মার্কিন নির্মিত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতির মুখে পড়তে যাচ্ছে ইউক্রেন, কারণ ওয়াশিংটনের মধ্যপ্রাচ্যের মিত্ররা ইরানি হামলা প্রতিহত করতে একই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাপকভাবে ব্যবহার করছে। আল জাজিরাকে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই ঘাটতিকে কাজে লাগিয়ে ইউক্রেনের শহর ও অবকাঠামোর ওপর নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বাড়াতে পারেন। ২০২৩ সালে কিয়েভে প্রথম মোতায়েন করা প্যাট্রিয়ট সিস্টেম রাশিয়ার কিনঝালসহ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, তবে সীমিত সরবরাহ ও উচ্চমূল্যের কারণে প্রতিরক্ষা দুর্বল হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে এই ঘাটতি ইউক্রেনের জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামোর দুর্বল প্রতিরক্ষার ইঙ্গিত দেয়। রাশিয়া ড্রোন ও ভুয়া লক্ষ্যবস্তু ব্যবহার করে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষয় করার কৌশল চালিয়ে যাচ্ছে। ইউরোপ ও ইসরায়েল অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট সরবরাহে অনিচ্ছুক হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। বর্তমানে ইউক্রেনের হাতে এক ডজনেরও কম প্যাট্রিয়ট ব্যাটারি রয়েছে, যেখানে প্রয়োজন অন্তত ২৫টি।
ফ্রান্স-ইতালির এসএএমপি/টি সিস্টেম কিছু বিকল্প সরবরাহ করলেও রাশিয়ার পরিবর্তিত ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে এর কার্যকারিতা এখনো প্রমাণিত নয়। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, রাশিয়া শিগগিরই ব্যাপক হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ শেষ করে দিতে পারে।
রাশিয়ার সম্ভাব্য নতুন হামলার আগে ইউক্রেনের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ঘাটতির আশঙ্কা
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ ইরান হামলায় যুক্ত না হওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন। তিনি মার্কিন বিমানকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহার করে হামলা চালানোর অনুমতিও দেননি। ২০২৬ সালের ৫ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি উদ্বিগ্ন জনগণকে আশ্বস্ত করতে এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করেন।
স্টারমার বলেন, তার লক্ষ্য জাতীয় স্বার্থে শান্ত ও বিচক্ষণ নেতৃত্ব দেওয়া। যত চাপই থাকুক, যুক্তরাজ্যকে তার মূল্যবোধ ও নীতির পাশে দৃঢ়ভাবে থাকতে হবে। তার বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।
তিনি আরও বলেন, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের অবস্থান হলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজা, যাতে ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করে। তাই প্রথম দফার হামলায় যুক্ত না হওয়ার সিদ্ধান্তটি তিনি ভেবে-চিন্তে জাতীয় স্বার্থে নিয়েছেন।
জাতীয় স্বার্থে ইরান হামলায় যুক্ত না হওয়ার সিদ্ধান্তে অটল কিয়ের স্টারমার
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমিরি জেলেনস্কি ইরানের সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি জানান, উপসাগরীয় অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বিশেষজ্ঞ মোতায়েনের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে, যাতে মিত্র দেশগুলোকে ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র থেকে রক্ষা করা যায়। জেলেনস্কি বলেন, তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, জর্ডান ও বাহরাইনের নেতাদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছেন।
জেলেনস্কি ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন এমন পরিকল্পনা তৈরি করতে, যা মিত্র দেশগুলোকে সহায়তা করবে কিন্তু ইউক্রেনের নিজস্ব প্রতিরক্ষা দুর্বল করবে না। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ইউক্রেন জীবন রক্ষা ও পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে সাহায্য করতে পারে। তিনি আরও জানান, ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী প্রয়োজনীয় সক্ষমতা রাখে এবং বিশেষজ্ঞ দলগুলো ইতোমধ্যেই সমন্বয় করছে।
জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেন বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা, নিরাপদ নৌ চলাচল পুনরুদ্ধার এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রস্তুত।
ইরানি হামলা প্রতিরোধে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের সহায়তার প্রস্তাব ইউক্রেনের
ইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার দেশকে শান্ত ও সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। ২০২৬ সালের ৪ মার্চ পার্লামেন্টে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যকে অত্যন্ত স্বচ্ছতা ও নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে পদক্ষেপ নিতে হবে।
স্টারমার জানান, ওই অঞ্চলে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন প্রতিরোধী ব্যবস্থা এবং এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান মোতায়েনের বিষয়ে যুক্তরাজ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যোগাযোগ রাখছে। তার বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার মধ্যে যুক্তরাজ্যের সতর্ক অবস্থান প্রতিফলিত হয়েছে।
সরকারের এই অবস্থান ইঙ্গিত দেয় যে, যুক্তরাজ্য মিত্রদের সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতা বজায় রেখে পরিস্থিতি আরও জটিল না করার চেষ্টা করছে।
ইরান-ইসরাইল উত্তেজনায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয়ে শান্ত থাকার আহ্বান স্টারমারের
ইসরাইলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানে বিমান হামলায় সহায়তা করতে অস্বীকৃতি জানানোয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে তিরস্কার করেছেন। ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক এখন আর আগের মতো নেই। যুক্তরাজ্য তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে না দেওয়ায় এই সমালোচনা করেন তিনি।
এর আগে স্টারমার ট্রাম্পের ইরানবিষয়ক পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করে বলেন, আকাশ থেকে হামলা চালিয়ে কোনো দেশের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে যুক্তরাজ্য বিশ্বাসী নয়। তিনি জানান, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় অঞ্চল ও মধ্যপ্রাচ্যে মিত্র দেশ এবং নিজেদের বাহিনীর সুরক্ষায় যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে।
দ্য সানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, স্টারমার কোনো সাহায্যই করেননি এবং তিনি কখনো ভাবেননি যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে এমন আচরণ দেখবেন। তিনি আরও বলেন, দুনিয়া বদলে গেছে এবং দুই দেশের সম্পর্ক আর আগের মতো নেই।
ইরানে হামলায় সহায়তা না করায় ট্রাম্পের তিরস্কারের মুখে স্টারমার
চলমান যুদ্ধের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আটকেপড়া ব্রিটিশ নাগরিকদের উদ্ধারে চার্টার ফ্লাইট পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার পার্লামেন্টের হাউস অফ কমন্সে জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ওমানের মাস্কাট থেকে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশ্যে একটি সরকারি চার্টার ফ্লাইট ছেড়ে যাবে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে আটকে থাকা নাগরিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা।
ব্রিটিশ সরকার মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে কতজন নাগরিক অবস্থান করছেন তা নির্ধারণের জন্য নতুন নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত প্রায় এক লাখ ত্রিশ হাজার ব্রিটিশ নাগরিক এই নিবন্ধনে অংশ নিয়েছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, যারা ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ অবস্থায় রয়েছেন, তাদের চার্টার ফ্লাইটে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
এই পদক্ষেপ যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার অংশ, যদিও কোন কোন দেশে এই উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালিত হবে তা স্পষ্ট করা হয়নি।
মধ্যপ্রাচ্যে আটকেপড়া নাগরিকদের উদ্ধারে চার্টার ফ্লাইট পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য
সাইপ্রাসে নিজেদের সেনা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার পর যুক্তরাজ্য ভূমধ্যসাগরে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে। বিবিসি সূত্রে জানা গেছে, সম্ভাব্য মোতায়েনের জন্য ব্রিটিশ রয়েল নেভির যুদ্ধজাহাজ এইচএমএস ডানকান প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যদিও এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
এই হামলার পর লন্ডন অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়ন করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সাইপ্রাসে ব্রিটিশ সামরিক উপস্থিতি এবং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ বিবেচনা করা হচ্ছে।
