Web Analytics
দেশ / Country

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কিউবার ওপর চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি বর্তমান সরকারের বিকল্প হিসেবে সম্ভাব্য নেতৃত্ব খুঁজছে বলে বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে। ৮ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, হাভানার ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে সমঝোতা ব্যর্থ হলে কিউবার সরকারে পরিবর্তন আনার সম্ভাব্য পথ নিয়েও ওয়াশিংটন কাজ করছে। কর্মকর্তারা এটিকে সরাসরি সরকার উৎখাতের পরিকল্পনা নয়, বরং বিদ্যমান ব্যবস্থার ভেতরে নেতৃত্ব পরিবর্তনের কৌশল হিসেবে দেখছেন।

ওয়াশিংটন এমন বর্তমান বা সাবেক কিউবান কর্মকর্তাকে খুঁজছে যিনি বাস্তববাদী এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। তবে গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, কিউবার পরিস্থিতি ভেনেজুয়েলার চেয়ে ইরানের সঙ্গে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ এবং সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের অনেকে কট্টরপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত। অস্কার পেরেজ-অলিভা ফ্রাগা, রাউল গঞ্জালেস রদ্রিগেজ কাস্ত্রো ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লাজারো আলবের্তো আলভারেজ কাসাসের নাম আলোচনায় রয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসন অর্থনীতি উন্মুক্ত করা, মার্কিন ব্যবসার জন্য বাজার খোলা, যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল কেনা এবং রাশিয়া ও চীনের গোয়েন্দা তৎপরতা কমানোর দাবি জানিয়েছে। বিনিময়ে মানবিক সহায়তা ও কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রস্তাবের কথা বলা হয়েছে। সিআইএ কিউবা নিয়ে গোপন বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। কিউবা সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযানের আশঙ্কায় প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতি জোরদার করেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

09 Aug 26 1NOJOR

কিউবায় বিকল্প নেতৃত্ব খুঁজতে চাপ ও আলোচনার পথ একসঙ্গে রাখছে যুক্তরাষ্ট্র

কিউবায় সম্ভাব্য সামরিক আগ্রাসনের বিকল্প পেন্টাগন পর্যালোচনা করছে বলে প্রতিবেদনের পর চীন যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক হুমকি ও একতরফা নিষেধাজ্ঞা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। ৩১ জুলাই চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, বেইজিং বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং কিউবায় বহিরাগত হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে। তিনি বলেন, কিউবার জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় চীন দৃঢ়ভাবে পাশে থাকবে।

সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন শীর্ষ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা কিউবায় সামরিক অভিযানের কয়েকটি সম্ভাব্য রূপরেখা খতিয়ে দেখেছেন। এর মধ্যে ১০১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের হাজার হাজার সেনা ব্যবহার করে বিমান হামলার একটি পরিকল্পনাও রয়েছে। জুনের শেষ দিকে মার্কিন সামরিক বাহিনী সম্ভাব্য অভিযান, প্রয়োজনীয় সেনা, রসদ এবং ঝুঁকি মূল্যায়নে প্রাথমিক বৈঠক করে বলে খবরে জানানো হয়।

মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো কোনো হামলার অনুমোদন দেননি এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, তাৎক্ষণিক হামলার প্রস্তুতি নেই, তবে সামরিক বিকল্পটি খসড়ায় রাখা হয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে কিউবায় যুদ্ধবিমান, গোয়েন্দা নজরদারি প্ল্যাটফর্ম ও অন্যান্য সরঞ্জাম স্থানান্তর কঠিন; পেন্টাগন সম্ভাব্য অভিযান নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করেনি।

31 Jul 26 1NOJOR

কিউবায় সম্ভাব্য মার্কিন হামলার খবরে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পাশে থাকার কথা বলল চীন

কিউবায় শুক্রবার বিকেলে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, যা এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো ঘটল। রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ সংস্থা ইউনিয়ন ইলেকট্রিকা দে কিউবা জানায়, পুরো দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে, তবে এর কারণ সম্পর্কে কোনো সরকারি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। এর আগে সোমবারও একই ধরনের বিপর্যয় ঘটে। চলতি বছরে এটি চতুর্থবারের মতো দেশব্যাপী বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্বালানি অবরোধের কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। কিউবার বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সরবরাহ ব্যবস্থা বহু পুরোনো, যার বেশিরভাগ ১৯৬০ থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধের সময় নির্মিত। ১৯৬০-এর দশক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটি আধুনিক যন্ত্রপাতি ও রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

