দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৫ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকান রাত ৮টার বদলে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি চেয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে সংগঠনটির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন ও মহাসচিব মো. জহিরুল হক ভূঁইয়া এ দাবি জানান।
চিঠিতে বলা হয়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য মন্ত্রণালয়ের ঘোষণার পর সারা দেশে মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করা হচ্ছে। সংকটকালীন সময়ে ব্যবসায়ীরা জ্বালানি সাশ্রয়ে সহযোগিতা করে আসছেন। তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে বিক্রি কম থাকায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা আর্থিক সংকটে পড়েছেন বলে সংগঠনটি জানিয়েছে।
সমিতি বলেছে, ঈদ ও পূজার আগে দোকান খোলার সময় বাড়ানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন। সংগঠনটির মতে, উৎসবকেন্দ্রিক সময়ে বিক্রি কিছুটা বাড়ে এবং অতিরিক্ত দুই ঘণ্টা দোকান খোলা থাকলে ব্যবসায়ীরা বাড়তি বিক্রির সুযোগ পাবেন। চিঠিতে আরও বলা হয়, জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুতের লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণে এসেছে; তাই ব্যবসায়ীদের সমস্যা বিবেচনায় অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দুর্গাপূজায় রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলার অনুমতি চেয়েছেন ব্যবসায়ীরা
কর্মসংস্থান বাড়াতে আগামী ডিসেম্বরে ঢাকা থেকে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ ও ক্যারিয়ার ফেয়ারের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করবে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা এবং কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন রোববার রাজধানীর সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। পরে কার্যক্রমটি বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণের কথা রয়েছে।
মাহ্দী আমিন বলেন, গত ছয় মাসে শিল্পখাত, একাডেমিয়া, এনজিও, সরকারি সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে পরামর্শের পর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্ল্যাটফর্মটিতে কর্মক্ষম যুবকদের দক্ষতা ও যোগ্যতার তথ্যের সঙ্গে স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জনবল চাহিদার তথ্য সমন্বয় করা হবে। এর মাধ্যমে একটি একীভূত জাতীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
মূলধারার শিক্ষার বাইরে থাকা যুবক-যুবতী, নতুন গ্র্যাজুয়েট এবং বিদেশে যেতে আগ্রহীদের প্রশিক্ষণ ও চাকরির সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। সিভি লেখা, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সাক্ষাৎকারের প্রশিক্ষণও থাকবে। চাকরিদাতা ও চাকরিপ্রার্থী উভয় পক্ষ নিবন্ধন করতে পারবেন। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময় সুনির্দিষ্ট কর্মসংস্থান লক্ষ্যমাত্রা ও রোডম্যাপ প্রকাশ করা হবে বলে জানান মাহ্দী আমিন।
ডিসেম্বরে ঢাকায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ ও ক্যারিয়ার ফেয়ার কার্যক্রম শুরু হবে
লালমনিরহাটের দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ে রোববার সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, এমপি। বন্দর পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগের অংশ হিসেবে পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, এমপি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্দরটি চালু হলে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে এবং লালমনিরহাটসহ এ অঞ্চলের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে বন্দরটির ভৌত অবকাঠামো ও সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন করে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছেন।
