বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার নতুন করে ১৩৫টি ওষুধকে ‘অত্যাবশ্যকীয়’ তালিকায় যুক্ত করেছে, ফলে এখন এই তালিকায় মোট ২৯৫টি ওষুধ রয়েছে। সরকার এই ‘অত্যাবশ্যকীয়’ ওষুধগুলোর বিক্রির জন্য নির্দিষ্ট দাম বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী মো. সায়েদুর রহমান এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, জনগণের চিকিৎসা ও ওষুধ প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে বিক্রেতাদের সরকার নির্ধারিত দামে ওষুধ বিক্রি করতে হবে। তবে এই নিয়ম কার্যকর করার জন্য বিক্রেতাদের কিছু সময় দেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
বাংলাদেশে ১৩৫টি নতুন ওষুধ যুক্ত, ২৯৫টির দাম নির্ধারণ করবে সরকার
রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৩৫ জেলায় নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। ফরিদপুর, রাজবাড়ী, নওগাঁ ও লালমনিরহাটে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ২০২৬ সালের ৭ জানুয়ারি আইইডিসিআরের মিলনায়তনে ‘নিপা ভাইরাসের বিস্তার ও ঝুঁকি’ শীর্ষক সভায় এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ২০২৪ সালে পাঁচজন এবং ২০২৫ সালে চারজন নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
আইইডিসিআরের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা জানান, সাধারণত ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল নিপা মৌসুম হলেও ২০২৫ সালের আগস্টেও রোগী শনাক্ত হয়েছে, যা সংক্রমণের নতুন উৎসের ইঙ্গিত দেয়। গত বছর প্রথমবারের মতো ভোলায় রোগী শনাক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, এখনো কার্যকর কোনো চিকিৎসা বা টিকা আবিষ্কৃত হয়নি, যা পরিস্থিতিকে জটিল করছে।
সহযোগী বিজ্ঞানী ডা. সৈয়দ মঈনুদ্দিন সাত্তার জানান, ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা খেজুরের কাঁচা রস ও অপরিষ্কার ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
বাংলাদেশের ৩৫ জেলায় নিপা ভাইরাস শনাক্ত, সংক্রমণের নতুন উৎসের আশঙ্কা
মালয়েশিয়ার শতবর্ষী সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ মঙ্গলবার নিজ বাসভবনে পড়ে যাওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার সহকারী সুফি ইউসুফ বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, বারান্দা থেকে বসার ঘরে যাওয়ার সময় তিনি পড়ে যান এবং পরে পর্যবেক্ষণের জন্য তাকে জাতীয় হার্ট ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। তিনি সচেতন আছেন, তবে তাকে স্থায়ীভাবে ভর্তি করা হবে কি না, তা এখনো জানা যায়নি।
মাহাথির বর্তমানে নানা স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগছেন এবং এর আগে হৃদ্রোগের কারণে তার বাইপাস সার্জারি করা হয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি মালয়েশিয়াকে দ্রুত আধুনিকীকরণের পথে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দেশ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সম্মান ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
তিনি ১৯৮১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত এবং পরে ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সময় তার বয়স ছিল ৯৪ বছর, তখন তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নির্বাচিত নেতা ছিলেন।
নিজ বাসভবনে পড়ে হাসপাতালে ভর্তি মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার সরকারি হাসপাতালটি চিকিৎসক, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় জনবল সংকটে কার্যত ভেঙে পড়েছে। ২৫০ শয্যার এই হাসপাতালটি হরিণাকুণ্ডু ও পার্শ্ববর্তী আলমডাঙ্গা উপজেলার কয়েক লাখ মানুষের একমাত্র সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র। দীর্ঘদিন ধরে ওষুধ সরবরাহ না থাকায় দরিদ্র রোগীরা বাইরের দোকান থেকে চড়া দামে ওষুধ কিনে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছেন। ৩০টি চিকিৎসক পদের মধ্যে বর্তমানে মাত্র আটজন কর্মরত আছেন, যার একজন আবার ডেপুটেশনে অন্যত্র রয়েছেন। প্রচণ্ড শীতে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। শিশু ও বয়স্ক রোগীরা নিউমোনিয়া, অ্যাজমা ও ডায়রিয়ায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।
হাসপাতালে কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেই এবং অ্যানেস্থেসিয়া ডাক্তার না থাকায় অপারেশন থিয়েটার বন্ধ রয়েছে। এতে বাইরের প্রাইভেট ক্লিনিকগুলো সুযোগ নিয়ে বেশি টাকা আদায় করছে বলে জানা গেছে। ফার্মাসিস্ট, পরিসংখ্যানবিদ, স্টোরকিপার ও কার্ডিওগ্রাফারের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। মাত্র দুজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী দিয়ে হাসপাতাল পরিচালনা করতে কর্তৃপক্ষ হিমশিম খাচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং নতুন নিয়োগ পেলে কিছুটা সমস্যা কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয়রা দ্রুত সরকারি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
