মালয়েশিয়া থেকে ৯ আগস্ট ১৯৬৫ সালে স্বাধীন হওয়ার পর বেকারত্ব, আবাসনসংকট, জাতিগত উত্তেজনা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা মোকাবিলা করে সিঙ্গাপুর সমৃদ্ধ অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে বলে নিবন্ধে বলা হয়েছে। প্রাকৃতিক সম্পদ ও বড় অভ্যন্তরীণ বাজারের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও দেশটি নগর ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক দক্ষতার উদাহরণ গড়ে তোলে। নিবন্ধে উদ্ধৃত বিশ্বব্যাংকের ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির মাথাপিছু জিডিপি প্রায় ৯৮ হাজার ৮১৪ ডলার এবং মোট জিডিপি প্রায় ৬০৪ বিলিয়ন ডলার।
নিবন্ধটি প্রতিষ্ঠাতা প্রধানমন্ত্রী লি কুয়ান ইউর পাশাপাশি অর্থনীতিবিদ, পরিকল্পনাবিদ, প্রশাসক, প্রকৌশলী ও শিক্ষাবিদদের যৌথ ভূমিকার কথা তুলে ধরেছে। গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের কাছের অবস্থানকে ব্যবহার করে রপ্তানিমুখী শিল্পায়ন, বাণিজ্য ও বিদেশি বিনিয়োগের কৌশল নেওয়া হয়। ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট বোর্ড, অবকাঠামো, দক্ষ জনশক্তি এবং দুর্নীতি দমন কাঠামো এ প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে।
আবাসন, শিক্ষা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও বহুজাতিক সমাজে অন্তর্ভুক্তিকেও উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে দেখানো হয়েছে। ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত এইচডিবি তিন বছরের মধ্যে ২১ হাজারের বেশি আবাসন ইউনিট নির্মাণ করে। পরে গৃহমালিকানা, জাতিগত সমন্বয়, কারিগরি প্রশিক্ষণ, পানি নিরাপত্তা, পরিবহন ও ভূমি ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগ বাড়ানো হয়।
বাণিজ্য, প্রতিষ্ঠান, আবাসন ও দক্ষতায় সিঙ্গাপুরের উন্নয়নের পথ তুলে ধরা হয়েছে
সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো ২০২৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে সিঙ্গাপুরে অপরিশোধিত তেল মজুত শুরু করবে। সৌদি আরব ও সিঙ্গাপুরের জ্বালানিমন্ত্রীরা এ তথ্য জানিয়েছেন। হরমুজ প্রণালি ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বিঘ্নের মধ্যে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের প্রভাব জ্বালানি বাজার ও বাণিজ্যিক পরিবহন খাতে অব্যাহত রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসির সংকলিত তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ক্ষেত্রে চলতি বছরের অক্টোবর ছিল সবচেয়ে খারাপ মাস।
সিঙ্গাপুরে এক শিল্পবিষয়ক অনুষ্ঠানে আইইএ প্রধান ফাতিহ বিরল জ্বালানি বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ২০২৭ সালেও বাজার যুদ্ধ শুরুর আগের অবস্থায় ফিরবে বলে তিনি মনে করেন না। সিঙ্গাপুরে তেল মজুতের উদ্যোগকে আরামকোর আঞ্চলিক সরবরাহব্যবস্থা ও সংকট মোকাবিলার প্রস্তুতি জোরদারের পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
২০২৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে সিঙ্গাপুরে অপরিশোধিত তেল মজুত করবে সৌদি আরামকো
সিঙ্গাপুরের মেরিটাইম অ্যান্ড পোর্ট অথরিটি জানিয়েছে, ১৩ ও ১৪ অক্টোবর হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী দুটি কনটেইনার জাহাজ ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রজেক্টাইলের লক্ষ্যবস্তু হয়। ‘জিএফএস প্রাইড’ নামের একটি জাহাজ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আগুন ধরে ডুবে যায়। জাহাজটির ২১ জন ক্রু সদস্যকেই নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।
