প্রায় ৮০ জন বিজ্ঞানী ও ক্রু সদস্যের একটি আন্তর্জাতিক দল এই সপ্তাহে পোলার গবেষণা জাহাজ ‘আরএসএস ডেভিড অ্যাটেনবরো’তে করে গ্রিনল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছে। ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানের লক্ষ্য হলো গ্রিনল্যান্ডের দ্রুত গলতে থাকা হিমবাহ আটলান্টিক মহাসাগরের প্রধান স্রোত ব্যবস্থাকে ব্যাহত করছে কি না এবং ইউরোপের জলবায়ুতে এর প্রভাব কী হতে পারে তা নির্ণয় করা। পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহব্যাপী এই অভিযানটি ২০ মিলিয়ন পাউন্ডের ‘গ্রিনল্যান্ড আইস শিট টু অ্যাটলান্টিক টিপিং পয়েন্ট’ (জিআইএএনটি) প্রকল্পের অংশ।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্য ও পশ্চিম ইউরোপে রেকর্ড উষ্ণ জুন মাসে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্ন, স্কুল বন্ধ এবং অতিরিক্ত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন, জলবায়ুর সামান্য পরিবর্তনের সঙ্গেও খাপ খাওয়ানো কঠিন হয়ে পড়ছে। অভিযানে থাকা উচ্চপ্রযুক্তি সম্পন্ন সাবমার্সিবল ‘বোটি ম্যাকবোটফেস’ হিমবাহ ও সমুদ্রের মিলনস্থলে ১,৫০০ মিটার গভীরে ডুব দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবে।
সংগৃহীত তথ্য ভবিষ্যতের জলবায়ু মডেল উন্নয়ন এবং হিমবাহ ধসের আগাম সতর্কবার্তা তৈরিতে ব্যবহৃত হবে বলে গবেষকরা জানিয়েছেন।
গ্রিনল্যান্ডের হিমবাহ গলনের প্রভাব জানতে গবেষণা অভিযানে বিজ্ঞানীরা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ভাসমান হাসপাতাল পাঠানোর পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড। রোববার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস ফ্রেডরিক নিলসেন জানান, তাদের এমন হাসপাতালের প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, গ্রিনল্যান্ডে নাগরিকদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করার পরিবর্তে সরাসরি আলোচনার আহ্বান জানান।
শনিবার ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালে জানান, লুইজিয়ানার গভর্নর জেফ ল্যান্ড্রির সঙ্গে কাজ করে তিনি গ্রিনল্যান্ডে একটি বড় হাসপাতাল জাহাজ পাঠাচ্ছেন, যাতে পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পাওয়া মানুষদের সেবা দেওয়া যায়। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, জাহাজটি ইতিমধ্যে রওনা দিয়েছে।
ন্যাটো মিত্র ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিকভাবে শক্তিশালী সম্পর্ক সাম্প্রতিক মাসগুলোতে চাপের মধ্যে রয়েছে। ট্রাম্পের খনিজসমৃদ্ধ ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আর্কটিক দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার আগ্রহ এই টানাপোড়েন আরও বাড়িয়েছে।
জনস্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী উল্লেখ করে ট্রাম্পের হাসপাতাল প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান গ্রিনল্যান্ডের
ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাসপাতাল জাহাজ পাঠানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। ট্রাম্প সম্প্রতি জাতীয় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে দ্বীপটি দখলের হুমকি দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন ফেসবুকে জানান, প্রস্তাবটি ‘নোট করা হয়েছে’, তবে গ্রিনল্যান্ডের নাগরিকদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা রয়েছে এবং এটি একটি সচেতন নীতি। তিনি বলেন, গ্রিনল্যান্ড সংলাপ ও সহযোগিতার জন্য উন্মুক্ত, তবে সামাজিক মাধ্যমে এলোমেলো মন্তব্যের পরিবর্তে সরাসরি কথা বলা উচিত।
ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক সম্পর্ক সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে, কারণ ট্রাম্প আবারও খনিজসমৃদ্ধ ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই আর্কটিক দ্বীপটি দখলের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ডেনিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ট্রোলস লুন্ড পাউলসেন জানান, গ্রিনল্যান্ডের জনগণ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা পায়, হয় স্থানীয়ভাবে বা ডেনমার্কে। ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনও দেশের সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার প্রশংসা করেন।
