আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশে শুক্রবার একটি পিকনিক স্পটে বন্দুকধারীদের গুলিতে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। এনজিল জেলার দেহ মেহরি গ্রামের কাছে মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাতপরিচয় সশস্ত্র ব্যক্তিরা এই হামলা চালায়। প্রাদেশিক কর্মকর্তারা প্রথমে চারজনের মৃত্যুর কথা জানালেও পরে আরও সাতজন আহতের মৃত্যু নিশ্চিত করেন। এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানান, ঘটনাস্থলটি শুক্রবারে সাধারণত জনাকীর্ণ থাকে। হেরাতের একজন চিকিৎসক বিবিসিকে বলেন, নিহতরা সবাই একটি স্থানীয় মাজারে পিকনিক করতে গিয়েছিলেন। হেরাতের তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রাদেশিক প্রধান আহমাদুল্লাহ মুত্তাকি জানান, হামলাটি স্থানীয় সময় বিকেল ৩টার দিকে ঘটে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আফগানিস্তানে শিয়া মুসলিমরা সংখ্যালঘু এবং অতীতেও তারা এমন হামলার শিকার হয়েছেন, যদিও এই হামলার উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয়।
আফগানিস্তানের হেরাতে পিকনিক স্পটে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ১১ জন
শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় ২০২৬ সালের ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার আফগানিস্তানে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। খামা প্রেসের তথ্যমতে, তালেবান প্রশাসন বুধবার গভীর রাতে এ ঘোষণা দেয়। দেশটির সর্বোচ্চ আদালত জানায়, হেলমান্দ, ফারাহ ও গোর প্রদেশে চাঁদ দেখা গেছে এবং সরকার পরিচালিত চাঁদ দেখা কমিটি স্থানীয় সাক্ষ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে। তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বৃহস্পতিবারকে ঈদের প্রথম দিন ঘোষণা করে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান।
এই ঘোষণার ফলে আফগানিস্তানের ঈদের তারিখ অনেক মুসলিম দেশের সঙ্গে ভিন্ন হয়েছে। সৌদি আরব জানিয়েছে, বুধবার চাঁদ দেখা না যাওয়ায় সেখানে শুক্রবার ঈদ উদযাপন করা হবে। একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও কুয়েত। তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া, ইয়েমেন, লেবানন, ফিলিস্তিন ও ইরাকও জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী শুক্রবার ঈদ নির্ধারণ করেছে।
দেশভেদে ঈদের তারিখ ভিন্ন হওয়ার মূল কারণ চাঁদ দেখার পদ্ধতির পার্থক্য। কিছু দেশ খালি চোখে চাঁদ দেখা নির্ভর করে, অন্যরা জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুসরণ করে। ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর আফগানিস্তান নিজস্ব চাঁদ দেখার প্রক্রিয়ায় বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
বৃহস্পতিবার চাঁদ দেখা নিশ্চিত হওয়ায় আফগানিস্তানে ঈদুল ফিতর উদযাপন
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে সোমবার রাতে পাকিস্তান বিমান হামলা চালায়। মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে এই হামলায় অন্তত ৪০০ জন নিহত ও ২৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পবিত্র রমজান মাসে এমন হামলাকে আফগান ক্রিকেটাররা ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন এবং তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
আফগানিস্তান দলের অধিনায়ক রশিদ খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, বেসামরিক বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা হাসপাতালে হামলা চালানো যুদ্ধাপরাধ এবং জাতিসংঘের উচিত এই নৃশংসতার তদন্ত করা। সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ নবী বলেছেন, কাবুলের এক হাসপাতালে আশার আলো নিভে গেছে, যেখানে চিকিৎসার জন্য আসা তরুণদের হত্যা করা হয়েছে। পেসার নাভিন উল হক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, পাকিস্তান ও ইসরায়েলি শাসনের মধ্যে পার্থক্য করা খুব কঠিন।
এই ঘটনার পর আফগান ক্রিকেটারদের ক্ষোভ ও আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
কাবুলে পাকিস্তানের বিমান হামলায় ক্ষোভ, জাতিসংঘ তদন্তের আহ্বান আফগান ক্রিকেটারদের
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে পাকিস্তানের বিমান হামলায় অন্তত ৪০০ জন নিহত এবং প্রায় ২৫০ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে তালেবান। সোমবার রাত প্রায় ৯টার দিকে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী কাবুলের ওমিদ আসক্তি চিকিৎসা হাসপাতালে এই হামলা চালায় বলে জানানো হয়েছে।