সিঙ্গাপুরের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘জেএফএস জিসেল’ নামের অপর জাহাজটিও ক্ষতিগ্রস্ত হলেও নিরাপদ স্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। ওই জাহাজের ২২ জন ক্রু সদস্যই নিরাপদ আছেন এবং কোনো হতাহতের খবর নেই। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুটি জাহাজেই কোনো সিঙ্গাপুরের নাগরিক ছিলেন না।
এর আগে রেভল্যুশনারি গার্ডসের নৌবাহিনী বলেছিল, একটি ‘আইন লঙ্ঘনকারী কনটেইনার জাহাজ’ নৌ-মাইনের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে আগুন ধরে ডুবে গেছে। তাদের জনসংযোগ দপ্তর জানায়, জাহাজটি হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ অংশে ডুবেছে, তবে মালিকানাধীন দেশের নাম বলা হয়নি। সিঙ্গাপুর ঘটনাগুলোকে ‘অযৌক্তিক এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’ বলেছে।
হরমুজ প্রণালিতে লক্ষ্যবস্তু হওয়া সিঙ্গাপুরের দুই জাহাজের একটি ডুবেছে
সিঙ্গাপুরে কর্মরত বাংলাদেশি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কারদের সমস্যা ও প্রয়োজন চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরতে সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ সোসাইটি এবং দেশটির জনশক্তি মন্ত্রণালয় একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে। রোববার, ১১ অক্টোবর, সিঙ্গাপুরের জুরং ইস্টে নেস্ট ডরমিটরি অফিসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিঙ্গাপুরের জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী দীনেশ বাসু দাস। তিনি সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশি মাইগ্র্যান্ট কর্মীদের অবদানের গুরুত্ব তুলে ধরে তাদের কল্যাণে সংগঠন ও সরকারি সংস্থার পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। সোসাইটির নেতারা বলেন, বাংলাদেশি কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে দেশটির অর্থনীতি ও গুরুত্বপূর্ণ খাতে অবদান রাখছেন।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় কর্মসংস্থান, আবাসন, নিরাপত্তা, কল্যাণ ও কর্মপরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় সহায়তায় সোসাইটি ভূমিকা রাখবে। সোসাইটি আশা করছে, মন্ত্রণালয়, নিয়োগকর্তা, ডরমিটরি কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সমন্বয় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য আরও কার্যকর ও বাস্তবমুখী উদ্যোগ নিতে সহায়তা করবে।
বাংলাদেশি মাইগ্র্যান্ট কর্মীদের কল্যাণে সিঙ্গাপুরে নতুন সমঝোতা স্মারক
সিঙ্গাপুর গণপরিবহনে বিরক্তিকর ও শৃঙ্খলাভঙ্গকারী আচরণের বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে। বাসে জোরে গান বা মোবাইলের ভিডিও চালানো, সিটের ওপর পা তুলে বসা, খাওয়া-দাওয়া এবং ময়লা ফেলার জন্য যাত্রীদের সর্বোচ্চ ৫০০ সিঙ্গাপুর ডলার জরিমানা করা হতে পারে। গুরুতর অপরাধে জরিমানা সর্বোচ্চ ৫ হাজার সিঙ্গাপুর ডলারে উঠতে পারে।
সিঙ্গাপুরের ল্যান্ড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি জানিয়েছে, গণপরিবহন সবার অভিন্ন জায়গা এবং যাত্রীদের অন্যদের কথা বিবেচনা করা উচিত। কোনো যাত্রীর আচরণে অন্যদের চলাচলে বাধা বা নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হলে বেশি জরিমানা হবে। বাস, বাস ইন্টারচেঞ্জ বা টার্মিনালের কোনো অংশ নোংরা করাও গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
নতুন নিয়ম বাস্তবায়ন করবেন অনুমোদিত বাসকর্মীরা, যাদের মধ্যে টিকিট পরিদর্শক ও বাস ইন্টারচেঞ্জের কর্মীরাও রয়েছেন। সন্দেহভাজন অপরাধীকে তারা আনুষ্ঠানিক নোটিশ দিতে পারবেন। এমআরটিতে এ ধরনের বিধিনিষেধ আগে থেকেই ছিল, যেমন খাবার খাওয়ার ওপর দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা। বাসে আগে বিষয়গুলো পরিবহন কোম্পানির নীতিতে পরিচালিত হলেও এখন আনুষ্ঠানিক জরিমানার সুযোগ তৈরি হলো।
