সম্ভাব্য এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু প্রাদুর্ভাবজনিত মনোসামাজিক ঝুঁকির কারণে ম্যাককুয়ারি দ্বীপের গবেষণাকেন্দ্র থেকে ২৪ জন কারিগরি কর্মী, বিজ্ঞানী ও সহায়ক কর্মীকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে অস্ট্রেলিয়া। তাসমানিয়া ও অ্যান্টার্কটিকার মাঝামাঝি অবস্থিত দ্বীপটিতে হাজার হাজার এলিফ্যান্ট সিল রয়েছে। সেপ্টেম্বর অথবা অক্টোবরের শুরুতে আরএসভি নুইনা আইসব্রেকারে করে কর্মীদের সরানো হবে।
ম্যাককুয়ারি দ্বীপে এখন পর্যন্ত এইচ৫এন১ সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি। তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের প্রজনন মৌসুমে অনেক এলিফ্যান্ট সিল মারা যেতে পারে, কারণ স্তন্যপায়ী প্রাণীগুলো ভাইরাসটির প্রতি অত্যন্ত নাজুক। ক্যানবেরার জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি, পরিবেশ ও পানি বিষয়ক দপ্তরের উপসচিব শন সুলিভান বলেন, মানুষের জন্য এইচ৫ বার্ড ফ্লুর ঝুঁকি কম বলে বিবেচিত হলেও সম্ভাব্য বিপুলসংখ্যক আক্রান্ত প্রাণীর কাছাকাছি থাকার মনোসামাজিক ঝুঁকি উপেক্ষা করা যায় না।
সুলিভান বলেন, দুর্গম ও কঠিন পরিবেশে কাজ করা অভিযাত্রী সদস্যদের সুস্থতা এবং গবেষণাকেন্দ্রের নিরাপদ কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে এমন অতিরিক্ত ঝুঁকি কমানো জরুরি। জুনে হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জে বার্ড ফ্লুতে হাজার হাজার এলিফ্যান্ট সিলের বাচ্চা মারা যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন কর্মকর্তারা। শুক্রবার পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় ৩৪১টি নিশ্চিত বা সম্ভাব্য এইচ৫ পজিটিভ সংক্রমণের কথা জানানো হলেও পোলট্রি বা কৃষি উৎপাদন খাতে কোনো সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি।
সম্ভাব্য এইচ৫এন১ ঝুঁকিতে ম্যাককুয়ারি দ্বীপ থেকে ২৪ কর্মী সরাবে অস্ট্রেলিয়া
নেপালের পার্বত্য এলাকায় নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে বড় একটি ব্যারিয়ার লেক তৈরি হয়েছে। হ্রদটির বাঁধ যেকোনো সময় ভেঙে গেলে হঠাৎ বিপুল পরিমাণ পানি নিচের দিকে নেমে আসতে পারে, যা নদীসংলগ্ন জনবসতি ও অবকাঠামোকে নতুন করে ভয়াবহ ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।
বৃহস্পতিবার সকালে হ্রদটিতে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার পানি জমা ছিল। আগামী তিন দিনে আরও প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি হ্রদটিতে প্রবেশ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে হ্রদটিতে মোট পানির পরিমাণ প্রায় ৫০ লাখ ঘনমিটারে পৌঁছাতে পারে।
পানির পরিমাণ বাড়লে হ্রদটির বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কাও অনেক বেড়েছে। বাঁধ ভাঙলে পানি দ্রুত নিচের দিকে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীটির আশপাশের বসতি ও অবকাঠামোর জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
নেপালের ব্যারিয়ার লেকে ৫০ লাখ ঘনমিটার পানি জমার আশঙ্কা, বাড়ছে বাঁধভাঙার ঝুঁকি
হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় ভোরে অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও কমেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২৫ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ কমে ৮৯ দশমিক ৪৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ২২ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ কমে ৮৩ দশমিক ৩১ ডলারে নেমেছে।
সপ্তাহজুড়ে এখন পর্যন্ত ব্রেন্টের দাম প্রায় ৫ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৪ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে। আগের দিন আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও শুক্রবার আবার দরপতন হয়। হরমুজ প্রণালি নিয়ে কূটনৈতিক অগ্রগতির সম্ভাবনাকে এই পতনের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মধ্যস্থতাকারীদের অনুরোধের পর প্রণালিটি পুনরায় খোলার বিষয়ে কাতারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে ইরান। তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক চাপ প্রত্যাহারসহ কয়েকটি শর্ত দিয়েছে। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে আগে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রণালিটি কবে খুলবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
