মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত নতুন ১০০ শতাংশ শুল্কের জবাবে চীন জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধে “শেষ পর্যন্ত লড়াই করবে।” চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ১৪ অক্টোবর এক বিবৃতিতে জানায়, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ‘গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যারের রফতানি নিয়ন্ত্রণ’ আরোপের হুমকির পর এ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। এর আগে চীন ‘দুর্লভ মাটির’ রফতানি সীমিত করেছিল, যা নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা বাড়িয়েছে। বেইজিং জানিয়েছে, তারা সংলাপের জন্য প্রস্তুত, তবে যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকি ও আলোচনা একসঙ্গে চালানো থেকে বিরত থাকতে হবে। এদিকে, সেপ্টেম্বর মাসে চীনের রফতানি ৮.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রফতানি ৩৪.৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। চলমান শুল্ক যুদ্ধ এখন আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বৈঠকেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধে শেষ পর্যন্ত লড়বে চীন
এক বৈঠকে পাল্টা শুল্ক আরও কমাতে সহযোগিতা করতে ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিজিএমইএ। অন্যদিকে ইউএসটিআর আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে সংগতি বজায় রেখে শ্রম আইন সংস্কারের তাগিদ দিয়েছে। বৈঠকে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই ২০ শতাংশ ট্যারিফ সুবিধা অর্জন করেছি, যা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে প্রকৃতপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানির ওপর গড় শুল্ক ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। ফলে মোট শুল্কের পরিমাণ প্রায় ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশ, যা নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। স্ট্যাকিং মেথড ব্যবহার করে অন্যান্য পণ্যের সঙ্গে এই শুল্কের সমন্বয় করা যেতে পারে। এদিকে মার্কিন সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি বলেন, আর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে সংগতি বজায় রেখে বাংলাদেশে শ্রম আইন সংস্কার করা হবে, এটি অত্যন্ত প্রত্যাশিত। এ নিয়ে মাহমুদ হাসান খান বলেন, বিজিএমইএ বাংলাদেশের শ্রম আইন ২০০৬-এর সংশোধনী নিয়ে সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া শ্রম আইন সংশোধনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে।
উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, পাটপণ্যের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্র তৈরিতে নান্দনিকতা ও ব্যবহার উপযোগিতাকে প্রাধান্য দিতে হবে। পাটপণ্য দিয়ে শুধু ফুল ও ফল তৈরি করে বেশি দূর আগানো সম্ভব হবে না। ব্যবহার উপযোগী পণ্য তৈরি করতে হবে। তিনি বলেন, সরকার স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মার্কেট একসেস তৈরিতে কাজ করছে। উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ সেই প্রচেষ্টার অংশ। প্রাথমিকভাবে ৩০ লাখ পাটের ব্যাগ বাজারে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তারপর সেটাকে এক কোটিতে উন্নীত করা হয়। এই ব্যাগ বাজারজাতকরণে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ভর্তুকি দিতে হচ্ছে এবং সেই অর্থের সংস্থানও করা হয়েছে। উদ্যোক্তাদের একটি টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চার থেকে পাঁচ মাস ব্যয় হয়েছে, যা সন্তোষজনক নয়। আরো বলেন, পণ্য বিক্রি করতে হলে সেই পণ্যের বিষয়ে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দিক উদ্যোক্তাদের বিবেচনায় নিতে হবে। প্রথমত পণ্যের ব্যবহারিক দিককে গুরুত্ব দিতে হবে, দ্বিতীয়ত তার নান্দনিকতা নিশ্চিত করা এবং সর্বোপরি তার মার্কেট একসেস ক্যাপাসিটি বিবেচনায় আনতে হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে এ বছর ভারতে ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ মাছ রপ্তানি করবে বাংলাদেশ। এক আদেশে বলা হয়, ১১ সেপ্টেম্বর অফিস চলাকালে হার্ড কপিতে আবেদন করতে পারবেন আগ্রহী রপ্তানিকারকেরা। আবেদনের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, ইআরসি, আয়কর সার্টিফিকেট, ভ্যাট সার্টিফিকেট, বিক্রয় চুক্তিপত্রসহ সংশ্লিষ্ট দলিলাদি দাখিল করতে হবে। আরও বলা হয়, প্রতি কেজি ইলিশের ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য সাড়ে ১২ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করেছে সরকার। ইতিমধ্যে যারা আহ্বান ব্যতিরেকেই আবেদন করেছেন, তাদেরও নতুনভাবে আবেদন দাখিল করতে হবে। উল্লেখ্য, গত বছর দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২ হাজার ৪২০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল সরকার। এবার এর অর্ধেক ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হলো। অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি ইলিশ রপ্তানি না করা, অনুমতি কোনোভাবেই হস্তান্তর না করা এবং অনুমোদিত রপ্তানিকারক ছাড়া ঠিকায় রপ্তানি না করার শর্তও থাকছে। বলা হয়েছে, সরকার যেকোনো সময় রপ্তানি বন্ধ করতে পারবে।