বারবার বিদ্যুৎ বিভ্রাট কিউবার জ্বালানি ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং বহিরাগত অবরোধের প্রভাবকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে।

11 Jul 26 1NOJOR

জ্বালানি অবরোধে এক সপ্তাহে দ্বিতীয়বার কিউবায় দেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট

কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ কানেল সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি কিউবায় সামরিক হামলা চালায়, তাহলে কিউবার জনগণ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়বে। স্কাই নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কিউবা নিশ্চিত নয় যুক্তরাষ্ট্র হামলা করবে কি না, তবে তারা প্রস্তুত। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাবে দিয়াজ কানেল বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে কিউবার বিরুদ্ধে ভুয়া প্রচারণা চালাচ্ছে এবং মানসিক চাপ সৃষ্টি করছে।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই আচরণ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং কিউবার জনগণের প্রতি অপমান। দিয়াজ কানেল যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞাকে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী অবরোধ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর ফলে কিউবায় বিদ্যুৎ সংকট, ওষুধের ঘাটতি ও অর্থনৈতিক দুর্ভোগ তৈরি হয়েছে। তিনি জানুয়ারিতে জ্বালানির ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে অপরাধ ও গণহত্যার শামিল বলে অভিহিত করেন এবং কিউবায় কোনো চীনা সামরিক ঘাঁটি থাকার অভিযোগ নাকচ করেন।

তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর আন্তোনিও মাসেওর উক্তি উদ্ধৃত করে বলেন, কিউবার জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত।

03 Jul 26 1NOJOR

মার্কিন হামলা হলে শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়বে কিউবা

কিউবায় চলমান জ্বালানি সংকট ও দীর্ঘস্থায়ী বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেশটিকে গভীর মানবিক ও সামাজিক সংকটে ফেলেছে। রাজধানী হাভানাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে মানুষ কয়েক দিন ধরে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। পানির সংকট, অতিরিক্ত গরম ও মশার উপদ্রব পরিস্থিতিকে আরও অসহনীয় করে তুলেছে। অনেক এলাকায় মানুষ হাঁড়ি-পাতিল পিটিয়ে ‘কাসেরোলাজো’ নামে পরিচিত প্রতিবাদে অংশ নিচ্ছে। পেট্রোল ও রান্নার গ্যাসের ঘাটতিতে অনেকেই কাঠ ও কয়লা ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন।

মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেছে, গ্যাস সিলিন্ডারের দাম কয়েক ডলার থেকে বেড়ে ২৯ ডলারে পৌঁছেছে, আর পেনশন কমে ১০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। পর্যটন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলো কার্যক্রম কমিয়ে দিচ্ছে। কিউবা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ায় নতুন নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক উত্তেজনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা সতর্ক করেছে, প্রচণ্ড গরম ও খরা বিদ্যুৎবিহীন কিউবায় প্রাণঘাতী পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

09 Jun 26 1NOJOR

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে কিউবা, বাড়ছে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা

কিউবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘোষণা করেছে যে আগামী ৬ জুন থেকে দেশটিতে ভিসা ও মাস্টারকার্ডের মাধ্যমে কোনো লেনদেন করা যাবে না। ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা কিউবার অর্থনীতিতে নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে। রয়টার্স জানিয়েছে, ১ মে জারি করা মার্কিন নির্বাহী আদেশের পর একাধিক বিদেশি প্রতিষ্ঠান কিউবার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক সীমিত বা বন্ধ করতে শুরু করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে আন্তর্জাতিক কার্ডের মাধ্যমে পণ্য ও সেবা বিক্রির অর্থ গ্রহণ আর সম্ভব নয়। বিশ্লেষকদের মতে, এটি কিউবার অর্থনীতির জন্য বড় ধাক্কা, বিশেষ করে পর্যটন খাতের জন্য, যা আগেই সংকটে ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় সামরিক-নিয়ন্ত্রিত ব্যবসায়িক গোষ্ঠী জিএএসএকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার বিরুদ্ধে পর্যটন, আর্থিক লেনদেন ও প্রবাসী আয়ের আয় গোপনে নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে।