হরমুজ প্রণালি খোলার আলোচনা ঘিরে আবারও কমল অপরিশোধিত তেলের দাম
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের লংকারচর নীচুপাড়া এলাকায় মধুমতি নদীর ধারাবাহিক ভাঙনে নদীপাড়ের বাসিন্দারা নিঃস্ব হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন। নদীগর্ভে ইতোমধ্যে প্রায় দুই একর বসতভিটা ও ফসলি জমি বিলীন হয়েছে এবং অবশিষ্ট প্রায় এক একর জমিও ঝুঁকিতে আছে। চলতি বছর এলাকাটিতে নতুন করে তুলনামূলক হালকা ভাঙন শুরু হলেও ঘরবাড়ি ও শেষ সম্বল হারানোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বাসিন্দারা।
ভুক্তভোগী আরতী গোয়ালী বলেন, বিয়ের পর থেকে প্রায় ৩০ বছর ধরে নদী তাঁদের বাড়িঘর ও জমি গ্রাস করছে; পরে তাঁরা রাস্তার পাশে সামান্য জমি কিনে ঘর করেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী থেকে অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের ফলে বর্ষায় ভাঙন তীব্র হয়। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, আরতী গোয়ালীসহ প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি পরিবারের বাড়িঘর ও ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়েছে; ধান, পাট, মরিচ ও ঘাসের জমিও হারিয়েছে অনেকে।
বাসিন্দারা দ্রুত বাঁধ বা স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। ঘোষপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরান হোসেন নবাব বলেন, নিয়ম মেনে বালু উত্তোলন হলে এমন ক্ষতিকর পরিস্থিতি তৈরি হতো না। বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম রকিবুল হাসান জানান, মধুখালী ও আলফাডাঙ্গার অংশে পানি উন্নয়ন বোর্ড নদীশাসনের কাজ করেছে এবং বোয়ালমারীতে ভাঙন দেখা দিলে সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মধুমতি নদীর ভাঙনে বোয়ালমারীর পরিবারগুলো ঘরবাড়ি ও জমি হারানোর আশঙ্কায়
কুতুবদিয়ার বিভিন্ন ঘাটে লবণ শ্রমিকরা দীর্ঘ সময় ভারী বস্তা বহন করেও ন্যায্য মজুরি না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। সতরুদ্দিন পেয়ারা কাটা নতুন জেটি ঘাটের শ্রমিকরা জানান, ৪০ কেজি বলা হলেও বস্তায় প্রায় ৫০ কেজি লবণ থাকে। প্রতি বস্তা ট্রলারে তুললে সাড়ে সাত টাকা পান। সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৮০ থেকে ৯০ বস্তা বহন করে দিনে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা আয় হয়।
শ্রমিক মানিক বলেন, চার বছর ধরে একই মজুরি চলছে এবং সারাদিন কাজের মধ্যে একবেলার খাবারও দেওয়া হয় না। খাবার, চা ও নাস্তায় মজুরির প্রায় অর্ধেক খরচ হয়ে যায়। মাসে গড়ে ২০ দিন কাজ মেলে; ঝড়-বৃষ্টিতে কাজ বন্ধ থাকে। তিনি প্রতি বস্তা বহনের মজুরি ১০ টাকা করার দাবি জানান। দরবার ঘাটে প্রতি মণ বহনে সাত টাকা দেওয়া হয়, যা ছয় মাস আগে ছিল ছয় টাকা।
ধুরুং ঘাটের ব্যবসায়ী আক্তার কোম্পানি বলেন, মাঠে লবণের দাম বাড়লেও মিলমালিকরা বাড়তি দামে কিনছেন না, তাই অনেক ব্যবসায়ী পরিবহন এড়িয়ে চলছেন। মলমচর স্লুইস গেট ঘাটের ব্যবসায়ী ইব্রাহীম জানান, মাঠ থেকে সড়ক ও ট্রলারে প্রতি মণ তুলতে শ্রমিকদের ২৩ টাকা দেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শফিউল আলম বলেন, বর্ষায় শ্রমিক বেড়ে যাওয়ায় কাজ কমে এবং মজুরিবৈষম্য তৈরি হয়।
কুতুবদিয়ায় ভারী লবণ বহনের মজুরি বাড়ানোর দাবি শ্রমিকদের