জোরে গান, ময়লা ফেলা ও বিশৃঙ্খল আচরণে সিঙ্গাপুরের বাসে জরিমানা
কমে আসা পাঠাভ্যাস ফিরিয়ে আনতে এবং মোবাইল ফোনে অকারণে দীর্ঘ সময় স্ক্রল করার বিকল্প হিসেবে বই পড়ায় উৎসাহ দিতে সিঙ্গাপুর সরকার চলতি মাসে একটি কর্মসূচি চালু করেছে। সরকারি ওয়েবসাইটে পড়ার সময় নথিভুক্ত করলে অংশগ্রহণকারীরা অর্থ পাবেন। কর্মসূচিতে অংশ নিতে অন্তত ১৫ মিনিট বই পড়তে হবে এবং প্রতিদিন সর্বোচ্চ একটি সেশন নথিভুক্ত করা যাবে।
৫০টি সেশন সম্পন্ন হলে একজন অংশগ্রহণকারী পাবেন ১ সিঙ্গাপুর ডলার। বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থের পরিমাণ সামান্য হলেও এটি নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গঠনে সহায়ক হতে পারে। মনোবিজ্ঞানী জনাথন হেইডট বলেন, বিশেষত শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে পুরস্কার কোনো আচরণ শুরু করতে কার্যকর হতে পারে। তবে শুধু অর্থের জন্য পড়লে পুরস্কার বন্ধ হলে অভ্যাসও থেমে যেতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক লরি বারিলের মতে, মূল বিষয় হলো প্রণোদনা বন্ধ হওয়ার পরও মানুষ পড়া চালিয়ে যায় কি না। সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক আইভো ভ্লায়েভ এই অর্থকে মজুরি নয়, কাজ শুরু করার ছোট একটি ট্রিগার হিসেবে দেখেন। বিশেষজ্ঞরা অর্থ, বই, সনদ, ব্যাজ, পয়েন্ট ও প্রতিযোগিতার মতো বিভিন্ন প্রণোদনা তুলনা করে দীর্ঘস্থায়ী পাঠাভ্যাসে কোনটি কার্যকর তা পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছেন।
পাঠাভ্যাস ফেরাতে পড়ার সময় নথিভুক্তির বিনিময়ে ক্ষুদ্র অর্থ দিচ্ছে সিঙ্গাপুর
সিঙ্গাপুরের অর্থনৈতিক নীতির পরবর্তী ধাপে বিদেশি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের বিকল্প হিসেবে দেশীয় বড় বহুজাতিক বা ‘চ্যাম্পিয়ন’ কোম্পানি গঠনে অতিরিক্ত জোর না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বরং এমন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে, যাতে বৈশ্বিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সিঙ্গাপুরকে এড়িয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে ওঠে। বিশ্বমানের সিঙ্গাপুরীয় কোম্পানি তৈরিকে সাফল্যের একমাত্র মানদণ্ড না ধরে, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে দেশটির অপরিহার্যতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
সূত্রের মতে, অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতার জন্য প্রতিটি খাতে বড় স্থানীয় কোম্পানি থাকা জরুরি নয়। এর বদলে ডিপ-টেক, দীর্ঘমেয়াদি বা ‘পেশেন্ট ক্যাপিটাল’ এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানকে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার অপরিহার্য অংশীদারে পরিণত করা বেশি কার্যকর হতে পারে। এতে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক কোম্পানির সরবরাহ ও উৎপাদন নেটওয়ার্কে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করতে পারবে।
বিশ্বজুড়ে পরিচিত বড় সিঙ্গাপুরীয় কোম্পানির সংখ্যা কম—এমন সমালোচনার প্রেক্ষাপটে AEM Holdings ও Micro-Mechanics-এর উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। নির্দিষ্ট প্রযুক্তি বা শিল্পখাতে প্রতিষ্ঠান দুটি বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। প্রস্তাবিত পথে এসএমই, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকে আরও শক্তিশালী করার কথা বলা হয়েছে।