ট্রাম্প জানুয়ারিতে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে একটি কাঠামোগত চুক্তি করার পর থেকে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য ও সার্বভৌমত্বের কারণ দেখিয়ে ট্রাম্পের হাসপাতাল জাহাজ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল গ্রিনল্যান্ড
ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড তার বিপুল খনিজ সম্পদ ও আর্কটিক অঞ্চলের কৌশলগত অবস্থানের কারণে বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বীপটি দখলের হুমকি পুনর্ব্যক্ত করার পর ডেনমার্ক সেখানে অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন করেছে। ট্রাম্প ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিলেও পরে তা থেকে সরে আসেন, তবে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মুখোমুখি অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। এদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর ডেনিশ ও গ্রিনল্যান্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে, আর চীন ও রাশিয়া পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
২০২৩ সালের এক জরিপে দেখা গেছে, ইউরোপীয় কমিশনের তালিকাভুক্ত ৩৪টি গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামালের মধ্যে ২৫টি গ্রিনল্যান্ডে রয়েছে। দক্ষিণ গার্ডার প্রদেশে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বিরল মৃত্তিকার ভান্ডারও এখানেই। এসব খনিজ সবুজ জ্বালানি প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য অপরিহার্য। তবে পরিবেশগত নিষেধাজ্ঞা, প্রশাসনিক জটিলতা ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের বিরোধিতার কারণে উন্নয়ন কার্যক্রম ধীরগতিতে চলছে। টেকসই খনিজ আহরণ ও সুশাসন নিশ্চিত করা না গেলে এই সম্ভাবনা সামাজিক ও পরিবেশগত সংকট ডেকে আনতে পারে।
গ্রিনল্যান্ডের বিরল মৃত্তিকা ভান্ডার ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপের নতুন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আর্কটিক অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকির পর ইউরোপীয় দেশগুলো সেখানে সেনা মোতায়েন শুরু করেছে। ডেনমার্ক, গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ফ্রান্স, জার্মানি, নরওয়ে ও সুইডেন দ্বীপটির নিরাপত্তা জোরদারে সৈন্য পাঠাচ্ছে।
ফ্রান্স ইতিমধ্যে ১৫ জন এবং জার্মানি ১৩ জন সেনা পাঠিয়েছে, যার মধ্যে জার্মান বাহিনী একটি গোয়েন্দা দল হিসেবে কাজ করবে। ডেনমার্ক জানিয়েছে, তারা ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতায় গ্রিনল্যান্ডে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। নরওয়ে ও সুইডেনও সামরিক কর্মী পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে।
এদিকে, ট্রাম্পের মন্তব্যের পর ইউরোপীয় পার্লামেন্টের কিছু আইনপ্রণেতা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির অনুমোদন প্রক্রিয়া অবিলম্বে স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছেন এবং নতুন পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি তুলেছেন।
ট্রাম্পের হুমকির পর গ্রিনল্যান্ডে ইউরোপীয় সেনা মোতায়েন
জার্মানি ঘোষণা করেছে যে তারা এ সপ্তাহে ইউরোপের অন্যান্য দেশের সঙ্গে যৌথ অনুসন্ধানমূলক মিশনের অংশ হিসেবে গ্রিনল্যান্ডে সেনা পাঠাবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকির পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে। জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ডেনমার্কের আমন্ত্রণে বৃহস্পতিবার থেকে গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকে ১৩ সদস্যের একটি বুন্দেসভেয়ার রেকি দল মোতায়েন করা হবে।
ডেনিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতায় গ্রিনল্যান্ডে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। সুইডেন ও নরওয়েও গ্রিনল্যান্ডে সামরিক কর্মী পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত চলা এই মিশনের লক্ষ্য হলো ডেনমার্ককে সহায়তা করার জন্য সম্ভাব্য সামরিক অবদানের ক্ষেত্রগুলো পর্যালোচনা করা।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের একমাত্র পারমাণবিক শক্তিধর দেশ ফ্রান্সও গ্রিনল্যান্ডে সেনা পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের কর্মকর্তাদের মধ্যে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ট্রাম্পের হুমকির পর গ্রিনল্যান্ডে সেনা পাঠাচ্ছে জার্মানি ও ইউরোপীয় মিত্ররা
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন দ্বীপটির রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে বলেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে একটিকে বেছে নিতে হয়, তবে তারা ডেনমার্ককেই বেছে নেবে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এই বক্তব্য আসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পর, যেখানে তিনি রাশিয়া ও চীনকে ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। হোয়াইট হাউস দ্বীপটি কেনার প্রস্তাবের কথা জানালেও শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাও পুরোপুরি নাকচ করা হয়নি। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী এ আচরণকে ‘ঘনিষ্ঠ মিত্রের কাছ থেকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য চাপ’ বলে আখ্যা দেন এবং সতর্ক করেন যে পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে।
নিলসেন বলেন, গ্রিনল্যান্ড একটি ‘ভূরাজনৈতিক সংকটের’ মুখোমুখি, তবে তারা যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানায় বা শাসনের অধীনে যেতে চায় না এবং যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চায় না।
ট্রাম্পের মন্তব্যের পর ডেনমার্ককেই বেছে নেবে গ্রিনল্যান্ড, জানালেন প্রধানমন্ত্রী
গ্রিনল্যান্ড লখলের আলোচনা জোরদার করার মধ্যে, যুক্তরাষ্ট্রের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল এই সপ্তাহে গ্রিনল্যান্ড সফর করবে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের স্ত্রী উষা ভ্যান্সের নেতৃত্বে এই সফরে থাকবেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ এবং জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট। তারা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি পরিদর্শন ও একটি ঐতিহ্যবাহী কুকুরস্লেজ প্রতিযোগিতা দেখবেন। ব্রায়ান হিউজ বলেছেন, `আমরা আত্মবিশ্বাসী যে এই সফর গ্রিনল্যান্ডের আত্মনিয়ন্ত্রণের প্রতি সম্মান জানিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করবে। তিনি বলেন, এ সফর ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পৃক্ত, এর বাইরে কিছু নয়।` ডেনমার্ক এতে উদ্বোগ জানিয়ে সার্বভৌম প্রশ্নে ছাড় না দেওয়ার অবস্থান জানিয়েছে।
গ্রিনল্যান্ড সফরে উচ্চপর্যায়ের মার্কিন প্রতিনিধি দল, ডেনমার্কের উদ্বেগ
গ্রীনল্যান্ডের ডানপন্থি বিরোধী দল সাধারণ নির্বাচনে বিজয় অর্জন করেছে। নির্বাচনটি মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রীনল্যান্ড অধিগ্রহণের প্রতিশ্রুতির প্রভাবেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। মঙ্গলবারের ভোটের ৯০% গণনা সম্পন্ন হওয়ার পর নির্বাচনী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্বায়ত্তশাসনের পথে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাওয়ার পক্ষে থাকা ডেমোক্রাটিট পার্টি প্রায় ৩০% ভোট পেয়েছে। অপরদিকে, আরেক বিরোধী দল নালেরাক, যারা কোপেনহেগেন থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়, তারা ২৫% ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মুটে বি এগেদের দল ইনুইত আতাকাটিগিত, যারা স্বাধীনতার পক্ষে, তারা ২১% ভোট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
ট্রাম্পের নজরে থাকা গ্রীনল্যান্ডে ডানপন্থি বিরোধী জোটের বিজয়
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ১১৯ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।