মালয়েশিয়ার সাবেক সেনাপ্রধান হাফিজুদ্দিন জানতানকে সামরিক বাহিনীর একটি ক্রয় প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে দুই স্ত্রী ও আরও দুই ব্যক্তিসহ গ্রেপ্তার করেছে দেশটির দুর্নীতি দমন কমিশন (এমএসিসি)। তাদের পুত্রজায়া ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আদালত হাফিজুদ্দিনের সাত দিনের, এক স্ত্রীর ছয় দিনের এবং অন্য স্ত্রীর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সেনাবাহিনীর ক্রয় প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির তদন্তের অংশ হিসেবে এই গ্রেপ্তার করা হয়।
এমএসিসির প্রধান কমিশনার আজম বাকি গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তদন্ত এখনো চলছে। সংস্থাটি জানায়, স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে তদন্ত পরিচালনার প্রতিশ্রুতি তারা দিয়েছে। গত বছরের শেষ থেকে এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়েছে এবং এক সন্দেহভাজন ও তার পরিবারের ছয়টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
সরকারি সংবাদ সংস্থা বেরনামা জানায়, মামলাসংশ্লিষ্ট ২৪ লাখ রিঙ্গিত নগদ অর্থ পাচারের একটি প্রচেষ্টা বানচাল করেছে এমএসিসি। তদন্ত শুরু হলে গত ডিসেম্বরে হাফিজুদ্দিনকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়।
দুর্নীতির মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান হাফিজুদ্দিন জানতান দুই স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার
মালয়েশিয়ার নেগেরি সেম্বিলানে বিশেষ অভিযানে ৭৭ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সেরেমবান ও নিলাই এলাকার ১৩টি স্থানে এই অভিযান পরিচালিত হয়। আটককৃতদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি রয়েছেন। সকাল ৯টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত চলা অভিযানে মোট ৩৯৫ জন বিদেশিকে যাচাই করা হয়। অভিযান শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয় এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
নেগেরি সেম্বিলান ইমিগ্রেশনের পরিচালক কেনিথ তান আই কিয়াং জানান, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার ও ভারতের নাগরিক রয়েছেন। নিলাইয়ের একটি সাবান উৎপাদন কারখানায় সর্বাধিক ৫৫ জনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বৈধ পাস ও ভ্রমণ নথি না থাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থান এবং অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
আটকদের তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য লেংগেং অভিবাসন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অবৈধ অভিবাসী নিয়োগ বা আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তান।
নেগেরি সেম্বিলানে অভিযানে ২৬ বাংলাদেশিসহ ৭৭ অবৈধ অভিবাসী আটক
মালয়েশিয়ার শতবর্ষী সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ মঙ্গলবার নিজ বাসভবনে পড়ে যাওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার সহকারী সুফি ইউসুফ বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, বারান্দা থেকে বসার ঘরে যাওয়ার সময় তিনি পড়ে যান এবং পরে পর্যবেক্ষণের জন্য তাকে জাতীয় হার্ট ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। তিনি সচেতন আছেন, তবে তাকে স্থায়ীভাবে ভর্তি করা হবে কি না, তা এখনো জানা যায়নি।
মাহাথির বর্তমানে নানা স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগছেন এবং এর আগে হৃদ্রোগের কারণে তার বাইপাস সার্জারি করা হয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি মালয়েশিয়াকে দ্রুত আধুনিকীকরণের পথে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দেশ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সম্মান ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