তালেবানের এক মুখপাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, প্রায় ২ হাজার শয্যার এই হাসপাতালটি মাদকাসক্তদের চিকিৎসার জন্য পরিচালিত হতো। হামলায় হাসপাতালের বড় অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, উদ্ধারকাজ চলমান থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
কাবুলে পাকিস্তানের বিমান হামলায় ৪০০ নিহতের দাবি তালেবানের
পাকিস্তান বৃহস্পতিবার রাতভর আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলসহ সীমান্তবর্তী কয়েকটি প্রদেশে বিমান হামলা চালায়। আফগান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাবুলে অন্তত চারজন নিহত ও পনেরো জন আহত হয়েছেন। কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খলিল জাদরান বলেন, হামলায় কয়েকটি আবাসিক এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে।
পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী জানায়, এই অভিযান মূলত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) জঙ্গিগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে চালানো হয়। সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানে জঙ্গি হামলা বেড়ে যাওয়ায় ইসলামাবাদ আফগানিস্তানের ভেতরে বিমান হামলা জোরদার করেছে বলে দাবি করে। তবে আফগানিস্তান এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, তাদের ভূখণ্ড থেকে কোনো জঙ্গি তৎপরতা হয় না। তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানান, হামলা কাবুল ছাড়াও কান্দাহার, পাকতিয়া ও পাকতিকা প্রদেশেও হয়েছে।
কান্দাহারে বিমানবন্দরের কাছে বেসরকারি বিমান সংস্থা কাম এয়ারের একটি জ্বালানি ডিপোতেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। পাকিস্তান দাবি করেছে, অভিযানে কোনো বেসামরিক মানুষ নিহত হয়নি। বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, হতাহতের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন।
আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় চারজন নিহত, কাবুলসহ সীমান্ত এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি
সীমান্ত প্রদেশগুলোতে শত শত আফগান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন। তারা বেসামরিক মানুষ হত্যার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানান এবং সীমান্তে লড়াইরত আফগান সেনাদের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন। পূর্বাঞ্চলীয় পাকতিয়া প্রদেশের রাজধানী গারদেজ ও খোস্তের গুরবুজ জেলায় বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা সেনাদের ফুলের মালা পরিয়ে দেন এবং তালেবান সরকারের পতাকা নাড়ান। জাতিসংঘ জানিয়েছে, এক সপ্তাহ ধরে চলা সংঘর্ষে কয়েক ডজন আফগান বেসামরিক নাগরিক নিহত ও কয়েক হাজার বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
জাতিসংঘ মিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে অন্তত ৪২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও ১০৪ জন আহত হয়েছে। পাকিস্তান বেসামরিক হতাহতের বিষয়ে মন্তব্য না করলেও দাবি করেছে, তারা ৪৩০ জনের বেশি আফগান সেনাকে হত্যা করেছে। আফগানিস্তান জানিয়েছে, পাকিস্তানের প্রায় ১৫০ সেনা নিহত হয়েছে। সংঘর্ষের কারণে প্রায় ৬৬ হাজার আফগান বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জানিয়েছে, জরুরি খাদ্যসহায়তা বন্ধ থাকায় প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা দেশটির বিদ্যমান খাদ্যসংকটকে আরও তীব্র করেছে।
সীমান্ত সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আফগানদের বিক্ষোভ
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাহুল্লাহ তারার জানিয়েছেন, আফগানিস্তানজুড়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হামলায় ৪১৫ জন আফগান তালেবান সদস্য নিহত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি জানান, হামলায় আরও ৫৮০ জন আহত হয়েছে। পাকিস্তান বাহিনী দাবি করেছে, তারা ১৮২টি চেকপোস্ট ধ্বংস ও ৩১টি পোস্ট দখলে নিয়েছে। এছাড়া ৮৫টি ট্যাংক, সশস্ত্র যানবাহন ও বন্দুক ধ্বংস করা হয়েছে। হামলাগুলো আফগানিস্তানের ৪১টি স্থানে পরিচালিত হয়, যার মধ্যে কুর্রাম সেক্টরের কাছে আফগান খারচর চেকপোস্টও রয়েছে।
পাকিস্তানের দাবি, সীমান্তে আফগান তালেবানদের বিনা উসকানিতে হামলার জবাবে এই শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিশোধমূলক অভিযান চালানো হচ্ছে। এই ঘোষণা দুই দেশের সীমান্ত উত্তেজনা আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি যে এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে কি না।
আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলায় ৪১৫ তালেবান নিহত বলে দাবি
