যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা থেকে প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক দ্য রিপাবলিকের ৮ আগস্ট ২০২৬-এর মুদ্রণ সংস্করণে কলামিস্ট, শিক্ষা প্রশাসক ও গবেষক শাহ মনসুর আলী নোমানের একটি আলোকচিত্র প্রকাশিত হয়েছে। ইংল্যান্ডের ল্যাঙ্কাশায়ার থেকে ধারণ করা প্রকৃতিনির্ভর ছবিটি পত্রিকাটির নির্বাচিত আলোকচিত্র হিসেবে স্থান পেয়েছে।
১৮৭২ সাল থেকে প্রকাশিত দ্য রিপাবলিক স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি ‘টেক ইয়োর বেস্ট শট’ বিভাগে নির্বাচিত ছবি প্রকাশ করে। ছাত্রজীবন থেকে লেখালেখি ও আলোকচিত্রচর্চায় যুক্ত নোমানের কলাম, প্রতিবেদন ও ছবি বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তার ছবি Burnley Express, Lancashire Telegraph এবং BBC বাংলার ‘প্রবাহ’ অনুষ্ঠানেও স্থান পেয়েছে।
লেখালেখির অবদানের জন্য তিনি দৈনিক ভোরের কাগজ ও এই সময় পত্রিকা থেকে বিভিন্ন সময়ে পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটি তাকে ২০২৫ সালের সেরা ফিচার লেখক সম্মাননা দিয়েছে। বর্তমানে ইংল্যান্ডে অবস্থান করেও তার কলাম, নিবন্ধ, প্রতিবেদন ও আলোকচিত্র দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মাধ্যমে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে।
দ্য রিপাবলিকের নির্বাচিত বিভাগে ল্যাঙ্কাশায়ারে তোলা মনসুর নোমানের ছবি প্রকাশ
ভারতের প্রখ্যাত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, প্রাবন্ধিক, কথাসাহিত্যিক ও কবি ডা. কামাল হোসেন মারা গেছেন। ভারতের স্বাধীনতা দিবসের দিন শনিবার সকাল ৭টায় তার মৃত্যু হয়। দীর্ঘদিন শারীরিক অসুস্থতায় ভোগার পর গত ১ আগস্ট তিনি তীব্র স্ট্রোকে আক্রান্ত হন এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। সেখানে তাকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল।
মুর্শিদাবাদের বহরমপুর থেকে উঠে আসা কামাল হোসেন সাহিত্য ও চিকিৎসা—দুই ক্ষেত্রেই কাজ করেছেন। ১৯৭৯ সালে কবিতা ভবন থেকে তার প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘অন্য প্রকাশ’ প্রকাশিত হয়। তার গল্প, উপন্যাস ও কবিতায় স্বাধীনোত্তর মুসলিম সমাজ ও পরিবারের সংকটের পাশাপাশি বৃহত্তর বাঙালি সমাজের নানা বিষয় উঠে এসেছে। ‘পরম বিশ্বাসের গন্ধ’ উপন্যাসটি নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় স্মৃতি উপন্যাস প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার পায়; ‘দ্বীপভূমি’ লাভ করে প্রমা পুরস্কার।
চিকিৎসক হিসেবে তিনি মাদার টেরেসার একটি প্রতিষ্ঠানে রোগী দেখতেন এবং উত্তর ২৪ পরগনার একটি ক্লিনিকে নিয়মিত সেবা দিতেন। ২০২২ সালের ২৬ নভেম্বর প্রথম স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর তিনি প্রায় চার বছর অসুস্থ ছিলেন। ‘পুবের কলম’-এর সম্পাদক আহমদ হাসান ইমরান তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। পাঠক, শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহীরাও গভীর বেদনা জানিয়েছেন।
ভারতের সাহিত্যিক ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. কামাল হোসেনের মৃত্যুতে শোক
চট্টগ্রামের বাঁশখালীর ছনুয়া ইউনিয়নের খুদুকখালীতে উপকূলীয় পাবলিক লাইব্রেরি ২০১০ সালে ২০টি বই নিয়ে যাত্রা শুরু করে এখন প্রায় ৯ হাজার বইয়ের গণপাঠাগারে পরিণত হয়েছে। বাঁশখালী উপজেলা সদর থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরের এই পাঠাগার চারটি ইউনিয়নের শিক্ষার্থী ও তরুণ-তরুণীদের বিনা মূল্যে বই পড়ার সুযোগ দিচ্ছে। পাঠাগারের নামে কেনা ২২ শতক জমিতে নিজস্ব ভবনে এর পাঠ কার্যক্রম চলছে। প্রতিষ্ঠাতা সাঈফী আনোয়ারুল আজীম অনুন্নত যোগাযোগ ও দারিদ্র্যপীড়িত এলাকায় বইয়ের আলো ছড়ানোর লক্ষ্যেই উদ্যোগটি গড়ে তোলেন।