তিনি ১৯৮১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত এবং পরে ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সময় তার বয়স ছিল ৯৪ বছর, তখন তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নির্বাচিত নেতা ছিলেন।
নিজ বাসভবনে পড়ে হাসপাতালে ভর্তি মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির
মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। শুক্রবার কুয়ালালামপুর হাইকোর্ট ওয়ান মালয়েশিয়ান ডেভেলপমেন্ট বেরহাদ (ওয়ানএমডিবি) প্রকল্প থেকে প্রায় ৫৩৯ মিলিয়ন ডলার অবৈধভাবে স্থানান্তরের চারটি অভিযোগে তাকে দোষী ঘোষণা করে। বিচারক কলিন লরেন্স সিকেরা রায়ে বলেন, মামলাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
প্রসিকিউটররা জানান, নাজিব প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী ও ওয়ানএমডিবি উপদেষ্টা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে তার পদ ব্যবহার করে প্রকল্পের তহবিল থেকে বিপুল অর্থ নিজের অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করেন। ২০১৫ সালে প্রথম এই কেলেঙ্কারি প্রকাশ পায়, যা মালয়েশিয়ার বৈশ্বিক দুর্নীতিতে জড়িত থাকার বিষয়টি উন্মোচন করে। ২০২০ সালে একই তহবিল থেকে ৯.৯ মিলিয়ন ডলার অপব্যবহারের জন্য তাকে ১২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়, পরে তা ছয় বছরে কমানো হয়।
২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা নাজিবের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের আরও ২১টি অভিযোগ রয়েছে, প্রতিটির জন্য ১৫ থেকে ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। তিনি দাবি করেছেন, পলাতক অর্থদাতা ঝো লো তাকে বিভ্রান্ত করেছিলেন, যাকে ২০১৬ সাল থেকে ইন্টারপোল খুঁজছে।
ওয়ানএমডিবি কেলেঙ্কারিতে ক্ষমতার অপব্যবহারে দোষী সাব্যস্ত নাজিব রাজাক
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে চলমান সীমান্ত সংঘাত প্রশমনে আসিয়ানকে সব ধরনের উদ্যোগ নিতে আহ্বান জানিয়েছে মালয়েশিয়া। সোমবার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠকে এই আহ্বান জানানো হয়। চলতি মাসের শুরুতে বিতর্কিত সীমান্ত এলাকায় নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হলে পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটে।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত থাইল্যান্ডে অন্তত ২২ জন এবং কম্বোডিয়ায় ১৯ জন নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে উভয় দেশে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। নম পেন ও ব্যাংকক একে অপরের বিরুদ্ধে সহিংসতা উসকে দেওয়া এবং বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ তুলেছে। সীমান্তে ট্যাংক, ড্রোন ও ভারী কামান ব্যবহারের খবর পাওয়া গেছে।
মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহামাদ হাসান বলেন, এই সংঘাত শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগের কারণ। তিনি আসিয়ানকে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, উত্তেজনা কমানোর পাশাপাশি পারস্পরিক আস্থা গড়ে তোলা ও সংলাপের পথ খোলা রাখা জরুরি।
থাইল্যান্ড–কম্বোডিয়া সীমান্ত সংঘাত নিরসনে আসিয়ানের মধ্যস্থতার আহ্বান মালয়েশিয়ার
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ বুধবার সকালে একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৪৬ জন বাংলাদেশি শ্রমিককে আটক করেছে। জনসাধারণের অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচালিত চার ঘণ্টার এই অভিযানে ১৮ থেকে ৪৩ বছর বয়সী শ্রমিকদের আটক করা হয়। বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আটকদের লেংগেং ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য।