শনিবার আফগানিস্তানের জালালাবাদ শহরে পাকিস্তানের একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে বলে আফগান সামরিক ও পুলিশ সূত্র নিশ্চিত করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার ঠিক আগে পাইলট প্যারাসুট দিয়ে অবতরণ করেন এবং পরে তাকে জীবিত অবস্থায় আটক করা হয়। শহরের বিমানবন্দরের দিক থেকে দুটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনার পরই যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘোষণা আসে।
পুলিশের মুখপাত্র তায়েব হাম্মাদ জানান, জালালাবাদে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত করা হয়েছে এবং পাইলটকে আটক করা হয়েছে। পূর্ব আফগানিস্তানের সামরিক মুখপাত্র ওয়াহিদুল্লাহ মোহাম্মদী বলেন, আফগান বাহিনী বিমানটি ভূপাতিত করেছে এবং পাইলট এখন তাদের হেফাজতে রয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটে একদিন পর, যখন পাকিস্তান কাবুল ও কান্দাহারে বিমান হামলা চালায়। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে আফগান বাহিনী পাকিস্তান সীমান্তে বড় ধরনের অভিযান পরিচালনা করেছিল। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ও তথ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করেনি।
জালালাবাদে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, আফগান বাহিনীর হাতে পাইলট আটক
আফগানিস্তানের তালেবান সরকার চলমান উত্তেজনা নিরসনে পাকিস্তানকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছে। পাকিস্তান প্রকাশ্যে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার পর এই আহ্বান জানানো হয়। তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, আফগানিস্তান সব সময় আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছে এবং এখনো শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়।
গত অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সত্ত্বেও বৃহস্পতিবার রাত থেকে দুই দেশের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলা শুরু হয়। পাকিস্তান অভিযোগ করে যে আফগানিস্তান সীমান্ত এলাকায় গুলি চালিয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি জানান, পাকিস্তানের অভিযানে ২৯৭ জন আফগান সেনা নিহত ও ৪৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। ধ্বংস করা হয়েছে ৮৯টি সেনা চৌকি ও ১৩৫টি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান।
অন্যদিকে তালেবান সরকারের মুখপাত্র দাবি করেন, তাদের হামলায় ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত এবং পাকিস্তানের ১৯টি সেনা চৌকি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে এই সংঘর্ষে সম্পর্ক আরও অবনতি ঘটেছে।
সীমান্ত সংঘর্ষে উত্তেজনা বাড়ায় পাকিস্তানকে আলোচনার আহ্বান আফগানিস্তানের
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে, যেখানে উভয় পক্ষই একে অপরের ওপর বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ করেছে। বৃহস্পতিবার আফগান তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ দাবি করেন, তালেবান বাহিনী পাকিস্তানের একাধিক চেকপোস্ট দখল করে নিরাপত্তাকর্মীদের হত্যা করেছে। পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এই দাবি অস্বীকার করে জানান, পাকিস্তানি বাহিনীর পাল্টা হামলায় ৩৬ জন তালেবান নিহত হয়েছে এবং দুই পাকিস্তানি সেনা প্রাণ হারিয়েছেন।
এর আগে ২১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালিয়ে সাতটি জঙ্গি আস্তানা ধ্বংসের দাবি করেছিল, যেখানে ৮০ জনেরও বেশি নিহত হয় বলে জানানো হয়। আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই হামলার নিন্দা জানিয়ে পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি দেয়। বিশ্লেষকদের মতে, তালেবানের সামরিক সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের আশঙ্কা কম। তাদের অস্ত্রভাণ্ডারে সাবেক আফগান সেনাবাহিনীর ফেলে যাওয়া অস্ত্র ও বিদেশি সরঞ্জাম রয়েছে, তবে বিমান শক্তি দুর্বল।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানান, তালেবান এখনো গেরিলা কৌশল ব্যবহার করছে এবং হালকা অস্ত্র ও রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা বোমার মাধ্যমে আক্রমণ চালাচ্ছে, যেখানে পাকিস্তান একটি নিয়মিত সেনাবাহিনী হিসেবে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।
পাকিস্তান-তালেবান সীমান্ত সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রাণহানির দাবি
আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ অভিযোগ করেছেন, পাকিস্তান তাদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব আফগানিস্তানের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আফগানিস্তান প্রতিবেশীসহ সব দেশের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক চায় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করে জানান, আফগান ভূখণ্ড কোনো দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে না। তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতেই আফগানিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি গঠিত এবং তারা কারও প্রতি শত্রুতা চায় না।
