গত এক বছরে দেশে প্রায় ১২ শতাংশ সাইবার অপরাধ বেড়েছে। আর বিগত ৫ বছরে প্রায় ২ লাখ ভুক্তভোগী মানুষ বিভিন্ন প্লাটফর্মে অভিযোগ করেছেন। সাইবার ক্রাইম এয়্যারনেন্স নামের একটি সংগঠন জরিপের এই তথ্য প্রকাশ করেছে। জরিপে উঠে আসে, অপরাধের শিকার ৮০ শতাংশই ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী। আর ভুক্তভোগী ৬০ শতাংশই নারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নেও সাইবার অপরাধ সংগঠিত হয়েছে। ভুক্তভোগীদের মাত্র ১২ শতাংশ অভিযোগ করেছেন। বক্তারা জানান, এআই ও ডিপফেকিং অপরাধ বাড়ানোর পেছনে দায়ী। সাইবার নিরাপত্তা জাতীয় নিরাপত্তার অংশ। এ সময় সাইবার সচেতনতা বৃদ্ধিতে মাসব্যাপী কর্মসূচিও ঘোষণা করে সংগঠনটি।
সুজনের জরিপে দেখা গেছে, উচ্চকক্ষ গঠনে পিআর পদ্ধতিতে আসন বণ্টনের পক্ষে ৭১% মানুষ মত দিয়েছেন। ২০২৫ সালের মে-জুলাইয়ে ১,৩৭৩ জনের মতামত ও ১৫টি নাগরিক সংলাপের ভিত্তিতে জরিপটি করা হয়। এতে ৬৯% দ্বিকক্ষ আইনসভার পক্ষে এবং ৮৭% একই ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী, দলীয় প্রধান ও সংসদনেতা না হওয়ার প্রস্তাব সমর্থন করেছেন। নিম্নকক্ষে ঘূর্ণমান পদ্ধতিতে নারী আসন সংরক্ষণের পক্ষে ৬৩% এবং উচ্চকক্ষে ৩০টি নারী আসন সংরক্ষণের পক্ষে ৬৯% মত দিয়েছেন। নিম্নকক্ষে বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নিয়োগের পক্ষে ৮৬% এবং উচ্চকক্ষে এ পদে বিরোধী দলের মনোনয়ন চান ৮২%। নির্বাচনকালে নির্বাহী বিভাগের ভোট প্রভাবিতকারী কার্যক্রমে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার পক্ষে ৮৭% মানুষ একমত। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচনের সুষ্ঠুতা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে ইসি সার্টিফিকেট প্রকাশের পক্ষে ৮৬% এবং নির্বাচনি ব্যয় নিরীক্ষণ ও অসত্য তথ্য দিলে প্রার্থিতা বা ফলাফল বাতিলের পক্ষে ৮৮% মত দিয়েছেন। সর্বোচ্চ ৯২% মনে করেন, চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিগ্রস্ত ও সাজাপ্রাপ্তদের দলীয় সদস্য হওয়ার অযোগ্য ঘোষণা করা উচিত।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ভোটদানের বিষয়ে এখনও প্রায় ৪৮.৫% ভোটার সিদ্ধান্তহীন রয়েছেন, যা আগের জরিপে ছিল ৩৮%। বিআইজিডি এবং ভয়েস ফর রিফর্মের জরিপে দেখা গেছে, দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে মানুষের আশঙ্কা বেড়েছে, কিন্তু অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে আশাবাদ আছে। জরিপে ৫১% ভোটার ভালো সংস্কারের পর নির্বাচন চান, ১৭% কিছু সংস্কার চান, আর ১৪% সংস্কার ছাড়া নির্বাচন চান। নির্বাচনে কাকে ভোট দেবেন, এই প্রশ্নে ১২% বিএনপি, ১০.৪% জামায়াতে ইসলামী এবং ২.৮% মানুষ এনসিপির কথা বলেছেন। আওয়ামী লীগের সমর্থনও ৮.৯% থেকে ৭.৩% এ নেমে এসেছে। ১৪.৪% ভোটার পছন্দের দলের নাম প্রকাশ করতে চাননি। ৭০% বিশ্বাস করেন পরবর্তী নির্বাচন হবে অবাধ ও সুষ্ঠু। ভোটাররা প্রধানত আইনশৃঙ্খলা, বিচার ব্যবস্থা, দুর্নীতি দমন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সংস্কারের মূল বিষয় মনে করেন। ৩২% ডিসেম্বরের আগে নির্বাচন চান, ২৫% পরে নির্বাচন চান। উত্তরদাতারা সরকারকে ১০০-এর মধ্যে ৬৩ নম্বর দিয়েছেন, অক্টোবরে যা ছিল ৬৮।
গণঅভ্যুত্থানের পর সারাদেশে মব সহিংসতার ঘটনা বেড়ে চলেছে। দেশের ৮০ শতাংশ মানুষ উদ্বিগ্ন। বিআইজিডি পরিচালিত এক সমীক্ষার ফলাফলে আরো দেখা যায়, সার্বিকভাবে মব সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ ৮০ শতাংশ, নারীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ৫৬ শতাংশ, রাতে চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ৬১ শতাংশ এবং পোশাক নিয়ে রাস্তায় হয়রানি নিয়ে উদ্বেগ ৬৭ শতাংশ। জরিপে অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম, জনগণের সংস্কার প্রত্যাশা এবং আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর জনসমর্থন বিষয়েও মতামত নেওয়া হয়।