এই সংকটে এলাকার হাজারো দরিদ্র মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
চিকিৎসক ও ওষুধ সংকটে হরিণাকুণ্ডু সরকারি হাসপাতালের কার্যক্রম স্থবির
সংবিধান প্রণেতা ও গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ড. কামাল হোসেন শারীরিক দুর্বলতা ও ফুসফুসজনিত জটিলতায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শুক্রবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে গণফোরামের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। দলের সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, ড. কামাল বর্তমানে চিকিৎসাধীন এবং তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বুধবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দিতে গিয়ে ড. কামাল অসুস্থ হয়ে পড়েন। অতিথিদের তালিকায় তার নাম না থাকায় এসএসএফ তার গাড়িকে ভিআইপি রুট দিয়ে প্রবেশ করতে দেয়নি। ফলে তাকে হুইলচেয়ারে বসে বিশাল জনতার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হয়, যার পর তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়।
গণফোরাম জানিয়েছে, বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন এবং তার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর দোয়া কামনা করা হয়েছে।
ড. কামাল হোসেন দুর্বলতা ও ফুসফুসের জটিলতায় হাসপাতালে ভর্তি
পাবনার ঈশ্বরদীর ছলিমপুর ইউনিয়নের বরইচারা এলাকায় অবস্থিত প্রাণ বঙ্গ মিলার্স কোম্পানি লিমিটেডের ক্যান্টিনের খাবার খাওয়ার পর অর্ধশতাধিক নারী শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে খাবার খাওয়ার পর শুক্রবার ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে তারা অসুস্থ বোধ করেন। অসুস্থ শ্রমিকদের দ্রুত উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে অনেকের পেটব্যথা, মাথাব্যথা ও ডায়রিয়ার উপসর্গ দেখা দেয়।
কারখানা সূত্রে জানা গেছে, রাতের খাবার খাওয়ার পরপরই কয়েকজন নারী শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রাণ কোম্পানির অ্যাডমিন শফিউল ইসলাম জানান, অসুস্থ শ্রমিকদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. উম্মে কুলসুম জানান, ঘটনাটি খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে ঘটতে পারে। বর্তমানে ১৬ জন নারী শ্রমিক হাসপাতালে ভর্তি আছেন, বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
ঘটনার পর শ্রমিকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়লেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অধিকাংশ শ্রমিক এখন আশঙ্কামুক্ত।
ঈশ্বরদীতে প্রাণ কারখানার খাবারে বিষক্রিয়ায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হাসপাতালে
ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে দূষিত পানি পান করে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় ২০০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে ভাগীরথপুরা এলাকায়, যেখানে কয়েক দিন ধরে পানিতে দুর্গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব মৃতদের প্রত্যেক পরিবারের জন্য দুই লাখ রুপি আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করেছেন এবং দায়িত্বে অবহেলার জন্য সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন। এলাকায় একটি শৌচাগার নির্মাণস্থলের কাছে পানির পাইপলাইনে ছিদ্র ধরা পড়েছে, যার মাধ্যমে দূষিত পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রবেশ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, তারা আগেই পানির দুর্গন্ধের বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
ইন্দোরে দূষিত পানি পান করে ৯ জনের মৃত্যু, ২০০ জন হাসপাতালে
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার মুন্সিগঞ্জ জেলায় একটি নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করার অনুমোদন দেওয়া হবে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে এটি সরকারের সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলোর একটি। এর আগে গত বছরের ১১ নভেম্বর ঢাকার জুরাইনে অবস্থিত ব্যারিস্টার রফিকুল হক মেডিকেল কলেজ নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের অনুমোদন দেয় সরকার।
