Web Analytics

জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অরৈখিক প্রভাব এবং অসমমিত সংশ্লেষণে স্ব-অনুঘটনের ভূমিকা আবিষ্কারের জন্য ২০২৬ সালের রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফরাসি বিজ্ঞানী অঁরি কাগান ও জাপানের বিজ্ঞানী কেনসো সোআই। নোবেল পুরস্কার প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ বুধবার এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।

শত বছরেরও বেশি পুরোনো এ পুরস্কার প্রদান করে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস। কাগান ও সোআই যৌথভাবে ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা পাবেন, যা প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলারের সমান।

বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বিজ্ঞান পুরস্কার হিসেবে বিবেচিত নোবেল পাওয়ার পাশাপাশি দুই বিজ্ঞানী আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক স্বীকৃতি পাবেন। ঘোষণায় জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ার অরৈখিক প্রভাব এবং অসমমিত সংশ্লেষণে স্ব-অনুঘটনের ভূমিকা নিয়ে তাঁদের আবিষ্কারকে পুরস্কারের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

08 Oct 26 1NOJOR.COM

২০২৬ সালের রসায়নে নোবেল পেলেন অঁরি কাগান ও কেনসো সোআই

আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরিতে নির্ণায়ক অবদান এবং মহাজাগতিক উৎসের উচ্চ-শক্তির নিউট্রিনো আবিষ্কারের জন্য ২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হ্যালজেন। নোবেল কমিটি মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকেল পৌনে ৪টার দিকে তাঁর নাম ঘোষণা করে। দ্য রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস তাঁকে পুরস্কারে ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং সংস্থাটির মহাসচিব ফোনে তাঁকে এ সম্মাননার খবর জানান।

ফ্রান্সিস হ্যালজেন প্রথম উপলব্ধি করেছিলেন যে অ্যান্টার্কটিকার বরফ ব্যবহার করে নিউট্রিনো নামে পরিচিত কণার গতিপথ শনাক্ত করা সম্ভব। নোবেল কমিটির ভাষ্য অনুযায়ী, অত্যন্ত উচ্চ-শক্তির মহাজাগতিক নিউট্রিনো খুবই বিরল। ফলে পর্যাপ্ত সংঘর্ষ পর্যবেক্ষণের জন্য বিপুল আয়তনের বরফ দরকার হয়।

হ্যালজেনের গবেষণার আইসকিউব এক ঘনকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। এর নির্মাণকাজ ২০১১ সালে শেষ হয়। উৎসের তথ্য অনুযায়ী, এর মাধ্যমে মহাবিশ্বে নিউট্রিনোর উৎস অনুসন্ধান আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

06 Oct 26 1NOJOR.COM

আইসকিউব নিউট্রিনো গবেষণায় ২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হ্যালজেন

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. বি কে বোস কমিশনের সদস্য (পরিকল্পনা) পদে চলতি দায়িত্বে নিয়োগ পেয়েছেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের এক অফিস আদেশে এ নিয়োগ দেয়। এর আগে তিনি দিনাজপুরের ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেসের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ডা. বি কে বোস ১৯৯৪ সালে চিকিৎসা কর্মকর্তা হিসেবে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে যোগ দেন। এরপর থেকে তিন দশকের বেশি সময় তিনি নিউক্লিয়ার মেডিসিনে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন। দেশে নিউক্লিয়ার মেডিসিনের উন্নয়নে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, বিশেষ করে থেরাপিউটিক নিউক্লিয়ার মেডিসিনের উন্নয়নে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। উত্তরাঞ্চলে গলগণ্ড রোগের চিকিৎসায়ও তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের ফিজিক্যাল প্রোটেকশন বিষয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিলিপাইন, ভারত, ফ্রান্স, জার্মানি ও রাশিয়া সফর করেছেন। তিনি ১৯৯৩ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, পরে বিসিপিএস থেকে মেডিসিনে এমসিপিএস এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

06 Oct 26 1NOJOR.COM

বিএইসির সদস্য (পরিকল্পনা) পদে চলতি দায়িত্ব পেলেন ডা. বি কে বোস

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বুয়েটে বাংলাদেশ এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার রিসার্চ ল্যাবরেটরি বা বিইপিআরএল উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার, ৪ অক্টোবর, বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ল্যাবটির উদ্বোধন হয়। বাংলাদেশ এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার রিসার্চ কাউন্সিলের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত এ গবেষণাগার দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের গবেষণার জাতীয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

