মরক্কোর ফেজ শহরে আল কারাওইন বিশ্ববিদ্যালয় ৮৫৯ সালে ফাতিমা আল-ফিহরি প্রতিষ্ঠা করেন বলে উৎসে উল্লেখ করা হয়েছে। ইউনেস্কো ও গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এটিকে বর্তমানে কার্যক্রম চালু থাকা বিশ্বের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। মসজিদ ও মাদ্রাসা কমপ্লেক্স হিসেবে শুরু হওয়া প্রতিষ্ঠানটি হাজার বছরের বেশি সময় পরও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীকে আকর্ষণ করছে।
ইতিহাসবিদ ইবনে আবি জারের বর্ণনা অনুযায়ী, ফাতিমা ছিলেন কুরাইশ বংশের উত্তরসূরি ও ব্যবসায়ী মুহাম্মদ আল-ফিহরির কন্যা। স্বামী, বাবা ও ভাইয়ের মৃত্যুর পর তিনি এবং তাঁর বোন মারিয়াম বিপুল সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন। দুই বোন বিলাসিতার বদলে ইসলাম ও মানবতার কল্যাণে সম্পদ ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নেন। মারিয়াম আল আন্দালুস মসজিদ নির্মাণ করেন, আর ফাতিমা আল কারাওইন মসজিদ ও মাদ্রাসা কমপ্লেক্স গড়ে তোলেন।
কমপ্লেক্সটিতে মসজিদ, মাদ্রাসা ও গ্রন্থাগার রয়েছে। গ্রন্থাগারে ২০ হাজারের বেশি মধ্যযুগীয় হাতে লেখা বই এবং প্রায় চার হাজার দুর্লভ গ্রন্থ ও পাণ্ডুলিপি সংরক্ষিত আছে। ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশি পরে আইন, গণিত, চিকিৎসাবিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞানসহ নানা বিষয়ে পাঠদান শুরু হয়। ১৯৬৩ সালে রাজকীয় ফরমানের মাধ্যমে এটিকে আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং ১৯৬৫ সালে নামের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় শব্দটি যুক্ত হয়।
ফেজের আল কারাওইন ৮৫৯ সালে ফাতিমা আল-ফিহরির প্রতিষ্ঠিত
ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২৭ সেপ্টেম্বর মরক্কোর বিভিন্ন শহরে ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভ হয়েছে। মরক্কান ফ্রন্ট ফর সাপোর্টিং প্যালেস্টাইন অ্যান্ড অ্যাগেইনস্ট নরমালাইজেশনের তিন দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এসব সমাবেশে বিক্ষোভকারীরা ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ বন্ধের দাবি জানান। রাবাত, কাসাব্লাঙ্কা, মারাকেশ, তানজিয়ার, ফেজ, আগাদির, ওজদা, তেতুয়ান, কেনিত্রা ও সালে বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে।
১৬ সেপ্টেম্বর মরক্কো ও ইসরাইল কূটনৈতিক মিশন পূর্ণাঙ্গ দূতাবাসে উন্নীত এবং রাষ্ট্রদূত নিয়োগের ঘোষণা দেয়। নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র, মরক্কো ও ইসরাইলের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বিনিয়োগ সুরক্ষা, দ্বৈত কর এড়ানো, সরাসরি ফ্লাইট বৃদ্ধি এবং উচ্চপর্যায়ের সফর নিয়েও পরিকল্পনা নিশ্চিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের কাঠামোয় মরক্কো ২০২০ সালের ডিসেম্বরে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করে।
তানজিয়ারে নির্ধারিত একটি বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয় এবং স্থানীয় প্রতিবেদনে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনী কয়েকশ বিক্ষোভকারীকে ছত্রভঙ্গ করে ১২ জনের বেশি মানুষকে আটক করেছে। মরক্কান কমিটি ফর সাপোর্টিং দ্য নেশনস কজেস এসব নিষেধাজ্ঞা ও আটকের নিন্দা জানিয়েছে। গবেষক ক্যাথিয়া কে বেরাদা বলেন, সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ নিয়ে জনসমর্থন বা বিরোধিতার মাত্রা নির্ধারণে নির্ভরযোগ্য জনমত-তথ্য যথেষ্ট নয়।
ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক গভীর করার পরিকল্পনার বিরুদ্ধে মরক্কোজুড়ে বিক্ষোভ
মরক্কোর রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদ নগর পরিকল্পনামন্ত্রী ফাতিমা জাহরা এল মানসুরিকে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এর মাধ্যমে উত্তর আফ্রিকার দেশটির ইতিহাসে প্রথমবার একজন নারী সরকারপ্রধান হলেন ৫০ বছর বয়সী এই আইনজীবী। রাজপ্রাসাদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার আগে মারাকেশের মেয়রের দায়িত্ব পালন করা মানসুরিকে নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সংসদ নির্বাচনের ফল প্রকাশের চার দিন পর এই নিয়োগের ঘোষণা আসে। ওই নির্বাচনে মানসুরির মধ্যপন্থী অথেনটিসিটি অ্যান্ড মডার্নিটি পার্টি বা পিএএম সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছে। মরক্কোর নির্বাচনি ব্যবস্থায় কোনো একক দলের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া কঠিন হওয়ায় আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তাকে একটি জোট সরকার গঠন করতে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আরব বিশ্বে তিনি দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী; এর আগে তিউনিসিয়ার নাজলা বাউডেন এ দায়িত্ব পালন করেছেন।
মানসুরির নেতৃত্বাধীন সরকারের সামনে ২০৩০ ফিফা বিশ্বকাপ ঘিরে কয়েক বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ তদারকির দায়িত্ব থাকবে। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আয় বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হবে। সংবিধান অনুযায়ী রাজা প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিলেও সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়া দলের একজন প্রার্থীকে বেছে নিতে হয়; ২০১১ সালের আরব বসন্তের বিক্ষোভের পর এই বিধান চালু হয়।
ফাতিমা জাহরা এল মানসুরি মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হলেন
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে ইসরাইলের একতরফা পদক্ষেপ এবং আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা বারবার লঙ্ঘনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে মরক্কো। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে নীতি-নির্ধারণী ভাষণে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বুরিতা বলেন, গুরুতর বাড়াবাড়ি ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড মধ্যপ্রাচ্যে মধ্যপন্থার কণ্ঠ স্তব্ধ করে চরমপন্থা ও ঘৃণার মনোভাব উসকে দিচ্ছে।
বুরিতা বলেন, ফিলিস্তিন প্রশ্ন মরক্কোর পররাষ্ট্রনীতির অবিচ্ছেদ্য অগ্রাধিকার। তাঁর মতে, টেকসই শান্তির একমাত্র পথ হলো ১৯৬৭ সালের ৪ জুনের সীমান্ত অনুযায়ী পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন, সার্বভৌম ও কার্যকর ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, যা ইসরাইলের পাশে শান্তিতে অবস্থান করবে। ওআইসির আল-কুদস কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে বাদশাহ ষষ্ঠ মোহাম্মদের জেরুজালেমের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক, আধ্যাত্মিক ও আইনি মর্যাদা রক্ষার প্রচেষ্টার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
