Web Analytics
দেশ / Country

গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর দক্ষিণ কিভু প্রদেশের উভিরায় একটি সামরিক আদালত এএফসি/এম২৩ বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় সম্মুখসারির অবস্থান ছেড়ে পিছু হটার অভিযোগে ২৭ সেনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। আদালতের নথিতে তাদের ‘কাপুরুষতা’র অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। ২১তম সিম্বা ব্যাটালিয়নের অন্তত ১১২ সেনার বিচার ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হয়।

আগস্টে পূর্ব কঙ্গোয় বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ অমান্য করে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সরে যাওয়ার অভিযোগে তাদের বিচার হয়। আদালত নির্দেশ অমান্যের দায়ে আরও ৫৪ সেনাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ জনকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন। পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকায় পাঁচ নারীসহ অন্তত ২১ সেনাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষ বলেছে, উভিরাকে ঘিরে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর নিরাপত্তায় এসব সেনাকে মোতায়েন করা হয়েছিল। বিচার চলাকালেও উভিরা এলাকায় বিদ্রোহী ও সরকারি বাহিনীর সংঘর্ষ চলছিল এবং উভয় পক্ষই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে। মে মাসে একই ধরনের ঘটনায় ৫৮ কঙ্গোলিজ সেনাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

05 Oct 26 1NOJOR

যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছু হটার অভিযোগে কঙ্গোর ২৭ সেনার মৃত্যুদণ্ড

কঙ্গোর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোয়াঙ্গো প্রদেশের কেনগে এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। বিমানটি শুক্রবার দক্ষিণ-পশ্চিমের শহর কিকউইত থেকে রাজধানী কিনশাসার দিকে যাচ্ছিল। যাত্রাপথে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ার পর এটি জরুরি অবতরণের চেষ্টা করে।

কোয়াঙ্গোর ডেপুটি গভর্নর রেমি সাকি বোকিন্ডা বলেন, কেনগেতে কোনো রানওয়ে না থাকায় বিমানটি একটি আবাসিক এলাকায় গিয়ে বিধ্বস্ত হয়। কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল এফোমি একেনগে দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এফোমি একেনগে বলেন, বিমানে থাকা সবাই মারা গেছেন এবং ১২ জনের মরদেহ এতটাই পুড়ে গেছে যে শনাক্ত করা সম্ভব নয়। সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক, দুই জেনারেলের সফরসঙ্গী সরকারি প্রতিনিধিদলের সদস্য এবং অন্যান্য সামরিক কর্মীরা ছিলেন।

26 Sep 26 1NOJOR

কঙ্গোর কোয়াঙ্গো প্রদেশে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ১৪ জন

গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর লেক টাঙ্গানিকায় ম্যাপেরা গ্রামের কাছে বৃহস্পতিবার একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৪১ জন মারা গেছেন। এ ঘটনায় ৪৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিখোঁজ যাত্রীদের খুঁজতে তল্লাশি অভিযান চলছে। টাঙ্গানিকা প্রদেশের পরিবহনমন্ত্রী নরিস মুলঙ্গোইয়ি অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রায় ১০০ যাত্রী ও পণ্য নিয়ে নৌকাটি তানজানিয়ার কিগোমা বন্দর থেকে ডিআরসির কালেমিয়ে শহরের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। নৌকাটি কী কারণে ডুবেছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

এক মাসেরও কম সময়ে কিগোমা-কালেমিয়ে নৌপথে এটি দ্বিতীয় বড় দুর্ঘটনা। এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কঙ্গোতে নৌকাডুবিতে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। দেশটির অনেক নৌযানে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হয় এবং পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট থাকে না। ১০ কোটির বেশি জনসংখ্যার দেশে অবকাঠামো অপ্রতুল হওয়ায় অনেক মানুষের জন্য নৌপথই সস্তা ও সহজলভ্য যাতায়াতের মাধ্যম।

25 Sep 26 1NOJOR

লেক টাঙ্গানিকায় নৌকাডুবে অন্তত ৪১ জন নিহত, ৪৯ জন উদ্ধার

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত বুকাভু শহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৯ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে স্কুলশিক্ষার্থী রয়েছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে চিমপুন্ডা এলাকায় আগুন শুরু হয়ে উজামা প্রাইমারি স্কুল, ফুরাহা সেকেন্ডারি স্কুল ও কাছের একটি বসতিতে ছড়িয়ে পড়ে বলে রেডিও ওকাপি জানিয়েছে।

