মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নের ডরিতাজপুর গ্রামের প্রবাসী মো. জসিম মিয়া (৩০) বাহরাইনে এক নির্মাণাধীন বহুতল ভবনে কাজ করার সময় পড়ে মারা গেছেন। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সহকর্মীরা তাকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জসিম মিয়া দীর্ঘদিন ধরে বাহরাইনে একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে রাজমিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবারও তিনি কাজে গিয়ে অসাবধানতাবশত পা পিছলে ওপর থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ফটিক আলী ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, এটি একটি দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু।
জসিম মিয়ার মৃত্যুর খবর তার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে শোকের ছায়া নেমে আসে। বাবা-মা একমাত্র বড় সন্তানকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন। পরিবার দ্রুত লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
বাহরাইনে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু
বাহরাইন জানিয়েছে, মুহাররাক গভর্নরেটের একটি আবাসিক ভবন ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বাহরাইন এই ক্ষতির জন্য ইরানি আগ্রাসনকে দায়ী করেছে।
এর আগে বাহরাইন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে জরুরি অধিবেশন আহ্বান করার অনুরোধ জানায়, যাতে চলমান আগ্রাসনের অবসান ঘটানো যায় এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা হয়। দেশটি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি বাহরাইনের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।
বাহরাইন পুনরায় জাতিসংঘের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে, যাতে হামলা বন্ধ করা যায় এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
ইরানের হামলায় ভবন ক্ষতিগ্রস্ত, জাতিসংঘে পদক্ষেপ চায় বাহরাইন
ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাহরাইন। ২০২৬ সালের ২৮ জুন প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দেশটি জানায়, এই হামলা বাহরাইনের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও উত্তেজনা প্রশমনের প্রচেষ্টাকে ক্ষুণ্ণ করছে।
বিবৃতিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে জরুরি বৈঠক আহ্বানের অনুরোধ জানানো হয়েছে, যাতে চলমান আগ্রাসনের অবসান ঘটানো এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা যায়। বাহরাইন আরও জানায়, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তার সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষার পূর্ণ বৈধ অধিকার রয়েছে।
বিবৃতিতে ইরানের অব্যাহত আগ্রাসনের ফলে সৃষ্ট যেকোনো উত্তেজনার জন্য ইরানি শাসনব্যবস্থাকে সম্পূর্ণরূপে দায়ী করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়ে জাতিসংঘে জরুরি বৈঠক চেয়েছে বাহরাইন
বাহরাইন অভিযোগ করেছে, শনিবার ভোরে তাদের ভূখণ্ডে ইরান ড্রোন হামলা চালিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ঘটনাটিকে সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, একাধিক ড্রোন বাহরাইনের ভূখণ্ডকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তবে সুনির্দিষ্ট স্থান বা লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এই হামলায় বেসামরিক মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়েছে এবং অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা কমানোর চলমান প্রচেষ্টাও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনাটিকে উপসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ইরানের ড্রোন হামলার অভিযোগে বাহরাইনের নিন্দা
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বৃহস্পতিবার বাহরাইনে পৌঁছেছেন তিন দিনের আঞ্চলিক সফরের অংশ হিসেবে। এই সফরের উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের সমর্থন আদায় করা। সফরের শেষ পর্যায়ে তিনি সন্দিহান উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর কাছে চুক্তির বিষয়টি তুলে ধরছেন এবং তাদের নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষার আশ্বাস দিচ্ছেন।
রুবিও স্বীকার করেছেন যে উপসাগরীয় নেতাদের কাছে এই শান্তিচুক্তি উপস্থাপন করা একটি সংবেদনশীল কাজ। অনেক মিত্র আশঙ্কা করছে, ইরানের প্রতি অতিরিক্ত ছাড় দিলে তেহরান আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে এবং এতে অঞ্চলের নিরাপত্তা ভারসাম্য ও তেল প্রবাহের ধরন পরিবর্তিত হতে পারে। মানামায় অবস্থানকালে তিনি উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)-এর সঙ্গে বৈঠক করবেন, যা ছয়টি সুন্নি রাজতন্ত্রের একটি জোট।