যদিও মোতায়েনের সময় বা সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি, এইচএমএস ডানকান প্রস্তুত রাখার বিষয়টি যুক্তরাজ্যের সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি ও প্রতিরোধমূলক অবস্থানকে নির্দেশ করে।
সাইপ্রাসে ড্রোন হামলার পর ভূমধ্যসাগরে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর চিন্তা যুক্তরাজ্যের
যুক্তরাজ্যের সংসদ হাউস অব কমন্সে ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা এডওয়ার্ড জোনাথন ডেভি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ট্রাম্পের একতরফা ইরান হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে এবং এর দায় ট্রাম্পের। এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে বিপন্ন করছে এবং সাধারণ নাগরিকদের প্রাণহানির ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
ডেভি ইরানি সরকারের কর্মকাণ্ডকেও নিন্দা জানিয়ে সতর্ক করেন যে সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়লে সাধারণ মানুষের ক্ষতি হতে পারে। তিনি দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা এবং সামরিক পদক্ষেপে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার যখন সংসদে ইরান পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখনই তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি যুক্তরাজ্য সরকারকে সতর্কভাবে পদক্ষেপ নিতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করার আহ্বান জানান। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এই বিতর্ক যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক আইন নিয়ে আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
এড ডেভির দাবি, ট্রাম্পের ইরান হামলা অবৈধ; দায়বদ্ধতা ও সতর্কতার আহ্বান
সাইপ্রাসে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটিতে হামলার ঘটনায় যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরান উপসাগরীয় দেশগুলো ও অন্যান্য যেসব দেশের ওপর হামলা চালিয়েছে, তারা কেউই ইরানের ওপর হামলায় জড়িত ছিল না। কুপার এটিকে ইরানি শাসন ব্যবস্থার অযাচিত ও বেপরোয়া কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আরও জানান, যুক্তরাজ্য নিজে ইরানে কোনো হামলায় অংশ নেয়নি।
যদিও ব্রিটিশ বিমানগুলো ইরানের ওপর হামলায় অংশ নেয়নি, প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানিয়েছেন যে যুক্তরাজ্য যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোর ওপর প্রতিরক্ষামূলক হামলা চালানোর অনুমতি দেবে। আক্রোতিরি ঘাঁটিতে হামলার উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে কুপার বলেন, তার কাছে সম্পূর্ণ তথ্য নেই, তবে মন্ত্রণালয় শিগগিরই বিস্তারিত জানাবে।
ঘটনার পর জানা গেছে, সাইপ্রাসে যুক্তরাজ্যের ঘাঁটির দিকে ধেয়ে আসা দুটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।
সাইপ্রাসে ঘাঁটিতে হামলার নিন্দা জানিয়ে ইরানের কর্মকাণ্ডকে বেপরোয়া বললেন কুপার
যুক্তরাজ্য মধ্যপ্রাচ্য থেকে তাদের নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার। তিনি জানান, এই অঞ্চলে প্রায় তিন লাখ ব্রিটিশ নাগরিক তাদের উপস্থিতি নিবন্ধন করেছেন। স্কাই নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কুপার বলেন, সরকার বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করছে, যার মধ্যে ভ্রমণশিল্পের সঙ্গে সমন্বয় এবং প্রয়োজনে সরকারিভাবে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।
কুপার আরও বলেন, ব্রিটিশ সরকার চায় আকাশসীমা পুনরায় চালু হোক। ভ্রমণ শিল্পের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত মোতায়েন দল পাঠিয়ে নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। এই পদক্ষেপটি নেওয়া হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায়, যেখানে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে এবং যুক্তরাজ্য তার নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্য থেকে নাগরিক সরিয়ে নিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্য