এএফসি-এম২৩ মুখপাত্র লরেন্স কানিউকা বলেন, নিহতদের মধ্যে ১৯ জন মেয়ে ও পাঁচজন ছেলে রয়েছে। তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা এখনো চূড়ান্ত নয়। স্থানীয় কর্মকর্তা প্যাট্রিস বুদুগে বলেন, আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়; অনেকে একে অন্যের ওপর পড়ে পদদলিত হন। অনেকে বিপজ্জনক পথে বের হতে গিয়ে জ্ঞান হারান।

কানিউকা জানান, ২৯ জন আহত ব্যক্তি স্থানীয় চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন, যাদের ২১ জন আইসিইউতে রয়েছেন। একটি ক্লিনিকে প্রায় ৫০ শিক্ষার্থী ও কয়েকজন শিক্ষককে নেওয়া হয়েছিল বলে এক নার্স জানান। দক্ষিণ কিভুর উপ-গভর্নর দুনিয়া মাসুমবুকো বুয়েঙ্গে বলেন, দুই স্কুলের পাশাপাশি প্রায় ৩০০ কাঠের ঘর পুড়ে গেছে। আগুনের কারণ নিশ্চিত নয়; এএফসি-এম২৩ বলেছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।

11 Sep 26 1NOJOR

বুকাভুতে আগুনে দুই স্কুল ও শত শত ঘর পুড়ে অন্তত ২৯ শিশু নিহত

গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোয় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে এ পর্যন্ত ৫ হাজার ৫১৫ জন আক্রান্ত এবং ২ হাজার ৬৪২ জন মারা গেছেন বলে সর্বশেষ সরকারি হিসাবে জানানো হয়েছে। ২৪ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়, রোববার ইতুরি ও নর্থ কিভু প্রদেশে নতুন করে ৫১ জনের শরীরে ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। গত মে মাসের মাঝামাঝি বর্তমান প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করা হয়; এটি দেশটির ১৭তম ইবোলা প্রাদুর্ভাব।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরিস্থিতিকে আন্তর্জাতিক উদ্বেগজনক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে এবং প্রতিবেশী উগান্ডাকেও সতর্কতার আওতায় রেখেছে। সরকারি তথ্যের বরাতে বলা হয়েছে, জুনের শুরুতে মৃত্যুহার প্রায় ২০ শতাংশ থাকলেও পরে তা প্রায় ৪৮ শতাংশে ওঠে; অন্য একটি হিসাবে বর্তমান হার ৮৫ শতাংশের বেশি। ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, প্রায় ১৬০ স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন এবং প্রায় ৪৫ জন মারা গেছেন।

সশস্ত্র সংঘাত, বাস্তুচ্যুতি, স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, কর্মসংস্থানের কারণে মানুষের চলাচল এবং অবকাঠামো ঘাটতি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে বাধা দিচ্ছে। প্রাদুর্ভাবে বিরল বুন্দিবুগিও ধরন ছড়িয়েছে, যার জন্য অনুমোদিত টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। ডব্লিউএইচও ৭০ হাজার ডোজ এরভেবো টিকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং প্রতিক্রিয়া কার্যক্রম দুই থেকে তিন গুণ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।

24 Aug 26 1NOJOR

কঙ্গোয় ইবোলায় ৫,৫১৫ আক্রান্ত ও ২,৬৪২ মৃত্যু; জোরালো প্রতিক্রিয়ার আহ্বান ডব্লিউএইচওর

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে ইবোলার প্রাদুর্ভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ১৩ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংক্রমণের বর্তমান গতি অব্যাহত থাকলে এবারের প্রাদুর্ভাব ইবোলার ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হতে পারে। এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৩০০টির বেশি সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে এবং ২ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

ডিআর কঙ্গো সরকার ১৫ মে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করলেও ভাইরাসের জিনগত বিশ্লেষণে সংক্রমণ ফেব্রুয়ারিতেই শুরু হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। দায়ী বিরল বান্দিবুগিও ধরনটির বিরুদ্ধে এখনো কোনো অনুমোদিত টিকা বা চিকিৎসা নেই। ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বলেন, এভাবে ছড়ালে ২০১৪-১৬ সালের পশ্চিম আফ্রিকার মহামারির ১১ হাজারের বেশি মৃত্যুর রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে।