তেলসমৃদ্ধ উপসাগরীয় অঞ্চলে এই সফরটি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির পর প্রথম উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক মিশন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ইরান চুক্তিতে উপসাগরীয় সমর্থন পেতে বাহরাইন সফরে মার্কো রুবিও
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানোর দায় স্বীকার করেছে। আইআরজিসি জানিয়েছে, দক্ষিণ ইরানের জাস্ক, সিরিক ও কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। সংঘর্ষ চলমান অবস্থায় এই ঘটনাটি ঘটেছে।
আইআরজিসি জানায়, মার্কিন হামলায় সিরিকের বেমানি জেলায় একটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দুটি পানির ট্যাঙ্ক ধ্বংস হয়েছে। তারা সতর্ক করেছে যে, মার্কিন সামরিক আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে আরও কঠোর প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাহরাইনে সতর্কতা সাইরেন বাজানো হয়েছে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জনগণকে শান্ত থাকতে ও নিরাপদ স্থানে যেতে আহ্বান জানিয়েছে।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি ও খাতাম আল-আম্বিয়া সদর দপ্তর উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি ঘাঁটিতে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, যদিও নির্দিষ্টভাবে বাহরাইনের ঘাঁটির কথাই উল্লেখ করা হয়েছে। পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
উপসাগরে উত্তেজনার মধ্যে বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলা
ইরান শনিবার ভোরে বাহরাইন ও কুয়েতের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বাহরাইন একে দেশের সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে উল্লেখ করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে এবং বাহরাইন ও কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনীর সতর্কতার প্রশংসা করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বাহরাইন ইরানকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ২৮১৭ (২০২৬) নম্বর প্রস্তাব লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে, যেখানে ইরানের হামলা এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা বা আন্তর্জাতিক নৌচলাচল ব্যাহত করার যেকোনো প্রচেষ্টার নিন্দা জানানো হয়েছিল। বাহরাইন ইরানকে অবিলম্বে হামলা বন্ধ করতে, হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণরূপে খুলে দিতে, নৌ-মাইনের অবস্থান প্রকাশ করতে এবং ২০ হাজারের বেশি আটকে পড়া নাবিককে নিরাপদে চলে যাওয়ার অনুমতি দিতে আহ্বান জানিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাহরাইনের ধৈর্য দুর্বলতার ইঙ্গিত নয় এবং দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় সব আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নিন্দা জানিয়ে সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতিশ্রুতি বাহরাইনের
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ইরান কুয়েত ও বাহরাইনে হামলা চালানোর পর বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে আহ্বান জানিয়েছে বাহরাইন। শনিবার ভোরে দেশজুড়ে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হলে কর্তৃপক্ষ নাগরিক ও বাসিন্দাদের শান্ত থাকতে এবং নিকটতম নিরাপদ স্থানে চলে যেতে অনুরোধ জানায়। স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামাজিক মাধ্যম এক্সে বার্তা দিয়ে এই নির্দেশনা দেয়।
এর আগে বুধবার বাহরাইন জানিয়েছিল যে তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র এবং বেশ কয়েকটি ড্রোন প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক পাল্টা হামলার প্রেক্ষাপটে বাহরাইন এই সতর্কতা জারি করেছে, যা দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে।
এখনও পর্যন্ত হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, তবে সতর্কতা জারি থাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
ইরানের হামলার পর বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলল বাহরাইন
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) হয়ে কাজ করার অভিযোগে ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বাহরাইন। ইরান বাহরাইন ও প্রতিবেশী কুয়েতে হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টা পর দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সন্দেহভাজন ইরানি সেলের সঙ্গে জড়িত সব ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরান বাহরাইনে হামলা শুরু করার পর থেকে দেশটিতে নিরাপত্তা অভিযান চলছে। গত মাসে আইআরজিসির সহযোগিতায় কথিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে নয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় বাহরাইন। এপ্রিলে কর্তৃপক্ষ ইরানি হামলায় সমর্থনের অভিযোগে ৬৯ জনের নাগরিকত্ব বাতিল করে।