তবে কিউবা সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, জিএএসএ দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে একাধিক বিদেশি হোটেল, বিমান সংস্থা ও শিপিং কোম্পানি কিউবা থেকে কার্যক্রম গুটিয়ে নিচ্ছে।

05 Jun 26 1NOJOR

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় কিউবায় ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন বন্ধ, অর্থনীতি ও পর্যটনে সংকট

কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে ১৯৯৬ সালে দুটি বিমান ভূপাতিত করে চারজনকে হত্যার অভিযোগ এনেছে যুক্তরাষ্ট্র। নিহতদের মধ্যে তিনজন ছিলেন মার্কিন নাগরিক। মিয়ামির ফ্রিডম টাওয়ারে ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চে এই অভিযোগের ঘোষণা দেন। কাস্ত্রো ও আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে কিউবান-আমেরিকান সংগঠন ব্রাদার্স টু দ্য রেসকিউ-এর দুটি বিমান গুলি করে নামানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রতিটি হত্যার অভিযোগে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল এই অভিযোগগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রকে তথ্য বিকৃত করার অভিযোগ এনেছেন। তিনি বলেন, কিউবা তাদের আকাশসীমায় আত্মরক্ষার্থে বৈধ পদক্ষেপ নিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ও জ্বালানি অবরোধের কারণে দেশটিতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে, যা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করেছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের কিউবার ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশলের অংশ। তবে কাস্ত্রোর বয়স ও অবসরপ্রাপ্ত অবস্থার কারণে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে আনা বা সরাসরি সংঘাতের সম্ভাবনা কম।

21 May 26 1NOJOR

১৯৯৬ সালের বিমান ভূপাতিতের ঘটনায় রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ

কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল সতর্ক করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কিউবার বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিলে ‘রক্তস্রোত’ বইবে এবং তা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য অভাবনীয় সংকট তৈরি করবে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, কিউবা কারো জন্য হুমকি নয়। তার এই মন্তব্য আসে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনের পর, যেখানে গোপনীয় গোয়েন্দা তথ্যের বরাতে দাবি করা হয় যে কিউবা ৩০০টিরও বেশি সামরিক ড্রোন সংগ্রহ করেছে এবং গুয়ান্তানামো বে, মার্কিন জাহাজ ও ফ্লোরিডার কি ওয়েস্টে হামলার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছে।

কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ পৃথক এক পোস্টে বলেন, জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে কিউবারও বৈধ আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, যারা কিউবায় হামলা চালাতে চায় তারা মিথ্যা অজুহাত ব্যবহার করছে। জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে গ্রেপ্তারের পর যুক্তরাষ্ট্র কিউবার জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দেয়, ফলে দেশটি তীব্র সংকটে পড়ে।

সম্প্রতি দুই দেশের উত্তেজনা আরও বেড়েছে, কারণ মার্কিন প্রসিকিউটররা ১৯৯৬ সালে দুটি মানবিক বিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় সাবেক নেতা রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পরিকল্পনা করছেন।

19 May 26 1NOJOR

মার্কিন হামলার হুমকিতে কিউবার সতর্কবার্তা, বললেন ‘রক্তস্রোত’ বইবে

চলমান মার্কিন অবরোধের কারণে কিউবা তীব্র জ্বালানি সংকটে পড়েছে। দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ভিসেন্তে দে লা ও জানিয়েছেন, তাদের কাছে এখন কার্যত কোনো জ্বালানি বা ডিজেল অবশিষ্ট নেই এবং জাতীয় গ্রিড সংকটজনক অবস্থায় রয়েছে। এই ঘোষণা দ্বীপদেশটির জ্বালানি পরিস্থিতির অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, অবরোধ সত্ত্বেও কিউবা জ্বালানি আমদানির জন্য আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক তেল ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এই প্রচেষ্টা আরও জটিল হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, কিউবা যেকোনো দেশ থেকে জ্বালানি কিনতে প্রস্তুত।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, কিউবা প্রতিদিন প্রায় ৪০ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন করে, কিন্তু ব্যবহার করে ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ ১০ হাজার ব্যারেল। ফলে দেশটি আমদানিনির্ভর হয়ে পড়েছে এবং নতুন সরবরাহ নিশ্চিত না হলে সংকট আরও গভীর হতে পারে।