দুর্গম ভূখণ্ড, সীমান্তবর্তী সংঘাত, দুর্বল অবকাঠামো ও সম্পদের ঘাটতি আক্রান্তদের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানো কঠিন করছে। ভুল তথ্যের বিস্তার এবং বেতন না পাওয়ায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ধর্মঘটও প্রতিক্রিয়া কার্যক্রম ধীর করেছে। ডব্লিউএইচওর আবদিরাহমান মাহামুদ বলেন, মাঝারি পূর্বাভাসে ছয় মাসের মধ্যে প্রাদুর্ভাব সর্বোচ্চ পর্যায়ে যেতে পারে; পরিস্থিতি খারাপ হলে তা ৯ থেকে ১২ মাস স্থায়ী হতে পারে।

13 Aug 26 1NOJOR

ডিআর কঙ্গোয় ইবোলার দ্রুত বিস্তার নিয়ে প্রাণহানির রেকর্ড ছাড়ানোর সতর্কতা

পূর্ব ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে ইবোলা রোগী শনাক্ত অব্যাহত থাকায় ভিরুঙ্গা ন্যাশনাল পার্ক মানুষ ও বিপন্ন পাহাড়ি গরিলা সুরক্ষায় স্বাস্থ্যব্যবস্থা জোরদার করেছে। মে মাসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডিআরসি ও প্রতিবেশী উগান্ডার প্রাদুর্ভাবকে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণার পর পার্কটি ছয় মাসের প্রাথমিক জরুরি প্রতিক্রিয়া শুরু করে।

পার্কের ৩০০ কিলোমিটার সুরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতরে ও আশপাশে ছয়টি স্বাস্থ্য চেকপয়েন্ট স্থাপন করা হয়েছে। ৪০ জন প্যারামেডিক ও ৮০ জন রেঞ্জার মোতায়েন করা হয়েছে। সড়কপথের চেকপয়েন্টগুলোতে হাত ধোয়া, তাপমাত্রা পরীক্ষা এবং প্রাথমিক পর্যায়ের আইসোলেশন সেন্টারের ব্যবস্থা আছে। ইটুরি প্রদেশে বুনিয়ার উত্তর ও দক্ষিণের চেকপয়েন্টে আক্রান্ত এলাকা থেকে আসা যাত্রীদের পরীক্ষা করা হচ্ছে।

পার্ক কর্মকর্তারা জানান, চেকপয়েন্টে দুটি সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত করে পর্যবেক্ষণের জন্য জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। সংগৃহীত তথ্য কঙ্গোর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পাবলিক হেলথে পাঠানো হয়। গরিলার স্বাস্থ্যও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং দর্শনার্থীদের স্ক্রিনিং করা হচ্ছে; ভিরুঙ্গা বা ডিআরসিতে কোনো পাহাড়ি গরিলার ইবোলা সংক্রমণ আগে রেকর্ড হয়নি।

02 Aug 26 1NOJOR

ইবোলা ঠেকাতে ভিরুঙ্গায় চেকপয়েন্ট, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও গরিলা নজরদারি জোরদার

গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব তীব্র হওয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩৫৪ জনে পৌঁছেছে। ২৬ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেষ পাঁচ দিনেই মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে। কঙ্গো সরকারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত ও মৃতের সম্মিলিত সংখ্যা ৩ হাজার ৭৫, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ২৭ শতাংশ বেশি।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ভাইরাসটি দেশে ‘দাবানলের মতো’ ছড়িয়ে পড়ছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হারকে নজিরবিহীন বলা হয়েছে এবং এটিকে কঙ্গোর ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দ্রুতগতির ইবোলা সংক্রমণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আব্দুল সামি নাসিদির মতে, কার্যকর ভ্যাকসিনের অভাব দ্রুত সংক্রমণ ছড়ানোর প্রধান কারণ।

সংঘাতকবলিত এলাকাগুলোতে ন্যূনতম স্বাস্থ্য অবকাঠামো না থাকায় নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে ছড়িয়ে পড়া বুন্দিবুগয়ো ভ্যারিয়েন্টটি ইবোলার চারটি বিরল ভ্যারিয়েন্টের একটি; এর বিরুদ্ধে স্বীকৃত কোনো ভ্যাকসিন নেই। অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন গ্রুপ জানিয়েছে, তারা একটি ভ্যাকসিন তৈরি করে পরীক্ষামূলকভাবে এক স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে প্রয়োগ করেছে।