বাহরাইনে একটি বৃহৎ শিয়া জনগোষ্ঠী রয়েছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বঞ্চনার অভিযোগ করে আসছে। সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ইরান দেশটিতে অশান্তি উসকে দিচ্ছে।
ইরানের হামলার পর বাহরাইনে আইআরজিসির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ১৫ জন আটক
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে গুপ্তচরবৃত্তি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে বাহরাইন নয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। রোববার প্রকাশিত রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রসিকিউটরদের অভিযোগ অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্তরা আইআরজিসি-র সঙ্গে সমন্বয় করে শত্রুভাবাপন্ন কার্যক্রম চালিয়েছিল। একই মামলায় আরও দুইজনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বাহরাইনি কর্তৃপক্ষ জানায়, দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে কয়েকজন আইআরজিসি-র নির্দেশে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ছবি তুলেছিল, অন্যদের বিরুদ্ধে ইরান থেকে বাহরাইনে অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগ রয়েছে, যার মধ্যে ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত। প্রসিকিউটরদের মতে, কিছু অভিযুক্ত স্থানীয়ভাবে লোক নিয়োগ ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করেছে।
তেহরানের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে চলমান দমন অভিযানের মধ্যেই এই রায় ঘোষণা করা হয়। ফেব্রুয়ারির শেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের পর উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
ইরানের সঙ্গে যোগসাজশে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে বাহরাইনে নয়জনের যাবজ্জীবন
বাহরাইনের একটি আদালত ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে সহযোগিতার অভিযোগে নয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার তথ্যমতে, একই মামলায় আরও দুইজনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, অভিযুক্তরা বাহরাইনের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশ্যে আইআরজিসির সঙ্গে সহযোগিতা করেছিলেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দণ্ডপ্রাপ্তরা গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থাপনার তথ্য সংগ্রহ এবং এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থ লেনদেনের কাজে জড়িত ছিলেন। তবে কর্তৃপক্ষ অভিযুক্তদের পরিচয় বা তদন্তের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।
বাহরাইন দীর্ঘদিন ধরে ইরানের বিরুদ্ধে তাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপের অভিযোগ করে আসছে, যদিও তেহরান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরানের আইআরজিসির সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে বাহরাইনে নয়জনের যাবজ্জীবন দণ্ড
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ৪১ জনকে গ্রেপ্তারের পর বাহরাইনের প্রতি পূর্ণ সংহতি জানিয়েছে সিরিয়া। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানার বরাতে জানানো হয়েছে, বাহরাইনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার প্রচেষ্টায় মানামাকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে সিরিয়া।
গত শনিবার বাহরাইন আইআরজিসির সঙ্গে সম্পৃক্ত ৪১ জনকে গ্রেপ্তারের ঘোষণা দেয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এর আগে মিসর ও কুয়েতও বাহরাইনের প্রতি একই ধরনের সমর্থন ও সংহতি জানিয়েছে।
এই অবস্থানটি উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে কয়েকটি আরব দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা ও রাজনৈতিক ঐক্যের ইঙ্গিত দেয়।
আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট ৪১ জন গ্রেপ্তারে বাহরাইনের পাশে সিরিয়া
ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনরি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগে বাহরাইনে ৪১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ৯ মে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা বিএনএ খবরটি নিশ্চিত করে। ইরানের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের হামলার সমর্থনের অভিযোগে কয়েক ডজন ব্যক্তির নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন এবং বিদেশি শক্তির সঙ্গে ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ আনা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের দাবি, তারা বিদেশি সংস্থার সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করেছে এবং ইরানের প্রতি সমর্থন দেখিয়েছে।
আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, এই গ্রেপ্তার অভিযান বাহরাইনে ইরানের প্রভাব মোকাবিলার চলমান প্রচেষ্টার অংশ।
ইরানের আইআরজিসির সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে বাহরাইনে ৪১ জন আটক
ইরানের প্রতি সমর্থন, প্রশংসা বা সহানুভূতি প্রকাশের অভিযোগে বাহরাইন ৬৯ জনের নাগরিকত্ব বাতিল করেছে। আনাদোলু সংস্থার বরাতে জানা যায়, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাহরাইন নিউজ এজেন্সি সোমবার (২৭ এপ্রিল) জানায়, যারা ইরানের ‘শত্রুতামূলক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতি সহানুভূতি ও প্রশংসা’ প্রকাশ করেছেন, তাদের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে। নাগরিকত্ব হারানোদের মধ্যে তাদের পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন।
এর আগে মার্চ মাসে বাহরাইনের হাই ক্রিমিনাল কোর্ট ইরানের ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রচার ও অতিরঞ্জিত করার’ অভিযোগে একটি মামলার প্রাথমিক শুনানি করে, যদিও অভিযুক্তের সংখ্যা তখন প্রকাশ করা হয়নি। এই পদক্ষেপটি এমন এক সময় নেওয়া হলো যখন ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে, যার ফলে ৩,৩০০ জনের বেশি নিহত হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি হয়, যা ২১ এপ্রিল পাকিস্তানের অনুরোধে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হয় বলে জানানো হয়।
আঞ্চলিক সংঘাতে ইরানপন্থী অভিযোগে বাহরাইনে ৬৯ জনের নাগরিকত্ব বাতিল
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বাহরাইনে অ্যামাজনের একটি ক্লাউড কম্পিউটিং সেন্টারে হামলার দাবি করেছে। ২০২৬ সালের ২ এপ্রিল ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানায়, আইআরজিসি এই হামলাকে “প্রথম বাস্তব সতর্কবার্তা” হিসেবে বর্ণনা করেছে। সংস্থাটি জানায়, ইরানে সাম্প্রতিক মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় বেসরকারি অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আইআরজিসি সতর্ক করেছে, যদি হামলা বা হত্যাকাণ্ড অব্যাহত থাকে, তবে ভবিষ্যতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যেসব কোম্পানির নাম ইতোমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং এ অঞ্চলে এসব প্রতিষ্ঠানের ধ্বংসের দায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের ওপর বর্তাবে। সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হামলার দাবি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাহরাইনে অ্যামাজন ক্লাউড সেন্টারে হামলার দাবি, প্রথম সতর্কবার্তা বলছে আইআরজিসি
গত এক মাসে ইরানের ছোড়া অন্তত ৫৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার দাবি করেছে বাহরাইনের সামরিক বাহিনী। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বাহরাইন জানায়, তারা দেশটির দিকে লক্ষ্য করে ছোড়া ১৭৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩৮৫টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এই হামলাগুলো ইরানের পাল্টা আক্রমণের অংশ, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার জবাবে চালানো হচ্ছে।
বাহরাইন বলেছে, বেসামরিক অবকাঠামো ও ব্যক্তিগত সম্পত্তিকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও জাতিসংঘ সনদের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এটি আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি। শুক্রবার দেশটিতে দুবার সাইরেন বাজানো হয় সম্ভাব্য হামলার সতর্কতা হিসেবে, এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জনগণকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে আহ্বান জানায়।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ইরানের আগের এক হামলায় একটি অজ্ঞাত স্থাপনায় আগুন লাগলেও তা এখন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
এক মাসে ইরানের ৫৫০ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহতের দাবি বাহরাইনের
