গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৭২ হাজার ৭৭৩ জনে দাঁড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৭২ হাজার ৭২৩ জন। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় গাজার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে, যেখানে নারী ও শিশুসহ বিপুল সংখ্যক বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছেন।
গত অক্টোবর মাসে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা দেওয়া হলেও হামলা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পরও প্রায় প্রতিদিনই হামলা চলছে, এতে অন্তত ৮৮১ জন নিহত এবং ২ হাজার ৬২১ জন আহত হয়েছেন।
আন্তর্জাতিক মহলে গাজা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও এখনো স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি, ফলে সেখানে মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে।
যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৭২ হাজার ছাড়িয়েছে
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সামরিক অভিযান ও সেটলারদের সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে, যা ‘জাতিগত নিধন’ হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। সোমবারও বিভিন্ন এলাকায় একাধিক সহিংস ঘটনার খবর পাওয়া গেছে, যেখানে ইসরাইলি বাহিনী অভিযান, তল্লাশি ও গ্রেপ্তার চালিয়েছে।
বেথলেহেমের দক্ষিণ-পূর্বে আবু নুজায়ম গ্রামে ইসরাইলি সেটলাররা অল-টেরেন গাড়ি নিয়ে তাণ্ডব চালিয়ে ফিলিস্তিনিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। বেথলেহেমের পূর্বে জা’আতয়ারা শহরে থুয়াইব পরিবারের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। নাবলুসের কাছে তাল শহরে ১৫ বছর বয়সি এক কিশোরসহ দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেনিনের ইয়াবাদ শহরে দোকানপাটে তল্লাশি ও স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, এবং কাফর কুদ এলাকায় পদাতিক সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। হেব্রনে এক শিশুসহ চার ফিলিস্তিনিকে আটক করা হয়েছে।
হেব্রনের দক্ষিণে ওয়াদি আল-রাখিম এলাকায় সশস্ত্র সেটলাররা সামরিক বাহিনীর সুরক্ষায় ফিলিস্তিনিদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। কুদস নিউজ নেটওয়ার্কের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, তুবাসের ফার’আ শরণার্থী ক্যাম্পে অভিযান শেষে ইসরাইলি বাহিনী ফিলিস্তিনি বন্দীদের চোখ ও হাত বেঁধে নিয়ে যাচ্ছে।
পশ্চিম তীরে ইসরাইলি অভিযান ও সেটলার সহিংসতা, জাতিগত নিধনের অভিযোগ
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি বিমান হামলায় অন্তত ছয়জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও চল্লিশজন আহত হয়েছেন। মন্ত্রণালয় জানায়, নিহত ও আহতদের মধ্যে কিছু মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে বা সড়কে আটকে আছেন, এবং উদ্ধারকর্মী ও অ্যাম্বুলেন্স দল অনেক এলাকায় পৌঁছাতে পারেনি।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, গত অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া তথাকথিত যুদ্ধবিরতির পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৮৭৭ জন নিহত এবং ২ হাজার ৬০২ জন আহত হয়েছেন। এই তথ্য চলমান সহিংসতা ও মানবিক সংকটের ইঙ্গিত দেয়, যদিও যুদ্ধবিরতি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর রয়েছে।
গাজায় উদ্ধার কার্যক্রমের সীমাবদ্ধতা এবং বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
গাজায় ইসরাইলি হামলায় ছয়জন নিহত ও চল্লিশজন আহত, যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও সহিংসতা অব্যাহত
অধিকৃত ফিলিস্তিন ভূখণ্ডবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ফ্রান্সেস্কা আলবানেজে গাজামুখী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’কে সুরক্ষা দিতে ভূমধ্যসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ইসরাইলের গণহত্যামূলক গাজা অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করা বেসামরিক জাহাজগুলোকে সুরক্ষা দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, বর্ণবাদী নীতির সঙ্গে জড়িত থাকা বন্ধ করতে হবে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