মুন্সিগঞ্জে নতুন এই মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের মাধ্যমে এলাকায় চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মুন্সিগঞ্জে নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল অনুমোদন
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে ১৫ হাজার বেওয়ারিশ কুকুরকে টিকার আওতায় আনতে একটি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। জলাতঙ্ক নির্মূলের লক্ষ্যে এই উদ্যোগের ঘোষণা দেওয়া হয় বৃহস্পতিবার টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক এডভোকেসি সভায়। সভায় সভাপতিত্ব করেন চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা এবং উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন।
সভায় বক্তারা বলেন, নিয়মিত ও পরিকল্পিতভাবে বেওয়ারিশ কুকুরের টিকাদান কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা গেলে নগরীতে জলাতঙ্ক রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। জনস্বার্থে এই কর্মসূচিতে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করা হয়।
চসিকের এই উদ্যোগের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে জলাতঙ্কমুক্ত শহর হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা জোরদার করা হচ্ছে।
চট্টগ্রামে ১৫ হাজার বেওয়ারিশ কুকুরকে টিকা দেবে চসিক, জলাতঙ্ক নির্মূলে উদ্যোগ
ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডায় লালমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলের জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে শীতের তীব্রতা বাড়ায় মানুষ ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে, আর গ্রামাঞ্চলে শীতার্তরা খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা পাওয়ার চেষ্টা করছেন। মাঠে থাকা ভুট্টা, সরিষা, গম, আলু ও আমনের বীজতলা রক্ষায় কৃষক ও কৃষিশ্রমিকরা বিপাকে পড়েছেন। ঠান্ডায় কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ায় দিনমজুর ও রিকশাচালকদের আয়ও কমে গেছে।
লালমনিরহাটের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়াসহ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন। সিভিল সার্জন আবদুল হাকিম জানান, শিশু ও বৃদ্ধদের বিশেষ যত্ন নিতে হবে যাতে ঠান্ডা না লাগে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষকদের ক্ষতি রোধে পরামর্শ দিচ্ছে। জেলা প্রশাসন দরিদ্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছে এবং অতিরিক্ত সহায়তার জন্য মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠিয়েছে।
শীতজনিত রোগ ও দুর্ভোগ অব্যাহত থাকায় প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
উত্তরাঞ্চলে তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত, শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা বেড়েছে
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছেন, যেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশুপার্কের আশপাশে সিগারেট বা তামাকজাত দ্রব্য বিক্রির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার রাতে এই অধ্যাদেশ জারি করা হয়।
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, এসব স্থানের সীমানার ১০০ মিটারের মধ্যে কেউ তামাক বা তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করতে বা করাতে পারবে না। সরকার বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনে সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে এই সীমানা বাড়াতে পারবে। এটি ২০০৫ সালের ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন সংশোধন করে জারি করা হয়েছে।
বিধান লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং পুনরায় অপরাধ করলে দ্বিগুণ শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের কাছে তামাক বিক্রিতে সর্বোচ্চ ৫০০০ টাকা জরিমানা
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছেন, যার মাধ্যমে প্রকাশ্যে ধূমপানের শাস্তি ও নিষেধাজ্ঞার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ মঙ্গলবার রাতে অধ্যাদেশটি প্রকাশ করে। নতুন বিধান অনুযায়ী, প্রকাশ্যে ধূমপান করলে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা যাবে, যা পূর্বে ছিল ৩০০ টাকা। পাশাপাশি পাবলিক প্লেসের সংজ্ঞা সম্প্রসারিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রেস্টুরেন্ট, হোটেল, শপিংমল, পরিবহন টার্মিনাল, পার্ক ও মেলাকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে।