14 May 26 1NOJOR

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও তেলমূল্য বৃদ্ধিতে কিউবার জ্বালানি মজুত প্রায় শেষ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবার ওপর চাপ বাড়িয়েছেন, যা ক্যারিবীয় দ্বীপটিতে সামরিক আগ্রাসনের আশঙ্কা আরও জোরদার করেছে। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারি থেকে কিউবার উপকূলে মার্কিন গোয়েন্দা বিমানের চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র হাভানার ওপর অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, যা কিউবা কঠোরভাবে নিন্দা করেছে। দেশটি বলেছে, এটি সাধারণ মানুষের ওপর সামগ্রিক শাস্তি এবং মানবিক সংকটকে আরও গভীর করছে।

কিউবার কর্মকর্তারা এই সংকটের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি অবরোধকে দায়ী করেছেন। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইরান থেকে ফেরত আসা একটি বিমানবাহী রণতরি কিউবার উপকূলে মোতায়েন করা হতে পারে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কিউবার অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে অকার্যকর বলে মন্তব্য করেছেন। হোয়াইট হাউস ও পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তারা কিউবাকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং সরকারের সংস্কারহীনতার সমালোচনা করেছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প সরাসরি স্থলবাহিনী পাঠাবেন না, তবে ইরানের মতো দূরবর্তী সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারেন, যা কিউবার নেতৃত্বে পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

13 May 26 1NOJOR

নতুন নিষেধাজ্ঞা ও নজরদারিতে কিউবার ওপর ট্রাম্পের চাপ বৃদ্ধি

ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কিউবার উপকূলে মার্কিন গোয়েন্দা বিমানের চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে সিএনএনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, ৪ ফেব্রুয়ারির পর থেকে মার্কিন নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী অন্তত ২৫টি নজরদারি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে, যার বেশির ভাগ হাভানা ও সান্তিয়াগো দে কিউবার কাছাকাছি এলাকায় ছিল। এসব ফ্লাইটে মূলত পি-৮এ পোসাইডন টহল বিমান, আরসি-১৩৫ভি রিভেট জয়েন্ট এবং এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেব্রুয়ারির আগে এ অঞ্চলে এমন ফ্লাইট খুব কমই দেখা যেত। ২৯ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবায় তেল সরবরাহকারী দেশগুলোর পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপের অনুমতি দিয়ে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। কিউবা অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি অবরোধের মাধ্যমে তাদের অর্থনীতি ধ্বংস করতে চাইছে। পেন্টাগন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

সিএনএন জানায়, অতীতে ভেনিজুয়েলা ও ইরানে সামরিক অভিযানের আগে একই ধরনের নজরদারি বৃদ্ধি দেখা গিয়েছিল, যা কিউবায় সম্ভাব্য উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

11 May 26 1NOJOR

কিউবার উপকূলে মার্কিন নজরদারি ফ্লাইট বৃদ্ধি, সম্ভাব্য উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ

বৃহস্পতিবার কিউবার ওপর নতুন করে একাধিক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব নিষেধাজ্ঞা মূলত কিউবার সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন বৃহৎ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গ্রুপো দে অ্যাডমিনিস্ট্রাসিওন এমপ্রেসারিয়াল এসএ (জিএইএসএ) এবং এর নির্বাহী প্রেসিডেন্ট আনিয়া গুইয়ের্মিনা লাস্ত্রেস মোরেরাকে লক্ষ্য করে আরোপ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে মোয়া নিকেল এসএ নামের যৌথ উদ্যোগ, যা টরন্টোভিত্তিক শেরিট ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন ও কিউবার রাষ্ট্রীয় নিকেল কোম্পানির অংশীদারিত্বে পরিচালিত। জাতিসংঘ জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপ কার্যত জ্বালানি অবরোধ সৃষ্টি করছে এবং কিউবাকে জ্বালানি সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিএইএসএর সঙ্গে কিউবার অর্থনীতির প্রায় সব খাতের সংযোগ রয়েছে, ফলে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব ব্যাপক হতে পারে। শেরিট জানিয়েছে, নতুন নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা যৌথ উদ্যোগে সরাসরি অংশগ্রহণ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক্সে বলেছেন, কিউবার সরকার প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কার না আনা পর্যন্ত পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।

