার বারাফু ক্যাম্পের কাছে প্রায় ৪ হাজার ৭০০ মিটার উচ্চতায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতদের মধ্যে দুইজন বিদেশি, একজন স্থানীয় চিকিৎসক, একজন ট্যুর গাইড ও পাইলট ছিলেন।
আফ্রিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কিলিমাঞ্জারো প্রতি বছর প্রায় ৫০ হাজার পর্যটক আরোহণ করেন। তানজানিয়া সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিধি অনুসারে দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে আবহাওয়া বা যান্ত্রিক ত্রুটি বিবেচনা করা হচ্ছে।
কিলিমাঞ্জারো এলাকায় বিমান দুর্ঘটনা খুবই বিরল। সর্বশেষ ২০০৮ সালে এমন একটি দুর্ঘটনায় চারজন প্রাণ হারিয়েছিলেন। নতুন এই দুর্ঘটনা উচ্চতায় উদ্ধার অভিযানের ঝুঁকি আবারও সামনে এনেছে।
কিলিমাঞ্জারোতে উদ্ধার অভিযানের হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত, তদন্ত শুরু
তানজানিয়ার মোশি জেলায় একটি বাস ও একটি মিনিবসের সংঘর্ষে ৩৭ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আগুন লেগে দুটি গাড়িই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার সন্ধ্যায় বাসের একটি টায়ার পাংচার হয়ে যাওয়ার ফলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে এই দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়ার কারণে ৩৬টি মৃতদেহ এখনো শনাক্ত করা যায়নি। দেশটির প্রেসিডেন্ট সামিয়া সুলুহু হাসান শোকাহত পরিবারের প্রতি ‘আন্তরিক সমবেদনা’ জানিয়েছেন এবং আহতদের ‘দ্রুত আরোগ্য’ কামনা করেছেন।
শনিবার রাতে তানজানিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে জাম্বিয়া সীমান্তের কাছে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ২৮ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে ১০ জন নারী ও ৪ জন শিশু রয়েছে। একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুটি গাড়িকে ধাক্কা দেয়। দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু হয় এবং আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুর্ঘটনার জন্য চালকের অবহেলাকে দায়ী করা হয়েছে, বিশেষ করে ইওয়াম্বি পাহাড় বেয়ে নামার সময়। প্রেসিডেন্ট সামিয়া সুলুহু হাসান গভীর শোক প্রকাশ করেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, তানজানিয়ায় প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় বহু মানুষ মারা যায়।
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ৬০ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।