নেপালে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন করে ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করেছেন বিশেষজ্ঞ ও কর্তৃপক্ষ। অস্থিতিশীল গিরিখাতের দেয়াল এবং আংশিক ধসে পড়া হিমবাহকে ঝুঁকির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। লেন্দে খোলা, ভোতে কোশি ও ত্রিশূলী নদীর নিম্নাঞ্চলকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবারের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭৫ জনে দাঁড়িয়েছে, আর বহু মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের হিমবাহ বিশেষজ্ঞ ও জরুরি সেবা দলের সদস্যরা সাম্প্রতিক বন্যা ও ভূমিকম্পের পর দুটি প্রধান হুমকি চিহ্নিত করেছেন। বন্যার পানি ১০ মিটার পর্যন্ত উঠেছিল এবং লেন্দে খোলা গিরিখাতের খাড়া পাথুরে ও মোরেইন ঢালের ভিত্তি ব্যাপক ক্ষয় করেছে। স্যাটেলাইট ছবিতে ছোট ভূমিধসের চিহ্ন পাওয়ায় বড় পাথরধসের আশঙ্কা বেড়েছে; এতে নদীর গতিপথ বন্ধ হয়ে ভাটিতে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
গ্যাংভু হিমবাহের অবশিষ্ট অস্থিতিশীল অংশ নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। আফটারশক বা শক্তিশালী কম্পনে সেটি গিরিখাতে ধসে নতুন ঢেউ সৃষ্টি করতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। চীনা ও নেপালি বিশেষজ্ঞরা রাডার স্যাটেলাইটে আশপাশের হিমবাহ-উৎপন্ন হ্রদ পর্যবেক্ষণ করছেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকারী দলকে নদীর তীরের কাছে যেতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে।
নেপালে নতুন ভূমিধস ও বন্যার শঙ্কা, আকস্মিক বন্যায় মৃত ৪৭৫
ঘোষিত আয়, প্রকৃত ব্যয় ও অর্জিত সম্পদের মধ্যে অসামঞ্জস্য শনাক্তে প্রতিটি করদাতার জন্য ডেটাভিত্তিক সমন্বিত প্রোফাইল চালুর পরিকল্পনা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সাম্প্রতিক বৈঠকে এনবিআরের আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস বিভাগের কর্মকর্তারা এ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। নতুন ব্যবস্থায় আয়কর রিটার্নের তথ্যের সঙ্গে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ব্যয়, বিদেশ ভ্রমণ, ব্যাংক লেনদেন, গাড়ি কেনা, শেয়ারবাজার বিনিয়োগ এবং সম্পত্তি লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিলিয়ে দেখা হবে।
আয়, ব্যয় ও সম্পদের মধ্যে বড় গরমিল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট করদাতাকে উচ্চ ঝুঁকির শ্রেণিতে রাখা হবে। এনবিআর দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে সমন্বিত প্রোফাইল সম্পন্ন এবং শক্তিশালী ইনকাম ট্যাক্স ডেটা ওয়্যারহাউস গড়তে চায়। উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তিদের কর পরিশোধ তাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা যাচাইয়ে পৃথক প্রোফাইলও তৈরি হবে। দেশের বর্তমান কর-জিডিপি অনুপাত ৬ দশমিক ৮ শতাংশ; স্বল্পমেয়াদে তা আরও ২ শতাংশ পয়েন্ট, মধ্যমেয়াদে ১০ শতাংশ এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্য জানানো হয়েছে।
আগামী তিন মাসে টিআইএন ডেটাবেস পরিষ্কার ও শ্রেণিবদ্ধ করা, শীর্ষ বকেয়া করের তালিকা তৈরি এবং উচ্চ ঝুঁকির কোম্পানি ও ধনী ব্যক্তিদের শনাক্তের পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে কেন্দ্রীয় তথ্যসংযোগ, স্বয়ংক্রিয় প্রোফাইলিং, ঝুঁকিভিত্তিক অডিট, ফেসলেস অ্যাসেসমেন্ট, পূর্বপূরণকৃত রিটার্ন ও স্বয়ংক্রিয় রিফান্ড চালুর কথাও জানিয়েছে এনবিআর।
আয়-ব্যয় ও সম্পদের গরমিল ধরতে স্বয়ংক্রিয় করদাতা প্রোফাইল চালুর পরিকল্পনা এনবিআরের
তীব্র গরমের মধ্যে দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে পাবনার প্রান্তিক পোলট্রি খামারিরা ক্রমবর্ধমান লোকসানে পড়েছেন। বিদ্যুৎ না থাকায় হিটস্ট্রোকে মুরগি মারা যাচ্ছে এবং ডিমের উৎপাদন আশঙ্কাজনকভাবে কমছে বলে জানিয়েছেন তারা। খামারিদের ভাষ্য, জেলায় দিন-রাত মিলিয়ে ছয় থেকে ১০ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে, পল্লী বিদ্যুতের আওতাধীন এলাকায় পরিস্থিতি আরও খারাপ। এতে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, আলো-বাতাস, খাদ্য ও পানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে; কেউ কম দামে আগেভাগে মুরগি বিক্রি করছেন, কেউ খামার বন্ধ করছেন।