কিউবার সরকার এখনো নতুন নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি, তবে জাতিসংঘের সতর্কতা আন্তর্জাতিক উদ্বেগের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

08 May 26 1NOJOR

কিউবার জিএইএসএর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা, জ্বালানি সংকটে জাতিসংঘের সতর্কতা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে কিউবার সঙ্গে আন্তরিক ও সম্মানজনক সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে মেক্সিকো, স্পেন ও ব্রাজিল। শনিবার তিন দেশের বামপন্থী নেতৃত্ব এক যৌথ বিবৃতিতে কিউবার ‘নাটকীয় পরিস্থিতি’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, দেশটির জনগণ গুরুতর মানবিক সংকটে রয়েছে। তারা এই সংকট লাঘবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের নেতৃত্বে বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত বামপন্থী নেতাদের এক সম্মেলনে এই আহ্বান জানানো হয়। সম্মেলনে মেক্সিকোর ক্লাউদিয়া শেইনবাউম ও ব্রাজিলের লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা অংশ নেন। তারা গণতন্ত্র রক্ষায় উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দেন এবং কিউবার জনগণ যেন স্বাধীনভাবে নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবাকে ঘিরে একাধিক সতর্কতা দিয়েছেন এবং দেশটির ওপর তেল অবরোধ আরোপ করেছেন, যা কিউবার অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকটকে আরও তীব্র করেছে।

20 Apr 26 1NOJOR

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনার মধ্যেও কিউবার সঙ্গে সংলাপের আহ্বান তিন দেশের

যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর তেল অবরোধের কারণে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে অন্ধকারে ডুবে গেছে কিউবা। সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে কিউবাকে “মুক্ত” বা “দখল”—যেকোনো পদক্ষেপই নিতে পারে। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে কিউবা অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। হাভানা থেকে এএফপি জানায়, প্রায় ৯৬ লাখ মানুষের এই ক্যারিবীয় দ্বীপজুড়ে জাতীয় গ্রিড সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

কিউবার বিদ্যুৎ সংস্থা ইউনিয়ন নাসিওনাল ইলেকট্রিকা জানায়, বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধারে কাজ চলছে। তেল আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ খাত কার্যত অচল হয়ে পড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে পরিবহন ও পর্যটন খাতেও। ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর যুক্তরাষ্ট্র কিউবার ওপর তেল অবরোধ জারি রাখে। অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় কিউবা সরকার প্রবাসী কিউবানদের বিনিয়োগ ও ব্যবসার মালিক হওয়ার সুযোগ দিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপ-প্রধানমন্ত্রী অস্কার পেরেজ-ওলিভা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি ও প্রবাসী কিউবানদের সঙ্গে বাণিজ্যে কিউবা প্রস্তুত।

জ্বালানি সংকট, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতিতে জনঅসন্তোষ বাড়ছে। প্রেসিডেন্ট দিয়াজ-কানেল জনগণের ক্ষোভ বুঝতে পারলেও সহিংসতা অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন।

17 Mar 26 1NOJOR

তেল অবরোধে কিউবায় অন্ধকার, ট্রাম্পের দখলের হুমকি

কিউবার উত্তর উপকূলে কায়ো ফ্যালকোনেসের প্রায় এক মাইল উত্তর-পূর্বে কিউবার নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত একটি স্পিডবোটের সংঘর্ষে চারজন নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছেন। বুধবার কিউবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, নৌযানটি কিউবার জলসীমায় প্রবেশ করে তাদের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর গুলি চালায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, স্পিডবোটটি ফ্লোরিডায় নিবন্ধিত এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী কিউবানরা ছিলেন, যারা কিউবায় অনুপ্রবেশ করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করছিলেন। মন্ত্রণালয় জানায়, নৌযানটির নিবন্ধন নম্বর তাদের কাছে রয়েছে, তবে যাত্রীদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা বিষয়টি স্বাধীনভাবে যাচাই করবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, এটি কোনো সরকারি অভিযান নয় এবং এতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কেউ জড়িত ছিলেন না। তিনি আরও জানান, নৌযানে থাকা ব্যক্তিরা মার্কিন নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