পাঠাগারে দর্শন, ইতিহাস, ধর্ম, মনোবিজ্ঞান, সাহিত্য, মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা, গবেষণা, অর্থনীতি ও অনুবাদ সাহিত্যসহ নানা বিষয়ের বই রয়েছে। পাঠকরা বই ১৫ দিনের জন্য বাড়িতেও নিতে পারেন। নিবন্ধিত পাঠক ১৫০ জনের বেশি, যাদের ৯৫ শতাংশ নারী; প্রতিদিন ৩০ থেকে ৩৫ জন নারী পাঠক আসেন। কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে নারীদের বই পড়ার ভয় কাটাতে কাজ করা হয়েছে এবং বর্তমানে তিনজন নারী এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন।
২০২৫ সালে জাতীয় বিজ্ঞান প্রযুক্তি জাদুঘর থেকে নিবন্ধন পাওয়া উপকূলীয় বিজ্ঞান ক্লাবেও বিজ্ঞানবিষয়ক বই, পরীক্ষার উপকরণ ও টেলিস্কোপ রয়েছে। ২০১৪ সালের টর্নেডো, ২০১৬ সালের রোয়ানু, ২০২৩ সালের হামুন এবং ২০২৬ সালের বন্যায় পাঠাগার ক্ষতিগ্রস্ত ও বই নষ্ট হলেও কার্যক্রম চলেছে। কর্তৃপক্ষ দুর্লভ বই রক্ষায় একটি টেকসই স্থায়ী ভবনের প্রয়োজনের কথা জানিয়েছে। পাঠাগারটি বিকেল ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
২০ বই থেকে ৯ হাজার বইয়ে পৌঁছে উপকূলীয় অঞ্চলে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে পাঠাগারটি
জুলাই বিপ্লবের পর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কিছু পরিবর্তন আনলেও ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বাংলা পাঠ্যবইয়ে বিতর্কিত ও সমালোচিত লেখকদের একাধিক গদ্য-কবিতা রয়ে গেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। প্রথম থেকে নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত বই পর্যালোচনায় হুমায়ুন আজাদ, শামসুর রাহমান ও সুফিয়া কামালসহ কয়েকজন লেখকের রচনা বারবার অন্তর্ভুক্ত থাকার কথা উঠে এসেছে। একই সঙ্গে অপরিচিত লেখকের কবিতাও থাকার অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত চারটি বইয়ে হুমায়ুন আজাদের গদ্য আছে। শামসুর রাহমানের কবিতা প্রথম থেকে নবম শ্রেণির পাঁচটি এবং সুফিয়া কামালের কবিতা ও ছড়া সাতটি শ্রেণিতে রয়েছে। ২০২৫ সালে কয়েকটি লেখা বাদ দেওয়ার পর বড় পুনর্বিন্যাসের প্রত্যাশা তৈরি হলেও ২০২৬ সালের বইয়ে বহু রচনা অপরিবর্তিত রয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তারিক মনজুর লেখক নির্বাচনে সুনির্ধারিত তালিকা বা ছকের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন এবং ‘নিষিদ্ধ’ বা ‘বিতর্কিত’ আখ্যা দেওয়ার বিরোধিতা করেছেন। এনসিটিবির শিক্ষাক্রম উইংয়ের সদস্য প্রফেসর মুহাম্মদ ফাতিহুল কাদীর বলেন, পাঠ্যক্রম সংশোধনের কাজ চলছে এবং ২০২৮ সালের বইয়ে বিতর্কিত লেখকদের লেখা বাদ দিয়ে পরিবর্তন আনার আশা রয়েছে।
২০২৮ সালের বইয়ে বিতর্কিত লেখকদের লেখা বাদ দেওয়ার আশা এনসিটিবির
বাংলাদেশি আলেম ও মুহাদ্দিস মাওলানা আবদুল মতীন আরবি ভাষায় জামে তিরমিজির ১৭ খণ্ডের ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘কিফায়াতুল মুগতাজি ফি শরহি জামিয়িত তিরমিজি’ রচনা করেছেন। ২৫ বছরের সাধনায় প্রস্তুত গ্রন্থটি চলতি বছর পূর্ণতা পায় এবং ৫ আগস্ট ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়। প্রকাশক মুয়াসসাসা ইলমিয়্যাহ বাংলাদেশ।
অনুষ্ঠানে ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম মাওলানা আবুল কাসেম নোমানি, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা আবদুল মালেকসহ দেশ-বিদেশের আলেমরা উপস্থিত ছিলেন। নোমানি বলেন, প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, নির্ভরযোগ্য সূত্র ও আধুনিক গবেষণাপদ্ধতির সমন্বয়ে লেখক উচ্চমানের ব্যাখ্যাগ্রন্থ রচনা করেছেন।
সভাপতি মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম গ্রন্থটিকে হাদিস পাঠদান, গবেষণা ও দরস পরিচালনার পূর্ণাঙ্গ মডেল হিসেবে বর্ণনা করেন। আবদুল মালেকের মতে, এতে প্রতিটি হাদিসের ধারাবাহিক ও বিশ্লেষণধর্মী ব্যাখ্যা রয়েছে। প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মাওলানা তাহমিদুল মাওলা জানান, প্রথম চার খণ্ড দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছিল।