রাজিব আহসান জানান, বন্দর চালুতে বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে। নদীর ওপারে একটি সেতু, সড়ক, ছোট একটি স্টেশন ও প্রয়োজনীয় জনবল লাগবে এবং সরকার এগুলো নির্মাণে প্রস্তুত। তবে ভারতের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি জরুরি; ভারত তাদের অংশে কাজ শুরু না করলে বাংলাদেশের পক্ষেও বন্দর চালু সম্ভব নয়। ১৯৮৮ সালের বন্যায় ধরলা নদীর রেলসেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর বন্দরটির কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।
ভারতের সঙ্গে সমঝোতা ও কার্যক্রমের শর্তে মোগলহাট স্থলবন্দর চালুর সম্ভাবনা যাচাই
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি ১২ কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে। আগে এই দাম ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। রোববার, ৪ অক্টোবর নতুন মূল্য ঘোষণা করা হয় এবং সন্ধ্যা ৬টার পর তা কার্যকর হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
বিইআরসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারদর বৃদ্ধি, জাহাজ ভাড়া এবং এলপিজি পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহনের ডিজেলের দাম বাড়ার কারণে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে এলপিজি বাজারে অস্থিরতা চলছে। দাম বাড়তে পারে এমন ধারণায় সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগে সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
সেপ্টেম্বরে নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা হলেও ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। রাষ্ট্রীয় একটি গোয়েন্দা বাহিনীর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে টনপ্রতি ৬৪ ডলার দাম বাড়ার পর ২২ সেপ্টেম্বর থেকে পাঁচটি কোম্পানি প্রায় বিক্রি বন্ধ রেখেছে। প্রতিবেদনে আগস্টে ১ লাখ ৫৮ হাজার টন এবং সেপ্টেম্বরে ১ লাখ ৫৬ হাজার টন আমদানির তথ্য দিয়ে বাজারে ঘাটতির সুযোগ নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিইআরসি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১,৮৩৭ টাকা করেছে
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বীজ আলুর দাম কম থাকায় আলুচাষি ও ব্যবসায়ীরা হিমাগার ভাড়া এবং অন্যান্য ব্যয় তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন। তাঁদের আশঙ্কা, এতে কয়েক কোটি টাকার লোকসান হতে পারে। একই সঙ্গে সরকার নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি সংরক্ষণ ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হিমাগার মালিকদের বিরুদ্ধে।
তথ্য অনুযায়ী, উৎপাদন থেকে সংরক্ষণ পর্যন্ত প্রতি কেজি আলুতে ২২ থেকে ২৪ টাকা খরচ হয়েছে। সরকার প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণের ভাড়া ৬ টাকা নির্ধারণ করলেও হিমাগারগুলো বস্তাপ্রতি প্রায় ৪০০ টাকা নিচ্ছে বলে অভিযোগ। খুচরা বাজারে খাওয়ার আলু ১৫ থেকে ১৬ টাকা কেজি এবং হিমাগারে বীজ আলু ১০ থেকে ১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
কৃষক সোহেল রানা মুক্তা হিমাগারের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। হিমাগারের ব্যবস্থাপক হামিদুল ইসলাম বলেন, মালিকপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ হচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম বেশি উৎপাদন ও অনুকূল পরিস্থিতিকে কম দামের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বিষয়টি অবহিত করার কথা জানান। পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
কম আলুর দামে কিশোরগঞ্জের চাষিদের লোকসানের আশঙ্কা, অতিরিক্ত হিমাগার ভাড়ার অভিযোগ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। জানুয়ারি থেকে আগস্টে লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৭০১ কোটি ২৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮৯৮ টাকা, যা ২০২৫ সালের একই সময়ে ছিল ২ হাজার ৬৮৭ কোটি ৩৯ লাখ ৪৭ হাজার ৮০৯ টাকা।
ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার বলেন, এই বৃদ্ধির পেছনে একক কোনো উদ্যোগ নয়, বরং বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ কাজ করছে। এর মধ্যে বাজারকে ফ্রন্টিয়ার থেকে এমার্জিং মার্কেটে উন্নীত করার প্রস্তুতি, এমএসসিআইসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ, এনআইটিএ-সংক্রান্ত বিধি সহজ করা এবং টি+১ সেটেলমেন্টে যাওয়ার উদ্যোগ রয়েছে।
নতুন এনআইটিএ ব্যবস্থায় প্রতিটি লেনদেনের সময় আলাদা হিসাবের বদলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশ থেকে অর্থ প্রত্যাবাসনের সময় প্রয়োজনীয় হিসাব সম্পন্ন করতে পারবেন। ২০২৬ সালে মাসভিত্তিক লেনদেনে ওঠানামা থাকলেও মে মাসে সর্বোচ্চ ৮৩১ কোটি ৬৯ লাখ ৯০ হাজার ৭৭১ টাকার লেনদেন হয়। প্রথম আট মাসের মোট লেনদেন ২০২৫ সালের পুরো বছরের ৩ হাজার ৯২০ কোটি ৪২ লাখ ২০ হাজার ২১ টাকার প্রায় ৯৪ শতাংশ।
২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লেনদেন বেড়েছে ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত হার এক্সেলেন্সি লিস্টিওয়াতি রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গভর্নরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে মতবিনিময় হয়।
দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বাংলাদেশে ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। গভর্নর বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরে দেশে ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও বহুমুখী করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে ইন্দোনেশিয়ায় তৈরি পোশাক, ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ও ওষুধ রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। রাষ্ট্রদূত অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক সুদৃঢ় এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ জানান। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ওয়াহিউ রিয়াদি, রবি ফিরলি হারখা ও সাপতো রুদিয়ান্তো এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ডেপুটি গভর্নর মো. সরোয়ার হোসেন ও নির্বাহী পরিচালক মো. হারুন-অর-রশিদ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা
সুনামগঞ্জের ছাতকে বাংলাদেশ রেলওয়ের একমাত্র কংক্রিট স্লিপার প্লান্টে প্রায় এক বছর বন্ধ থাকার পর পূর্ণোদ্যমে উৎপাদন শুরু হয়েছে। গত রোববার থেকে উৎপাদন কার্যক্রম চালু হয়। বন্যার পানিতে প্লান্টটি তলিয়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রপাতি মেরামত ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এটি পুনরায় চালু করা হয়েছে। উৎপাদন শুরুর পর রেলওয়ে ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্লান্ট পরিদর্শন করেন।
রেলওয়েসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কারখানাটি দীর্ঘদিন ধরে যান্ত্রিক ত্রুটি, কাঁচামালের তীব্র সংকট এবং জনবলের ঘাটতিতে ভুগছিল। এসব কারণে এর আগে একাধিকবার উৎপাদন ব্যাহত ও বন্ধ হয়েছে। গত বছরও কয়েক দফায় উৎপাদন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও যান্ত্রিক ত্রুটি ও কাঁচামাল সংকটে তা অল্প সময়ের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৮৮ সালে দৈনিক ২৬৪টি স্লিপার উৎপাদনক্ষমতা নিয়ে সরকারি কারখানাটির যাত্রা শুরু হয়।
বর্তমানে বিশ্বাস কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের মাধ্যমে প্লান্টটি পরিচালিত হচ্ছে। নতুন করে চালুর পর আগামী এক বছরে সপ্তাহে ছয় দিন প্রতিদিন ২৪০টি করে মোট ২৫ হাজার কংক্রিট স্লিপার উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব স্লিপার মূলত রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে সরবরাহ করা হয়। রেলওয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব আশা প্রকাশ করেছেন, নির্ধারিত লক্ষ্য অনুযায়ী সপ্তাহে ছয় দিন নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন সম্ভব হবে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রপাতি মেরামতের পর ছাতক স্লিপার প্লান্টে উৎপাদন শুরু