পশ্চিম তীরের পরিস্থিতিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক আখ্যা দিয়ে তিনি বসতি সম্প্রসারণ, আইন প্রণয়ন ও বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার কথা বলেন। বুরিতা গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং বাধাহীন পর্যাপ্ত ত্রাণ সরবরাহের আহ্বান জানান। মরক্কো প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে অংশ নেওয়া, ফিলিস্তিনি পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং একটি ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপনে প্রস্তুতির ঘোষণাও দিয়েছে।
আল-আকসা লঙ্ঘন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান মরক্কোর
মরক্কো ও ইসরাইল কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে নিজ নিজ কূটনৈতিক মিশনকে পূর্ণাঙ্গ দূতাবাসে উন্নীত এবং উভয় দেশে রাষ্ট্রদূত নিয়োগে একমত হয়েছে। বুধবার নিউইয়র্কে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ বৈঠকটির আয়োজন করেন।
বৈঠকে ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সা’আর এবং মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বুরিতা অংশ নেন। তারা অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের বিষয়েও সম্মত হন। চলতি বছরের শেষ নাগাদ বিনিয়োগ সুরক্ষা এবং দ্বৈত কর পরিহারসংক্রান্ত দুটি চুক্তি সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিন দেশের যৌথ বিবৃতিতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের মিশন বলেছে, মরক্কো ও ইসরাইলের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ, শান্তিপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উভয় দেশের অভিন্ন স্বার্থে এবং শান্তির অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবে। দুই দেশ বিমান যোগাযোগ বাড়াতে এবং উভয় দেশের বিমান সংস্থার সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেবে। আগামী কয়েক মাসে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের পারস্পরিক সফরের পরিকল্পনাও নিশ্চিত করা হয়েছে।
মরক্কো ও ইসরাইল মিশনকে দূতাবাসে উন্নীত ও রাষ্ট্রদূত নিয়োগে একমত
মরক্কো ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফৌজি লেকজা বলেছেন, ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল কাসাব্লাঙ্কায় অনুষ্ঠিত হবে। স্প্যানিশ সংবাদ সংস্থা ইএফইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান। তবে ফাইনালের ভেন্যু নিয়ে ফিফা এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি।
ফাইনাল আয়োজনের লক্ষ্যে কাসাব্লাঙ্কা থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরের বেনসলিমান অঞ্চলে নির্মাণ করা হচ্ছে বিশাল হাসান দ্বিতীয় স্টেডিয়াম। প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মাণাধীন স্টেডিয়ামটিতে এক লাখ ১৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
ফাইনাল আয়োজন নিয়ে স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে, যদিও লেকজার বক্তব্যে মরক্কোর আত্মবিশ্বাস ফুটে উঠেছে। ২০৩০ বিশ্বকাপ তিন মহাদেশের ছয় দেশে অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী তিন ম্যাচ হবে আর্জেন্টিনা, প্যারাগুয়ে ও উরুগুয়েতে; এরপর মূল পর্বের ম্যাচ আয়োজন করবে মরক্কো, পর্তুগাল ও স্পেন।
মরক্কো ফুটবল প্রধানের দাবি, ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল হবে কাসাব্লাঙ্কায়
বিচারব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে সরকারের সঙ্গে বিরোধের জেরে মরক্কোর আইনজীবীরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। আইনজীবী সমিতিগুলো বলেছে, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আদালতে পেশাগত সেবা দেওয়া বন্ধ রাখবেন। মরক্কোর আইনজীবী সমিতিগুলোর সংগঠন গত ১৫ জুন থেকে এই ধর্মঘট পালন করছে, ফলে অনেক বিচারপ্রার্থী আইনজীবীর সহায়তা পাচ্ছেন না।