এর আগে গত নভেম্বরে ক্যামেরুন হাইল্যান্ডসে পরিচালিত আরেক অভিযানে ৪৬৮ বিদেশিকে আটক করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে ১৭৪ জন ছিলেন বাংলাদেশি। প্রায় ১,৮৮৬ জনের কাগজপত্র যাচাই শেষে এই গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগগুলোর মধ্যে ছিল মেয়াদোত্তীর্ণ পাস, নথির অভাব এবং জাল কর্মপাস প্রদর্শন।
সাম্প্রতিক এই অভিযানগুলো মালয়েশিয়ায় অবৈধ শ্রমিকদের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানকে নির্দেশ করে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো আটক শ্রমিকদের প্রতি মানবিক আচরণ ও ন্যায্য বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।
ভিসা ও নথি জটিলতায় মালয়েশিয়ায় ৪৬ বাংলাদেশি শ্রমিক আটক
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানী কুয়ালালামপুরে পরিচালিত বিশেষ অভিযান ‘অপস কুটিপ’-এ ৩১ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারদের মধ্যে ১১ জন বাংলাদেশি এবং তিনজন নারী রয়েছেন। অভিযানটি মসজিদ জামেক এলআরটি স্টেশন ও আশপাশের এলাকায় পরিচালিত হয়, যেখানে ২৫ জন কর্মকর্তা অংশ নেন।
কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন পরিচালক ওয়ান মোহাম্মদ সৌপি ওয়ান ইউসুফ জানান, মোট ৬০ জন বিদেশিকে তল্লাশি করা হয় এবং ৩১ জনের বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তাদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশি ১১ জন, ভারতীয় ৮ জন, পাকিস্তানি ৭ জন, ইন্দোনেশিয়ান ৩ জন এবং সুদান ও ফিলিপাইনের একজন করে রয়েছেন। পাঁচজনকে ‘ওভারস্টে’ অভিযোগে এবং বাকিদের বৈধ পাস বা পারমিট না থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে এমন অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।
কুয়ালালামপুরে অভিযানে ১১ বাংলাদেশিসহ ৩১ অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে মালয়েশিয়া
মালয়েশিয়ার কর্মী সঞ্চয় তহবিল (কেডব্লিউএসপি) জানিয়েছে, চলতি বছরের ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া সঞ্চয় স্কিমে এখন পর্যন্ত ৬০ হাজার নিয়োগকর্তার মাধ্যমে ১৩ লাখ বিদেশি কর্মী নিবন্ধিত হয়েছেন। সংস্থাটি একে দায়িত্বশীল নিয়োগকর্তাদের ইতিবাচক অংশগ্রহণ হিসেবে দেখছে, যা বিদেশি কর্মীদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।
তবে কেডব্লিউএসপি জানায়, অনেক নিয়োগকর্তা এখনো বাধ্যতামূলক অবদান প্রদান করছেন না, যা পূর্ণ বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এ অবস্থায় বিদেশি কর্মীদের সুরক্ষা জোরদার ও আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে কেডব্লিউএসপি মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওসি) স্বাক্ষর করেছে। এর ফলে দুই সংস্থা এখন অস্থায়ী কর্মভিসা ও বৈধ পাস সংক্রান্ত তথ্য নিরাপদভাবে বিনিময় করতে পারবে।
কেডব্লিউএসপির প্রধান নির্বাহী সাযালিজা জাইনুদ্দিন বলেন, এই সহযোগিতা নিবন্ধন প্রক্রিয়া দ্রুত করবে, পরিচয় যাচাই শক্তিশালী করবে এবং অবদান প্রদানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে। ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর থেকে বাধ্যতামূলক অবদানের পূর্ণ বাস্তবায়ন শুরু হবে।
মালয়েশিয়ায় প্রভিডেন্ট ফান্ডে ১৩ লাখ বিদেশি কর্মীর নিবন্ধন, ইমিগ্রেশনের সঙ্গে সমঝোতা
মালয়েশিয়ার তেরেঙ্গানু রাজ্যে পৃথক দুই অভিযানে বাংলাদেশিসহ মোট ৫৬ জন অনিবন্ধিত অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। পাঁচটি জেলায় পরিচালিত এসব অভিযানে বেশিরভাগই নির্মাণ শ্রমিক ছিলেন। প্রথম অভিযানটি ১০ ডিসেম্বর কুয়ালানেরুস, কুয়ালাতেরেঙ্গানু ও সেতিউ জেলার সাতটি নির্মাণসাইটে পরিচালিত হয়। সেখানে ৯২ জন অভিবাসীর কাগজপত্র যাচাই করে ৪২ জন বাংলাদেশিকে বিভিন্ন ভিসা ও নথিপত্রের অনিয়মের কারণে আটক করা হয়।
