ওমান ৬০ বছরের বেশি বয়সী প্রবাসী কর্মীদের জন্য নতুন ওয়ার্ক পারমিট দেওয়া এবং বিদ্যমান পারমিট নবায়ন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহে নিয়োগদাতাদের করা কয়েকজন প্রবাসীর পারমিট নবায়নের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, বর্তমানে ৬০ বছরের বেশি বয়সী প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট দেওয়া হচ্ছে না।
এই সিদ্ধান্তে দীর্ঘদিন ধরে ওমানে কর্মরত অনেক প্রবাসী অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ওমান সরকার ৬০ বছর পার হওয়ার পরও প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নের সুযোগ দিয়েছিল। তখন অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মীদের ধরে রাখাই ওই নীতির অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল।
নতুন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ওমান কার্যত আগের নীতির বিপরীত অবস্থানে ফিরল। তবে দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রবাসী কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নের সেবা এখনো চালু রয়েছে। সেখানে বর্তমানে বয়সসীমা নিয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনের সূত্র হিসেবে গালফ নিউজের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
৬০ বছরের বেশি বয়সী প্রবাসীদের নতুন ও নবায়ন ওয়ার্ক পারমিট বন্ধ করেছে ওমান
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ বা সিপিডি বলেছে, নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতিতে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এলেও সামগ্রিকভাবে নেতিবাচক প্রবণতাই বেশি। সোমবার ‘নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাস: একটি অর্থনৈতিক পর্যালোচনা’ শীর্ষক মিডিয়া সংলাপে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতি ১ লাখ ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে। জানুয়ারি থেকে আগস্ট ২০২৬ সময়ে তিনটি প্রধান শিল্পাঞ্চলে ৯৫টি কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে ৬১ হাজার ৮৮১ জন কর্মসংস্থান হারিয়েছেন।
সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় অর্থনীতি কাঠামোগত সমস্যায় ছিল এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতিও অনুকূলে ছিল না। তাঁর মতে, দায়িত্ব নেওয়ার সময়কার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সমন্বিত ও তথ্যভিত্তিক দলিল না থাকায় সরকারের পদক্ষেপ এবং অগ্রগতি মূল্যায়ন কঠিন হচ্ছে। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশায় কিছুটা অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলেও সিপিডি উল্লেখ করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্য পূরণে প্রায় ৪২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দরকার। এনবিআরের রাজস্ব প্রবৃদ্ধি কমে ১১ দশমিক ১ শতাংশ এবং মোট কর রাজস্বের প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৯ শতাংশে নেমেছে। ব্যাংকঋণের ওপর সরকারের নির্ভরতা বেড়ে ৫৩ দশমিক ৮ শতাংশ হয়েছে, আর নিট বৈদেশিক সহায়তা কমে ৭৩৪ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। শিল্প ও উৎপাদন খাতের প্রবৃদ্ধি উভয়ই শূন্যে নেমেছে।
সিপিডির হিসাবে রাজস্ব ঘাটতি বাড়ার আশঙ্কা, ৯৫ কারখানা বন্ধে হারিয়েছে ৬১,৮৮১ চাকরি
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস অখালাসকৃত ও নিলামযোগ্য ৪৪২ কন্টেইনারের পণ্য ই-অকশন পদ্ধতিতে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে। চলতি আগস্টে এই নিলাম কার্যক্রম শুরু হবে বলে সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জনসংযোগ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিশেষ ই-অকশন নম্বর ৯/২০২৬-এ ১৫২টি এবং বিশেষ ই-অকশন নম্বর ১০/২০২৬-এ ২৯০টি কন্টেইনারের পণ্য বিক্রি হবে।
নিলামের পণ্যের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ, পিভিসি ফ্লেক্স ব্যানার, প্লাস্টিক ওয়েস্টেজ বা স্ক্র্যাপ, চেস্ট ফ্রিজার, পাইপ, সুতা ও কাপড় রয়েছে। এ ছাড়া সোলার মডিউল, এসির যন্ত্রাংশ, টাইলস, স্টেইনলেস স্টিল কয়েল, স্ক্যানার, ব্যাডমিন্টন র্যাকেট, এলিভেটর, লবণ, কাগজ ও গৃহস্থালি পণ্যও থাকবে। ৮৬টি পুরোনো খালি কন্টেইনারও নিলামে তোলা হবে।