আইনজীবীদের অভিযোগ, সরকারের প্রস্তাবিত সংস্কার আইন তাদের স্বাধীনতা ও পেশাগত স্বায়ত্তশাসন ক্ষতিগ্রস্ত করবে। আইনমন্ত্রী আবদেলাতিফ ওয়াহবির উদ্যোগে আনা সংস্কারে আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং পেশাগত সংগঠনের অভ্যন্তরীণ পরিচালনায় বড় পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দীর্ঘ বৈঠকের পর আইনজীবী সংগঠনগুলো জানায়, আইনটি বাতিলের দাবিতে তাদের আন্দোলন চলবে।
সংগঠনগুলোর ভাষ্য, আইনটি বাতিল হলে আইনজীবী পেশার স্বাধীনতা, প্রতিরক্ষার অধিকার এবং সংগঠন পরিচালনার স্বায়ত্তশাসন রক্ষা করা সম্ভব হবে। ফেব্রুয়ারিতেও আইনজীবীরা দফায় দফায় ধর্মঘট ও জাতীয় পর্যায়ে বিক্ষোভ করেছিলেন। যৌথ কমিশন গঠনের সিদ্ধান্তে উত্তেজনা কমলেও, মে মাসের মাঝামাঝি সংসদীয় কমিটিতে আইনটি অনুমোদনের পর পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়। পরে সংসদে আইনটি পাস হয় এবং ধর্মঘট চলতে থাকায় আদালত ব্যবহারকারীরা প্রভাবিত হচ্ছেন।
সংস্কার আইন বাতিলের দাবিতে আদালতে সেবা বন্ধ রেখে ধর্মঘট চালিয়ে যাচ্ছেন মরক্কোর আইনজীবীরা
কাসাব্লাঙ্কার একটি মরক্কান আদালত আন্তর্জাতিক মাদক পাচার ও দুর্নীতির মামলায় ২৯ জনকে সর্বোচ্চ ১২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে ঘোষিত এই রায় দুই বছরের বিচার প্রক্রিয়ার সমাপ্তি ঘটায়, যা মরক্কোর ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ দুর্নীতি বিরোধী অভিযান হিসেবে বিবেচিত। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন নির্মাণ ব্যবসায়ী ও সাবেক আঞ্চলিক কাউন্সিল সভাপতি আবদেন্নেবি বিউই, কাসাব্লাঙ্কার উইদাদ এ সি ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাঈদ নাসিরি এবং সাবেক সংসদ সদস্য বেলকাসেম মির—তিনজনই শাসক পিএএম দলের জ্যেষ্ঠ সদস্য। বিউইকে ১২ বছর, নাসিরিকে ১০ বছর এবং মিরকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, অন্যদের দুই থেকে নয় বছরের মধ্যে সাজা হয়েছে।
মামলাটি শুরু হয়েছিল মালির কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী এল হাজ আহমেদ বেন ব্রাহিমের সাক্ষ্য থেকে, যিনি “সাহারার পাবলো এস্কোবার” নামে পরিচিত। তিনি অভিযোগ করেন, ২০১৯ সালে গ্রেপ্তারের পর তার মরক্কান সহযোগীরা তার সম্পদ দখল করে। তদন্তে প্রকাশ পায়, নেটওয়ার্কটি উত্তর আফ্রিকা হয়ে ইউরোপে মরক্কোর গাঁজা রজন এবং লাতিন আমেরিকার কোকেন পাচার করত।
আদালত সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেয় এবং শত শত মিলিয়ন ডলারের জরিমানা আরোপ করে। এই কেলেঙ্কারি রাজপর্যায়ে পৌঁছালে রাজা মোহাম্মদ ষষ্ঠ সংসদীয় নৈতিকতা সংস্কারের আহ্বান জানান।
মরক্কোতে রাজনীতিক ও ক্রীড়া ব্যক্তিসহ ২৯ জনের কারাদণ্ড, বড় মাদক মামলার রায়
মরক্কো ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ডিফেন্ডার নুসাইর মাজরাউই জানিয়েছেন, ২০২৬ বিশ্বকাপের পর তিনি পেশাদার ফুটবল থেকে অবসর নিতে চান। বর্তমানে ২৮ বছর বয়সে ক্যারিয়ারের সেরা সময় পার করছেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে মাজরাউই বলেন, ফুটবল জীবনের পরবর্তী অধ্যায়টি তিনি সম্পূর্ণভাবে ধর্মীয় জ্ঞানার্জন ও আত্মিক উন্নয়নে উৎসর্গ করতে চান। তার লক্ষ্য হলো সম্পূর্ণ কোরআন মুখস্থ করা এবং ভবিষ্যতে মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করা।