মুজাহিদ বলেন, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সংঘাত বহুদিনের পুরনো সমস্যা, যেখানে ২০০৭ সাল থেকে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) ও পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ চলছে। তিনি দাবি করেন, আফগানিস্তানে তালেবান প্রায় চার বছর ধরে ক্ষমতায় আছে, তাই পাকিস্তানের পুরনো সমস্যা আফগানিস্তানের ওপর চাপানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। মুজাহিদ অভিযোগ করেন, পাকিস্তান সীমান্ত লঙ্ঘন করে বেসামরিক নাগরিক, নারী ও শিশুদের ওপর বোমা হামলা চালিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান অতীতে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করেছে এবং আফগানিস্তান কেবল আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করেছে। মুজাহিদ আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানান।
সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব চাপানোর অভিযোগ তালেবানের
আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে পাওয়া প্রতিবেদনে জানা গেছে, পাকিস্তান-আফগান সীমান্তে গত রাতে বড় কোনো সংঘর্ষ হয়নি, তবে কিছু এলাকায় মাঝে মাঝে গোলাবর্ষণ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বিবিসির সংবাদদাতা হেফজুল্লাহ মারুফ জানান, কুনার প্রদেশের সীমান্তবর্তী শুলতান, দাঙ্গাম ও নারি জেলাগুলোতে উভয় পক্ষই মাঝে মাঝে কামানের গোলা নিক্ষেপ করছে। তিনি আরও জানান, হামলায় আফগান বেসামরিক নাগরিক ও তালেবান সৈন্য নিহত ও আহত হয়েছেন, যদিও সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত নয়।
নানগারহারে সরাসরি লড়াই না হলেও তোরখাম সীমান্তের কাছে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। যুদ্ধের আশঙ্কায় সীমান্তের অস্থায়ী শরণার্থী শিবির থেকে মানুষ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং অনেক পরিবার আফগানিস্তানে ফেরার পথে ফিরে গেছে। খোস্ত, পাকতিয়া ও পাক্তিকাতেও সরাসরি সংঘর্ষ না হলেও উভয় পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময়ের খবর পাওয়া গেছে।
অন্য এক সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তান পাক্তিকার সারোবি জেলায় বিমান হামলা চালিয়েছে, তবে এ বিষয়ে তালেবান সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।
পাক-আফগান সীমান্তে মাঝে মাঝে গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলায় উত্তেজনা বৃদ্ধি
আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের বাহিনী পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, অভিযানে ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে এবং কয়েকজনকে জীবিত আটক করা হয়েছে। এছাড়া শত শত হালকা ও ভারী অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দুটি সদর দপ্তর ও ১৯টি চেকপোস্ট আফগান বাহিনী দখল করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অভিযানে আটজন আফগান সেনা নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানায়, পাকিস্তান সরকারের সাম্প্রতিক বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। তবে হামলার সুনির্দিষ্ট স্থান ও সময় উল্লেখ করা হয়নি।
এই ঘটনাকে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনার নতুন মাত্রা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে উভয় দেশই সীমান্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ করছে।
খাইবার পাখতুনখোয়ায় পাল্টা হামলায় ৫৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি আফগানিস্তানের
আফগানিস্তানের সরকারি মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ অভিযোগ করেছেন, শুক্রবার ভোরে পাকিস্তান কাবুলে বিমান হামলা চালিয়েছে। আফগান বাহিনী সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের ভেতরে অভিযান চালানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এ হামলা হয়। আফগান কর্মকর্তারা জানান, কাবুলে অন্তত তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, তবে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত জানা যায়নি। মুজাহিদের দাবি, পাকিস্তান কান্দাহার ও পাকতিয়া প্রদেশেও হামলা চালিয়েছে। এতে কাতারের মধ্যস্থতায় প্রতিষ্ঠিত যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এর আগে আফগানিস্তান জানায়, রোববার পাকিস্তানের প্রাণঘাতী বিমান হামলার জবাবে বৃহস্পতিবার রাতে তারা পাকিস্তানের অভ্যন্তরে অভিযান চালিয়ে একাধিক সেনা চৌকি দখল করে। পাকিস্তান জানায়, তাদের অভিযান ছিল সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে এবং আফগানিস্তানের দাবি “উসকানিমূলক”। পাকিস্তানি নিরাপত্তা সূত্র জানায়, নানগারহারে বিমান হামলায় একটি গোলাবারুদ ডিপো ধ্বংস হয়েছে এবং ১৩৩ জন তালেবান সদস্য নিহত হয়েছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস উভয় দেশকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন এবং মতপার্থক্য নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারের তাগিদ দিয়েছেন।