বক্তারা বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চয়, সঞ্চালন ও বিতরণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য বাংলাদেশকে নিজস্ব সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে। গবেষণা অবকাঠামো, যন্ত্রপাতি ও তথ্য-উপাত্ত ভাগাভাগির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। ২০২১ সালে বিইপিআরএল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ শুরু হয়েছিল; বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের মধ্যেও বুয়েট ও বিইপিআরসি তা বাস্তবায়নে কাজ করেছে। দেশি-বিদেশি গবেষকদের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার সুযোগ তৈরিও এর লক্ষ্য।

বিইপিআরসি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওয়াহিদ হোসেন বলেন, গবেষণাকে জাতীয় সমস্যার বাস্তব সমাধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার দিয়ে সাফল্য মূল্যায়ন করা উচিত। তিনি জানান, বিইপিআরএল উন্মুক্ত গবেষণা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে উঠবে এবং পরিধি বাড়লে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও কার্যক্রম সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে। পরিচালক গবেষণার ফলকে প্রযুক্তি ও মেধাস্বত্বে রূপান্তরের ওপর জোর দেন।

06 Oct 26 1NOJOR.COM

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণায় বুয়েটে বিইপিআরএল ল্যাব উদ্বোধন

মার্কিন বিজ্ঞানী কার্ল ডাইসারোথ এবং জার্মানির বিজ্ঞানী পিটার হেগেম্যান ও গেওর্গ নাগেল ২০২৬ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞান ও শারীরতত্ত্বে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। আলো ব্যবহার করে আয়ন চ্যানেল নিয়ন্ত্রণ এবং অপটোজেনেটিক্সের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের স্বীকৃতিতে তাঁদের এই সম্মান দেওয়া হয়েছে। সোমবার বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় সুইডেনের স্টকহোম থেকে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট।

এই পুরস্কার আলো দিয়ে আয়ন চ্যানেল নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত গবেষণা এবং অপটোজেনেটিক্সের বিকাশে তাঁদের অবদানকে স্বীকৃতি দিয়েছে। প্রতিবছর স্টকহোমের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করে। পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স।

নোবেলজয়ীরা মেডেল ও সনদপত্রের পাশাপাশি মোট ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা পাবেন। একাধিক বিজয়ী থাকলে নির্ধারিত অর্থ তাঁদের মধ্যে ভাগ হবে। বর্তমান বিনিময়মূল্যে এ অর্থের মূল্য প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা। গত বছর পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স নিয়ে গবেষণার জন্য মেরি ব্রুনকো, ফ্রেড রামসডেল ও শিমন সাগাগুচি চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পান।

05 Oct 26 1NOJOR.COM

আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল ও অপটোজেনেটিক্স গবেষণায় তিন বিজ্ঞানীর নোবেল

বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্সে ১৯৬০ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে বলা হয়েছিল, ১৩ নভেম্বর ২০২৬ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা প্রায় অসীম পর্যায়ে পৌঁছালে মানবসভ্যতা ধ্বংসের মুখে পড়তে পারে। গবেষণাটির লেখক ছিলেন অস্ট্রীয়-আমেরিকান সাইবারনেটিকস বিশেষজ্ঞ হেইঞ্জ ফন ফোয়েস্টার এবং তাঁর দুই শিক্ষার্থী প্যাট্রিসিয়া এম. মোরা ও লরেন্স ডব্লিউ. অ্যামিয়ট। তাঁদের হিসাব ছিল, জনসংখ্যা সাধারণ হারে নয়, ক্রমবর্ধমান গতিতে বাড়ছে।

প্রায় ২ হাজার বছরের ২৪টি জনসংখ্যার হিসাব বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা দাবি করেছিলেন যে মানুষের সংখ্যা প্রচলিত পূর্বাভাসকে ধারাবাহিকভাবে ছাড়িয়ে গেছে। এ ধারা চললে ২০২৬ সালে জনসংখ্যা ‘অসীমের কাছাকাছি’ পৌঁছাবে বলে তাঁরা ধারণা করেন। গবেষণাটি বিজ্ঞানী ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং ১৯৬০ থেকে ১৯৮০-এর দশকে জনসংখ্যাবিদ্যা, পরিবেশবিদ্যা ও জেনেটিকসের বিভিন্ন বইয়ে উদ্ধৃত হয়।