26 Jul 26 1NOJOR

কঙ্গোতে ইবোলায় মৃতের সংখ্যা ১,৩৫৪; বুন্দিবুগয়ো ভ্যারিয়েন্ট নিয়ন্ত্রণে উদ্বেগ

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব দ্য কঙ্গোয় ইবোলায় মৃতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ৪ জুলাইয়ের প্রতিবেদনে দেখা যায়, অন্তত ৫০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১,৫৬১ জন নিশ্চিতভাবে আক্রান্ত। ১৫ মে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত এই প্রাদুর্ভাবটি বিরল বান্ডিবুগিও ভাইরাসের কারণে, যার কোনো টিকা বা প্রতিষেধক নেই। ডব্লিউএইচও দুটি চিকিৎসা পরীক্ষার ট্রায়াল শুরু করেছে এবং জরুরি ব্যবহারের জন্য একটি মলিকুলার ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছে।

ইতুরি প্রদেশের মংবওয়ালু অঞ্চলকে প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্র হিসেবে ধরা হচ্ছে, যেখানে মৃত্যুহার ৫০.৭ শতাংশ। এখনো প্রথম রোগী শনাক্ত করা যায়নি এবং হাজারো সম্ভাব্য সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার কাজ চলছে। প্রতিবেশী উগান্ডায় মৃতের সংখ্যা দুই এবং আক্রান্ত ২০ জনেই অপরিবর্তিত রয়েছে।

ইতুরিতে সম্মুখসারির স্বাস্থ্যকর্মীরা বকেয়া ভাতা না পাওয়া ও খারাপ কর্মপরিবেশের কারণে ধর্মঘটের হুমকি দিয়েছেন। উত্তর ও দক্ষিণ কিভু প্রদেশেও ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলেছে।

07 Jul 26 1NOJOR

কঙ্গোয় ইবোলায় মৃত্যু ৫০০ ছাড়িয়েছে, ডব্লিউএইচওর সতর্কতা ও ধর্মঘটের হুমকি

বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট অর্জন করে ইতিহাস গড়েছে ডিআর কঙ্গো। ১৯ জুন ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ম্যাচে নিউক্যাসেল ইউনাইটেডের ২৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ইয়োয়ানে উইসা প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে আর্থার মাসুয়াকুর নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে গোল করেন। এই গোলের মাধ্যমে কঙ্গো শুধু পর্তুগালের বিপক্ষে মূল্যবান ড্র-ই পায়নি, বরং বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের প্রথম গোলদাতা হিসেবেও উইসা নাম লেখান। একই সঙ্গে তিনি আফ্রিকান নেশনস কাপ ও বিশ্বকাপে গোল করা দেশের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিরল কীর্তি গড়েন।

ম্যাচ শেষে উইসা দলের পারফরম্যান্সে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং নিজের দেশের চলমান সংঘাতের প্রসঙ্গ তোলেন। পূর্ব কঙ্গোর সশস্ত্র সংঘাত ও বাস্তুচ্যুত মানুষের দুর্ভোগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, এই ম্যাচ দেশের মানুষের কাছে ফুটবলের চেয়েও বেশি কিছু। তিনি কঙ্গোর মানুষের জীবনে শান্তি ফিরে আসার প্রার্থনা করেন।

উইসার এই গোল শুধু মাঠের সাফল্য নয়, বরং যুদ্ধবিধ্বস্ত কঙ্গোর মানুষের জন্য এক টুকরো আশার আলো হয়ে উঠেছে।

19 Jun 26 1NOJOR

উইসার ঐতিহাসিক গোল, পর্তুগালের বিপক্ষে বিশ্বকাপে প্রথম পয়েন্ট পেল কঙ্গো

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, সংঘাতকবলিত গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোয় ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়েছে। সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে জানান, নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করার পর এখন পর্যন্ত ৯ শতাধিক সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ১০১ জনের শরীরে সংক্রমণ নিশ্চিত করা গেছে। তবে তিনি মৃত্যুর নতুন কোনো তথ্য দেননি।

ইবোলা একটি প্রাণঘাতী ভাইরাসজনিত রোগ, যা আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তরল পদার্থের সংস্পর্শে ছড়ায় এবং এতে তীব্র রক্তক্ষরণ ও অঙ্গ বিকল হতে পারে। গত ১৫ মে দেশটির সরকার ইবোলা প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করে। এবারের সংক্রমণ ‘বুন্ডিবুগিও’ ধরনের ভাইরাস থেকে ছড়িয়েছে, যার কোনো অনুমোদিত টিকা বা কার্যকর চিকিৎসা নেই।