অধ্যাদেশে পাবলিক প্লেসে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত ‘স্মোকিং জোন’ ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে। ভবনের বারান্দা, প্রবেশপথ ও আশপাশের উন্মুক্ত স্থানেও ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেটে ‘স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং’ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং সিগারেটের প্যাকেটে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণীর পরিমাণ ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ করা হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও তামাকের ব্যবহার কমাতে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে ধূমপান জরিমানা বৃদ্ধি, স্মোকিং জোন বাতিল ও নিষেধাজ্ঞার পরিধি সম্প্রসারণ
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছেন, যাতে প্রকাশ্যে ধূমপানের জরিমানা ও নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ মঙ্গলবার রাতে অধ্যাদেশটি প্রকাশ করে। নতুন আইনে প্রকাশ্যে ধূমপানের জরিমানা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০০৫ সালের মূল আইন সংশোধন করে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নতুন সংজ্ঞায় সরকারি অফিস ও হাসপাতালের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রেস্টুরেন্ট, হোটেল, শপিংমল, পরিবহন টার্মিনাল, পার্ক ও মেলাও পাবলিক প্লেস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ভবনের বারান্দা, প্রবেশপথ ও আশপাশের উন্মুক্ত স্থানেও ধূমপান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া পাবলিক প্লেসে নির্ধারিত ‘স্মোকিং জোন’ ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে, ফলে আর কোনো পাবলিক স্থানে ধূমপানের আলাদা জায়গা থাকবে না।
তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেটেও নতুন নিয়ম কার্যকর হয়েছে। এখন থেকে ‘স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং’ বাধ্যতামূলক এবং সিগারেটের প্যাকেটে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ মুদ্রণ করতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব পদক্ষেপ তামাকের ব্যবহার কমিয়ে জনস্বাস্থ্য রক্ষার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে প্রকাশ্যে ধূমপানে ২ হাজার টাকা জরিমানা ও সব স্মোকিং জোন বাতিল
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বর্তমানে অত্যন্ত সংকটময় সময় অতিক্রম করছেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। সোমবার দিবাগত রাতে হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, খালেদা জিয়া ২৩ নভেম্বর থেকে হাসপাতালে ভর্তি আছেন এবং তার অবস্থা এখনও অত্যন্ত গুরুতর। তিনি বলেন, সময়ই বলে দেবে তিনি এই সংকট কতটা কাটিয়ে উঠতে পারবেন।
ডা. জাহিদ জানান, দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড সার্বক্ষণিকভাবে তার চিকিৎসা তদারকি করছে এবং সোমবার সকালেও বোর্ড বৈঠক করেছে। তিনি পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন। সোমবার রাতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে যান।
খালেদা জিয়ার ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসজনিত নানা জটিলতা রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও শারীরিক অবস্থা আকাশযাত্রার উপযোগী না হওয়ায় দেশে তার চিকিৎসা চলছে।
এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়ার অবস্থা সংকটময়, চিকিৎসা চলছে ঢাকাতেই
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এ আহত সাতজন জুলাই যোদ্ধাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে পাঠাচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের অধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের উপসচিব মো. জহিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানা গেছে। সোমবার সকাল সোয়া ১১টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ব্যাংককের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।
চিকিৎসার জন্য যাত্রা করবেন মো. সুজন মিয়া, শেখ মোহাম্মদ শান্ত, মো. শাকিল, মো. লিটন, আলী হোসেন, মো. মিজান মিয়া ও মো. হামিদুল সরকার। প্রত্যেকের সঙ্গে একজন করে পরিবারের সদস্য থাকবেন, যারা বিদেশে চিকিৎসাকালীন সময়ে সহায়তা করবেন। এই উদ্যোগ আহত যোদ্ধাদের প্রতি সরকারের সহায়তা অব্যাহত রাখার অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
থাইল্যান্ডে উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে আহতদের দ্রুত সুস্থতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
সাত জুলাই যোদ্ধাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে পাঠাচ্ছে সরকার
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ১০০ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।