তেরেঙ্গানু ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ ইউসরি মোহাম্মদ নোর জানান, ২৭ জন পারমিট শর্ত ভঙ্গ, ১৩ জন বৈধ নথি না থাকা এবং দুইজন অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। আটক ব্যক্তিদের আজিল ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। দ্বিতীয় অভিযানে কুয়ালাতেরেঙ্গানু, মারাং ও দুঙ্গুনে আরও ১৪ জনকে ধরা হয়, যাদের মধ্যে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়া থেকে পাঁচজন করে, থাইল্যান্ডের তিনজন এবং মিয়ানমারের একজন রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে, যা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বৈধতা ও নিয়ম মেনে চলার প্রচেষ্টার অংশ।
তেরেঙ্গানুতে অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৫৬ অনিবন্ধিত অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে মালয়েশিয়া
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ কুয়ালালামপুরের বুকিত বিনতাং এলাকায় একটি জনপ্রিয় মধ্যপ্রাচ্যের রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে ১০১ জন বিদেশি শ্রমিককে আটক করেছে। মঙ্গলবার রাত ১১টা ১০ মিনিটে পরিচালিত এই অভিযানে পাঁচতলা ভবনটি ঘিরে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযোগ ছিল, রেস্তোরাঁটিতে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বিদেশি শ্রমিকরা কাজ করছিলেন।
কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক ওয়ান মোহাম্মদ সাওপি ওয়ান ইউসুফ জানান, মোট ১১১ জন অভিবাসী ও ৬ জন স্থানীয় কর্মীর কাগজপত্র যাচাই করা হয়। আটক ১০১ জনের মধ্যে ৮৬ জন বাংলাদেশি, ১২ জন সিরিয়ান ও ২ জন ইন্দোনেশিয়ান নাগরিক। স্থানীয় ব্যবস্থাপককেও আটক করা হয়েছে। অনেকের কাজের অনুমতিপত্র অন্য সেক্টরের হলেও রেস্তোরাঁয় কাজের অনুমোদন ছিল না।
আটক ব্যক্তিদের বয়স ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইনে তদন্ত চলছে। এই অভিযান দেশটির আতিথেয়তা খাতে অবৈধ কর্মসংস্থান দমনে চলমান কঠোর নজরদারির অংশ।
কুয়ালালামপুরে রেস্তোরাঁয় অভিযানে ৮৬ বাংলাদেশিসহ ১০১ বিদেশি শ্রমিক আটক
২০২৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে তিন লাখ পর্যটক আকৃষ্ট করার লক্ষ্য ঘোষণা করেছে মালয়েশিয়া। ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির হাইকমিশনার মোহাম্মদ সুহাদা ওসমান শনিবার মালয়েশিয়া ট্যুরিজম ফেয়ারের গালা ডিনারে এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, পর্যটন, সংস্কৃতি ও জনগণের পারস্পরিক আদান–প্রদান জোরদার করতে মালয়েশিয়া প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
হাইকমিশনার জানান, বিগত দশকগুলোতে দুই দেশের সম্পর্ক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা ও পর্যটনের ক্ষেত্রে বিস্তৃত হয়েছে। সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের সফর—মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফর এবং বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার কুয়ালালামপুর সফর—দুই দেশের সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
‘ভিজিট মালয়েশিয়া ইয়ার ২০২৬’ প্রচারণা ও ‘ফেস্টিভাল মালয়েশিয়া’ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশটি তার বহুসংস্কৃতির ঐতিহ্য ও সৌন্দর্য তুলে ধরতে চায়। উদ্যোগটি দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ায় মালয়েশিয়াকে একটি শক্তিশালী পর্যটন ও বিনিয়োগ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০২৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ পর্যটক আকর্ষণের পরিকল্পনা নিয়েছে মালয়েশিয়া
মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের সেলায়াং বারু এলাকায় বৃহৎ অভিযানে ৭৯ বাংলাদেশিসহ ৮৪৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাত ৮টা থেকে সেলাঙ্গর রাজ্য নিরাপত্তা পরিষদের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে মোট ১,১১৬ জনের নথি যাচাই করা হয়। অভিযানে অংশ নেয় অভিবাসন বিভাগ, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ, জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ, শ্রম বিভাগ ও মাদকবিরোধী সংস্থা।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে মিয়ানমারের ৬৪৭, নেপালের ১০২, বাংলাদেশের ৭৯, ইন্দোনেশিয়ার ১৫ ও ভারতের ১০ নাগরিক। তাদের বিরুদ্ধে পরিচয়পত্রহীনতা, পাসের শর্ত লঙ্ঘন, অতিরিক্ত সময় অবস্থান ও জাল কার্ড ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে। সেলাঙ্গরের মেন্তরি বেসার দাতুক সেরি আমিরুদ্দিন শারি জানান, বিদেশিদের অবৈধ ব্যবসা ও বসবাস নিয়ে জনঅভিযোগের পর এই অভিযান চালানো হয়।
তিনি সতর্ক করে বলেন, অবৈধ অভিবাসী নিয়োগ বা আশ্রয় দিলে নিয়োগকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযান চলবে ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট অ্যাক্ট ১৯৬৬ ও মানবপাচারবিরোধী আইনের আওতায়।
সেলায়াং বারুতে অভিযানে ৭৯ বাংলাদেশিসহ ৮৪৩ অবৈধ অভিবাসী আটক করেছে মালয়েশিয়া
মালয়েশিয়া আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য নতুন বায়োমেট্রিকভিত্তিক নিবন্ধন কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের নির্দেশিকা নং ২৩-এর অধীনে গঠিত এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো শরণার্থীদের পূর্ণাঙ্গ সরকারি তথ্যভাণ্ডার তৈরি হবে। সংসদে উপ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি ড. শামসুল আনুয়ার নাসারাহ জানান, ইমিগ্রেশন বিভাগ নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং মাইমোস বেরহাদের প্রযুক্তিগত সহায়তায় সিস্টেমটি তৈরি হয়েছে। নিবন্ধনের পর শরণার্থীরা ‘রেফিউজি রেজিস্ট্রেশন ডকুমেন্ট (ডিপিপি)’ পাবেন, যা তাদের বৈধভাবে বসবাস, কাজ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ দেবে। সরকার আশা করছে প্রায় দুই লাখ শরণার্থী এই ডাটাবেজের আওতায় আসবে। যদিও মালয়েশিয়া ১৯৫১ সালের শরণার্থী কনভেনশন ও ১৯৬৭ প্রটোকলের স্বাক্ষরকারী নয়, তবুও এই কর্মসূচি সামাজিক সহায়তা ও জাতীয় নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মালয়েশিয়ায় শরণার্থীদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন শুরু হবে
মালয়েশিয়ার ইতিহাসে বিরল এক ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নাশকতা ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্নের অভিযোগ এনে পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার পুত্রাজায়া পুলিশ সদর দপ্তরে আইনজীবীসহ হাজির হয়ে মাহাথির এই অভিযোগ দাখিল করেন। তার অভিযোগ, ২৬ অক্টোবর আনোয়ার ও সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে স্বাক্ষরিত মালয়েশিয়া–ইউএস অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোক্যাল ট্রেড (এআরটি) দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার জন্য হুমকি। মাহাথির দাবি করেন, চুক্তির কিছু ধারা মালয়েশিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা নিষেধাজ্ঞা মানতে বাধ্য করতে পারে এবং সীমান্ত পারের তথ্য হস্তান্তরের ঝুঁকি তৈরি করেছে। তিনি আরও ১৪টি নেতিবাচক প্রভাবের কথা উল্লেখ করেন, যার মধ্যে রয়েছে হালাল শিল্প, বুমিপুত্র অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও রেয়ার আর্থ রপ্তানিতে বিদেশি হস্তক্ষেপের আশঙ্কা। মাহাথির আনোয়ারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্মকর্তাদের তদন্তের দাবি জানান। চুক্তিটি দেশজুড়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে এবং মালয়েশিয়ার সার্বভৌমত্ব ও বাণিজ্যনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।