ডিআর কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্যে বলা হয়েছে, তিনটি প্রদেশে ৮৬৭টি সন্দেহভাজন সংক্রমণের ঘটনায় ২০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত অর্ধশতকে আফ্রিকায় ইবোলায় ১৫ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছে।

25 May 26 1NOJOR

ডিআর কঙ্গোয় ইবোলা আক্রান্ত সন্দেহভাজন রোগী ৯০০ ছাড়িয়েছে, জানাল ডব্লিউএইচও

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত অন্তত ১৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত মঙ্গলবার পর্যন্ত ৫১৩ জনেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। ডব্লিউএইচও প্রতিনিধি ড. অ্যান অ্যানসিয়া জানিয়েছেন, তদন্তে দেখা যাচ্ছে ভাইরাসটি নতুন নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। প্রতিবেশী উগান্ডাতেও একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

লন্ডনের এমআরসি সেন্টার ফর গ্লোবাল ইনফেকশাস ডিজিজ অ্যানালিসিসের একটি গাণিতিক মডেল ইঙ্গিত দিয়েছে যে প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে, যা এক হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। রেড ক্রস সতর্ক করেছে, আক্রান্তদের দ্রুত শনাক্ত না করা গেলে এবং সচেতনতার অভাব থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে। জরুরি বৈঠকের পর কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেকেডি জনগণকে শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

ডব্লিউএইচও প্রধান টেড্রোস অ্যাধনম ঘেব্রেইয়েসাস প্রাদুর্ভাবের আকার ও গতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বর্তমানে ছড়ানো স্ট্রেইনের কোনো কার্যকর টিকা নেই, তবে সংস্থাটি বিকল্প ওষুধের কার্যকারিতা মূল্যায়ন করছে।

20 May 26 1NOJOR

কঙ্গোতে ইবোলা দ্রুত ছড়াচ্ছে, সতর্ক করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা প্রাদুর্ভাবকে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে। পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে এই প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৪৬টি সন্দেহভাজন সংক্রমণ ও ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এটি বুন্ডিবুগিও ভাইরাসের কারণে হয়েছে, যার কোনো অনুমোদিত ওষুধ বা ভ্যাকসিন নেই। এখন পর্যন্ত আটটি পরীক্ষাগারে সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে এবং ভাইরাসটি বুনিয়া, মঙ্গওয়ালু, রোয়ামপারা ও রাজধানী কিনশাসায় ছড়িয়েছে। প্রতিবেশী উগান্ডায়ও দুটি সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

ডব্লিউএইচও সতর্ক করেছে যে জনসংখ্যার চলাচল, শহরাঞ্চলে সংক্রমণ এবং দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থার কারণে ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। সংস্থাটি ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় জরুরি কার্যক্রম কেন্দ্র স্থাপনের পরামর্শ দিয়েছে। রুয়ান্ডা সীমান্তে স্বাস্থ্য পরীক্ষা জোরদার করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসি অতিরিক্ত কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।

ডব্লিউএইচও বলেছে, সীমান্ত বন্ধ বা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রয়োজন নেই, কারণ এসব পদক্ষেপের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। সংস্থাটি এখনো প্রাদুর্ভাবের প্রকৃত পরিসর ও বিস্তারের মাত্রা নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেছে।

18 May 26 1NOJOR

ডিআর কঙ্গোতে ইবোলা প্রাদুর্ভাবকে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা

ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে ইবোলা প্রাদুর্ভাবে ৮০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) একে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে। আফ্রিকা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৮৮ জনের মৃত্যু ও ৩৩৬টি সন্দেহজনক সংক্রমণের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, প্রাদুর্ভাবটি ইবোলার বুন্ডিবুগিও ধরনের কারণে ঘটছে এবং এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সতর্কতা স্তরের জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যদিও এখনো মহামারি ঘোষণা করা হয়নি।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানের সীমান্তবর্তী ইতুরি প্রদেশে প্রাদুর্ভাব নিশ্চিত করেছেন। প্রথম শনাক্ত রোগী ছিলেন একজন নার্স, যিনি ২৪ এপ্রিল বুনিয়ার একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ইবোলাসদৃশ উপসর্গ নিয়ে আসেন। কঙ্গোর স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, এই ভাইরাসের কোনো টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই এবং মৃত্যুহার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। আন্তর্জাতিক সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস পরিস্থিতিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে এবং জরুরি সাড়া দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ডব্লিউএইচও সতর্ক করেছে যে প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা ও সংক্রমণের বিস্তার এখনো স্পষ্ট নয়, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