চট্টগ্রাম কাস্টমসের ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে অংশ নেওয়া যাবে। প্রস্তাবিত দরমূল্যের কমপক্ষে ১০ শতাংশ জামানতের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে। এনবিআর জানিয়েছে, এ উদ্যোগ চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মউপযোগিতা ও সক্ষমতা বাড়াতে, কন্টেইনার জট কমাতে, ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে ভূমিকা রাখবে।
ই-অকশনে ৪৪২ কন্টেইনারের অখালাসকৃত পণ্য বিক্রি করবে চট্টগ্রাম কাস্টমস
বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য জোরদারে বন্ধ সীমান্ত হাট পুনরায় চালু, স্থলবন্দর পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যকর এবং স্থলপথে সুতা আমদানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির ও ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে। মন্ত্রী জানান, দুই দেশের বর্তমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার।
খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, গত দেড় বছরে কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হওয়ায় বাণিজ্যিক কার্যক্রমে কিছুটা ধীরগতি ছিল। সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে বাণিজ্যকে আরও সহজ ও কার্যকর করার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, চীনের পর ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।
ব্যবসায়ীদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে যৌথ টাস্কফোর্স গঠন ও ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের প্রস্তাব এসেছে। হাইকমিশনার সমতার ভিত্তিতে যৌথ বিনিয়োগ ও উৎপাদনের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, ভারত জিপার, বোতাম ও যন্ত্রপাতিসহ উপকরণ সরবরাহ করে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে সহযোগিতা করতে পারে। তাঁর মতে, নতুন বিনিয়োগ ও ব্যবসায়ী পর্যায়ের সহযোগিতায় বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।
সীমান্ত হাট, স্থলবন্দর ও সুতা আমদানি নিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের বাণিজ্য আলোচনা
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের অবকাঠামো ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। সোমবার সচিবালয়ে নবনিযুক্ত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আশ্বাস দেন। বৈঠকে এসব খাতে মার্কিন বিনিয়োগের সম্ভাবনাও আলোচনা হয় বলে জানান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিভিন্ন খাতে মার্কিন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সরকার কয়েকটি নির্দিষ্ট খাতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি মডেলে বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে। এর মধ্যে পানি সরবরাহ ও উন্নত পানি ব্যবস্থাপনা অন্যতম; এ ক্ষেত্রে মার্কিন সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। শহরের বর্জ্য অপসারণ ও ব্যবস্থাপনাতেও বিনিয়োগ ও সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে কথা হয়েছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিশেষভাবে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বা ওয়েস্ট টু এনার্জির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনা আলোচিত হয়েছে। মীর শাহে আলম বলেন, রাষ্ট্রদূত বর্তমান সরকারের কয়েকটি জনহিতকর নীতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। উভয় পক্ষ বিদ্যমান বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও গভীর ও এগিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে। মার্কিন প্রতিনিধি নতুন মন্ত্রিসভাকে স্বাগত জানিয়ে দুই দেশের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকারের কথা জানান।
বাংলাদেশের অবকাঠামো ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সহযোগিতার আশ্বাস মার্কিন রাষ্ট্রদূতের
দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় ডলারের সরবরাহ বাড়ায় দাম কমছে। গত দুই সপ্তাহে আন্তঃব্যাংক বাজারে ডলারের দর ১ টাকা ২৪ পয়সা কমেছে। সোমবার আন্তঃব্যাংক বাজারে প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৫৬ পয়সায় লেনদেন হয়েছে এবং ব্যাংকগুলোতে নগদ ডলার বিক্রি হয়েছে ১২৪ টাকায়। তবে মানিচেঞ্জাররা আরও বেশি দরে ডলার বিক্রির দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার সংবাদ সম্মেলনে মানি চেঞ্জার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, এমসিএবি, প্রতি ডলার ১২৫ টাকা ৫০ পয়সায় কেনা এবং ১২৬ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রির হার নির্ধারণের দাবি জানায়। সংগঠনের সভাপতি এমএস জামান বলেন, বিদেশফেরত প্রবাসী ও বিদেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে আসা ব্যক্তিরাই মানিচেঞ্জারদের ডলারের অন্যতম প্রধান উৎস।
এমএস জামান বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক মানিচেঞ্জারদের বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহ করে না। ডলারের দর বাড়লে বাজার অস্থিরতার জন্য তাদের দায়ী করা হলেও বৈদেশিক মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা তাদের নেই। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের বিরুদ্ধে বিমাতাসুলভ আচরণের অভিযোগ করেন এবং বলেন, বিদেশে থাকা বাংলাদেশিরা আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের দর সহজেই জানতে পারেন।
আন্তঃব্যাংক দর কমলেও ডলার ১২৬ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রির দাবি মানিচেঞ্জারদের
আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, আর্থিক সচেতনতা, দায়িত্বশীল অর্থ ব্যবস্থাপনা, ক্যারিয়ার উন্নয়ন ও নারীর আর্থিক ক্ষমতায়ন বিষয়ে সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটিতে একটি সেমিনার আয়োজন করেছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। প্রাইমঅ্যাকাডেমিয়া উদ্যোগের আওতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের শিরোনাম ছিল ‘ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন: এনগেজিং অ্যান্ড ইনস্পায়ারিং ইয়ুথ ইন ব্যাংকিং’। সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটি বিজনেস ক্লাবের সহযোগিতায় আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও ব্যাংকাররা অংশ নেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রাইম ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব লায়াবিলিটি অ্যান্ড উইমেন ব্যাংকিং শায়লা আবেদীন বলেন, নারীর আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ব্যাংকিং সেবায় প্রবেশাধিকারের পাশাপাশি আর্থিক স্বাধীনতা, আত্মবিশ্বাস, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নেতৃত্ব বিকাশের সঙ্গে যুক্ত। তিনি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি আর্থিক জ্ঞান অর্জনের আহ্বান জানান। মূল বক্তা এম এম মাহবুব হাসান আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য, নিয়মিত সঞ্চয়, তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত ও দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক শৃঙ্খলার ওপর জোর দেন।
মাহবুব হাসান প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য প্রাইম ব্যাংকের সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ভিডিও কল, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী গ্রাহকদের জন্য ব্রেইল বই ও সহজপ্রাপ্য ব্যাংকিং উপকরণের কথা তুলে ধরেন। সিডব্লিউইউ উপাচার্য অধ্যাপক ড. পারভীন হাসান উদ্যোগটির প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানে প্রশ্নোত্তর, দলীয় আলোচনা এবং কৃতী অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার দেওয়া হয়।
সিডব্লিউইউ শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক সচেতনতা সেমিনার করল প্রাইম ব্যাংক
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন থাকলেও এর প্রভাব অর্থনীতির ওপর পড়বে না। সোমবার বেলা ১১টার দিকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, আগামীতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও ভালো হবে।
ত্রিবেদী বলেন, রাজনীতি তার নিজের পথে চলবে, তবে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে হবে। তাঁর মতে, দুই দেশের সাধারণ মানুষ অনেক মেধাবী এবং দুই দেশের তরুণ প্রজন্মের অনেক আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। এসব আকাঙ্ক্ষা পূরণে যা করণীয়, তা করা সবার দায়িত্ব বলে তিনি উল্লেখ করেন।
হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ; কেউ বড় বা ছোট নয়, সবাই সমান। এই সমতার ভিত্তিতেই দুই দেশকে কাজ করে যেতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বা বৈঠক থেকে কোনো নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক উদ্যোগ এসেছে কি না, সে বিষয়ে উৎসে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
রাজনৈতিক টানাপোড়েন অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে না বলে মন্তব্য ভারতীয় হাইকমিশনারের
ইরানের উন্মুক্ত বাজারে রোববার মার্কিন ডলারের বিপরীতে রিয়ালের মূল্য রেকর্ড পরিমাণে কমেছে। প্রথমবারের মতো এক ডলারের দাম ২০ লাখ রিয়াল ছাড়িয়েছে, যা দুই লাখ তুমানেরও বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ ও অবরোধের প্রেক্ষাপটে এক সপ্তাহেরও কম সময়ে ডলারের বিপরীতে রিয়ালের দরপতন ৭ শতাংশের বেশি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কা এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা থমকে যাওয়ায় মুদ্রাবাজারে উদ্বেগ বেড়েছে। ইরানের তেল রপ্তানি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। উন্মুক্ত বাজারে রিয়ালের এই পতনে আমদানি করা খাদ্য, ওষুধ, শিল্পের কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতির দাম আরও বাড়তে পারে।
মূল্যস্ফীতির চাপ ঠেকাতে মানুষ ডলার ও সোনার মতো সম্পদে বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় ইরান সরকার জ্বালানির দাম বাড়ানোর বিষয়টিও বিবেচনা করছে। এতে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়তে পারে এবং দেশে নতুন করে জনঅসন্তোষ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
উন্মুক্ত বাজারে এক ডলারের দাম ২০ লাখ রিয়াল ছাড়াল
কেনিয়ার পশ্চিম পকোট কাউন্টির চেপোরোর গ্রামে নদীর বালুতে স্বর্ণ পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর হাজার হাজার মানুষ ভিড় করেছেন। দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই হিড়িকের সূত্রপাত ৩৩ বছর বয়সী ছাগল পালক মানাসে লোমাচার একটি আবিষ্কার থেকে। হারিয়ে যাওয়া ছাগল খুঁজতে গিয়ে তিনি নদীতীরে স্বর্ণ ছাঁকতে থাকা নারীদের সঙ্গে যোগ দেন এবং তিন গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণখণ্ড পান। তিনি সেটি ৩৬ হাজার কেনীয় শিলিংয়ে বিক্রি করেন। প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে ২৪ আগস্ট ২০২৬।
স্থানীয় প্রশাসনের হিসাবে, উন্মাদনার চরম সময়ে গ্রামটিতে প্রায় ১০ হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে কেনিয়ার বিভিন্ন এলাকার মানুষ এবং সীমান্ত পেরিয়ে আসা প্রতিবেশী উগান্ডার লোকজনও ছিলেন। ডেপুটি কমিশনার স্যামুয়েল কিয়ারি বলেন, প্রথমে একদল তরুণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্বর্ণ পায়, পরদিন একই এলাকায় নারীরা আরেকটি বড় সন্ধান পান। স্থানীয় ছোট স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের কাছে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০০ বিক্রেতা আসছেন বলে তিনি জানান।
তবে মানুষ যে চকচকে ধাতু সংগ্রহ করছেন, তা সত্যিই স্বর্ণ কি না, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়। এলাকাটিতে নির্দিষ্ট বা বড় কোনো স্বর্ণখনির অস্তিত্বও প্রমাণিত হয়নি। মানুষের ভিড়কে কেন্দ্র করে খাবার, পানি ও প্রয়োজনীয় পণ্যের ২০০টির বেশি অস্থায়ী দোকান গড়ে উঠেছে। কিন্তু ব্যাপক আগমনে পানীয় জলের তীব্র সংকট এবং অপর্যাপ্ত পয়ঃনিষ্কাশনের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।
স্বর্ণের খবরে কেনিয়ার চেপোরোর গ্রামে জড়ো হয়েছেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ
ক্ষমতায় আসার ছয় মাস পরও পাঁচ বছরে এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখাতে পারেনি বিএনপি সরকার, ২৪ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে। চীনা ও জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল, বন্ধ পাটকল চালু এবং দেশব্যাপী এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে চাকরি সৃষ্টির পরিকল্পনা নেওয়া হলেও সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী উদ্যোগগুলো এখনো আলোচনা ও পরিকল্পনার পর্যায়েই আছে।