এর আগে ত্রাণবহরের কর্মীরা জানান, তাদের বহরের আশপাশে একটি সামরিক জাহাজ দেখা গেছে। একই সময়ে ইসরাইলি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয় যে, বহরটি আটকে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞের এই আহ্বান এমন সময়ে এসেছে, যখন গাজায় ত্রাণ পাঠানোর প্রচেষ্টা ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে।
এই পরিস্থিতি বেসামরিক ত্রাণ মিশনের নিরাপত্তা এবং গাজার মানবিক সংকট নিয়ে নতুন উদ্বেগের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
গাজামুখী গ্লোবাল সুমুদ ত্রাণবহর সুরক্ষায় জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞের আহ্বান
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ হামলায় অন্তত আট ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ শহরের একটি কমিউনিটি কিচেনের তিন কর্মীও রয়েছেন, যেটি রোববার সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, তারা যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তা প্রস্তুত ও বিতরণের কাজ করতেন।
এছাড়া গাজার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিস ও উত্তরাঞ্চলের বেইত লাহিয়াতেও পৃথক হামলায় আরও কয়েকজন নিহত হয়েছেন। আল জাজিরার প্রতিবেদক হিন্দ খুদারি জানিয়েছেন, চলমান হামলার কারণে বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ও মানবিক সংকট আরও তীব্র হয়েছে। হাজারো মানুষ নিরাপদ আশ্রয় ও খাদ্যের সংকটে ভুগছেন।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে, দীর্ঘদিনের সংঘাতে গাজার বেসামরিক অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং হাসপাতাল, আশ্রয়কেন্দ্র ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী স্থাপনাগুলোও হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে।
গাজায় ইসরাইলি হামলায় আটজন নিহত, তিনজন কমিউনিটি কিচেন কর্মীসহ
ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ইসরাইলি বাহিনী নতুন করে হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, খান ইউনিসের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলি বাহিনী গোলাবর্ষণ করেছে এবং ওই এলাকায় অবস্থান নেওয়া সামরিক যান থেকে ব্যাপক গুলিবর্ষণ করা হয়েছে। এছাড়া আল-বুরেইজ শরণার্থী শিবিরের পূর্বাঞ্চলেও ভারী গোলাবর্ষণ চালানো হয়, এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গাজা সিটির সমুদ্র উপকূল লক্ষ্য করে ইসরাইলি যুদ্ধজাহাজ থেকেও গোলাবর্ষণ করা হয়েছে। তবে এসব হামলায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এই হামলাগুলো গাজার বিভিন্ন অঞ্চলে ইসরাইলি সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত দেয়।
এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি বিবৃতি বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, ফলে পরিস্থিতির পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট নয়।
গাজায় খান ইউনিসসহ বিভিন্ন এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর গোলাবর্ষণ
হামাস জানিয়েছে, গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় তাদের সামরিক শাখা কাসসাম ব্রিগেডের নেতা ইজ্জ আল-দীন আল-হাদ্দাদ নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় চালানো ওই হামলায় আল-হাদ্দাদের স্ত্রী, মেয়ে এবং আরও কয়েকজন ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকও নিহত হন বলে সংগঠনটি দাবি করেছে।
এক বিবৃতিতে হামাস এই ঘটনাকে বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ ও কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেছে। সংগঠনটির অভিযোগ, ইসরাইল গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে ধারাবাহিকভাবে বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা চালাচ্ছে। হামাসের মতে, আল-হাদ্দাদের হত্যাকাণ্ড ইসরাইলের আগ্রাসন ও যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের সর্বশেষ উদাহরণ।
এ বিষয়ে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গাজায় ইসরাইলি হামলায় কমান্ডার নিহতের বিষয়টি স্বীকার করল হামাস
গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত এবং ৫৭ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন আগের আঘাতে আহত অবস্থায় মারা যান বলে ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে। এই তথ্য প্রকাশিত হয় ১৬ মে ২০২৬ তারিখে।
মন্ত্রণালয় জানায়, গত বছরের ১১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পরও হামলা ও সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। ওই সময় থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৮৭০ জন নিহত এবং ২,৫৪৩ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে ৭৭১টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। চিকিৎসা কর্মকর্তারা জানান, অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে বা সড়কে আটকা পড়ে আছেন, কিন্তু উদ্ধারকারী দল ও অ্যাম্বুলেন্স কর্মীরা নানা বাধার কারণে দ্রুত পৌঁছাতে পারছেন না।
এছাড়া একটি ভবন ধসে আরও একজন ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে, এতে ভবন ধসজনিত মোট মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ জনে।
গাজায় ইসরাইলি হামলায় ২৪ ঘণ্টায় ১৩ নিহত ও ৫৭ আহত
৯০ বছর বয়সি ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস তার ছেলে ইয়াসির আব্বাসকে ফাতাহ দলের শীর্ষ নেতৃত্বে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে নিউইয়র্ক টাইমসকে ছয়জন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা জানিয়েছেন। পশ্চিম তীরের কিছু অংশে সীমিত স্বশাসন পরিচালনাকারী ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে ২০০৫ সাল থেকে রয়েছেন আব্বাস। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীদের ক্ষমতাচ্যুত করে, বিচার বিভাগকে কোণঠাসা করে এবং ইসরাইলের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা বজায় রেখে ক্ষমতার ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন।
২০০৯ সালে তার প্রেসিডেন্ট মেয়াদ শেষ হলেও আব্বাস এরপর থেকে নির্বাচন বাতিল করেছেন এবং দুর্নীতির অভিযোগে জর্জরিত রয়েছেন। অনেক ফিলিস্তিনির মতে, নিজের ছেলেকে ক্ষমতায় আনার এই প্রচেষ্টা প্রমাণ করে যে তিনি ক্ষমতা ছাড়ার বা নতুন নেতৃত্বের সুযোগ দেওয়ার কোনো ইচ্ছা রাখেন না। রাজনৈতিক বিশ্লেষক হানি আল-মাসরি বলেন, ফিলিস্তিন এখন এক ব্যক্তির শাসনের অধীনে রয়েছে।
দলের ভেতরে ও জনগণের প্রতিরোধ সত্ত্বেও পরিবারের স্বার্থে এই পদক্ষেপ এমন সময়ে নেওয়া হচ্ছে, যখন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ রাজনৈতিক সংস্কারের জন্য আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রয়েছে।
রাজনৈতিক সংস্কারের চাপের মধ্যেই ছেলে ইয়াসিরকে ফাতাহ নেতৃত্বে আনছেন মাহমুদ আব্বাস
১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সংঘটিত সহিংসতা ও বাস্তুচ্যুতি, যা ইতিহাসে ‘নাকবা’ নামে পরিচিত, তাকে ‘জাতিগত নিধন অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিন। শুক্রবার নাকবা দিবস উপলক্ষে ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ওই ঘটনার দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব চিহ্নিত করা জরুরি এবং ফিলিস্তিনিদের বৈধ ও অবিচ্ছেদ্য অধিকারের প্রতি বিশ্ববাসীর সমর্থন প্রয়োজন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জেরুসালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন এবং ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসান ফিলিস্তিনিদের অধিকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগ করে যে, গাজা ও পশ্চিম তীরে আগ্রাসন ও সহিংসতার মাধ্যমে ইসরাইল এখনো নাকবা অব্যাহত রেখেছে। তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে শুধু মৌখিক সমর্থনের বাইরে গিয়ে ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানায়।
ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফার তথ্যমতে, গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক হামলায় কয়েকজন নিহত হয়েছেন এবং ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সহিংসতায় হাজারো মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন বা আহত হয়েছেন।
ইসরাইলি আগ্রাসনের মধ্যেই নাকবাকে জাতিগত নিধন হিসেবে স্বীকৃতি চায় ফিলিস্তিন