26 Feb 26 1NOJOR

কিউবায় যুক্তরাষ্ট্রের নৌযানের সংঘর্ষে ৪ নিহত, তদন্তে যুক্তরাষ্ট্র

জেট জ্বালানি সংকটে কিউবাকে সহায়তা দিতে প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে চীন। মঙ্গলবার নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, জ্বালানি ঘাটতির কারণে কিউবাগামী একাধিক এয়ারলাইন্স ফ্লাইট স্থগিত হলেও সেখানে কোনো চীনা নাগরিক আটকে পড়েননি।

লিন জিয়ান জানান, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলা থেকে কিউবায় জেট জ্বালানি সরবরাহে বাধা দেওয়ায় এই সংকট দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, চীন কিউবার জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় দৃঢ়ভাবে সমর্থন জানায় এবং যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে। তিনি আরও যোগ করেন, চীন তার সর্বোচ্চ সামর্থ্য অনুযায়ী কিউবাকে সহায়তা ও সমর্থন দিয়ে যাবে।

জ্বালানি ঘাটতির কারণে কিউবায় আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে ইতিমধ্যে প্রভাব পড়েছে, যা আঞ্চলিক জ্বালানি সহযোগিতার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার প্রভাবকে স্পষ্ট করেছে।

10 Feb 26 1NOJOR

যুক্তরাষ্ট্রের বাধায় জেট জ্বালানি সংকটে কিউবাকে সহায়তার আশ্বাস চীনের

মার্কিন পদক্ষেপের কারণে সৃষ্ট তীব্র জ্বালানিসংকটে কিউবা এক মাসের জন্য বিমানের জ্বালানি সরবরাহ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইউরোপের এক এয়ারলাইনের কর্মকর্তা রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। কিউবা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে দেশটিতে যাতায়াতকারী বিমানগুলো আর জেট ফুয়েল সংগ্রহ করতে পারবে না। ফলে দূরপাল্লার ফ্লাইটগুলোকে অন্য দেশে থেমে জ্বালানি নিতে হবে। এয়ার ফ্রান্স ইতিমধ্যে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

ভেনেজুয়েলা থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় কিউবা চরম সংকটে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের পর ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ভেনেজুয়েলা কিউবায় তেল পাঠানো বন্ধ করে দেয়। এছাড়া সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে কিউবায় তেল সরবরাহকারী দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের সুযোগ রাখা হয়। জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় কিউবা সরকার জরুরি ব্যবস্থা নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে চার দিনের কর্মসপ্তাহ, প্রাদেশিক পরিবহন সীমিতকরণ, কিছু পর্যটন প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিতির শর্ত শিথিল করা।

তেলের ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে চাপ তৈরি হয়েছে এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাটের আশঙ্কা রয়েছে। প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াস-কানেল বলেছেন, কিউবা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত, তবে কোনো চাপের মধ্যে নয়।

09 Feb 26 1NOJOR

মার্কিন পদক্ষেপে জ্বালানিসংকটে কিউবা, এক মাসের জন্য জেট ফুয়েল সরবরাহ বন্ধ

তেল সরবরাহ বন্ধের হুমকি ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখছে কিউবা। দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক জানিয়েছেন, হাভানা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বার্তা বিনিময় ও কূটনৈতিক যোগাযোগ থাকলেও তা এখনো আনুষ্ঠানিক সংলাপে রূপ নেয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবার ওপর চাপ বাড়ানোর পর এই যোগাযোগ আরও জোরদার হয়েছে। কিউবার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্লোস ফার্নান্দেজ ডি কোসিও রয়টার্সকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র জানে যে কিউবা একটি গুরুতর ও দায়িত্বশীল সংলাপের জন্য প্রস্তুত।

