Web Analytics
দেশ / Country

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলে এম২৩ বিদ্রোহীদের সহিংসতায় শত শত মানুষ হাত-পা হারিয়ে পঙ্গুত্ব বয়ে বেড়াচ্ছে। খনিজসমৃদ্ধ নর্থ কিভু প্রদেশে সরকারবিরোধী এই সংঘাত নতুন করে তীব্র হয়েছে, বিশেষ করে এম২৩ বিদ্রোহীরা গোমা ও বুকাভু শহর দখলের পর। ২৫ বছর বয়সী ডেভিড মুহিরের মতো অনেকেই মাইন বিস্ফোরণ বা গুলির আঘাতে অঙ্গ হারিয়ে পুনর্বাসনের অপেক্ষায় আছেন।

আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি (আইসিআরসি) জানিয়েছে, ২০২৫ সালে পূর্ব কঙ্গোতে অস্ত্র, মাইন ও অবিস্ফোরিত গোলার আঘাতে আহত ৮০০ জনের বেশি মানুষ চিকিৎসা পেয়েছেন। এর মধ্যে ৪০০ জনের বেশি গোমার শিরিকা লা উমোজা কেন্দ্রে পুনর্বাসন নিচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ৪ ডিসেম্বর রুয়ান্ডা ও কঙ্গোর মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও কয়েক দিনের মধ্যেই এম২৩ নতুন অভিযান শুরু করে বুরুন্ডি সীমান্তবর্তী এলাকায়।

আইসিআরসি কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে মানবিক সংকট আরও গভীর হবে এবং প্রতিবন্ধী মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকবে। তারা আন্তর্জাতিক সহায়তা ও শান্তি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।

22 Dec 25 1NOJOR.COM

শান্তিচুক্তির পরও পূর্ব কঙ্গোতে এম২৩ সংঘাতে শত শত মানুষ অঙ্গ হারাচ্ছে

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর উত্তর কিভু প্রদেশের লুবেরো অঞ্চলে অ্যালাইড ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এডিএফ) বিদ্রোহীদের হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রোগী ও ১১ জন নারী রয়েছেন। বাইম্বওয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ২৩টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্রোহীরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভবন ও আশপাশের কয়েকটি বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। লুবেরো অঞ্চলের প্রশাসক কর্নেল আলাইন কিওয়েওয়া এই হামলাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে দোষীদের শাস্তির দাবি জানান। তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের কঙ্গো ও উগান্ডার যৌথ সামরিক অভিযানে সহযোগিতার আহ্বান জানান। পূর্ব কঙ্গোতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় এডিএফ গোষ্ঠীটি আইএসআইএসের সঙ্গে যুক্ত। গত অক্টোবরে একই অঞ্চলে তাদের হামলায় প্রায় ২০ জন নিহত হয়েছিল। ২০২১ সাল থেকে কঙ্গো ও উগান্ডার সেনাবাহিনী এডিএফের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

19 Nov 25 1NOJOR.COM

কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এডিএফ হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত

ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর লুয়ালাবা প্রদেশের কালান্ডো তামা ও কোবাল্ট খনিতে একটি অস্থায়ী সেতু ধসে অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন। ভারী বৃষ্টি ও ভূমিধসের ঝুঁকির কারণে খনিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও শ্রমিকরা জোর করে প্রবেশ করেন। বিপুল সংখ্যক শ্রমিক একসঙ্গে সেতুটি পার হওয়ার চেষ্টা করলে সেটি ভেঙে পড়ে। কিছু প্রতিবেদনে মৃতের সংখ্যা ৪০ জনেরও বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে সেনাদের গুলির শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, যা দুর্ঘটনার মাত্রা বাড়ায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। খনিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বেপরোয়া খনিকর্মী, স্থানীয় সমবায় ও বৈধ পরিচালনাকারীদের মধ্যে বিরোধ চলছে। প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে সব কার্যক্রম স্থগিত করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছে, যদিও সেনাবাহিনী এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

17 Nov 25 1NOJOR.COM

কঙ্গো খনিতে সেতু ধসে নিহত ৩২, সেনাবাহিনীর ভূমিকা তদন্তের দাবি উঠেছে

ডিআর কঙ্গোর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে পৃথক দুই নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ১৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, নিখোঁজ রয়েছেন বেশকয়েকজন। ইকুয়েটর প্রদেশে প্রায় ১৫০ কিমি দূরে বুধবার ও বৃহস্পতিবার এই দুর্ঘটনা ঘটে। কঙ্গো বলেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রায় ৫০০ যাত্রীবাহী একটি নৌকা যাত্রা করে। পরে আগুন ধরে উল্টে যায়। দুর্ঘটনাটি ঘটে প্রদেশের লুকোলেলা এলাকার মালাঙ্গে গ্রামবিনাশের কাছে অবস্থিত একটি হোয়েলবোটে। এতে ১০৭ জন নিহত হন। উদ্ধার করা হয় ২০৯ জনকে। এ ঘটনায় এখনো ১৪৬ জন নিখোঁজ আছেন। একদিন আগে, বাসানকুসু এলাকায় একটি মোটরচালিত নৌকা উল্টে যায়। এতে অন্তত ৮৬ জন নিহত হন, তাদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী।

Card image

কঙ্গোতে একটি নৌকায় আগুন লেগে কমপক্ষে ১৪৮ জন নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন বেশ কয়েকজন। কঙ্গো নদীতে ওই কাঠের নৌকাটিতে কয়েকশ আরোহী ছিলেন বলে জানান ওই অঞ্চলের জাতীয় সহকারীদের প্রতিনিধিদলের প্রধান জোসেফিন-প্যাসিফিক লোকুমু। দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে নৌকায় রান্নার আগুনকে চিহ্নিত করেছেন লোকুমু। ধারণা করা হচ্ছে, এতে যাত্রী ছিল কয়েকশ। বেশকিছু উদ্ধারও হয়েছে!

Card image

সোমবার আনাদোলু এক প্রতিবেদনে জানায়, কঙ্গোর পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ মাই-নডোম্বের কাছে কোয়া নদীতে নৌকা ডুবে গেলে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। অনেকেই এখনও নিখোঁজ। নৌকাটি নাগাম্বোমি গ্রামের ফুটবলারদের বহন করছিল। ওই ফুটবলারা মুশি শহরে একটি ম্যাচ খেলে ফিরছিলেন। স্থানীয় সময় রাতে মুশি বন্দর ছেড়ে ১২ কিলোমিটার ভ্রমণ করার পর নৌকাটি ডুবে যায়। প্রাথমিকভাবে এই ঘটনায় ২৫ জনের মৃত্যু হয়। বেঁচে যাওয়া আরোহীর সংখ্যা ৩০ জন। তবে, এখনও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।

Card image

ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষে ১৩ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৯ জন দক্ষিণ আফ্রিকার, ৩ জন মালাউইয়ের এবং একজন উরুগুয়ের সৈন্য। কঙ্গোর গোমা শহরে বিদ্রোহীদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে গিয়ে তারা প্রাণ হারান। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ শান্তি আহ্বান জানিয়ে কঙ্গো ও রুয়ান্ডার নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। সংঘাত তীব্র হওয়ায় জাতিসংঘ গোমা থেকে অপ্রয়োজনীয় কর্মীদের সরিয়ে নিচ্ছে। এদিকে এম২৩ গোষ্ঠী রক্তপাত এড়াতে কঙ্গোর সৈন্যদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়েছে।

Card image

গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ৬৯ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।