হরমুজ প্রণালী ও বাণিজ্যিক নৌপরিবহন রক্ষায় দেশগুলোকে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুমোদন দিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি খসড়া প্রস্তাব জমা দিয়েছে বাহরাইন। ২৩ মার্চ উপস্থাপিত এই প্রস্তাবে স্বেচ্ছামূলক বহুজাতিক বা একক নৌবাহিনী গঠনের মাধ্যমে নৌপরিবহন সুরক্ষা এবং যেকোনো বাধা প্রতিরোধের আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে প্রয়োজনে নিষেধাজ্ঞাসহ অন্যান্য পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে।
কূটনীতিকদের মতে, প্রস্তাবটি অন্যান্য গালফ আরব দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পেয়েছে, তবে রাশিয়া ও চীনের ভেটো ক্ষমতার কারণে এটি সহজে অনুমোদিত নাও হতে পারে। বাহরাইনের খসড়ায় ইরানের পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে ইরানকে বৈধ নৌচলাচলে বাধা না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
একই দিনে ফ্রান্স সংলাপভিত্তিক একটি বিকল্প খসড়া প্রস্তাব দিয়েছে, যা নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদের মধ্যে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নির্দেশ করে।
হরমুজ প্রণালী রক্ষায় জাতিসংঘের অনুমোদন চায় বাহরাইন
রয়টার্সের যাচাই করা গবেষকদের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের দশম দিনে বাহরাইনে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বিস্ফোরণটি ইরানি ড্রোন নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের কারণে ঘটেছিল। ৯ মার্চ সিতরা দ্বীপের মাহাজ্জা এলাকায় ওই বিস্ফোরণে শিশুসহ ৩২ জন আহত হয় এবং বহু বাড়িঘর ধসে পড়ে। শুরুতে বাহরাইন ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই ইরানের ড্রোনকে দায়ী করেছিল, এবং ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছিল যে ইরানি ড্রোন আবাসিক এলাকায় আঘাত হেনেছে।
রয়টার্সের প্রশ্নের জবাবে বাহরাইন সরকার শনিবার প্রথমবারের মতো স্বীকার করে যে বিস্ফোরণটি প্যাট্রিয়ট ব্যাটারির ছোড়া ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের কারণে ঘটেছিল। তবে সরকারি মুখপাত্র দাবি করেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি মাঝ আকাশে একটি ইরানি ড্রোন ধ্বংস করে বহু মানুষের প্রাণ রক্ষা করেছে। মুখপাত্রের মতে, আহত হওয়া ও ক্ষয়ক্ষতির কারণ ছিল আকাশে সংঘর্ষের ধ্বংসাবশেষ নিচে পড়া।
তবে মাহাজ্জার বিস্ফোরণে ইরানি ড্রোনের সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ বাহরাইন বা ওয়াশিংটন কেউই দিতে পারেনি।
বাহরাইন স্বীকার করেছে সিত্রা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে মার্কিন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র
৯ মার্চ বাহরাইনে একটি বড় বিস্ফোরণে বহু বেসামরিক নাগরিক আহত হন এবং ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। শুরুতে বাহরাইন ও ওয়াশিংটন বিস্ফোরণের জন্য ইরানি ড্রোনকে দায়ী করেছিল। তবে একদল একাডেমিক গবেষকের বিশ্লেষণ, যা রয়টার্স পর্যালোচনা করেছে, ইঙ্গিত দেয় যে ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রটি যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হতে পারে।
বাহরাইন পরে প্রথমবারের মতো স্বীকার করে যে রাজধানী মানামার উপকণ্ঠে সিত্রা দ্বীপের মাহাজ্জা এলাকায় ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণের সঙ্গে একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র জড়িত ছিল। সরকারি মুখপাত্র দাবি করেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি আকাশে একটি ইরানি ড্রোন প্রতিহত করেছিল, ফলে বড় প্রাণহানি এড়ানো গেছে। তার মতে, ক্ষয়ক্ষতি সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের ভূমিতে আঘাতের কারণে হয়নি।
তবে এখন পর্যন্ত বাহরাইন বা যুক্তরাষ্ট্র কেউই ইরানি ড্রোনের সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দিতে পারেনি। বিস্ফোরণের পর ভিডিওতে ধ্বংসস্তূপ ও আতঙ্কিত বাসিন্দাদের দেখা গেছে।
বাহরাইনে বিস্ফোরণে যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত
ইরান দাবি করেছে যে তারা বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, হামলার লক্ষ্য ছিল মার্কিন সামরিক স্থাপনা। তবে এ বিষয়ে বাহরাইনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-মিনহাদ ঘাঁটি এবং কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার খবর জানায়, যেখানে মার্কিন ও ব্রিটিশ বাহিনী অবস্থান করছে। এসব হামলা চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ঘটছে।
এর আগেও ইরান পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে। বাহরাইনের রাজধানী মানামায় যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তর অতীতে হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ৪৫ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।