সাম্প্রতিক সময়ে কিউবার ঘনিষ্ঠ মিত্র ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন বাহিনী আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ট্রাম্প প্রশাসনের হুমকির মুখে পড়ে কিউবা সরকার। ডি কোসিও জানান, দূতাবাস ও কূটনৈতিক যোগাযোগ থাকলেও এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনার কাঠামো তৈরি হয়নি।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সংলাপ শুরু হলে তা ভবিষ্যতে আলোচনায় রূপ নিতে পারে, তবে কিউবার সংবিধান, অর্থনৈতিক কাঠামো ও সমাজতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থা আলোচনার বাইরে থাকবে।

03 Feb 26 1NOJOR

তেল সরবরাহ ইস্যুতে উত্তেজনার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে কিউবা

কিউবার এক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক অভিযোগ করেছেন, ক্যারিবিয়ান সাগরে ভেনেজুয়েলার তেল পরিবহন আটকে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ‘আন্তর্জাতিক জলদস্যুতা’ করছে। কলম্বিয়ায় কিউবার রাষ্ট্রদূত কার্লোস ডি সেসপেডেস শনিবার আল জাজিরাকে জানান, ওয়াশিংটন ভেনেজুয়েলার তেল ট্যাঙ্কার আটকিয়ে কিউবায় জ্বালানি পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে। তার দাবি, মার্কিন সামরিক হামলা ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের পর যুক্তরাষ্ট্র কার্যত কিউবার বিরুদ্ধে সামুদ্রিক অবরোধ আরোপ করেছে।

ডি সেসপেডেস বলেন, বিপ্লবের পর ৬৭ বছরে কিউবা কখনো এত তীব্র মার্কিন হুমকির মুখে পড়েনি। মাদুরোকে অপহরণের পর ভেনেজুয়েলা থেকে কিউবায় তেলের প্রবাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে, যদিও ভেনেজুয়েলাই ছিল কিউবার প্রধান তেল সরবরাহকারী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, কিউবায় ভেনেজুয়েলার তেলের প্রবাহ এখন ‘শূন্য’ এবং এই অবস্থা বজায় থাকবে।

পলিটিকোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন কিউবার ওপর পূর্ণ জ্বালানি অবরোধ আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছে, যা মানবিক সংকট সৃষ্টি করতে পারে। ডি সেসপেডেস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপ কিউবাকে দমাতে পারবে না এবং কিউবা সাম্রাজ্যবাদী হুমকির কাছে মাথা নত করবে না।

26 Jan 26 1NOJOR

ভেনেজুয়েলার তেল আটকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘আন্তর্জাতিক জলদস্যুতা’র অভিযোগ কিউবার

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির জবাবে কিউবা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, কিউবা যেন অবিলম্বে চুক্তির আওতায় আসে, নইলে অনির্দিষ্ট পরিণতির মুখে পড়বে। এর জবাবে কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল ডিয়াজ ক্যানেল বলেন, কিউবার বিষয়ে অন্য কারো কথা বলার অধিকার নেই। সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, কিউবা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম জাতি এবং কেউ তাদের কী করতে হবে তা বলে দিতে পারে না। তিনি আরও জানান, ক্যারিবিয়ান দ্বীপ রক্তের শেষ বিন্দু দিয়েও স্বদেশ রক্ষায় প্রস্তুত।

কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ বলেন, তাদের দেশে রপ্তানি করতে ইচ্ছুক যেকোনো দেশ থেকেই জ্বালানি আমদানি করার অধিকার কিউবার আছে। তিনি জানান, কিউবা ভেনেজুয়েলা ও মেক্সিকো থেকে অধিকাংশ জ্বালানি আমদানি করে। রদ্রিগেজ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘অপরাধমূলক’ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে বলেন, এসব কর্মকাণ্ড বিশ্বশান্তির জন্য হুমকি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ট্রাম্প সম্প্রতি কলম্বিয়া, মেক্সিকো, ইরান ও গ্রিনল্যান্ডকেও হুমকি দিয়েছেন।

12 Jan 26 1NOJOR

চুক্তিতে না এলে পরিণতির হুমকিতে ট্রাম্পকে কিউবার কড়া জবাব

গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ১২৩ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।