২০০০ সালের পর পাবনায় পোলট্রি খাত দ্রুত বিস্তৃত হলেও ফিড, বাচ্চা, ওষুধ ও ভ্যাকসিনের দাম বৃদ্ধিতে লাভজনকতা কমেছে। খামারিদের অভিযোগ, সাত হাজারের বেশি প্রান্তিক খামারি ব্যবসা গুটিয়েছেন। বর্তমানে জেলায় নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত মিলিয়ে ৩,০৪৩টি খামার আছে, পাঁচ বছর আগে যা ছিল প্রায় ১০ হাজার। ২,৪০০ টাকার এক বস্তা ফিড এখন ৩,৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
পোলট্রি ফার্ম অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, জেনারেটর চালাতে প্রতিদিন অতিরিক্ত ৮০০ থেকে ১,০০০ টাকা ব্যয় হচ্ছে। বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা গ্যাস সংকটকে উৎপাদন কমার কারণ বলেছেন। প্রাণিসম্পদ বিভাগ স্যালাইন ও বিটেইন ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে এবং বিদ্যুৎ, খাদ্য ও ওষুধে ভর্তুকির পরিকল্পনা ও সুপারিশের কথা জানিয়েছে।
গরম ও লোডশেডিংয়ে পাবনায় মুরগি মারা যাচ্ছে, কমছে ডিম উৎপাদন
চীন সতর্ক করেছে যে চীন-নেপাল সীমান্তে ভূমিধসে সৃষ্টি হওয়া একটি হ্রদ যেকোনো সময় উপচে পড়ে নিচের দিকে বন্যার পানি প্রবাহিত করার উচ্চ ঝুঁকি তৈরি করেছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম পানিসম্পদ কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে। বুধবার তিব্বত সীমান্তবর্তী গিরং এলাকায় কাদা ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত আঘাত হানার পর হ্রদটি তৈরি হয়। এ ঘটনায় শত শত মানুষ নিখোঁজ থাকার খবর পাওয়া গেছে।
সিসিটিভি জানিয়েছে, আগামী তিন দিনে হ্রদটির পানির স্তর বাড়তে পারে এবং ১ সেপ্টেম্বরের দিকে তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া বৃহস্পতিবার রাতে জানায়, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে এই সময়ে হ্রদটিতে প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি প্রবেশ করতে পারে।
পানির প্রবাহ বাড়লে হ্রদের বাঁধ ভেঙে নিচের দিকে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়বে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এতে গিরং বন্দরসহ নিম্নাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় আরও ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। আগামী তিন দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ৪৯৯ জন স্থানীয় বাসিন্দা ও ৫৫৫ জন পর্যটককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে; পর্যটকদের জাতীয়তা জানানো হয়নি।
চীন-নেপাল সীমান্তের ভূমিধসের হ্রদ থেকে নিচের দিকে বন্যার ঝুঁকির সতর্কতা
বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) বিমা কোম্পানিগুলোকে গোপন বা একাধিক ‘ডাবল সার্ভার’ সরিয়ে তথ্যব্যবস্থা একীভূত করতে ছয় সপ্তাহ সময় দিয়েছে। শুক্রবার, ২৮ আগস্ট কুমিল্লার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে ইন্স্যুরেন্স রিপোর্টার্স ফোরামের কর্মশালায় আইডিআরএ চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিন এ ঘোষণা দেন। নির্ধারিত সময়ে নির্দেশনা না মানলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
চেয়ারম্যান বলেন, অনেক লাইফ ও নন-লাইফ বিমা কোম্পানির দেওয়া তথ্য প্রকৃত ব্যবসা, প্রিমিয়াম আয় ও আর্থিক অবস্থার পূর্ণাঙ্গ চিত্র দেয় না। একাধিক সার্ভারের কারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদারকি ব্যাহত হচ্ছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামকে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং গোপন ব্যবস্থা শনাক্তে প্রযুক্তিগত নিরীক্ষার কথা বলা হয়েছে।
মীর নাদিয়া নিভিন জানান, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি পুরোপুরি চালু এবং তিন থেকে চার মাসের মধ্যে খাতজুড়ে ইউনিক পলিসি আইডি চালুর লক্ষ্য রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর ও বিএসইসির সঙ্গে সমন্বয়ের পরিকল্পনাও রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সম্পদ নগদায়নের অর্থ দিয়ে সংকটাপন্ন সাত থেকে আটটি কোম্পানির বকেয়া দাবি পরিশোধ আগামী সপ্তাহে শুরু হবে।