দেশীয় বহুজাতিকের বদলে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় সিঙ্গাপুরের ভূমিকা জোরদারের আহ্বান
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ী ও সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান ফোর্বসের ২০২৬ সালের সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় জায়গা পাননি। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস ২ সেপ্টেম্বর তালিকাটি প্রকাশ করে। ফোর্বসের বিলিয়নিয়ার প্রোফাইল অনুযায়ী, তার বর্তমান সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার। সিঙ্গাপুরের নাগরিক ও বাসিন্দা আজিজ খানের নাম ২০১৮ সালে প্রথম এই তালিকায় ওঠে।
২০২৫ সালের তালিকায় আজিজ খান ৪৯তম অবস্থানে ছিলেন এবং তখন তার আনুমানিক সম্পদ ছিল ১১০ কোটি ডলার। ২০২৪ সালে তিনি ৪৩তম ছিলেন। এবারের তালিকায় থাকা ৫০ ব্যক্তি ও পরিবারের মোট সম্পদ ২৩৯ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের সমান। তালিকায় প্রবেশের ন্যূনতম সম্পদের সীমাও ১০০ কোটি ডলার ছিল, ফলে তার সম্পদ নির্ধারিত সীমার কাছাকাছি রয়েছে।
২০২৬ সালের তালিকায় ৩২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার নিয়ে শীর্ষে আছেন ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা এদুয়ার্দো স্যাভেরিন। ফোর্বস মালিকানাধীন শেয়ার, আর্থিক প্রতিবেদন, শেয়ারবাজারের তথ্য ও নির্ভরযোগ্য উৎস ব্যবহার করে হিসাব করেছে; ভিত্তি ছিল ১৪ আগস্ট ২০২৬ বাজার বন্ধের সময়ের শেয়ারদর ও বিনিময় হার। আজিজ খানের সম্পদের প্রধান উৎস বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো ব্যবসা।
ফোর্বসের ২০২৬ সালের সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় নেই আজিজ খান
শিল্প, জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা খাতের ভবিষ্যৎ চাহিদা মেটাতে সমুদ্র থেকে ভূমি পুনরুদ্ধার করে নতুন পশ্চিমাঞ্চলীয় দ্বীপ গড়ার পরিকল্পনা করেছে সিঙ্গাপুর। প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওয়ং সম্প্রতি ন্যাশনাল ডে র্যালিতে এ পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও জ্বালানি কেন্দ্র জুরং দ্বীপের দক্ষিণে আগামী কয়েক দশকে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে।
পালাউ সেমাকাউ, পালাউ বুকোম, পালাউ সুদংসহ কয়েকটি দ্বীপ একীভূত করে নতুন দ্বীপটি তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সেখানে হাইড্রোজেন, অ্যামোনিয়া, উন্নত উৎপাদনশিল্প এবং বিভিন্ন কম-কার্বন জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য বড় জায়গা পাওয়া যাবে। এর মাধ্যমে জুরং দ্বীপের শিল্প কার্যক্রমও আরও শক্তিশালী হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা নতুন দ্বীপে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অবকাঠামোর সম্ভাবনাও দেখছেন, তবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ ব্যবহারে সিঙ্গাপুর এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। ভূমি পুনরুদ্ধার, পরিবহন, বিদ্যুৎ ও ইউটিলিটি অবকাঠামোয় বিপুল বিনিয়োগ লাগতে পারে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, জরুরি যোগাযোগ এবং পরিবেশগত প্রভাব বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। পরিকল্পনাটির লক্ষ্য জ্বালানি নিরাপত্তায় বিকল্প ও স্থিতিশীলতা বাড়ানোও।
ভবিষ্যৎ শিল্প, জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা চাহিদায় নতুন দ্বীপ গড়ার পরিকল্পনা সিঙ্গাপুরের