মাজরাউই মনে করেন, ফুটবল তাকে খ্যাতি, অর্থ ও ভালোবাসা দিয়েছে, কিন্তু জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য পূরণের জন্য আরও সময় প্রয়োজন। ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবলে এমন সিদ্ধান্ত খুবই বিরল, বিশেষ করে যখন একজন খেলোয়াড় ক্যারিয়ারের মধ্যগগনে অবস্থান করছেন।
যদি মাজরাউই সত্যিই অবসর নেন, তাহলে ফুটবল বিশ্ব হারাবে একজন দক্ষ ডিফেন্ডারকে, তবে ধর্মীয় ও নৈতিকতার আলোয় শুরু হবে তার জীবনের নতুন অধ্যায়।
২০২৬ বিশ্বকাপের পর হাফেজ ও ইমাম হতে চান মাজরাউই
২০২৬ সালের ২০ জুন শনিবার ভোরে বোস্টনে অনুষ্ঠিত ‘সি’ গ্রুপের ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ১–০ গোলে হারিয়েছে মরক্কো। ম্যাচের শুরুতেই মাত্র ৭০ সেকেন্ডে ব্রাহিম দিয়াজের পাস থেকে গোল করেন ইসমাইল সাইবারি। এই দ্রুততম গোলেই জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে মরক্কো। যদিও আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল, তারা ব্যবধান বাড়াতে পারেনি, তবে রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় স্কটল্যান্ডকে সমতায় ফিরতে দেয়নি।
মরক্কো বল দখলে ছিল এগিয়ে, ৫৯ শতাংশ সময় বল নিয়ন্ত্রণে রেখে ১২টি শট নেয়, যার মধ্যে ২টি ছিল লক্ষ্যে। স্কটল্যান্ড ৩৯ শতাংশ বল দখলে রেখেও ৬টি শটের একটিও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি। সাইবারি আফ্রিকান ফুটবলে নতুন রেকর্ড গড়েছেন—মোহাম্মদ সালাহর পর তিনিই দ্বিতীয় খেলোয়াড় যিনি নিজের প্রথম দুই বিশ্বকাপ ম্যাচেই গোল করেছেন।
এই জয়ে মরক্কো ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠেছে। সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে স্কটল্যান্ড, তৃতীয় ব্রাজিল এবং চতুর্থ হাইতি। পরের ম্যাচে মরক্কো মুখোমুখি হবে হাইতির, আর স্কটল্যান্ড খেলবে ব্রাজিলের বিপক্ষে।
সাইবারির ৭০ সেকেন্ডের গোলে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে শীর্ষে মরক্কো
২০২৬ সালের ১৮ মে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মরক্কোর ফেজ শহরে অবস্থিত আল-কারউয়্যিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। ৮৫৯ খ্রিষ্টাব্দে ফাতিমা আল-ফিহরি তার উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদ দিয়ে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে এটি একটি মসজিদ হিসেবে গড়ে উঠলেও পরবর্তীতে ইবাদত ও জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি মুসলিম বিশ্বের জ্ঞান উৎপাদন ও চিন্তার বিকাশের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে ওঠে।
এখানে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আরবি ভাষা, দর্শন, যুক্তিবিদ্যা, গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান ও চিকিৎসাশাস্ত্র পড়ানো হতো। মুসলিম সভ্যতার স্বর্ণযুগে এটি ইউরোপ ও মুসলিম বিশ্বের মধ্যে জ্ঞান ও সংস্কৃতির সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করেছে। ইবনে খালদুন, ইবনে রুশদ ও মোহাম্মদ আল-ইদ্রিসির মতো খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিভিন্ন শাসকের পৃষ্ঠপোষকতায় এটি সম্প্রসারিত হয় এবং বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন কার্যকর গ্রন্থাগার গড়ে ওঠে।
ইউনেসকো ও গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস আল-কারউয়্যিনকে বিশ্বের প্রাচীনতম ধারাবাহিকভাবে কার্যকর বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ১৯৬৩ সালে মরক্কো সরকার এটিকে আধুনিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করে, তবে এর ঐতিহ্য ও ধর্মীয় শিক্ষার ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