নাকবা দিবসে গাজা সিটিতে ইসরাইলি বিমান হামলায় অন্তত সাতজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ৪৫ জন আহত হয়েছেন বলে আল জাজিরা ও আনাদোলু জানিয়েছে। হামলাগুলো গাজার রিমাল এলাকার একটি আবাসিক ভবন ও একটি বেসামরিক যানবাহনে চালানো হয়। নিহতদের মধ্যে তিনজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে। তিনজন যানবাহনে হামলায় এবং চারজন ভবনে হামলায় নিহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অন্তত চারটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্যবহার করা হয়, যা ভবনে ভয়াবহ আগুন সৃষ্টি করে। গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসেল বলেন, লক্ষ্যবস্তু হওয়া ভবনটিতে শত শত মানুষ বসবাস করতেন এবং কোনো আগাম সতর্কতা ছাড়াই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। এতে বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এই হামলা নাকবা দিবসের ৭৮তম বার্ষিকীতে সংঘটিত হয়, যেদিন ১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার ফিলিস্তিনি ঘরবাড়ি হারান।
নাকবা দিবসে গাজায় ইসরাইলি হামলায় সাতজন নিহত ও বহু আহত
যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে অনুরোধ করার কথা বিবেচনা করছে যাতে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) আটকে থাকা করের অর্থের একটি অংশ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এ দেওয়া হয়, যা তার যুদ্ধ-পরবর্তী গাজা পুনর্গঠন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যবহৃত হবে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত পাঁচটি সূত্র জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইসরাইলকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করবে কি না তা নির্ধারণ করেনি। ফিলিস্তিনি সূত্রগুলো বলছে, প্রস্তাব অনুযায়ী করের অর্থের একটি অংশ যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত অন্তর্বর্তী গাজা সরকারের কাছে যাবে এবং বাকি অংশ পিএ-কে দেওয়া হবে যদি তারা প্রয়োজনীয় সংস্কার করে।
পিএ জানিয়েছে, বর্তমানে ইসরাইল তাদের প্রায় ৫০০ কোটি ডলার কর রাজস্ব আটকে রেখেছে, যা আমদানিকৃত পণ্যের ওপর সংগ্রহ করা হয়। বন্দিদের পরিবারকে অর্থ প্রদানের বিরোধে ইসরাইল এই অর্থ আটকে রাখায় পশ্চিম তীরে তীব্র আর্থিক সংকট তৈরি হয়েছে এবং পিএ হাজার হাজার কর্মচারীর বেতন কমাতে বাধ্য হয়েছে।
ট্রাম্পের ৭ হাজার কোটি ডলারের গাজা পুনর্গঠন পরিকল্পনা এখন স্থগিত রয়েছে, কারণ হামাস অস্ত্র সমর্পণে অস্বীকৃতি জানিয়েছে এবং ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। পিএ-কে এই পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত না করায় পশ্চিমা-সমর্থিত কর্তৃপক্ষ আরও কোণঠাসা হয়ে পড়েছে।
ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনায় ফিলিস্তিনের আটকে থাকা করের অর্থ ব্যবহারের চিন্তা
২০২৬ সালের ১৫ মে সকালে অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় ইসরাইলি বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীরা ব্যাপক অভিযান ও হামলা চালায়। এসব হামলায় একটি মসজিদে আগুন দেওয়া হয় এবং একাধিক যানবাহন ও ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে জানা গেছে।
ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরাইলি বাহিনী নাবলুস শহরে প্রবেশ করে কয়েকটি বাড়িতে তল্লাশি চালায় এবং এক ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করে। পৃথক ঘটনায় নাবলুসের দক্ষিণে আল-লুব্বান আশ-শারকিয়া গ্রামে সেটলাররা ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে। রামাল্লার কাছের জিবিয়া শহরেও হামলার ঘটনা ঘটে, যেখানে সেটলাররা ফিলিস্তিনিদের মালিকানাধীন যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং একটি মসজিদে অগ্নিসংযোগ করে।
আলজাজিরা সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম তীরজুড়ে এসব হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ চলমান উত্তেজনার প্রতিফলন হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
পশ্চিম তীরে ইসরাইলি হামলা ও সেটলার তাণ্ডব, রামাল্লার কাছে মসজিদে আগুন