17 May 26 1NOJOR

কঙ্গোতে ইবোলায় ৮০ জনের বেশি মৃত্যু, ডব্লিউএইচও জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে ইবোলা ভাইরাসে কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যুর পর এটিকে আন্তর্জাতিক উদ্বেগজনক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা (পিএইচইআইসি) হিসেবে ঘোষণা করেছে। জেনেভাভিত্তিক সংস্থাটি জানিয়েছে, কঙ্গো ও উগান্ডায় বুন্দিবুগিও ভাইরাসজনিত ইবোলা সংক্রমণকে এই আন্তর্জাতিক জরুরি অবস্থার আওতায় আনা হয়েছে। তবে সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে যে, বর্তমান পরিস্থিতি এখনো মহামারী ঘোষণার মানদণ্ড পূরণ করেনি।

ডব্লিউএইচওর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত প্রাদুর্ভাবের গুরুত্ব ও আন্তর্জাতিক সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে, তবে এটি এখনো বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকটের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে যে, সংক্রমণ উদ্বেগজনক হলেও বর্তমান তথ্য অনুযায়ী মহামারী ঘোষণা করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

এই ঘোষণা কঙ্গো ও উগান্ডার সীমান্তবর্তী এলাকায় ভাইরাসের বিস্তার রোধে আন্তর্জাতিক সহায়তা ও সম্পদ জোগাড়ে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

17 May 26 1NOJOR

কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে মিলিশিয়া হামলায় অন্তত ৬৯ জন নিহত হয়েছে বলে স্থানীয় ও নিরাপত্তা সূত্র শনিবার জানিয়েছে। ২৮ এপ্রিল কো-অপারেটিভ ফর দ্য ডেভেলপমেন্ট অব কঙ্গো (কোডেকো) সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র সদস্যরা একাধিক গ্রামে হামলা চালায়। নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক, মিলিশিয়া ও সেনাসদস্য রয়েছে। কোডেকো যোদ্ধাদের উপস্থিতির কারণে কয়েক দিন ধরে মরদেহ উদ্ধার বিলম্বিত হয়।

স্বর্ণখনিসমৃদ্ধ ইতুরি প্রদেশে হেমা ও লেন্দু জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলছে। এর আগে কনভেনশন ফর দ্য পপুলার রেভল্যুশন (সিআরপি) গোষ্ঠী পিম্বো এলাকার কাছে সেনাবাহিনীর অবস্থানে হামলা চালায়। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন (মোনুসকো) সাম্প্রতিক প্রাণঘাতী হামলার নিন্দা জানিয়ে জানায়, সিআরপি হামলার সময় আটকা পড়া ২০০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

মানবিক সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, প্রদেশটির প্রায় ১০ লাখ অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত মানুষ তীব্র মানবিক সংকটে রয়েছে। কোডেকো, সিআরপি ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর সহিংসতায় অঞ্চলটি ক্রমেই অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে।

10 May 26 1NOJOR

কঙ্গোর ইতুরি প্রদেশে মিলিশিয়া হামলায় ৬৯ জন নিহত, সহিংসতা অব্যাহত

গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত পূর্বাঞ্চলে মঙ্গলবার রুবায়া কোলটান খনিতে সুড়ঙ্গ ধসে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। গোমা থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার পশ্চিমে উত্তর কিভু প্রদেশের এই খনিতে তিন নারী ও তিন পুরুষের মৃত্যু হয় এবং আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধসের পর কর্তৃপক্ষ সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয় এবং মরদেহগুলো স্ট্রেচারে বহন করতে দেখা যায়। স্বজনদের খোঁজে বহু মানুষ খনির দিকে ছুটে যান। রুবায়া খনিতে কয়েক হাজার শ্রমিক ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে অল্প সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করেন।