সোমবার এনটিএফসি-র নবম বৈঠকে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, সরকার কর ফাঁকি কমাতে চায়। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের দক্ষতার বিকাশ চায়। বাণিজ্য সহজীকরণ করতে বাণিজ্য সম্পর্কিত অপ্রয়োজনীয় প্রবিধান এবং নিয়ন্ত্রণকারী নিয়মকানুনগুলো পর্যালোচনা করা হবে। ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করা হবে। যার মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিমাণ এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়বে। আরও বলেন, ‘আমরা একটি দক্ষ ট্রেড রেজিম চাই, যার মাধ্যমে আমাদের জাতীয় অর্থনীতির ব্যাপক উন্নতি ঘটবে এবং যা সম্পদের সুষম বণ্টনের ক্ষেত্রেও বড় প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করবে।’
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি বোয়িং থেকে ২৫টি উন্নতমানের উড়োজাহাজ কিনবে সরকার। ইতিমধ্যে এই অর্ডার দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্য সচিব বলেন, বোয়িংয়ের ব্যবসাটা কিন্তু সে দেশের সরকার করে না, করে বোয়িং কোম্পানি। আমরা বোয়িং থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য অর্ডার দিয়েছি। যেমন ভারত দিয়েছে ১০০টি, ভিয়েতনাম দিয়েছে ১০০টি, ইন্দোনেশিয়া দিয়েছে ১০০টির। তিনি বলেন, বোয়িং কোম্পানি ক্যাপাসিটি অনুযায়ী এগুলো সরবরাহ করবে। সুতরাং এগুলো সরবরাহ করতে তারা অনেক সময় নেবে। এদিকে চুক্তি না হলে বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে।
রাশিয়া অধিকৃত ইউক্রেনীয় অঞ্চল থেকে সংগৃহীত গম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো আমদানি করছে বলে অভিযোগ করেছে কিয়েভ। এ নিয়ে ভারতে নিযুক্ত ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত ওলেক্সান্ডার পোলিশচুক বলেন, 'এ প্রসঙ্গে দূতাবাস থেকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে কফকাজ বন্দর থেকে আমদানিকৃত দেড় লাখ টনের বেশি চুরি করা গম প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জানানো হয়। তবে চিঠির বিষয়ে ঢাকা কোনো জবাব দেয়নি। এটি একটি অপরাধ। যার জন্য ইউক্রেন এখন বিষয়টি ইইউতে উত্থাপন করবে। যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করবে!' এদিকে বাংলাদেশের খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘রাশিয়া অধিকৃত অঞ্চলে উৎপাদিত গম ঢাকা আমদানি করে না। বাংলাদেশ কখনো চুরি করা গম আমদানি করে না।’
সোমবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের বড় ছেলে ও পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের পরিচালক এরিক ট্রাম্প জানিয়েছেন, তাদের নতুন মোবাইল ফোন প্রজেক্টের নাম হবে ট্রাম্প মোবাইল। আর তাদের সংস্থা কেবল আমেরিকায় তৈরি মোবাইল ফোনই বিক্রি করবে। এই প্রজেক্টের প্রথম মোবাইল ফোনের নাম রাখা হয়েছে টি ওয়ান। জানা গেছে, নতুন এ স্মার্টফোনটি বাজারে আসতে এখনও অন্তত আড়াই মাস বাকি। তবে, এই মুহূর্তে প্রি অর্ডার করা যাচ্ছে। এর মাধ্যমে অ্যাপল এবং স্যামসাংয়ের মতো কোম্পানিগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতার দৌড়ে অভিষেক হতে যাচ্ছে ট্রাম্প মোবাইলের।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত বাণিজ্যচুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এটি এখন শুধু দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। ট্রাম্প লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র পাবে মোট ৫৫ শতাংশ শুল্ক সুবিধা, আর চীন পাবে ১০ শতাংশ। তিনি লেখেন, ‘চীন আগাম ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রকে পূর্ণমাত্রায় ম্যাগনেট এবং প্রয়োজনীয় বিরল খনিজ সরবরাহ করবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, চীনকেও যুক্তরাষ্ট্র তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সুবিধা দেবে, যার মধ্যে রয়েছে চীনা শিক্ষার্থীদের মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবহারের অনুমতি—'যা আমার সবসময়ই ভালো লেগেছে!’