মরক্কোর আল-কারউয়্যিন বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের প্রাচীনতম কার্যকর বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃত
২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিজেদের দলকে আরও শক্তিশালী করতে ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া মিডফিল্ডার আইয়ুব বুয়াদিকে দলে নিয়েছে মরক্কো। ফ্রান্সের বয়সভিত্তিক দলের সাবেক অধিনায়ক এই তরুণ ফুটবলার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মরক্কোর প্রতিনিধিত্ব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ফিফা তার ক্রীড়া জাতীয়তা পরিবর্তনের আবেদন অনুমোদন করেছে, ফলে এখন থেকে তিনি মরক্কোর হয়ে সব ধরনের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন।
ফরাসি ক্লাব লিলের হয়ে খেলা ১৮ বছর বয়সি বুয়াদি ইতোমধ্যে ৯০টির বেশি ম্যাচ খেলেছেন এবং মাত্র ১৬ বছর তিনদিন বয়সে ইউরোপীয় ক্লাব প্রতিযোগিতায় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে রেকর্ড গড়েছেন। দ্বৈত নাগরিকত্বধারী খেলোয়াড়দের দলে টানতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মরক্কো বেশ সক্রিয়, সম্প্রতি ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া ডিফেন্ডার ইসা দিওপ ও সাবেক বেলজিয়াম অনূর্ধ্ব-১৯ অধিনায়ক রায়ানে বুনিদাকেও দলে নিয়েছে।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে সেমিফাইনালে ওঠা মরক্কো এবার আরও বড় সাফল্যের লক্ষ্য নিয়েছে। আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপের জন্য শিগগিরই চূড়ান্ত দল ঘোষণা করবে মরক্কো ফুটবল ফেডারেশন।
ফিফার অনুমোদনে মরক্কোর হয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবেন ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া আইয়ুব বুয়াদি
২০২৩ সালের এপ্রিলে সুদানে শুরু হওয়া যুদ্ধ থেকে পালিয়ে আসা বহু সুদানি শরণার্থী এখন মরক্কোর পূর্ব সীমান্তে আটকে পড়েছে। ১৭ বছর বয়সী আমির আলির মতো অনেকে লিবিয়া ও আলজেরিয়া পেরিয়ে মরক্কো পৌঁছানোর পথে নির্যাতন, পাচার ও আটক হওয়ার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। মরক্কো ১৯৫১ সালের শরণার্থী কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী হলেও, এখনো জাতীয় আশ্রয় আইন কার্যকর করেনি। ফলে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) নিজস্ব ম্যান্ডেট অনুযায়ী নিবন্ধন ও মর্যাদা নির্ধারণের কাজ পরিচালনা করছে।
২০২৫ সালের শেষে মরক্কোতে নিবন্ধিত শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২২,৩৭০, যার মধ্যে সুদানি নাগরিকরাই নতুন আগমনকারীদের বৃহত্তম অংশ। কিন্তু তারা স্বাস্থ্যসেবা, বাসস্থান ও আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানে প্রবেশে মারাত্মক সীমাবদ্ধতার মুখে রয়েছে। মানবাধিকার সংস্থা ও সাহায্যকর্মীরা জানিয়েছেন, সীমান্তে পুলিশি ধাক্কা ও দক্ষিণে জোরপূর্বক স্থানান্তর এখনো ঘটছে। ফঁদাসিওঁ ওরিয়ঁ-অক্সিদঁ সংস্থা বলেছে, সুদানি শরণার্থীরা গভীর মানসিক আঘাত ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
ইউএনএইচসিআর সতর্ক করেছে যে ২০২৫ সালের মানবিক তহবিল সংকটের কারণে নিবন্ধন ও সহায়তা কার্যক্রম ধীর হয়েছে, ফলে অনেক শরণার্থী আটক, পুনর্বাসন বিলম্ব ও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।
মরক্কোতে সুদানি শরণার্থীরা আইনি অনিশ্চয়তা ও সীমিত সহায়তার মধ্যে আটকে আছে