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার রাতে সাইপ্রাসের আরএএফ আক্রোতিরি ঘাঁটিতে সন্দেহভাজন ড্রোন হামলা হয়েছে। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ জানায়, এই হামলায় কোনো হতাহত হয়নি। মন্ত্রণালয় জানায়, ঘাঁটিতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখা হয়েছে এবং কর্মীদের সুরক্ষায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান হামলায় নিহত হওয়ার পর এই হামলার ঘটনা ঘটে। প্রতিরক্ষা সচিব জন হেইলি বলেন, ইরানের ‘বাছবিচারহীন হামলার’ কারণে মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটিশ সেনা ও নাগরিকদের ঝুঁকি বেড়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা তাদের বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখতে এবং অঞ্চলে কার্যক্রম সচল রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এই পরিস্থিতি ইরান ও পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে পশ্চিমা সামরিক ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে সাইপ্রাসে ব্রিটিশ ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার খবর
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে চেলসিকে ২-১ গোলে হারিয়ে শীর্ষে অবস্থান মজবুত করেছে আর্সেনাল। কোচ মিকেল আর্তেতার দলটি দুর্দান্ত ফর্মে থেকে জয় ধরে রেখেছে। একই দিনে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডও ২-১ ব্যবধানে ক্রিস্টাল প্যালেসকে পরাজিত করেছে। অন্যদিকে ম্যানচেস্টার সিটি লিডস ইউনাইটেডের মাঠে ১-০ গোলে জয় পেয়েছে, দলের একমাত্র গোলটি করেছেন অ্যান্টোয়ান সেমেনিও।
বিরতির আগে রায়ান আইত-নুরির পাস থেকে গোল করেন সেমেনিও। এই জয়ে সিটি টানা চার ম্যাচে জয় পেল এবং শীর্ষে থাকা আর্সেনালের সঙ্গে ব্যবধান কমিয়েছে। ২৮ ম্যাচে ১৮ জয় ও পাঁচ ড্রয়ে ৫৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিটি, আর্সেনাল তাদের থেকে দুই পয়েন্ট এগিয়ে।
ইউরোপের অন্য ম্যাচে বুন্দেসলিগায় হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে বায়ার্ন মিউনিখ ৩-২ ব্যবধানে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে হারিয়েছে এবং ফরাসি লিগ ওয়ানে পিএসজি ১-০ গোলে লে হাভ্রেকে পরাজিত করেছে।
আর্সেনাল, ম্যানইউ ও ম্যানসিটির জয়ে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা লড়াই আরও জমে উঠেছে
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। সোমবার এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, যুক্তরাজ্য সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেবে না, তবে উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্র দেশগুলোর অনুরোধে প্রতিরক্ষায় আরও সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে।
স্টারমার বলেন, ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানগুলো ইতোমধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা অভিযানে অংশ নিচ্ছে এবং ইরানের ছোড়া বেশ কিছু হামলা প্রতিহত করেছে। তার মতে, হুমকি বন্ধের একমাত্র উপায় হলো ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে তাদের উৎসস্থলেই ধ্বংস করা। যুক্তরাষ্ট্র ‘নির্দিষ্ট ও সীমিত প্রতিরক্ষা স্বার্থে’ ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিল, যা যুক্তরাজ্য মেনে নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হলো ইরানকে এমন হামলা থেকে বিরত রাখা যা নিরীহ মানুষ ও ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।
ঘোষণাটি এমন সময়ে এলো যখন উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে, কাতারে জ্বালানি স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং ওমান উপকূলে তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছে।
ইরানের বিরুদ্ধে সীমিত প্রতিরক্ষা হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিল যুক্তরাজ্য
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দফতর ব্রিটিশ নাগরিকদের বাহরাইন, কুয়েত, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে জরুরি ভ্রমণ ছাড়া সব ধরনের ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত এক পোস্টে এই নির্দেশনা জানানো হয়, যেখানে বলা হয়েছে যে শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে এসব উপসাগরীয় দেশে ভ্রমণ করা উচিত।
পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যারা ইতিমধ্যে এসব দেশে অবস্থান করছেন, তাদের উপস্থিতি নিবন্ধন করে নিরাপদ আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে সতর্কবার্তার কারণ বা নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার উল্লেখ করা হয়নি, তবে এটি আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে জারি করা হয়েছে বলে ধারণা করা যায়।
এই নির্দেশনা যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক অবস্থানকে প্রতিফলিত করে, যেখানে নাগরিকদের সতর্ক থাকতে এবং পররাষ্ট্র দফতরের নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