অধিকৃত পশ্চিম তীরের আল-লুব্বান আশারকিয়া গ্রামের কাছে ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে এক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, চলন্ত যানবাহনে পাথর নিক্ষেপের অভিযোগে তিনজনকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এতে একজন নিহত এবং আরেকজন গুলিবিদ্ধ হন।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সেনারা তিন ব্যক্তিকে পাথর ছোড়ার সময় দেখতে পেয়ে গুলি চালায়। আলজাজিরা সূত্রে জানা যায়, নিহত ব্যক্তির পরিচয় বা আহত ব্যক্তির অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বাহিনী ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে এমন সংঘর্ষের ঘটনা প্রায়ই ঘটে।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় বা সরকারি কোনো প্রতিক্রিয়া বা তদন্তের তথ্য এখনো জানা যায়নি।
পশ্চিম তীরে আল-লুব্বান আশারকিয়ায় ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে ফিলিস্তিনি নিহত
জেনিনে এক ফিলিস্তিনি পরিবারকে তাদের বাবার লাশ কবর থেকে তুলে অন্য স্থানে সরিয়ে নিতে বাধ্য করেছে ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীরা। দাফনের কয়েক ঘণ্টা পরই এই ঘটনা ঘটে। বসতিস্থাপনকারীরা দাবি করে, কবরস্থানের জমিটি নিকটস্থ ‘সা-নুর’ বসতির অন্তর্ভুক্ত এবং এই অজুহাতে তারা পরিবারটিকে লাশ সরাতে বাধ্য করে।
ঘটনাটি জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক দপ্তর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সংস্থাটি একে ফিলিস্তিনিদের প্রতি চলমান ‘অমানবিক আচরণের’ অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিবারটি বসতিস্থাপনকারীদের চাপের মুখে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়।
আলজাজিরা সূত্রে জানা যায়, দখলকৃত অঞ্চলে জমি ও কবরস্থান নিয়ে বিরোধ এখনো উত্তেজনার প্রধান কারণ হিসেবে রয়ে গেছে।
জেনিনে ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীদের চাপে কবর থেকে লাশ তুলতে বাধ্য পরিবার
ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফার বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বাহিনী ব্যাপক গ্রেপ্তার অভিযান চালায় এবং বসতি স্থাপনকারীরা একাধিক স্থানে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা চালায়। ঘটনাগুলো ঘটে বেথলেহেম, রামাল্লা ও হেব্রনের বিভিন্ন এলাকায়, যেখানে আহত ও আটক হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বেথলেহেমের দক্ষিণে বেইত ফাজ্জারে এক ফিলিস্তিনিকে তার জমিতে আক্রমণ করে বসতি স্থাপনকারীরা এবং তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। বেথলেহেমের পশ্চিমে বাতির শহরে চার ফিলিস্তিনিকে আটক করে ইসরাইলি বাহিনী। রামাল্লার উত্তর-পূর্বে সিলতেদ শহরে বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। হেব্রনের দক্ষিণে খিরবেত শুওয়েকায় এক ফিলিস্তিনি ও তার শিশুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়, তাদের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। বেথলেহেমের দক্ষিণ-পূর্বে তুকু শহরে অভিযান চালিয়ে ইসরাইলি বাহিনী মসজিদ থেকে নামাজ শেষে বের হওয়া মুসল্লিদের লক্ষ্য করে টিয়ারগ্যাস ও স্টান গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং কয়েকজনকে মসজিদের ভেতরে আটকে রাখে।
আলজাজিরা সূত্রে বলা হয়েছে, এসব ঘটনায় পশ্চিম তীরে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
পশ্চিম তীরে ইসরাইলি অভিযান ও হামলায় আহত ও আটক ফিলিস্তিনিরা
অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেনিনের আল-আসাসা গ্রামে এক ফিলিস্তিনির লাশ কবর থেকে তুলে অন্যত্র দাফন করতে বাধ্য করেছে ইসরাইলি বাহিনী। ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফার তথ্যমতে, দিনের শুরুতে সমাহিত করা ওই লাশ অবৈধ ইসরাইলি বসতির খুব কাছে হওয়ায় ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ এই নির্দেশ দেয়।