সরকারের প্রথম ছয় মাসে মোট কত নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো মন্ত্রণালয় থেকে নির্ভরযোগ্য সমন্বিত তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে তৈরি ও নিট পোশাক খাতে অন্তত ২০ হাজার শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন। শিল্পপুলিশের হিসাবে জুন ২০২৪ থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত প্রায় ৪৫৭টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। গ্যাস সংকটে ৯ শতাধিক টেক্সটাইল মিল পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার কথা জানিয়েছে বিটিএমএ।
জুন শেষে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশে নেমেছে, যা ২০০৩ সাল থেকে সংরক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে সর্বনিম্ন। শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ গঠনে কমিটি চারটি স্টেকহোল্ডার বৈঠক করেছে; ধারণাপত্র তৈরির পর প্রাথমিকভাবে ছোট পরিসরে এটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
কারখানা বন্ধ ও দুর্বল ঋণ প্রবৃদ্ধির মধ্যে কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি পরিকল্পনাতেই সীমিত
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন নিষেধাজ্ঞার বিস্তারিত ঘোষণার অপেক্ষায় সোমবার সকালে এশিয়ার বাজারে তেলের দাম কমেছে। ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের ফিউচার দর ১ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৩ দশমিক ৪৫ ডলারে নেমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের তেলের ফিউচার দরও ১ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৬ দশমিক ১৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে ২৪ আগস্ট ২০২৬।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি মন্ত্রী স্কট ব্যাসেন্ট আগে বলেছিলেন, ইরানের জন্য একটি ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ আসছে। ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার বিষয়ে সোমবার বিকেলে তাঁর সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে। ওয়াশিংটনের সম্ভাব্য ঘোষণার দিকে বাজারের বিনিয়োগকারীরা নজর রাখছেন।
নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতা ও ধরন কী হবে, তা তখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। সম্ভাব্য পদক্ষেপ ইরানের তেল রপ্তানি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেল সরবরাহে কী প্রভাব ফেলবে, তা তেলের বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। বিনিয়োগকারীরা ইরানি অপরিশোধিত তেলের প্রবাহ ও বৈশ্বিক সরবরাহে এর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে আরও তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছেন।
ইরানের ওপর সম্ভাব্য নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার অপেক্ষায় এশিয়ায় তেলের দাম কমেছে
২০২৬ সালের জুন শেষে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের খেলাপি ঋণ প্রায় ৯৮ হাজার ৯১৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা মোট ঋণের ৫২ দশমিক ১৪ শতাংশ। আস্থার সংকট ও আমানত উত্তোলনের চাপের মধ্যে ব্যাংকটির আর্থিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। জুন শেষে প্রভিশন ঘাটতি ৮২ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকার বেশি এবং মার্চ শেষে প্রকৃত মূলধন ঘাটতি প্রায় ৯০ হাজার ১৮৮ কোটি টাকা ছিল। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকটির নিট লোকসান হয়েছে ১ হাজার ৩১৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, খেলাপি ঋণের বড় অংশ এস আলম গ্রুপের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের। ব্যাংক সূত্র বলেছে, শীর্ষ ২০ খেলাপি ঋণগ্রহীতার মধ্যে ১৫টি প্রতিষ্ঠান গ্রুপটি ও এর কর্ণধার সাইফুল আলমের পরিবারের সঙ্গে যুক্ত। এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ ৫৭ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা, যা মোট খেলাপি ঋণের প্রায় ৬২ শতাংশ। শীর্ষ তালিকার আরও পাঁচ প্রতিষ্ঠানের ৫ হাজার ৬৯৭ কোটি টাকার ঋণে এস আলম ও নাবিল গ্রুপের পরোক্ষ সুবিধাভোগিতার তথ্য রয়েছে।
অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জামাল উদ্দিন মজুমদার বলেন, নির্ধারিত কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থতা এবং পুনঃতফসিল করা ঋণ ফের খেলাপি হওয়ায় এ ঋণ বাড়ছে। জুনে অস্থিরতা ও আমানত উত্তোলন বৃদ্ধির পর বাংলাদেশ ব্যাংক ১২ জুন সহায়তার আশ্বাস দেয়। ১৪ জুন পুরো পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত করে নির্বাহী পরিচালক জহির হোসেনকে সব ক্ষমতা দেওয়া হয়।
জুনে ইসলামী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৮ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা
সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) বিও হিসাব খোলার সময় বিনিয়োগকারী ও নমিনির তথ্য যাচাইয়ে ই-কেওয়াইসি চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ ব্যবস্থায় তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় যাচাই করা সম্ভব হবে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি বা অন্যের আইডি ব্যবহার করে বিও হিসাব খোলার সুযোগ কমবে। সফটওয়্যার ও প্রস্তুতি সরেজমিনে দেখতে ১৯ আগস্ট নির্বাচন কমিশনের একটি দল সিডিবিএল কার্যালয় পরিদর্শন করেছে।
সিডিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মোতালেব বলেন, নতুন বিও হিসাবধারীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে এই পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে, যা পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে ভূমিকা রাখবে। ই-কেওয়াইসি চালুর জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের অনাপত্তিও পাওয়া গেছে। সিডিবিএলের সফটওয়্যারকে নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণাধীন এনআইডি সার্ভারের অ্যাপিআইয়ের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।
বিএসইসিতে নিবন্ধিত ব্রোকারেজ হাউস, সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংক ও কাস্টোডিয়ানসহ সব প্রতিষ্ঠান এই ব্যবস্থা ব্যবহার করবে। চালুর পর পর্যায়ক্রমে বিদ্যমান বিও হিসাবধারীদের তথ্যও যাচাই করা হবে। আগামী এক বা দুই মাসের মধ্যে এটি চালু হতে পারে। নির্বাচন কমিশনের সার্ভার ব্যবহার ও সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনার ফি ছাড়া বাড়তি কোনো ফি নেওয়া হবে না।
নতুন বিও হিসাব খোলায় ই-কেওয়াইসি চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে সিডিবিএল
বাংলাদেশ সরকার দীর্ঘদিনের জুলাই-জুন অর্থবছর পরিবর্তন করে ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে এপ্রিল-মার্চ ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগে ২০২৭-২৮ অর্থবছর জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত নয় মাসের পরিবর্তনকাল হিসেবে বিবেচিত হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো দেশের আবহাওয়া ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয় তৈরি করা।
বর্তমান ব্যবস্থায় অর্থবছরের শেষ তিন মাস এপ্রিল, মে ও জুনে বর্ষার প্রভাব বাড়তে থাকায় সড়ক, অবকাঠামোসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ ব্যাহত হয়। একই সঙ্গে শেষদিকে তাড়াহুড়া করে অর্থ ব্যয়ের প্রবণতা তৈরি হয়। পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী ড. এম মাশরুর রিয়াজ সিদ্ধান্তটিকে ভালো উদ্যোগ বলেছেন, তবে জানুয়ারি-ডিসেম্বর অর্থবছর হলে আবহাওয়াজনিত সমস্যার সমাধানে আরও বেশি সময় পাওয়া যেত বলে মত দেন।
বিশ্লেষকদের মতে, শুধু ক্যালেন্ডার বদলালে প্রকল্প বাস্তবায়নের ধীরগতি দূর হবে না; অনুমোদন, জমি অধিগ্রহণ, দরপত্র, প্রশাসনিক জটিলতা ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার সমাধানও দরকার। বাজেট, কর আদায়, হিসাবরক্ষণ, সফটওয়্যার ও নিয়মকানুনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন পর্যালোচনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেছেন, উদ্যোগটি সরকারি অর্থের অপচয় ও উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় কমাতে পারে।
বাংলাদেশ ২০২৮-২৯ থেকে এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালু করবে, আগে থাকবে নয় মাসের পরিবর্তনকাল
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ২২৫ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।