বাহরাইন, কুয়েত, কাতার ও আমিরাতে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়াতে ব্রিটিশ নাগরিকদের সতর্কতা
বিবিসি জানিয়েছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক অভিযানে যুক্তরাজ্য অংশ নেয়নি। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিবেচনায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার শনিবার জরুরি ভিত্তিতে নিরাপত্তা বিষয়ক ‘কোবরা’ কমিটির বৈঠক আহ্বান করেছেন, যেখানে তিনি সভাপতিত্ব করবেন বলে জানা গেছে।
লন্ডন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে ইরানে এই হামলা পুরো অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত সংঘাত উসকে দিতে পারে। ব্রিটিশ সরকারের এক মুখপাত্র বলেছেন, যুক্তরাজ্য চায় না এই সংঘাত আরও বড় আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিক। তিনি আরও জানান, ওই অঞ্চলে অবস্থানরত ব্রিটিশ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার।
ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা বাড়িয়েছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল অভিযানে যুক্তরাজ্য নেই, আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা
ভারতবর্ষে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের ভিত্তি স্থাপনকারী ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দেউলিয়া ঘোষণার পর স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। লন্ডনে বিলাসপণ্য বিক্রির ব্র্যান্ড হিসেবে পুনরায় যাত্রা শুরু করলেও আর্থিক সংকট কাটিয়ে উঠতে না পেরে প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম গুটিয়ে নেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে কোম্পানিটি লিকুইডেটর নিয়োগ করে এবং ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডসে নিবন্ধিত মূল প্রতিষ্ঠানের কাছে ছয় লাখ পাউন্ডের বেশি দেনা জমে। কর ও কর্মীদের পাওনাও বকেয়া ছিল। ফলে লন্ডনের মেফেয়ারের দোকান ও ওয়েবসাইট বন্ধ হয়ে যায়।
১৬০০ সালে রানি প্রথম এলিজাবেথের রাজকীয় সনদে প্রতিষ্ঠিত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি একসময় ভারত ও এশিয়ার বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তার করেছিল। ১৮৭৪ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কোম্পানিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে। ২০১০ সালে ভারতীয় উদ্যোক্তা সঞ্জীব মেহতা কোম্পানির নামের স্বত্ব কিনে লন্ডনে বিলাসপণ্যের খুচরা ব্র্যান্ড হিসেবে পুনরুজ্জীবিত করেন। ঔপনিবেশিক ইতিহাসের প্রতীকী পালাবদল হিসেবে এ উদ্যোগটি তখন আলোচনায় আসে।
সাম্প্রতিক বন্ধের মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দীর্ঘ ঐতিহাসিক নামটি আবারও ইতিহাসের পাতায় ফিরে গেল।
দেউলিয়া ঘোষণার পর লন্ডনে স্থায়ীভাবে বন্ধ হলো ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
রাশিয়া বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের কাছে ১,০০০ জন নিহত ইউক্রেনীয় সেনাসদস্যের লাশ হস্তান্তর করেছে বলে মস্কোর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এর বিনিময়ে ইউক্রেন ৩৫ জন নিহত রুশ সেনার লাশ রাশিয়ার কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে। রাশিয়ার মধ্যস্থতাকারী ভ্লাদিমির মেদিনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, নিহত ইউক্রেনীয় সেনাদের মরদেহ কিয়েভের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মস্কো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, চলমান সংঘাতের মধ্যে এটি দুই পক্ষের মধ্যে আরেকটি মরদেহ বিনিময়। সাধারণত এমন বিনিময় মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, যাতে নিহত সেনাদের মরদেহ নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো যায়।
বিনিময় প্রক্রিয়া বা শর্তাবলি সম্পর্কে অতিরিক্ত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
রাশিয়া ইউক্রেনকে ১,০০০ সেনার লাশ ফেরত দিয়ে ৩৫ রুশ মরদেহ গ্রহণ করেছে
ইউক্রেনের একাধিক শহরে রাতভর হামলা চালিয়েছে রাশিয়া, এতে এক শিশুসহ অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছে। যুদ্ধের অবসান নিয়ে ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জেনেভায় বৈঠকের আগে এই হামলা হয়। কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো জানান, রাশিয়া ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে এবং নাগরিকদের আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার আহ্বান জানান।