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলের পরিকল্পিত বসতি সম্প্রসারণ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে সিঙ্গাপুর। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র সোমবার বলেন, পশ্চিম তীরের ই১ এলাকায় নতুন বসতি নির্মাণ অঞ্চলটিকে আরও খণ্ডিত করবে এবং দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। সিঙ্গাপুরের মতে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপন আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।
সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে। মুখপাত্র বলেন, ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সহিংসতা বন্ধে ইসরাইলকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে এবং হামলার দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। প্রাসঙ্গিক জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ প্রস্তাবের ভিত্তিতে আলোচনার মাধ্যমে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানকেই সংঘাতের ন্যায়সংগত ও স্থায়ী সমাধানের একমাত্র কার্যকর পথ বলেছে সিঙ্গাপুর।
গত ১৮ আগস্ট ইসরাইলি সরকার ই১ এলাকায় ১ হাজার ২০০টির বেশি আবাসিক ইউনিট নির্মাণে দরপত্র আহ্বান করে। প্রায় ১২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের পূর্ব জেরুজালেম-সংলগ্ন এলাকাটিতে প্রায় ৩ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনি বাস করেন, যাঁদের বেশির ভাগ ১৮টি গ্রামের বেদুইন সম্প্রদায়ের সদস্য। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরের সংযোগ আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও কানাডাও উদ্বেগ জানিয়েছে।
পশ্চিম তীরের ই১ এলাকায় বসতি সম্প্রসারণ পরিকল্পনা বন্ধে ইসরাইলকে সিঙ্গাপুরের আহ্বান
পরিবারগুলোর সন্তান পালনের আর্থিক চাপ কমানো ও শিশুদের দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা নিশ্চিত করতে সিঙ্গাপুর সরকার নতুন ‘এসজি চাইল্ড সাপোর্ট প্যাকেজ’ চালু করছে। প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওং ঘোষণা করেছেন, জন্মের পর থেকে ১৭ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতিটি শিশুর জন্য সরকারি সহায়তা প্রায় ৭০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলারে পৌঁছাবে। প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে ২৪ আগস্ট ২০২৬।
সরকারের হিসাবে নতুন সহায়তা প্যাকেজটির মূল্য ৬২ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার। এর সঙ্গে নবজাতকের জন্য বিদ্যমান ৫ হাজার ডলারের চিকিৎসা অনুদান এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের বার্ষিক শিক্ষা-অবদান যুক্ত হলে ১৭ বছর পর্যন্ত একটি শিশুর জন্য মোট সরকারি সহায়তা প্রায় ৭০ হাজার ডলার হবে।
বর্তমান ব্যবস্থায় জন্মক্রমের ভিত্তিতে একটি শিশু ২৭ হাজার ৫০০ থেকে ৫৬ হাজার ৫০০ সিঙ্গাপুর ডলার পর্যন্ত সরকারি সহায়তা পায়। নতুন ব্যবস্থায় জন্মক্রমভিত্তিক পার্থক্য থাকবে না এবং সব শিশু একই ধরনের সহায়তার আওতায় আসবে। প্রতিবেদনে দ্য জাপান টাইমস, দ্য স্ট্রেইট টাইমস ও রয়টার্সকে সূত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিঙ্গাপুরে ১৭ বছর পর্যন্ত প্রতিটি শিশুর জন্য প্রায় ৭০ হাজার ডলার সহায়তার পরিকল্পনা
সিঙ্গাপুরের ৬১তম জাতীয় দিবস উদযাপনের আবহে সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ সোসাইটি (এসবিএস) বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিয়ে ‘কমিউনিটি ফ্যামিলি ডে’ আয়োজন করেছে। রোববার সমুদ্রতীরবর্তী ইস্ট কোস্ট পার্কে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্য, তাঁদের পরিবার এবং বিভিন্ন দেশের অতিথিরা অংশ নেন। আয়োজনটি ছিল উৎসবমুখর এবং পরিবারকেন্দ্রিক।