জায়গা সংকটের মধ্যেও বগুড়ার বিসিক শিল্পনগরী দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ কৃষিযন্ত্রাংশ উৎপাদন করছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এখানকার ঢালাই কারখানার যন্ত্রপাতি ঘিরে বছরে প্রায় এক হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয় এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৩০ হাজারের বেশি শ্রমিক কাজ করেন। জাহাজ ভাঙা লোহা গলিয়ে তৈরি এসব পণ্য দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হচ্ছে।
শিল্পনগরীতে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত সেচ পাম্প, লাইনার, পিস্টন, টিউবওয়েল, পাওয়ারটিলারের যন্ত্রাংশ, লেদ মেশিন, গাড়ির ব্রেক ড্রাম এবং বিভিন্ন মিল ও ধান কাটার মেশিনের যন্ত্রাংশ তৈরি হয়। বিসিক কর্মকর্তাদের মতে, ফুলবাড়িতে ১৯৬৪ সালে সাড়ে ১৪ একর জমিতে গড়ে ওঠা শিল্পনগরী ১৯৮০ সালে আরও ১৮ দশমিক ৬৭ একর বাড়ানো হলেও ১৯৯০ সালের মধ্যেই বরাদ্দ শেষ হয়।
দুই দশক ধরে ফাইলবন্দি থাকা শিল্পপার্ক প্রকল্পটি ৪০০ একর জমিতে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফাঁপোর ইউনিয়নের কৈচর এলাকায় প্রস্তাবিত পার্কটির কাজ আগামী শীতে শুরু হতে পারে বলে শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন। ব্যবসায়ী নেতারা আশা করছেন, এটি হলে লক্ষাধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং উত্তরাঞ্চলের শিল্পায়ন ত্বরান্বিত হবে।
বগুড়ার ফাউন্ড্রি শিল্প ৮০ শতাংশ কৃষিযন্ত্রাংশ সরবরাহ করছে, এগোচ্ছে ৪০০ একরের শিল্পপার্ক
ইউটিউব ও ফেসবুকের ভিডিও দেখে রংপুর অঞ্চলে কৃষকদের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষের আগ্রহ বাড়ছে। পীরগঞ্জের কৃষক তাওহীদ মিয়া মেজবাউদ্দিন ২০২৫ সালের শুরুতে সাড়ে ৮ শতক জমিতে চাষ শুরু করে ভালো ফলন পাওয়ার পর বাগান ৫৫ শতকে সম্প্রসারণ করেছেন। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে রংপুর কৃষি অঞ্চলের পাঁচ জেলায় প্রায় সাড়ে তিন হেক্টর জমিতে আঙুরের আবাদ হয়েছে।
তাওহীদের বাগানে ২৫ জাতের আঙুর রয়েছে। তিনি জানান, ৫৫ শতকের বাগান করতে প্রায় এক লাখ ৯৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে এবং আঙুর বিক্রি করে প্রায় তিন লাখ টাকা আয় করেছেন। তিনি চারা উৎপাদন ও বিক্রিও করছেন; তার দাবি, নার্সারিতে প্রায় ১০ লাখ টাকা মূল্যের চারা রয়েছে এবং প্রতিটি চারা ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মিঠাপুকুরের মিজানুর রহমানও ২৫ শতক জমিতে আঙুর চাষ করে বাজারে বিক্রি শুরু করেছেন।
রংপুর আঞ্চলিক কৃষি অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, কৃষকদের রোগবালাই, পোকামাকড়, সার ও সেচ ব্যবস্থাপনায় কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন। ব্যবসায়ীদের মতে, ফল প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে উঠলে আঙুরের বাজার, কৃষকের আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়তে পারে।
বাগান ও চারা উৎপাদনের মাধ্যমে রংপুরে বাড়ছে বাণিজ্যিক আঙুর চাষ
মৌলভীবাজারে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে আগাম, রবি ও গ্রীষ্ম মৌসুমে টমেটোর উৎপাদন বাড়লেও কম বাজারদামে লোকসানের আশঙ্কায় পড়েছেন কৃষকেরা। জেলার প্রধান টমেটো উৎপাদন এলাকা কমলগঞ্জ থেকে টমেটো ও গ্রাফটিং চারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়। চাষিদের অভিযোগ, সার, কীটনাশক, শ্রমিক ও অন্যান্য উপকরণের ব্যয় বাড়লেও সে অনুযায়ী দাম মিলছে না।
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছর রবি মৌসুমে ১ হাজার ২০০ হেক্টর, খরিপ-১ মৌসুমে ১৩০ হেক্টর এবং গ্রীষ্মে ১৯ হেক্টর জমিতে টমেটো চাষ হয়েছে। ৬৫ লাখের বেশি গ্রাফটিং চারা উৎপাদিত হয়েছে, যার প্রতিটি ১২ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কৃষকদের ভাষ্য, গত বছর এ সময়ে আগাম টমেটো কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হলেও এবার তা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় নেমেছে।