গোপন বা ডাবল সার্ভার সরিয়ে তথ্য একীভূত করতে বিমা কোম্পানিকে ছয় সপ্তাহ সময়
সারা দেশে রুফটপ সোলার সম্প্রসারণ, স্থানীয় উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং কার্যকর সোলার সেবা নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-৩০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
জেলা ও ভৌগোলিক এলাকাভিত্তিক যোগ্য সার্ভিস প্রোভাইডার তালিকাভুক্ত করা হবে এবং সব বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা এ জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো রুফটপ সোলারসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তি স্থাপনে কারিগরি সহায়তা, বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক প্যাকেজ, গ্রাহকসেবা এবং পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা দেবে। স্থানীয় ব্যবসায়ী, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, তরুণ, নারী উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে।
স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হবে; একক প্রতিষ্ঠান ও যৌথ উদ্যোগ উভয়ভাবেই আবেদন করা যাবে। সরকার বিশেষ প্রণোদনা, কর ও শুল্ক সুবিধা, সহজ ও স্বল্পসুদে অর্থায়ন এবং স্টার্টআপ অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও কাজ করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে, যার মধ্যে রুফটপ সোলার থেকে ৫,৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদনের পরিকল্পনা আছে।
রুফটপ সোলার সম্প্রসারণে স্থানীয় উদ্যোক্তা ও সেবা নেটওয়ার্ক গড়ছে সরকার
কৃষি মন্ত্রণালয় দেশজুড়ে সার সংকটের খবরকে ‘সম্পূর্ণ গুজব’ বলে নাকচ করেছে এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মাঠপর্যায়ে অভিযান চালানোর কথা জানিয়েছে। সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মানিকগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রংপুর ও যশোরে ভেজাল সার বিক্রি, অতিরিক্ত দাম নেওয়া এবং অবৈধ মজুতের অভিযোগে একাধিক ডিলার ও ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে এবং সার জব্দ করা হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আহমেদ ফয়সাল ইমাম বলেন, ৬৪ জেলার জন্য নিয়োজিত ৬৪ কর্মকর্তা নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। বেশি দামে বিক্রি বা কালোবাজারির অভিযোগ পেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে এবং অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী ডিলারশিপ স্থগিত বা বাতিল করা হচ্ছে। রংপুরের কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী গোডাউনে সার না রাখা ও পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণেও অনেক ডিলারকে জরিমানা করা হচ্ছে।
সাটুরিয়ায় ভেজাল ডিএপি বিক্রির অভিযোগে এক ডিলারকে দুই লাখ টাকা জরিমানা ও পাঁচ বস্তা সার জব্দ করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জে অতিরিক্ত দাম ও অবৈধ মজুতের দায়ে এক ব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদনে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপির নিরাপত্তা মজুত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম থাকার তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।
সার সংকটের গুজব নাকচ করে অনিয়মকারী ডিলারদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে প্রশাসন
নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৩৮৯ জন নিহত এবং বিদেশি নাগরিকসহ প্রায় দেড় হাজার মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ৯টার দিকে লেন্দেখোলা নদীর উপত্যকা দিয়ে পানি, কাদা ও পাথরের ঢল নেমে একের পর এক গ্রাম প্লাবিত করে। হতাহত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সীমান্তের তিব্বত অংশে অন্তত ৫৫৮ জন নিখোঁজ ও তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