পেশাগত চাপ, অর্থনৈতিক অসচ্ছলতা এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের তরুণদের মধ্যে বিয়ে ও সন্তান নেওয়ার আগ্রহ কমছে বলে ইউএনএফপিএ ও ইউ গভ পরিচালিত এক জরিপে প্রকাশ পেয়েছে। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় জানানো হয়, প্রায় ৪০% তরুণ সন্তানের আকাঙ্ক্ষা হারাচ্ছেন, এবং ১৮% তরুণ পরিবার পরিকল্পনা সেবার সুযোগ পান না। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম ও অন্যান্য বক্তারা তরুণদের ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, সমতা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ২০৯৮ সাল নাগাদ বিশ্বের জনসংখ্যা হ্রাস পেতে শুরু করবে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ফেব্রুয়ারির এক জরিপে দেখা গেছে, কেবল ২৭.২৪ শতাংশ নাগরিক মনে করেন, তারা সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারেন। জরিপ অনুযায়ী, ২৭.৮৭ শতাংশ শহরবাসী এবং ২৬.৯৪ শতাংশ গ্রামবাসী মনে করেন, তারা দেশের রাজনৈতিক বিষয়ে মত প্রকাশ করতে পারেন। তবে সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে মত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে বলে মনে করেন ৩১.৮৬ শতাংশ পুরুষ, কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ২৩.০২ শতাংশ। এছাড়া রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় প্রভাব রাখার ক্ষমতা আছে বলে বিশ্বাস করেন মাত্র ২১.১৯ শতাংশ নাগরিক। এই ক্ষেত্রেও পুরুষ—২৬.৫৫ শতাংশ এবং নারী ১৭.৮১ শতাংশ।
ইহুদি জনগণের নীতি প্রতিষ্ঠান’- এর ‘ইসরাইলি সমাজ সূচক’ থেকে জানা গেছে, ৬০ শতাংশ ইসরাইলি ‘গৃহযুদ্ধের শঙ্কায়’ সতর্কতার সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন। খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা প্রভাবিত করছে ১.৫ মিলিয়ন বসতি স্থাপনকারীকে। এর আগে ইসরাইলি সুপ্রিম কোর্টের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহারন বারাক ‘ইসরাইলে’ গৃহযুদ্ধের আশঙ্কার সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। ২৭ শতাংশ ইসরাইলি আহারন বারাকের সতর্কবার্তার সঙ্গে একমত হয়েছেন এবং বলেছেন, ‘তিনি সঠিক ছিলেন’। অন্যদিকে ৩৩ শতাংশ মনে করেন, তিনি কিছুটা অতিরঞ্জিত মন্তব্য করেছেন। তবে বাস্তবে বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। কেবল ১৬ শতাংশ ইহুদি মনে করেন, ‘ইসরাইলে গৃহযুদ্ধের কোনো আশঙ্কা নেই’। ৫১ শতাংশ ভোটার বিশ্বাস করেন, গোয়েন্দা প্রধানকে বরখাস্তের বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ হওয়া উচিত নয়’।
হামাসের হাতে জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে গাজায় যুদ্ধবিরতির পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন ৬৯% ইসরাইলি। এই চুক্তির বিরোধিতা করছেন ২১% ইসরাইলি। এমনকি জোটের ভোটারদের মধ্যেও ৫৪% যুদ্ধবিরতির পদক্ষেপকে সমর্থন করে, বিরোধিতা করে ৩২%! ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিন ধরে ৫৯ জন জিম্মিকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে গাজা যুদ্ধের অবসানের প্রস্তাব প্রত্যাখান করে আসছে। তাদের দাবি, উপত্যকাটির ক্ষমতা থেকে হামাসকে সরিয়ে দেওয়া হলেই কেবল যুদ্ধ শেষ হতে পারে, যাতে আর কোনও হুমকি তৈরি করতে না পারে।
শনিবার ডেইলি স্টার এক জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করে। এতে জানানো হয়, চলতি বছরে সারাদেশের আটটি বিভাগের ৬৪টি জেলায় ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত ১০ হাজার ৬৯৬ জন এই জরিপ পরিচালনা করা হয়। এতে উঠে এসেছে, এখনই ভোট হলে বিএনপি ৪১.৭%, জামায়াতে ইসলামী পাবে ৩১.৬%, আওয়ামী লীগ ১৩.৯% আর এনসিপি পাবে ৫.১ শতাংশ ভোট।। ৫৮% ভোটার ২০২৫ সালের মধ্যেই নির্বাচন চান, ৩১% ভোটার জুনের মধ্যে এবং ২৬% ভোটার ডিসেম্বরে নির্বাচন হওয়ার পক্ষে। প্রায় ১১% চান ডিসেম্বরের পরে। ৯% মানুষ মনে করেন যে, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক সংস্কারের প্রয়োজন আছে। আর ৫.৩% অংশগ্রহণকারী সংবিধান পরিবর্তনের পক্ষে মত দিয়েছেন।