চাষিরা হিমাগার ও প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থার অভাব, নদীভাঙনের ক্ষতি এবং রোগবালাইয়ের কথা বলেছেন। কর্মকর্তারা জানান, প্রণোদনার জন্য তালিকা তৈরি হচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত ৩৮০ কৃষকের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে হিমাগার স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে।
মৌলভীবাজারে বাড়তি খরচ ও কম দামে সংকটে গ্রাফটিং টমেটো চাষিরা
রাষ্ট্রায়ত্ত এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) পরিকল্পিত ওষুধ উৎপাদন প্লান্টের কাজ শুরু হওয়ার আগেই ব্যয় প্রায় ৬৭২ কোটি টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। মানিকগঞ্জের বদলে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে প্লান্টটি স্থাপনের সিদ্ধান্তের কারণে এই ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব এসেছে। ২০২২ সালে অনুমোদিত প্রকল্পটি ২০২৭ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল। প্রথম ডিপিপিতে প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৯০৫ কোটি ২৬ লাখ টাকা।
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর ইউনিয়নের মেঘশিমুল মৌজায় প্রাথমিকভাবে প্লান্ট স্থাপনের কথা ছিল। তবে জমি অধিগ্রহণ শুরুর আগেই জটিলতা দেখা দেয়; সেখানে বিপুল কৃষিজমি থাকায় কারখানা হলে কৃষিতে বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কা ওঠে। জমির দামও অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। ইডিসিএলের প্রকল্প উন্নয়ন মহাব্যবস্থাপক বিএম ইমাম হাসান বলেন, স্থান পরিবর্তন, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি এবং সময় গড়িয়ে যাওয়ার কারণে ব্যয় বেড়েছে। জমির পরিমাণও ৩১ দশমিক ৫০ একর থেকে ৪০ একর হয়েছে।
প্রস্তাবটি বর্তমানে অর্থ বিভাগ পর্যালোচনা করছে। অতিরিক্ত অর্থ অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে, নাকি আগের ৬০:৪০ ঋণ-ইকুইটি কাঠামোয় দেওয়া হবে, সে বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ অর্থ বিভাগের চূড়ান্ত মতামতের অপেক্ষায় আছে। ঋণ হলে ১ শতাংশ সুদের হার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা স্থান নির্বাচন ও পরিকল্পনার দুর্বলতার সমালোচনা করে জনঅর্থ অপচয়ের ঝুঁকির কথা বলেছেন।
মানিকগঞ্জ থেকে মুন্সীগঞ্জে প্লান্ট সরাতে ইডিসিএলের ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব ৬৭২ কোটি টাকা
নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো বা নবম পে স্কেল অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণ কার্যক্রম সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে। অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে এ প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। বেতন নির্ধারণ চূড়ান্ত হলে সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে নিয়মিত বেতনের সঙ্গে প্রায় তিন মাসের এরিয়ার বা বকেয়া বেতন একসঙ্গে পাবেন।
সমন্বিত বাজেট ও হিসাবরক্ষণ পদ্ধতি iBAS++-এর পে ফিক্সেশন মডিউলের মাধ্যমে কাজটি হবে। চাকরিজীবীদের নির্দিষ্ট পোর্টালে এনআইডি, জন্মতারিখ, পদবি, গ্রেড, যোগদানের তারিখ ও বর্তমান মূল বেতনের তথ্য দিতে হবে। পদোন্নতি, বদলি, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেডের অফিস আদেশও প্রস্তুত রাখতে হবে। তথ্য যাচাই করবে হিসাবরক্ষণ কার্যালয় এবং গরমিল থাকলে সংশোধনের সুযোগ থাকবে।
২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে তিন ধাপে নতুন মূল বেতন কার্যকর হবে। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পার্থক্যের ৪০ শতাংশ, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ৭০ শতাংশ এবং ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে পুরো নতুন মূল বেতন দেওয়া হবে। চলতি অর্থবছরে এ খাতে ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। নতুন কাঠামোর ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