ওয়াফার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শুক্রবার রাতে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বাহিনীর অভিযান ও বসতি স্থাপনকারীদের হামলার ঘটনা ঘটে। নাবলুসের দক্ষিণে আল-লুব্বান আশারকিয়া গ্রামে বসতি স্থাপনকারীরা একটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়, যা পরে ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স সদস্যরা নিয়ন্ত্রণে আনেন। বেথলেহেমের দক্ষিণে বুরাক সুলায়মান এলাকায় বনভোজন করতে আসা ফিলিস্তিনিদের ছত্রভঙ্গ করতে ইসরাইলি বাহিনী স্টান গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।
ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, টিয়ার গ্যাসের প্রভাবে অসুস্থ হওয়া দুজনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং আরও পাঁচজনকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনির লাশ পুনরায় দাফনে বাধ্য ও অভিযান চালায় ইসরাইলি বাহিনী
ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ) অভিযোগ করেছে যে ইসরাইল পরিকল্পিতভাবে গাজায় খাদ্য ও ত্রাণ সরবরাহ সীমিত করে একটি ‘মনুষ্যসৃষ্ট অপুষ্টি সংকট’ তৈরি করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এই সংকটের ফলে বিশেষ করে শিশু, গর্ভবতী নারী ও দুগ্ধদানকারী মায়েরা ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমএসএফ গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ)-এর কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তোলে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সমর্থিত এই সংস্থাটি গত বছর জাতিসংঘের ত্রাণ বিতরণ ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে গঠিত হয়েছিল। এমএসএফের দাবি, এই পরিবর্তনের ফলে ত্রাণ বিতরণে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।
২০২৪ সালের শেষভাগ থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত গাজার চারটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিচালিত বিশ্লেষণে এমএসএফ জানায়, অপুষ্টির শিকার মায়েদের নবজাতকদের মৃত্যুহার, অপরিণত জন্ম এবং গর্ভপাতের হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। সংস্থার প্রতিনিধি মার্স রোকাসপানা বলেন, এই সংকট সম্পূর্ণভাবে কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়েছে।
গাজায় ত্রাণ সীমিত করে মনুষ্যসৃষ্ট অপুষ্টি সংকটের জন্য ইসরাইলকে দায়ী করল এমএসএফ
গাজায় একটি পুলিশ স্টেশনে ইসরায়েলি হামলায় ১৫ বছর বয়সী মাহমুদ সাহওয়েইল নিহত হয়েছে। হামলায় বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন। নিহত কিশোরের খালা জানান, সে তার ১৫ সদস্যের পরিবারকে সহায়তা করতে রুটি বিক্রি করছিল।
এই হামলাটি গাজায় চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের অংশ, যেখানে অক্টোবর ২০২৫ সালের যুদ্ধবিরতির পর থেকে অন্তত ৮৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। ঘোষিত যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও এই ঘটনাটি অঞ্চলে বেসামরিক প্রাণহানির ধারাবাহিকতা তুলে ধরছে।
প্রতিবেদনটি গাজার অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং যুদ্ধবিরতির পরও সহিংসতার মানবিক মূল্যকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় কিশোর নিহত, পুলিশ সদস্যরা আহত
ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় সোমবার দিবাগত রাতে ইসরাইলি বাহিনী একাধিক অভিযান চালায়। এসব অভিযান জোরাত আল-শামা, ওয়াদি আল-নিস এবং উম্ম সালমুনা গ্রামে পরিচালিত হয়, যেখানে সেনারা বেশ কিছু ফিলিস্তিনি বাড়িতে তল্লাশি চালায়।
ওয়াফার আরেক প্রতিবেদনে জানানো হয়, রামাল্লার পশ্চিমাঞ্চলীয় কয়েকটি গ্রাম ও শহরেও ইসরাইলি সামরিক বাহিনী অভিযান পরিচালনা করেছে। স্থানীয় সূত্রের বরাতে বলা হয়, এসব অভিযানে টিয়ার শেল ও স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করা হলেও কোনো হতাহত বা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ইসরাইলি বাহিনী নিয়মিতভাবে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি বসতিগুলোতে এমন অভিযান চালায়, যা সাধারণত কোনো আগাম পরোয়ানা ছাড়াই পরিচালিত হয় এবং প্রায়ই স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সংঘর্ষের সৃষ্টি করে।
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বাহিনীর রাতভর একাধিক অভিযান
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ১৬৩ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।