সম্প্রতি গ্যালাপের একটি জরিপে দেখা গেছে, ইসরাইলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধেকেরও কম নাগরিক সহানুভূতিশীল। আর ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহানুভূতিশীল আমেরিকানদের ৩৩ শতাংশ, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে, ৫৯ শতাংশ ফিলিস্তিনিদের প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল। অন্যদিকে, ২১ শতাংশ ডেমোক্র্যাট ইসরাইলিদের প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল। যদিও আমেরিকানরা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে তাদের সহানুভূতিশীলতা ফিলিস্তিনিদের চেয়ে ইসরাইলিদের প্রতি বেশি মনে করে, তবু গ্যালাপের ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স জরিপে এই পরিমাপের বার্ষিক ট্র্যাকিংয়ের ২৫ বছরের মধ্যে ইসরাইলিদের প্রতি ৪৬ শতাংশ সমর্থন প্রকাশ এ সর্বনিম্ন।
বুধবার প্রকাশিত জরিপ অনুসারে, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট ব্যাপকভাবে বিজয়ী হবেন। নির্বাচনে নেতানিয়াহুর ক্ষমতাসীন জোট প্রচণ্ড ধাক্কা খাবে। এখন নির্বাচন হলে লিকুদ পার্টি ২৪ আসন, বেনেটের দল ২৪, ইয়েশ আতিদ ১১, দ্য ডেমোক্র্যাটস ১০, ন্যাশনাল ইউনিটি ৯, শাস ৯, ইউনাইটেড তোরাহ জুদাইজম আট, ইসরায়েল বেইতেনু আট, ওজমা ইহুদিত সাত, হাদাশ-তা'ল পাঁচ, রা'ম পাঁচ এবং ধর্মীয় ইহুদিবাদী পার্টি চারটি আসন জিতবে। প্রধানমন্ত্রীর জরিপে ৩৬ শতাংশ উত্তরদাতা বেনেটকে সমর্থন করেছেন, অন্যদিকে নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থন জানিয়েছে ৩৪ শতাংশ মানুষ। ১২০ সদস্যের নেসেটে নেতানিয়াহুপন্থী জোট মাত্র ৪৮ আসন পাবেন বলা হয়েছে, যেইটা আগের জরিপে ছিল ৫১।
কর্তৃত্ববাদী শাসকেরা যখন বিশ্বব্যাপী শক্তিশালী হচ্ছে তখন বাংলাদেশসহ কিছু দেশ উৎখাত করেছে ফ্যাসিবাদী শাসন। ২৪ সালে স্বাধীনতার সূচকে সবচেয়ে বেশি উন্নীত হওয়া চার দেশের মধ্যে তিনটিই দক্ষিণ এশিয়ার। তিনটি দেশ হলো: বাংলাদেশ, ভুটান এবং শ্রীলংকা। অপরটি সিরিয়া। ওয়াশিংটন গবেষণা সংস্থা প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ২০২৫ সালে ১০০-এর মধ্যে ৪৫ সংস্কার পেয়েছে। ২৩ সালে এই পয়েন্ট ছিল ৪০, তবে শ্রেণী পরিবর্তন হয়নি। স্বাধীনতার সূচক মানে সবচেয়ে বেশি উন্নীত হওয়া দেশের তালিকায় নাম থাকলেও বাংলাদেশ এখনো রাজনৈতিক অধিকার চর্চা ও নাগরিক স্বাধীনতা চর্চায় আংশিক স্বাধীন দেশ।
চলতি ফেব্রুয়ারি ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চলীয় ৮টি রাজ্যের নাগরিকদের মধ্যে মতামত জরিপ চালিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে। ‘ইন্ডিয়া টুডে মোড অব দ্য নর্থ–ইস্ট’ শীর্ষক জরিপে জানতে চাওয়া হয়, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত সরকারের আশ্রয় দেওয়া প্রসঙ্গে আপনার মতামত কী? জরিপে তিনটি প্রধান অপশন ছিল। ‘তিনি ভারতের মিত্র, তাকে আশ্রয় দেওয়া ঠিক আছে’—এই মতের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ২৩% উত্তরদাতা। আর এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ৩৭.৬%! ‘বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক উন্নয়নের স্বার্থে তাকে ফেরত পাঠানো উচিত’—এই মতের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৫৫%, বিপক্ষে দিয়েছেন ২১.১%। ‘তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো উচিত নয়, বরং অন্য দেশে চলে যেতে বলা যেতে পারে’—এই মতের পক্ষে মত দিয়েছেন ১৬%, বিপক্ষে মত দিয়েছেন ২৯ .১%।
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ১৩৫ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।