পূর্বাভাসটি কয়েক দশক পর্যন্ত তুলনামূলকভাবে নির্ভুল ছিল। তবে ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে বিশ্ব জনসংখ্যা পূর্বাভাসের চেয়ে ধীরগতিতে বাড়তে শুরু করে, যার অন্যতম কারণ জন্মহার কমে যাওয়া। বর্তমানে বিশ্বে জন্মহার ১৯৬০ সালের তুলনায় অর্ধেকেরও কম। ফলে ১৩ নভেম্বর ২০২৬-এ মানবসভ্যতার অবসানের আশঙ্কার বাস্তব ভিত্তি নেই বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

05 Oct 26 1NOJOR.COM

১৯৬০ সালের জনসংখ্যা পূর্বাভাসে ১৩ নভেম্বর ২০২৬ ধ্বংসের আশঙ্কার বাস্তব ভিত্তি নেই

দক্ষিণ আফ্রিকার MeerKAT রেডিও টেলিস্কোপ ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক গবেষকদল প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি বছর আগে নিরপেক্ষ হাইড্রোজেন থেকে নির্গত অত্যন্ত ক্ষীণ বেতার সংকেত শনাক্ত করেছেন। The Astrophysical Journal Letters-এ প্রকাশিত গবেষণাটি মহাবিশ্বের বৃহৎ কাঠামোর ত্রিমাত্রিক মানচিত্র তৈরির নতুন সম্ভাবনা দেখিয়েছে। গবেষণার প্রধান লেখক সৌরভ পল; সহলেখক ঝাওটিং চেন, মারিও জি. সান্তোস ও লরা ভলজ।

গবেষকেরা MeerKAT-এর প্রায় ৯৬ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণ-তথ্য বিশ্লেষণ করে মহাজাগতিক ইতিহাসের দুটি ভিন্ন সময়পর্বে নিরপেক্ষ হাইড্রোজেনের উপস্থিতি প্রমাণ করেছেন। ০.৩২ ও ০.৪৪ রেডশিফটের দুটি বিশাল অঞ্চলে হাইড্রোজেন সংকেতের পাওয়ার স্পেকট্রাম মাপা হয়েছে। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণে ২১ সেন্টিমিটার হাইড্রোজেন বিকিরণের তরঙ্গদৈর্ঘ্য দীর্ঘ হয়; এই রেডশিফট মেপে সংকেতের সময়কাল নির্ণয় করা যায়।

উজ্জ্বল মহাজাগতিক রেডিও উৎস, মানবসৃষ্ট রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ইন্টারফিয়ারেন্স এবং যন্ত্রগত প্রভাব বাদ দিয়ে সংকেতটি আলাদা করা হয়েছে। হাইড্রোজেন ইনটেনসিটি ম্যাপিং পদ্ধতিতে প্রতিটি ছায়াপথ আলাদা না দেখে বিশাল অঞ্চলের সম্মিলিত বিকিরণ মাপা হয়। ২০১৮ সালে MeerKAT-এর প্রাথমিক বৈজ্ঞানিক কার্যক্রমে সংগৃহীত পুরোনো উপাত্ত আধুনিক অ্যালগরিদম ও ডেটা-প্রসেসিং প্রযুক্তিতে বিশ্লেষণ করেই এই ফল পাওয়া গেছে।

05 Oct 26 1NOJOR.COM

MeerKAT-এর উপাত্তে ধরা পড়ল প্রাচীন হাইড্রোজেন সংকেত, খুলল ত্রিমাত্রিক মহাবিশ্ব মানচিত্রের সম্ভাবনা

চাঁদে দীর্ঘমেয়াদি অভিযান ও স্থায়ী ঘাঁটির বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া। নাসা চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সীমিত মানব হস্তক্ষেপে চলতে সক্ষম চুল্লির প্রস্তুতি নিতে ঠিকাদারদের বলেছে এবং ২০৩০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে উৎক্ষেপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। রাশিয়া ও চীন যৌথভাবে ২০৩৬ সালের মধ্যে চন্দ্র চুল্লি চালুর পরিকল্পনা করছে।

স্থায়ী ঘাঁটি, বরফে জমে থাকা পানি ও অন্যান্য সম্পদ অনুসন্ধান এবং সৌরজগতের আরও গভীরে অভিযান এই পরিকল্পনার পেছনের লক্ষ্য। চাঁদের রাত পৃথিবীর হিসাবে প্রায় দুই সপ্তাহ দীর্ঘ হওয়ায় সৌর প্যানেল তখন কার্যকর থাকে না। দক্ষিণ মেরুর চরম তাপমাত্রাতেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে পারমাণবিক চুল্লি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। রাশিয়ার সেলেনা চুল্লির সক্ষমতা সর্বোচ্চ ১০ কিলোওয়াট এবং নাসার লুনার রিঅ্যাক্টর ১-এর পরিকল্পিত সক্ষমতা ২০ কিলোওয়াট।