কিয়েভ পুলিশ জানায়, হামলায় অনাবাসিক ভবনে আগুন লাগে, একটি বহুতল ভবনের জানালা ভেঙে যায় এবং একটি দোতলা বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভে ১৪ জন আহত হয়, যার মধ্যে সাত বছর বয়সি এক শিশু রয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় জাপোরিঝিয়ায় ১৯টি অ্যাপার্টমেন্ট ভবন, চারটি বাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সাতজন আহত হয়। ক্রিভিই রিহ শহরে আরও দুজন আহত হয়।
চার বছর আগে শুরু হওয়া রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনে ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওয়াশিংটন এই সংঘাতের অবসান চায়।
জেনেভা বৈঠকের আগে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলায় আহত ২৩ জন
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ৪২০ কোটি পাউন্ডের এনডাউমেন্ট ফান্ড থেকে ১৪ কোটি পাউন্ডেরও বেশি অর্থ এমন একটি তহবিলে বিনিয়োগ করেছে, যার অংশীদারিত্ব রয়েছে গাজায় ইসরাইলি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে। মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে জমা দেওয়া নথি বিশ্লেষণ করে মিডল ইস্ট আই এই তথ্য প্রকাশ করেছে। কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট গত বছরের শেষ প্রান্তিকে ‘আইশেয়ারস ইএসজি সিলেক্ট স্ক্রিনড এসঅ্যান্ডপি ৫০০’ তহবিলে এই বিনিয়োগ করে।
এই তহবিলের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টি পরোক্ষভাবে পালানতির টেকনোলজিস, ক্যাটারপিলার এবং জিই অ্যারোস্পেসের মতো কোম্পানির শেয়ারের মালিক হয়েছে। এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে গাজায় সামরিক অভিযান ও ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে উচ্ছেদে সহায়তার অভিযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রায় ৮ লাখ পাউন্ডের পালানতির এবং ৯ লাখ পাউন্ডের জিই অ্যারোস্পেস শেয়ার রয়েছে। বিনিয়োগের এই তথ্য এমন সময়ে প্রকাশ পেয়েছে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে সমালোচনা বাড়ছে এবং অস্ত্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে বিনিয়োগ প্রত্যাহার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বারবার পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
নরওয়ের সার্বভৌম তহবিল ইতিমধ্যে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ক্যাটারপিলার থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নিয়েছে, ফলে কেমব্রিজের ওপর নৈতিক ও আইনি চাপ আরও বাড়ছে।
গাজা মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত কোম্পানিতে কেমব্রিজের ১৪০ কোটি পাউন্ড বিনিয়োগে সমালোচনা
যুক্তরাজ্যে ২০২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮৫টি দেশের ভ্রমণকারীদের জন্য নতুন ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন (ইটিএ) নিয়ম কার্যকর হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও আরও কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য, যারা এতদিন ভিসা ছাড়াই যুক্তরাজ্যে ভ্রমণ করতে পারতেন। যুক্তরাজ্য সরকার জানিয়েছে, ইটিএ ব্যবস্থা অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরও নিরাপদ ও কার্যকর করবে। আবেদনকারীদের অনলাইনে বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে পাসপোর্টের তথ্য, যোগাযোগের নম্বর ও ছবি জমা দিতে হবে। ইটিএর ফি ১৬ পাউন্ড এবং এটি দুই বছর বা পাসপোর্টের মেয়াদ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
এই অনুমতি নিয়ে পর্যটন, ব্যবসা বা স্বল্পমেয়াদি পড়াশোনার জন্য যুক্তরাজ্যে একাধিকবার যাওয়া যাবে, তবে প্রবেশের আগে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ব্রিটিশ ও আইরিশ নাগরিকদের জন্য ইটিএ প্রয়োজন নেই। তবে দ্বৈত নাগরিকদের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছে, কারণ ব্রিটিশ পাসপোর্ট বা ‘সার্টিফিকেট অব এনটাইটেলমেন্ট’ না থাকলে তাদের যুক্তরাজ্যে প্রবেশে বাধা পেতে হতে পারে।
হোম অফিস জানিয়েছে, বিমান ও পরিবহন সংস্থাগুলো যাত্রার আগে ইটিএ যাচাই করবে এবং আবেদন অন্তত তিন কার্যদিবস আগে জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
৮৫ দেশের জন্য যুক্তরাজ্যে নতুন ইটিএ নিয়ম কার্যকর, অভিবাসন নিরাপত্তা জোরদার
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ৮৭ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।