ভারী বর্ষণে মরক্কোর উত্তরাঞ্চলে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ বন্যা, যার ফলে চারটি প্রদেশ থেকে লক্ষাধিক মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। লারাচে প্রদেশের সার এল-কেবির শহর থেকে প্রায় ৮১ হাজার ৭০৯ জন, সিদি কাসেম থেকে ৯ হাজার ৭২৮ জন, সিদি স্লিমানে থেকে ২ হাজার ৮৫৩ জন এবং কেনিত্রা প্রদেশ থেকে ১৪ হাজার ১৩৩ জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, দুর্যোগের প্রভাব কমাতে জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ম্যাসন ভ্যালিতে পানির স্তর বেড়ে যাওয়ায় পূর্ব মরক্কোর গুয়েরসিফের উপকণ্ঠে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।
বন্যার কারণে টাঙ্গিয়ার ও তেতুয়ান সংযোগকারী রুটসহ লারাচে, কেনিত্রা, সিদি কাসেম ও সিদি স্লিমানের প্রধান সড়কগুলোতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
উত্তর মরক্কোতে ভয়াবহ বন্যায় এক লাখের বেশি মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে
মরক্কোর আটলান্টিক উপকূলীয় সাফি প্রদেশে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অন্তত ২১ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হয়েছেন। রবিবার মরক্কো কর্তৃপক্ষ জানায়, আহতদের বেশিরভাগই ইতিমধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। এক ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতে সাফির পুরাতন শহরের ৭০টিরও বেশি ঘরবাড়ি ও দোকান প্লাবিত হয়, বহু গাড়ি ভেসে যায় এবং আশপাশের রাস্তাঘাট ভেঙে পড়ে, ফলে বন্দর নগরীর বিভিন্ন রুটে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাটিকে এক “কালো দিন” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আবহাওয়া দপ্তর মঙ্গলবার পর্যন্ত আরও ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে, যা সাত বছরের দীর্ঘ খরার পর মরক্কোতে জলবায়ুর বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য নতুন বন্যার আশঙ্কা করছে।
এই দুর্যোগ মরক্কোর জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি ও নগর অবকাঠামোর দুর্বলতা নতুন করে সামনে এনেছে। ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারকে প্রস্তুতি জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মরক্কোর সাফিতে আকস্মিক বন্যায় ২১ জন নিহত, সাত বছরের খরার পর প্রবল বৃষ্টি
মরক্কোর ঐতিহাসিক নগরী ফেজে বুধবার ভোরে পাশাপাশি থাকা চারতলা দুটি ভবন ধসে অন্তত ১৯ জন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, আল-মুস্তাকবাল এলাকায় অবস্থিত ভবন দুটি দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে ছিল এবং সেখানে আটটি পরিবার বসবাস করত। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন, নিরাপত্তা সংস্থা ও বেসামরিক সুরক্ষা বিভাগ দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এসএনআরটি জানায়, ধসে পড়া ভবনগুলোতে বহুদিন ধরে ফাটলের চিহ্ন দেখা যাচ্ছিল, কিন্তু ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়নি। রয়টার্স জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির তথ্য তারা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ও তাৎক্ষণিক মন্তব্য দেয়নি।
দুই মাস আগে ফেজে জীবনযাত্রার অবনতি ও জনসেবার ঘাটতি নিয়ে বিক্ষোভ হয়েছিল। এই দুর্ঘটনা পুরনো নগরীগুলোর ভবন নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার দুর্বলতা নতুন করে সামনে এনেছে।
ফেজে জোড়া ভবন ধসে ১৯ নিহত, মরক্কোর নগর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ২৩৭ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।