কাবুলে বিমান হামলার অভিযোগে পাকিস্তানকে দোষারোপ, জাতিসংঘের সংযম ও আলোচনার আহ্বান
আফগানিস্তানের তালেবান সরকার পাকিস্তানের বিমান হামলার পর পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। শনিবার রাতে আফগানিস্তানের নাঙ্গারহার ও পাকটিকা প্রদেশে পাকিস্তানের বিমান হামলায় অন্তত ১৭ জন নিহত হন। হামলাগুলো একটি ধর্মীয় স্কুল ও আবাসিক বাড়িতে চালানো হয়। পাকিস্তান দাবি করেছে, তারা সন্ত্রাসীদের আস্তানায় হামলা চালিয়েছে, তবে কাবুল বলছে, এটি আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব ও যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন।
আফগান সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, কাবুল প্রতিক্রিয়া জানানোর অধিকার রাখে এবং পাল্টা হামলার সময় ও প্রকৃতি তালেবান নেতৃত্ব নির্ধারণ করবে, যদিও বিকল্প পথও খোলা রয়েছে। হামলার পর তালেবান নেতারা জরুরি বৈঠক করেন এবং সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্কসহ মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোকে ঘটনাটি জানানো হয়।
রোববার আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় হামলার নিন্দা জানিয়ে জানায়, এতে নারী ও শিশুসহ বহু বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছেন। ঘটনাটি দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।
পাকিস্তানের প্রাণঘাতী বিমান হামলার পর পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি দিয়েছে আফগানিস্তান
রোববার ভোরে আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে বিমান ও ড্রোন হামলা চালায় পাকিস্তান, যাতে প্রায় ১৭ জন নিহত হয়। সীমান্তবর্তী এলাকায় এই হামলার পর আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জরুরি বৈঠক করেন এবং পাকিস্তানকে পাল্টা জবাব দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেন। আফগান সরকার এক বিবৃতিতে জানায়, পাকিস্তান আফগানিস্তানের ভৌগোলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করেছে এবং কাবুলের জবাব দেওয়ার অধিকার রয়েছে, যদিও প্রতিশোধমূলক হামলার সময় নির্ধারণ করবেন তালেবান নেতারা।
দ্য উইকের প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগান সরকার মনে করছে পাকিস্তান নতুন হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতির চুক্তি ভঙ্গ করেছে এবং তারা সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্ককে বিষয়টি জানিয়েছে। পাকিস্তান দাবি করেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাসীদের গোপন আস্তানায় সূক্ষ্ম হামলা চালানো হয়েছে। তবে তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এক্সে জানান, পাকিস্তানের বিমানবাহিনী বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছে, যাতে ডজনখানেক মানুষ নিহত হয়েছে।
গত বছর দুই দেশের সীমান্তে সংঘর্ষের পর মধ্যস্থতাকারীদের সহায়তায় যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। সম্প্রতি পাকিস্তানের ভেতরে সন্ত্রাসী হামলা বেড়ে যাওয়ায় দেশটি আফগানিস্তানকে দায়ী করে নতুন হামলা চালিয়েছে।
পাকিস্তানের হামলায় ১৭ নিহতের পর আফগান তালেবানের জরুরি বৈঠক
পাকিস্তান সেনাবাহিনী আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে, যাতে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন বলে আফগান সূত্রের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে। পাকিস্তান সরকার জানায়, ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক আত্মঘাতী হামলার প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে ফিতনা আল খারিজের সহযোগী সংগঠন ও দায়েশ-খোরাসানের সাতটি আস্তানায় এই হামলা চালানো হয়।
রবিবার আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে হামলার নিন্দা জানিয়ে জানায়, নাঙ্গারহার ও পাকটিকা সীমান্তবর্তী প্রদেশে একটি ধর্মীয় স্কুল ও আবাসিক বাড়িতে হামলা হয়েছে, যাতে নারী ও শিশুসহ অনেকে হতাহত হয়েছেন। এই হামলা দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বিদ্যমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে হুমকির মুখে ফেলেছে।
পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সামাজিক মাধ্যম এক্সে জানায়, তাদের সেনাবাহিনী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সাতটি শিবিরে অভিযান চালিয়েছে এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ইসলামিক স্টেটের একটি সহযোগী সংগঠনের আস্তানায়ও হামলা হয়েছে। তারা দাবি করে, আফগান তালেবান সরকারকে বারবার সতর্ক করা হলেও কাবুল কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় ১৭ নিহত, যুদ্ধবিরতি হুমকির মুখে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মিশন শেষ করল আফগানিস্তান টানা দুই জয়ে। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ চেন্নাইয়ে কানাডার বিপক্ষে ৮২ রানের জয় নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেছে রশিদ খানের দল। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে আফগানিস্তান ২০০ রান তোলে, যা তাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ২০০ রানের মাইলফলক। ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান ৫৬ বলে অপরাজিত ৯৫ রানের ইনিংস খেলেন, যা বিশ্বকাপে কোনো আফগান ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস। রহমানউল্লাহ গুরবাজ করেন ৩০ রান এবং সেদিকউল্লাহ আতাল ৩২ বলে ৪৪ রান যোগ করেন।
জবাবে কানাডা ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ হয়। তারা ৯ ওভারে ৪৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে এবং ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ১১৮ রানে থামে। কানাডার হয়ে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন হর্শ ঠাকার, আর আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান যুবরাজ সামরা করেন ১৭ রান। অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবী ৪ ওভারে মাত্র ৭ রান খরচে ৪ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেন। রশিদ খান নেন ২ উইকেট ১৯ রানে।
আগেই বিদায় নিশ্চিত হলেও আফগানিস্তান শেষ দুই ম্যাচ জিতে সান্ত্বনা নিয়ে দেশে ফিরছে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা দুই জয়ে আফগানিস্তানের সমাপ্তি, কানাডা পরাজিত ৮২ রানে
আফগানিস্তান ঘোষণা করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সামরিক হামলা চালালে এবং ইরান সহায়তা চাইলে তারা পাশে থাকবে। তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, আফগানরা ইরানের প্রতি সহমর্মিতা দেখাবে এবং দেশটি যুদ্ধের পক্ষে নয়, বরং আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়।
মুজাহিদ আরও জানান, ইরান সাম্প্রতিক সময়ে সহনশীলতা দেখিয়েছে এবং আফগানিস্তানের প্রত্যাশা, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কোনো যুদ্ধ শুরু হবে না। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতিতে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ‘আব্রাহাম লিংকন’সহ অন্যান্য যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। আরও একটি রণতরী ওই অঞ্চলে যাচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো সম্ভাব্য যুদ্ধ ঠেকাতে চেষ্টা করছে, কারণ তারা আশঙ্কা করছে, বড় যুদ্ধ শুরু হলে পুরো অঞ্চলে অর্থনৈতিক ও মানবিক ক্ষয়ক্ষতি ঘটবে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালালে ইরানকে সহায়তার ঘোষণা আফগানিস্তানের
২০২৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে আফগানিস্তান পাঁচ উইকেটে জয় পেয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে। ম্যাচে ইতিহাস গড়েছেন রশিদ খান, যিনি প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ৭০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন। মুহাম্মদ আরফানকে আউট করেই তিনি এই কীর্তি গড়েন। রশিদ ২৪ রানে এক উইকেট নেন। আফগানিস্তান ১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ১৯.২ ওভারে ৫ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে।
আমিরাতের ইনিংসে শোয়েব খান করেন ৬৮ রান এবং আলিশান শরাফু ৪০ রান। আফগানিস্তানের আজমতউল্লাহ ওমরজাই বল হাতে নেন ৪ উইকেট মাত্র ১৫ রানে। জবাবে আফগানিস্তান শুরুতে দ্রুত উইকেট হারালেও ইব্রাহিম জাদরানের ৪১ বলে ৫৩ রানের ইনিংস দলকে জয়ের পথে রাখে। শেষদিকে ওমরজাই ব্যাট হাতে ২১ বলে অপরাজিত ৪০ রান করে জয় নিশ্চিত করেন।
জুনায়েদ সিদ্দিকী ও মুহাম্মদ আরফান আমিরাতের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন আজমতউল্লাহ ওমরজাই।
রশিদ খানের ৭০০তম উইকেটে আফগানিস্তানের জয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ১৩৮ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।