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, বিগত ১২ বছরের মধ্যে এবার সবচেয়ে বেশি দামে চামড়া বিক্রি হয়েছে। আগামী বছর আরও দাম বাড়বে। তিনি বলেন, সরকার চামড়ার পুরনো ঐতিহ্য ফিরে আনার চেষ্টা করছে। চামড়া সংরক্ষণ না করে পচিয়ে ফেললে সে দায়িত্ব সরকারের না। আরো বলেন, সরকার বিগত সময়ের সিন্ডিকেট ভাঙার জন্য ব্যবস্থা নিয়েছে। পাশাপাশি সঠিকভাবে চামড়া সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন স্থানে লবণ সহায়তা দিয়েছে। এ ছাড়া চামড়া পাচার রোধে সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন বলেছেন, চামড়া ব্যবসায়ীরা অবশ্যই ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে। সরকার এবার উদারভাবে সারাদেশে সাড়ে ৭ লাখ মণ লবণ বিতরণ করেছে। কিন্তু চামড়া যেহেতু পচনশীল দ্রব্য, সেহেতু পচা চামড়া নিয়ে অপপ্রচার চালাবেন না। তিনি বলেন, লিফলেট বিতরণ ও প্রচার-প্রচারণাসহ ট্যানারি মালিকদের জন্য ২২০ কোটি টাকা প্রণোদনা ছাড় দিয়েছে সরকার। আরও বলেন, সরাসরি চামড়া রপ্তানি নিষিদ্ধ ছিল, যা তিন মাসের জন্য সরকার প্রত্যাহার করেছে। উপদেষ্টা বলেন, ট্যানারি ব্যবসার প্রসারের লক্ষ্যে যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তার ফলে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের চামড়ার চাহিদা তৈরি হবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের দ্বিতীয় বৃহত্তম আম বাজার রহনপুর রেলস্টেশনে সোমবার সকাল থেকে আম কেনাবেচা বন্ধ রয়েছে। আড়তদারদের কমিশন নেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করছে আম চাষিরা। ফলে রহনপুর-ভোলাহাট আঞ্চলিক সড়কের দুপাশে শতশত আম ভর্তি ভ্যানগাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে। এতে ওই সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, রোববার আড়তদাররা মিটিং করে কমিশন ধার্য করে! উপজেলা প্রশাসন বলছে দু'পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমাধান করা হবে।
বৃহস্পতিবার ফোনে কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, বাড়তে থাকা শুল্ক সংকট ও বাণিজ্য উত্তেজনা ঠেকাতে। ট্রাম্পের অনুরোধে এই আলাপ হয়। চীনকে শর্তভঙ্গের অভিযোগ করলেও তারা তা অস্বীকার করেছে এবং পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছে। এই আলোচনায় বিনিয়োগকারীরা কিছুটা আশার ইঙ্গিত দেখছেন। যদিও মূল বিরোধ এখনও রয়ে গেছে—যেমন তাইওয়ান, ফেন্টানিল বাণিজ্য ও চীনের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতি। দুই নেতার সর্বশেষ সরাসরি সাক্ষাৎ হয়েছিল ২০১৯ সালে ওসাকায়।
মঙ্গলবার বিকালে ভারত থেকে ৫টি ট্রাকে ছোট-বড় মোট ৯৫টি মহিষ বেনাপোল বন্দরে এসে পৌঁছায়। এর মধ্যে ৫৫টি বড় এবং ৪০টি বাছুর প্রজননের জন্য। মহিষগুলো ভারতের হরিয়ানা থেকে আমদানি করা হয়েছে। জানা গেছে, সাভার প্রাণিসম্পদ ও গবেষণা-উন্নয়ন কেন্দ্রের জন্য মহিষগুলো বাংলাদেশ সরকার আমদানি করেছে। মহিষের আমদানি মূল্য ঘোষণা দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৯৫০ মার্কিন ডলার। প্রসঙ্গত, শুল্ক ছাড়াই ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে মহিষগুলো।
সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে জেদ্দা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে বৈঠক করেছে জেদ্দা কনস্যুলেট। কনসাল জেনারেল মিয়ামো মাইনুল কবির বলেন, সৌদি আরবে বাংলাদেশের রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে তার অবস্থান সুদৃঢ় রেখেছে। তিনি সৌদির বাজারে চামড়াজাত পণ্য, প্লাস্টিক সামগ্রী, হিমায়িত মাছ, কৃষি-প্রক্রিয়াজাত পণ্য, ফার্মাসিউটিক্যালস, পাট ও পাটজাত পণ্য, চা এবং হালাল মাংসের মতো বিভিন্ন বৈচিত্র্যময় পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে পণ্য বহুমুখীকরণের সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ১০৪ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।