বিশেষজ্ঞরা উৎক্ষেপণ ব্যর্থতা, ভারী তেজস্ক্রিয় উপাদান চাঁদে নিরাপদে নামানো এবং দুর্ঘটনায় দূষণের ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া জানিয়েছে, চাঁদে পৌঁছানোর আগে চুল্লি সক্রিয় করা হবে না। তবু তাপ অপসারণ, বিকিরণ সুরক্ষা ও কাঠামোগত স্থায়িত্বের মতো মৌলিক প্রশ্ন এখনো পুরোপুরি সমাধান হয়নি।

04 Oct 26 1NOJOR.COM

নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত উদ্বেগের মধ্যেই চন্দ্র চুল্লি পরিকল্পনা এগোচ্ছে

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ গবেষণাকে গবেষণাপত্র প্রকাশ ও আন্তর্জাতিক সাময়িকীতে সাইটেশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের বাস্তব সমস্যা সমাধানে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে ১১তম চিন্তার চাষ ক্ষুদে গবেষক সম্মেলন ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার প্রায় ৫৮টি স্কুলের সপ্তম থেকে দশম শ্রেণির ৩১৮ জন শিক্ষার্থী সম্মেলনে অংশ নিয়েছে। তারা শিক্ষা, বিজ্ঞান, পরিবেশ, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে ১২৮টি গবেষণাপত্র, ধারণাপত্র ও পোস্টার উপস্থাপন করছে। টিএসসিসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি ভেন্যুতে এসব উপস্থাপনা হয়। ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীরাও চারপাশের সমস্যা নিয়ে গবেষণা করতে পারে।

গত পাঁচ দশকে গবেষণায় বিপুল অর্থায়ন ও প্রকাশনা হলেও দৈনন্দিন জীবনের অনেক সমস্যা রয়ে গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সুনির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের প্রকল্প প্রস্তাব এলে ইউজিসি অর্থায়নের বিষয়টি বিবেচনা করবে এবং গবেষণার ফল বাস্তবে কাজে লাগছে কি না তা গুরুত্ব দিয়ে দেখবে। তিনি যানজট, বিদ্যুৎ, বিশুদ্ধ পানি ও লবণাক্ততা সমাধানে ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসার কথা বলেন।

03 Oct 26 1NOJOR.COM

বাস্তব সমস্যা সমাধানে স্কুল পর্যায় থেকেই গবেষণার ওপর জোর ইউজিসি চেয়ারম্যানের

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য ইউরেনিয়াম জ্বালানি বহনকারী একটি বিমান রাশিয়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম শুক্রবার বিকেলে এ তথ্য জানান। ভারতের একটি বিমানবন্দরে বিরতি নিয়ে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল।

বিমানবন্দরে অবতরণের পর ইউরেনিয়ামের চালান রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে মন্ত্রী জানান। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় চালানটি রূপপুরে পৌঁছে দেওয়া হবে।

আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বরের মধ্যে নয়টি ফ্লাইটে প্রথম ইউনিটের জন্য আরও ৪৮টি এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ১৬৩টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি দেশে আসার কথা রয়েছে। এসব চালান রাশিয়া থেকে কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও ভারত হয়ে বাংলাদেশে পৌঁছাবে। এর আগে ২০২৩ সালে প্রথম ইউনিটের জ্বালানি দেশে আনা হয় এবং চলতি বছরের মে মাসে তা পারমাণবিক চুল্লিতে স্থাপন করা হয়েছে।

03 Oct 26 1NOJOR.COM

রূপপুরের প্রথম ইউনিটের ইউরেনিয়াম জ্বালানি নিয়ে ঢাকার পথে রাশিয়ার বিমান

মধ্য এশিয়ার দেশ কিরগিজস্তান তাদের প্রথম স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া থেকে স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়। ভ্যান্ডেনবার্গ স্পেস ফোর্স বেস থেকে উৎক্ষেপিত রকেটটিতে আরও কয়েকটি মহাকাশযান ছিল এবং সেগুলোর বহরের অংশ হিসেবে কিরগিজ স্যাটেলাইটটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে স্থাপন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র সফরের অংশ হিসেবে উৎক্ষেপণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট সাদির জাপারভ।