বিশ্বের কোলটান উৎপাদনের ১৫ থেকে ৩০ শতাংশ সরবরাহ করে এই বিশাল খনি, যা ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে এম২৩ বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় এটি রুবায়ার দ্বিতীয় প্রাণঘাতী ধস; গত মাসের শেষে ভয়াবহ ভূমিধসে অন্তত ২০০ জন নিহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল সরকার।

04 Mar 26 1NOJOR

কঙ্গোর বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত কোলটান খনিতে সুড়ঙ্গ ধসে ছয়জন নিহত

ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে মিলিশিয়াদের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি খনিতে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। দেশটির সরকার জানিয়েছে, এতে অন্তত ২০০ জনের মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রোববার এক সরকারি বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

কিনশাসা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, ২০২১ সালে পুনরায় সক্রিয় হওয়ার পর এম২৩ সশস্ত্র গোষ্ঠী খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ ডিআর কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে। রুয়ান্ডার সমর্থনে ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে এম২৩ নর্থ কিভু প্রদেশের রুবায়া খনির নিয়ন্ত্রণ নেয়, যেখানে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

সরকার এখনো উদ্ধার কার্যক্রম বা ভূমিধসের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি, তবে ঘটনাটি সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলের খনিগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

02 Feb 26 1NOJOR

ডিআর কঙ্গোর খনিতে ভূমিধসে অন্তত ২০০ জনের মৃত্য আশঙ্কা

কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় নর্থ কিভু প্রদেশের রুবায়ায় কোল্টান খনি ধসে দুই শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। প্রাদেশিক রাজধানী গোমা শহর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত খনিটি বুধবার ধসে পড়ে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত নয়।

নর্থ কিভু প্রদেশে এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠী নিযুক্ত গভর্নরের মুখপাত্র লুমুম্বা কাম্বেরে মুইসা জানান, ধসের পর কিছু মানুষকে সময়মতো উদ্ধার করা হয়েছে এবং প্রায় ২০ জন আহতকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এম২৩ নিযুক্ত গভর্নর ইরাস্তন বাহাতি মুসাঙ্গা শুক্রবার এএফপিকে বলেন, কয়েকজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, তবে মোট নিহতের সংখ্যা তিনি জানাননি।

প্রাদেশিক গভর্নরের এক উপদেষ্টা রয়টার্সকে জানান, মৃতের সংখ্যা দুই শতাধিক হতে পারে। খনিশ্রমিক ফ্রাংক বলিঙ্গো বলেন, এখনো অনেকেই খনির ভেতরে আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

31 Jan 26 1NOJOR

কঙ্গোর রুবায়ায় কোল্টান খনি ধসে দুই শতাধিক নিহত

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলে এম২৩ বিদ্রোহীদের সহিংসতায় শত শত মানুষ হাত-পা হারিয়ে পঙ্গুত্ব বয়ে বেড়াচ্ছে। খনিজসমৃদ্ধ নর্থ কিভু প্রদেশে সরকারবিরোধী এই সংঘাত নতুন করে তীব্র হয়েছে, বিশেষ করে এম২৩ বিদ্রোহীরা গোমা ও বুকাভু শহর দখলের পর। ২৫ বছর বয়সী ডেভিড মুহিরের মতো অনেকেই মাইন বিস্ফোরণ বা গুলির আঘাতে অঙ্গ হারিয়ে পুনর্বাসনের অপেক্ষায় আছেন।

আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি (আইসিআরসি) জানিয়েছে, ২০২৫ সালে পূর্ব কঙ্গোতে অস্ত্র, মাইন ও অবিস্ফোরিত গোলার আঘাতে আহত ৮০০ জনের বেশি মানুষ চিকিৎসা পেয়েছেন। এর মধ্যে ৪০০ জনের বেশি গোমার শিরিকা লা উমোজা কেন্দ্রে পুনর্বাসন নিচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ৪ ডিসেম্বর রুয়ান্ডা ও কঙ্গোর মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও কয়েক দিনের মধ্যেই এম২৩ নতুন অভিযান শুরু করে বুরুন্ডি সীমান্তবর্তী এলাকায়।

আইসিআরসি কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে মানবিক সংকট আরও গভীর হবে এবং প্রতিবন্ধী মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকবে। তারা আন্তর্জাতিক সহায়তা ও শান্তি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।

22 Dec 25 1NOJOR

শান্তিচুক্তির পরও পূর্ব কঙ্গোতে এম২৩ সংঘাতে শত শত মানুষ অঙ্গ হারাচ্ছে

গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ১৫৬ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।