অনুষ্ঠানে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, শিশুদের জন্য নানা আয়োজন এবং পরিবারভিত্তিক বিনোদনমূলক কার্যক্রম ছিল। পরিবেশ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে সমুদ্রসৈকত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কর্মসূচিও পালন করা হয়। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে সিঙ্গাপুরের বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে বাংলাদেশি কমিউনিটির সম্পৃক্ততা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল বাংলাদেশের বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান, যেখানে দেশি-বিদেশি প্রায় এক হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। প্রবাসে এই আয়োজনের মাধ্যমে চট্টগ্রামের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বাংলাদেশি সংস্কৃতি সবার সামনে উপস্থাপিত হয়। ১৯৮১ সাল থেকে অলাভজনক সংগঠন হিসেবে এসবিএস সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের কল্যাণ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে কাজ করছে।
ইস্ট কোস্ট পার্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ফ্যামিলি ডেতে মেজবানসহ নানা আয়োজন
সিঙ্গাপুরে কাজ করার সময় দেয়াল চাপা পড়ে রকিবুল হাসান রিপন (৩১) নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে শনিবার বিকেলে। তিনি গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সাতকুড়া গ্রামের শামসুল হকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভবনের কাজ করার সময় হঠাৎ দেয়াল ভেঙে পড়ে রিপনের মৃত্যু হয় ঘটনাস্থলেই। মৃত্যুর খবর তার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। রিপনের চার বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
স্বজনদের বরাতে জানা গেছে, তিন থেকে চার দিনের মধ্যে মরদেহ দেশে আনার প্রস্তুতি চলছে।
সিঙ্গাপুরে দেয়াল চাপায় বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু
ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় সিঙ্গাপুরের অর্থনীতিতে ধস নামার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী লরেন্স অং। ১ মে মে দিবসের ভাষণে তিনি বলেন, যুদ্ধের দ্রুত সমাপ্তির কোনো লক্ষণ নেই এবং আগামী মাসগুলোতে সরবরাহ ব্যবস্থা আরও বিঘ্নিত হতে পারে।
তিনি উল্লেখ করেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি ও জরুরি পণ্যের ওপর এশিয়ার দেশগুলোর গভীর নির্ভরশীলতা থাকায় এই সংকটের প্রভাব সবচেয়ে ভয়াবহ হবে। তার মতে, বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে, জ্বালানি ও খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পাবে এবং অনেক দেশ মন্দার মুখে পড়তে পারে। সিঙ্গাপুরও সরাসরি এই প্রভাব অনুভব করবে, যেখানে প্রবৃদ্ধি ধীর হবে এবং মুদ্রাস্ফীতি ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও পরিবারগুলোকে চাপে ফেলবে।
তিনি আরও সতর্ক করেন, হরমুজ প্রণালি দ্রুত খুলে দিলেও ক্ষতিগ্রস্ত বন্দর ও জ্বালানি অবকাঠামো পুনরুদ্ধার এবং সমুদ্রপথে মাইন অপসারণে সময় লাগবে। চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকট বিশ্ব অর্থনীতির ওপর এক অন্ধকার ছায়া ফেলেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধে সিঙ্গাপুরের অর্থনৈতিক ধসের আশঙ্কা