কিরগিজস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের যৌথ উদ্যোগে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে। স্যাটেলাইটটির নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হবে কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে স্থাপিত একটি নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র থেকে। প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের প্রেস সার্ভিস বলেছে, দেশের প্রথম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কৃষি, পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় মহাকাশভিত্তিক তথ্য ব্যবহারের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

স্যাটেলাইটের তথ্য দিয়ে কৃষিজমি, হিমবাহ, জলাশয়, বনাঞ্চল ও চারণভূমির অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যাবে। প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রের পরিবর্তনের ওপর নিয়মিত নজরদারিও সম্ভব হবে। এ ছাড়া অবৈধ প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ, অনুমোদনহীন বর্জ্য ফেলার স্থান এবং দূষণের উৎস শনাক্তে তথ্য ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। পরিবহন ব্যবস্থা ও পণ্য সরবরাহের পথ আরও কার্যকর করতেও এসব তথ্য কাজে লাগানো হবে।

03 Oct 26 1NOJOR.COM

স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটে কিরগিজস্তানের প্রথম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ

গবেষকেরা প্রমাণ পেয়েছেন যে অ্যান্টার্কটিকায় একসময় হিমালয়ের মতো বিশাল পর্বতমালা ছিল, যা প্রায় ৬৫০ থেকে ৪৫০ মিলিয়ন বছর আগে গঠিত হয়েছিল। পরবর্তীতে পর্বতগুলোর অধিকাংশ ক্ষয়ে গেছে বা মহাদেশটির বরফের নিচে চাপা পড়েছে, তবে প্রাচীন এই পর্বতশ্রেণির ভূতাত্ত্বিক শিকড় বরফের নিচে রয়ে থাকতে পারে।

এই প্রমাণের প্রধান উৎস অত্যন্ত টেকসই খনিজ জিরকন। জিরকনের বয়স ও রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে প্রাচীন শিলার সৃষ্টি-স্থান ও সময় সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। নতুন গবেষণায় অ্যান্টার্কটিকা থেকে সংগৃহীত ১,৭১২টি নতুন জিরকন নমুনার সঙ্গে আগের গবেষণার হাজার হাজার নমুনা তুলনা করা হয়েছে। গন্ডোয়ানা গঠনের সময় বিভিন্ন ভূখণ্ডের সংঘর্ষে এসব হিমালয়-ধাঁচের পর্বত সৃষ্টি হয়েছিল বলে শক্ত প্রমাণ মিলেছে।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, পর্বতগুলোর ক্ষয়ে ফসফরাস ও লোহার মতো পুষ্টি উপাদান সমুদ্রে পৌঁছে সামুদ্রিক অণুজীব ও শৈবালের উৎপাদন বাড়াতে পারে। এর ফলে সমুদ্রতলে জৈব কার্বন জমা এবং বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন বৃদ্ধির সঙ্গে সম্ভাব্য সম্পর্ক থাকতে পারে। প্রায় ৫৪০ মিলিয়ন বছর আগে ক্যামব্রিয়ান যুগে প্রাণীর বৈচিত্র্য দ্রুত বৃদ্ধির আগের পরিবেশ তৈরিতেও এই প্রক্রিয়া ভূমিকা রাখতে পারে। অ্যান্টার্কটিকার ৯৯ শতাংশের বেশি বরফে ঢাকা হওয়ায় জিরকন ও ভূতাত্ত্বিক মানচিত্র গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা-উপকরণ।

27 Sep 26 1NOJOR.COM

জিরকন গবেষণায় অ্যান্টার্কটিকার বরফের নিচে প্রাচীন বিশাল পর্বতমালার প্রমাণ

মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশের প্রাণিসম্পদ খাতে বিজ্ঞানীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে। মঙ্গলবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালনা বোর্ডের ৪৯তম সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, উন্নত জাত উদ্ভাবন, নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন এবং রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে গবেষণার বিকল্প নেই। গবেষণা কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ ও বাস্তবমুখী করার ওপর তিনি জোর দেন, যাতে খামারি ও উদ্যোক্তারা সরাসরি এর সুফল পান।

গবেষণালব্ধ প্রযুক্তি দ্রুত মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি। গবেষকদের দীর্ঘদিনের নিরলস পরিশ্রমে প্রাণিসম্পদ খাত বর্তমান পর্যায়ে পৌঁছেছে উল্লেখ করে তিনি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জন্য সহায়তা অব্যাহত রাখার কথা জানান। সভায় বিএলআরআইয়ের প্রশাসনিক, আর্থিক ও গবেষণাসংক্রান্ত বিষয় পর্যালোচনা এবং কার্যক্রম গতিশীল করতে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