মাহাথিরের অভিযোগে আনোয়ারের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে মালয়েশিয়ায় রাজনৈতিক বিতর্ক
মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর জন্য ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির অনুমোদনের খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথাকথিত তালিকা বা বিজ্ঞপ্তি সরকার প্রকাশ করেনি এবং সরকারি ওয়েবসাইটেও এমন কোনো নথি নেই। অতীতে এজেন্সিভিত্তিক নিয়োগের আলোচনা থাকলেও বর্তমানে মালয়েশিয়া সরকার ই-ভিসা ও ডিজিটাল যাচাইকরণভিত্তিক স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করেছে। কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনও জানিয়েছে, অনুমোদিত এজেন্সির তথ্য কেবল সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমেই প্রকাশ করা হবে এবং কোনো দালাল বা অননুমোদিত এজেন্সির সঙ্গে লেনদেন না করতে সতর্ক করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের ভুয়া তালিকা দালালচক্রের কৌশল, যা প্রার্থীদের আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিতে ফেলে। তারা দুই দেশের কর্তৃপক্ষকে নজরদারি ও সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
বাংলাদেশি কর্মী পাঠাতে ২৫ এজেন্সির ভুয়া তালিকা নিয়ে মালয়েশিয়ার সতর্কতা ও গুজব না মানার আহ্বান
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত আসিয়ান প্রযুক্তি সহযোগিতা সম্মেলনে এবার রেকর্ডসংখ্যক অংশগ্রহণকারীর উপস্থিতি দেখা যায়। তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনে ১৩টি দেশের প্রতিনিধি, ২,০০০ জনেরও বেশি অনসাইট অংশগ্রহণকারী এবং ৫০,০০০-এর বেশি অনলাইন দর্শক যুক্ত হন। মালয়েশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী দাতুক আমার হাজি ফাদিল্লাহ হাজি ইউসুফ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রযুক্তি, মানবসম্পদ ও আঞ্চলিক ঐক্যকে ভবিষ্যৎ রূপান্তরের মূল চালিকা শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। সম্মেলনে নতুন গবেষণা ও উদ্ভাবন উদ্যোগ, সহযোগিতা চুক্তি এবং কোঅপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সামিট ২০২৫ উদ্বোধন করা হয়। আলোচনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শাসন, টেকসই সরবরাহ শৃঙ্খল, ডিজিটাল বাণিজ্য ও সীমান্ত-পার গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, আসিয়ান ও এপেক অঞ্চলের পারস্পরিক নির্ভরতা দ্রুত বাড়ছে এবং মালয়েশিয়া উদ্ভাবন কূটনীতিতে আঞ্চলিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করছে।
মালয়েশিয়ায় আসিয়ান প্রযুক্তি সম্মেলনে রেকর্ড অংশগ্রহণে আঞ্চলিক উদ্ভাবন সহযোগিতা জোরদার
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম তার সমর্থিত পাকাতান হারাপান (পিএইচ) জোটের সাবাহ রাজ্য নির্বাচনে বড় ধরনের পরাজয়ের পর রাজনৈতিক চাপে পড়েছেন। ২০টি আসনের মধ্যে পিএইচ মাত্র একটি আসনে জয় পেয়েছে, যেখানে আগেরবার তারা সাতটি আসন দখলে রেখেছিল। বিশ্লেষকেরা একে জোটের জন্য ‘বিপর্যয়কর’ ফলাফল হিসেবে দেখছেন। ২৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনকে ২০২৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে আনোয়ারের জনপ্রিয়তার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। যদিও আনোয়ারের মিত্র গাবুঙ্গান রাকায়াকত সাবাহ (জিআরএস) রাজ্যের ক্ষমতা ধরে রেখেছে, সাবাহর স্বায়ত্তশাসন ও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থতা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়ে গেছে। আনোয়ার নির্বাচনে জয়ী মুখ্যমন্ত্রী হাজিজি নুরকে অভিনন্দন জানালেও জোটের পরাজয় নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করেননি। পর্যবেক্ষকেরা মনে করেন, সাবাহবাসী এবার স্থানীয় সমস্যা ও স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