মার্কিন ডলারের বিপরীতে সিঙ্গাপুরি ডলার প্রায় এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে, যা এশীয় বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির প্রতিফলন বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। মুদ্রাটি ০.৩ শতাংশ শক্তিশালী হয়ে প্রতি ডলারের বিপরীতে ১.২৬৮৪ সিঙ্গাপুরি ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা ২০১৪ সালের অক্টোবরের পর সর্বোচ্চ। সিঙ্গাপুরের কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতিগত অবস্থান অপরিবর্তিত রাখবে—এমন প্রত্যাশা এবং জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য মুদ্রা হস্তক্ষেপের ইঙ্গিতের কারণে ডলারের ওপর চাপ বাড়ায় এই উত্থান ঘটে।
বিশ্লেষকদের মতে, ২৩ জানুয়ারি নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার পর্যালোচনার পর থেকেই ডলারের ওপর চাপ বাড়তে থাকে। এর ফলে জাপানি ইয়েনের মূল্য ১.২ শতাংশ বেড়েছে। ডলারের দুর্বলতার সুযোগে মালয়েশিয়ার রিঙ্গিত ২০১৮ সালের পর সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠেছে এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ওন তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, সিঙ্গাপুরের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হারের চেয়ে বিনিময় হার ব্যবস্থাপনায় বেশি গুরুত্ব দেয়, যা স্থিতিশীল অর্থনীতি, শক্তিশালী শেয়ারবাজার ও নির্ভরযোগ্য সরকারি বন্ড বাজারের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়িয়েছে।
গত এক বছরে মার্কিন ডলারের বিপরীতে সিঙ্গাপুরি ডলারের দাম প্রায় ৬ শতাংশ বেড়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও সিঙ্গাপুরের স্থিতিশীল নীতি ভবিষ্যতেও মুদ্রাটিকে শক্ত অবস্থানে রাখতে সহায়ক হবে।
এশীয় বাজারে আস্থা বৃদ্ধির মধ্যে সিঙ্গাপুরি ডলার এক দশকের সর্বোচ্চ অবস্থানে
সিঙ্গাপুরের উডল্যান্ডস এলাকার একটি আবাসিক ভবনে মাদকবিরোধী অভিযানে ১১ বাংলাদেশি ও একজন মিয়ানমার নাগরিকসহ মোট ১২ জন বিদেশি শ্রমিককে গ্রেফতার করেছে দেশটির সেন্ট্রাল নারকোটিকস ব্যুরো (সিএনবি)। বৃহস্পতিবার রাতে চার ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযানে হেলথ সায়েন্সেস অথরিটি, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড চেকপয়েন্টস অথরিটি, জনশক্তি মন্ত্রণালয় ও পুলিশের কর্মকর্তারা অংশ নেন। ৩৪ বছর বয়সী এক বাংলাদেশিকে মাদক পাচার ও সেবনের অভিযোগে আটক করা হয়। অভিযানে কাঁচের বোতল, কাটা স্ট্র ও রাবারের টিউবসহ মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। সিএনবির ডেপুটি কমান্ডিং অফিসার সুপারিনটেনডেন্ট জ্যান্থাস টং হিয়েং জি জানান, এটি মাদকবিরোধী নিয়মিত প্রচেষ্টার অংশ। সিএনবির তথ্যমতে, ২০২৪ সালে ৩,১১৯ জন মাদকসেবী গ্রেফতার হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য কম হলেও নতুন মাদকসেবীর সংখ্যা বেড়েছে।
সিঙ্গাপুরে উডল্যান্ডসে সিএনবির অভিযানে ১১ বাংলাদেশি শ্রমিকসহ ১২ জন গ্রেফতার
মার্কিন শুল্কনীতি থেকে উদ্ভূত অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় আগামী অক্টোবর থেকে "বিজনেস অ্যাডাপ্টেশন গ্র্যান্ট" চালু করতে যাচ্ছে সিঙ্গাপুর। সিঙ্গাপুর ইকোনমিক রেজিলিয়েন্স টাস্কফোর্স (SERT)-এর উদ্যোগে এই প্রকল্পে প্রতি কোম্পানি সর্বোচ্চ ১ লাখ সিঙ্গাপুর ডলার অনুদান পাবে, যেখানে ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলো অগ্রাধিকার পাবে। অনুদান আইনি ও বাণিজ্য পরামর্শ, সরবরাহ চেইন উন্নয়ন ও বাজার বহুমুখীকরণে সহায়তা করবে। পাশাপাশি, বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়াতে কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণেও সহায়তা দেওয়া হবে।
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ১৩৮ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।