23 Sep 26 1NOJOR.COM

প্রাণিসম্পদ বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনের স্বীকৃতি ও সহায়তার আশ্বাস মন্ত্রীর

নতুন এক গবেষণায় উত্তর কোরিয়ার প্রধান পারমাণবিক পরীক্ষাকেন্দ্র মাউন্ট মানতাপ ও আশপাশে ২০০৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ১ হাজার ৩৯৯টি ভূমিকম্প শনাক্ত হয়েছে। গবেষকদের মতে, ২০১৭ সালে উত্তর কোরিয়ার ষষ্ঠ ও সবচেয়ে বড় ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক পরীক্ষার পর এলাকায় ভূমিকম্পের কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এরপর কয়েক বছর ধরে এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং সময়ের সঙ্গে ভূমিকম্পের সংখ্যা ও মাত্রা বেড়েছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, মাউন্ট মানতাপের আশপাশে প্রায় ২ হাজার বছর উল্লেখযোগ্য ভূমিকম্পের তথ্য ছিল না। চীন ও কোরিয়ার দুই হাজার বছরের বেশি সময়ের ঐতিহাসিক নথিতে ওই এলাকার ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে মাত্র একটি ভূমিকম্পের তথ্য পাওয়া যায়। ২০১৩ সালে উত্তর কোরিয়ার তৃতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার সময় প্রথম ভূমিকম্প রেকর্ড হলেও পরের কয়েক বছরে এর সংখ্যা খুব কম ছিল। বিজ্ঞানীরা বলছেন, পারমাণবিক বিস্ফোরণের প্রভাবে কয়েক বছর পরও ভূমিকম্প বাড়তে থাকা অস্বাভাবিক।

২০১৭ সালের পরীক্ষার সময় ৬ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প হয় এবং এতে একটি সুড়ঙ্গ ধসে পড়ে থাকতে পারে; পাহাড়ের চূড়ার আকৃতিও প্রায় ৩ মিটার বদলে যেতে পারে। পরে অধিকাংশ কম্পনের মাত্রা ছিল ২ থেকে ৩ এবং সেগুলো অগভীর বলে ধারণা করা হচ্ছে। গবেষকদের ধারণা, বিস্ফোরণে পুরোনো চ্যুতি ও সুপ্ত ফাটল সক্রিয় হয়েছে, নতুন ফাটলে পানি জমে চাপ বাড়ায় পাথরের স্তর সরে ছোট ছোট ভূমিকম্প ঘটছে।

20 Sep 26 1NOJOR.COM

গবেষণায় মানতাপ পাহাড় এলাকায় ১৭ বছরে ১,৩৯৯ ভূমিকম্প শনাক্ত

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে ভবিষ্যৎ পৃথিবীকে নেতৃত্ব দেওয়ার উপযোগী সৃজনশীল ও মননশীল প্রজন্ম গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা। শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ঢাকার গ্রিন মডেল টাউনের পার্ক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সায়েন্স অ্যান্ড ইনোভেশন ফেয়ারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সংসদ সদস্য মাহবুব উদ্দিন খোকন।

প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মহসিন মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন মাহমুদ এবং প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মতিন পাটোয়ারী। মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন আধুনিক সভ্যতার অগ্রগতি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তিগুলোর একটি। তিনি যোগাযোগ, যাতায়াত, চিকিৎসা, শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে প্রযুক্তির প্রভাবের কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের কেবল বইয়ের জ্ঞান অর্জন করলেই চলবে না; সমস্যা চিহ্নিত করা, প্রশ্ন করা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান বের করার দক্ষতাও অর্জন করতে হবে। প্রযুক্তির অপব্যবহারে ঝুঁকি তৈরির সতর্কতা দিয়ে তিনি দায়িত্বশীল, নিরাপদ ও মানবকল্যাণমূলক ব্যবহারের ওপর জোর দেন। পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষা এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনী চিন্তার চর্চার মাধ্যমে জ্ঞানভিত্তিক, আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কথা বলেন।

20 Sep 26 1NOJOR.COM

ঢাকার বিজ্ঞান মেলায় সৃজনশীলতা, গবেষণা ও দায়িত্বশীল প্রযুক্তি ব্যবহারে জোর

গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ১৬২ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।