সাবাহ নির্বাচনে জোটের বড় পরাজয়ের পর রাজনৈতিক চাপে পড়েছেন আনোয়ার ইব্রাহিম
মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের টাম্পই ইন্দাহ এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ৯২ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে ইমিগ্রেশন বিভাগ। শুক্রবার ভোরে শুরু হওয়া এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন জোহর ইমিগ্রেশন পরিচালক দাতুক মোহদ রুসদি মোহদ দারুস। গোয়েন্দা তথ্য ও জনসাধারণের সরবরাহ করা তথ্যের ভিত্তিতে পোশাক কারখানা, সৌন্দর্য সেবা কেন্দ্র ও রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, চীন ও ফিলিপাইনের নাগরিক রয়েছেন। তাদের বয়স ১৯ থেকে ৫৭ বছরের মধ্যে। কর্মকর্তারা জানান, তারা বৈধ কর্মপরমিট ছাড়া কাজ করা এবং ভিসা শর্ত ভঙ্গসহ অভিবাসন আইন লঙ্ঘন করেছেন। গ্রেফতারদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সেটিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপোতে নেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।
মালয়েশিয়ায় জোহরে অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৯২ অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) জুমার নামাজের পর তিতিওয়াংসা এলাকার সুরাও বায়তুল মোকাররামে মালয়েশিয়া বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা ইকরামুল হক, যিনি খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন। অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়া বিএনপির সহ-সভাপতি তালহা মাহমুদ, ড. এস. এম. রহমান তনু, সহ-সাধারণ সম্পাদক কাজী সালাহউদ্দিনসহ প্রবাসী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। নেতারা জানান, খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দেশ-বিদেশে ধারাবাহিকভাবে দোয়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বর্তমানে তিনি ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন।
মালয়েশিয়ায় বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টারে বাংলাদেশি রোগীদের সহায়তায় ‘বাংলাদেশি বুথ’ উদ্বোধন করা হয়েছে। এক্সপাট হসপিটালের উদ্যোগে চালু হওয়া এই বুথের লক্ষ্য বিদেশে চিকিৎসা নিতে আগ্রহী বাংলাদেশি রোগীদের জন্য পুরো প্রক্রিয়াকে সহজ ও নিরাপদ করা। বুথটি বাংলা ভাষায় সেবা, ভিসা ও ট্রাভেল সহায়তা, হোটেল বুকিং, হাসপাতাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ, হালাল খাবারের ব্যবস্থা এবং দেশে ফেরার পর অনলাইন ফলো-আপসহ সমন্বিত সেবা প্রদান করবে। ৪ নভেম্বর মালয়েশিয়ার পর্যটন মন্ত্রীর উপস্থিতিতে এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর ২৬ নভেম্বর বুথটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এটি বাংলাদেশি রোগীদের দীর্ঘদিনের চাহিদার প্রতিফলন এবং দুই দেশের মধ্যে চিকিৎসা পর্যটনের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে। এক্সপাট বুথের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার বিশ্বমানের চিকিৎসা এখন বাংলাদেশের মানুষের কাছে আরও সহজলভ্য ও মানবিক হয়ে উঠবে।
মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা নিতে বাংলাদেশি রোগীদের সহায়তায় উদ্বোধন হলো বাংলাদেশি বুথ
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ৭১ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।