রাসুয়া জেলার ভোতে কোশি নদীর উপত্যকায় হিমবাহ ধসের পর এই বন্যা সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এতে ঘরবাড়ি, বৈদ্যুতিক টাওয়ারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; ভেসে গেছে অন্তত ১৯টি সেতু ও প্রায় ৪০ কিলোমিটার সড়ক। নিখোঁজদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের পাঁচ শতাধিক পর্যটক রয়েছেন। বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, কোনো বাংলাদেশি নিহত, আহত বা নিখোঁজ হওয়ার তথ্য নেই।
কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৪০ মাইল উত্তরে ধসে সৃষ্ট নতুন হ্রদে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার পানি জমেছে এবং তিন দিনে আরও ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি প্রবেশ করতে পারে। বাঁধ ভেঙে নতুন বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। সরকার উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে ১২টি দল গঠন করেছে; সেনাবাহিনী হেলিকপ্টার, ড্রোন ও অনুসন্ধানী কুকুর ব্যবহার করছে।
হিমবাহ ধসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নেপালের বন্যায় ৩৮৯ নিহত, নিখোঁজ প্রায় দেড় হাজার
ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি) জানিয়েছে, বুধবার নেপালে হওয়া ভয়াবহ বন্যায় প্রায় ৯৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারেন। সংস্থাটি সতর্ক করেছে যে দেশটিতে বন্যা পরিস্থিতি আবারও অবনতি হতে পারে এবং নতুন করে বন্যার আশঙ্কা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
নেপালে আইএফআরসি প্রতিনিধি দলের প্রধান ডেভিড ফিশার নতুন করে বন্যার সম্ভাবনা নিয়ে সতর্ক করেছেন। বন্যাকবলিত মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে রেড ক্রস তাদের বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক সক্রিয় করেছে বলেও জানিয়েছে।
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেপালে সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করতে আইএফআরসি আড়াই কোটি সুইস ফ্রাঁ অর্থায়নের আবেদন করেছে। সংস্থাটির হিসাবে, এই অর্থ প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড বা ৩ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারের সমান। এই অর্থ জরুরি সাড়া কার্যক্রম এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় ব্যবহারের জন্য চাওয়া হয়েছে।
নেপালের ভয়াবহ বন্যায় প্রায় ৯৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন বলে জানিয়েছে আইএফআরসি
ঢাকার আমিনবাজার ল্যান্ডফিলের বর্জ্য থেকে একটি চীনা কোম্পানি আগামী দেড় বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সরকার কোম্পানিটির কাছ থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ২৫ টাকায় কিনবে। প্রকল্পটি চালু হলে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ তথ্য জানান। প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি ২ সেপ্টেম্বর চীনের বেইজিংয়ে হওয়ার কথা রয়েছে। চূড়ান্ত অর্থায়ন চুক্তিতে বিনিয়োগকারী ব্যাংক, কোম্পানি ও বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট পক্ষ থাকবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুতের দাম বেশি মনে হলেও বর্জ্য অপসারণ ও অবশিষ্ট বর্জ্য থেকে জৈবসার উৎপাদনের কারণে প্রকল্পটি লাভজনক হবে। কোম্পানি ল্যান্ডফিল ব্যবহারের জন্য সিটি করপোরেশনকে মাসিক ভাড়া দেবে এবং সরকারের বিনিয়োগ লাগবে না। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য থেকেও প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আমিনবাজারের বর্জ্য থেকে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে চীনা কোম্পানি
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ২১৮ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।