বেতন নির্ধারণ শেষে সরকারি চাকরিজীবীরা পাবেন প্রায় তিন মাসের বকেয়া
সরকার জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ বা কর্মসংস্থান বিনিময় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার রূপরেখা চূড়ান্ত করার পথে রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের জানুয়ারিতে এর পাইলট কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় গঠিত কমিটি এ নিয়ে কাজ করছে। কমিটির বৈঠকে রূপরেখার চূড়ান্ত অনুমোদন হতে পারে, পরে তা শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।
এই কেন্দ্রগুলো চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতার মধ্যে সংযোগ তৈরি করবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে চাকরি ও দক্ষতার সমন্বয়ের অবকাঠামো হিসেবে কাজ করবে। নিবন্ধিত প্রার্থীরা মেধা ও দক্ষতার ভিত্তিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদে নিয়োগের সহায়তা পাবেন। প্রয়োজনীয় দক্ষতা না থাকলে তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণকেন্দ্রে পাঠানো হবে। কমিটি ইতোমধ্যে অংশীজনদের নিয়ে চারটি বৈঠক করেছে এবং মতামত নিয়েছে।
প্রথমে পূর্ণাঙ্গ অধিদপ্তর গঠনের চিন্তা থাকলেও এখন ছয় মাস বা এক বছরের পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরে তা সারা দেশে সম্প্রসারণের কথা রয়েছে। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বিবিএসের সর্বশেষ তথ্যে দেশে বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ ৬০ হাজার এবং বেকারত্বের হার ৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ বলা হয়েছে।
জেলা-উপজেলায় কর্মসংস্থান বিনিময় কেন্দ্রের জানুয়ারি পাইলটের পরিকল্পনা
নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বা এনসিটির পর চিটাগং কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) পরিচালনায় বিদেশি অপারেটর নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়ে ইন্টারন্যাশনালের আগ্রহপত্র সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নির্ধারণে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে পাঠিয়েছে। ২৮ সেপ্টেম্বরের চিঠিতে সিসিটি, জেনারেল কার্গো বার্থ ও বে পোর্ট মাল্টিপারপাস টার্মিনাল পরিচালনার প্রস্তাবের কথাও উল্লেখ রয়েছে।
সিসিটির অপারেটর হওয়ার দৌড়ে ডিপি ওয়ার্ল্ড এবং স্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী এমজিএইচও আগ্রহ দেখালেও সরকার আরএসজিটিআইকে এগিয়ে রেখেছে। প্রতিষ্ঠানটি দুই বছরের বেশি সময় ধরে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনা করছে। আরএসজিটিআই জানিয়েছে, সিসিটি ও জিসিবি উভয় টার্মিনাল পরিচালনায় তারা আগ্রহী এবং দায়িত্ব পেলে আধুনিকায়নের পাশাপাশি শুধু সিসিটিতেই ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।
২০২৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের মোট কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের প্রায় ১৬ শতাংশ সিসিটিতে হয়েছে; এনসিটিতে ৪৪ শতাংশ, জিসিবিতে ৩৬ শতাংশ এবং পিসিটিতে ৪ শতাংশ। বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ ও শ্রমিক-কর্মচারীরা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে আরও টার্মিনাল যাওয়ার আশঙ্কায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এক বন্দর কর্মকর্তা জানান, মেয়াদ, আর্থিক শর্ত ও বিনিয়োগ বাধ্যবাধকতা নির্ধারণে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।
চিটাগং কনটেইনার টার্মিনালে বিদেশি অপারেটর নিয়োগে পিপিপি প্রক্রিয়া শুরু
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ১৩৭ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।