বাংলাদেশি আলেমের ১৭ খণ্ডের জামে তিরমিজি ব্যাখ্যাগ্রন্থ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত
অবরুদ্ধ গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের অবৈধ অবরোধের প্রতিবাদে ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের গাজামুখী যাত্রা নিয়ে বিশেষ প্রদর্শনী ‘ফ্লোটিলা: বাংলাদেশ সেইলস ফর গাজা’ শুরু হচ্ছে। ঢাকার পান্থপথের দৃকপাঠ ভবনে আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র সংস্থা দৃক পিকচার লাইব্রেরি এ আয়োজন করেছে। আগামী শুক্রবার, ১৪ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টায় প্রদর্শনীটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে।
প্রদর্শনীতে আলোকচিত্র, ভিডিও ফুটেজ ও বিভিন্ন আর্কাইভাল উপাদানের মাধ্যমে গাজামুখী অভিযানের বিবরণ তুলে ধরা হবে। এতে অংশ নেওয়া দুই ব্রিটিশ-বাংলাদেশি জুবায়ের ইসলাম খান ও মোহাম্মদ আলী, যিনি লিয়াকত নামেও পরিচিত, এবং বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের সাহসী যাত্রার তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
আয়োজকদের বর্ণনা অনুযায়ী, অভিযান চলাকালে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী তাঁদের নৌযান অবৈধভাবে আটক করে। পরে তাঁদের বেআইনিভাবে ইসরায়েলের কেৎজিয়েত কারাগারে বন্দী রাখা হয়। ওই অবরুদ্ধ সময় ও সংগ্রামের চিত্রও প্রদর্শনীতে থাকবে। ১৪ আগস্ট থেকে ২৯ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
গাজামুখী ফ্লোটিলা অভিযানের গল্প নিয়ে দৃকপাঠে ১৪ আগস্ট শুরু হচ্ছে বিশেষ প্রদর্শনী
সরকারি উদ্যোগে স্কুল শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে এক দিন জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও মানুষের আত্মত্যাগ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জানাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য দেন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, জাদুঘরটি উদ্বোধন নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা চালু হয়েছে। উদ্বোধনের পর জাদুঘরের ব্যবস্থাপনায় কিছু অসুবিধা দেখা দিয়েছিল বলে তিনি জানান। তবে বর্তমানে সেসব সমস্যার সমাধান করা হয়েছে এবং জাদুঘরের ব্যবস্থাপনা অনেকটা গুছিয়ে আনা হয়েছে।
তথ্য উপদেষ্টার মতে, ব্যবস্থাপনার সমস্যার মূল কারণ ছিল দর্শনার্থীদের অতিরিক্ত চাপ। জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নিয়ে সাধারণ মানুষের ব্যাপক আগ্রহ থাকায় উদ্বোধনের পর বিপুলসংখ্যক মানুষ সেখানে ভিড় করেন। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, আন্দোলনে মানুষের আত্মত্যাগ এবং এর তাৎপর্য তুলে ধরার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
স্কুল শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে এক দিন জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনের উদ্যোগ
আদিবাসীদের অধিকার, মর্যাদা ও টেকসই উন্নয়নকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের মধুপুরে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত হয়েছে। রোববার সকালে উপজেলার ভুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদ, ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন, আচিক মিচিক সোসাইটি, জলছত্র হরিসভা উন্নয়ন প্রকল্প, নাগরিক উদ্যোগ, বাগাছাস, কারিতাস, বেলাসহ অন্যান্য আদিবাসী সংগঠন এ আয়োজন করে।
পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভূমির অধিকার এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ে বক্তব্য দেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন মি. ইউজিন নকরেক এবং উদ্বোধন করেন মি. অজয় এ মৃ। আলোচনায় আদিবাসী গবেষক ও লেখক মি. থিওফিল নকরেক, অ্যাডভোকেট জনযেত্রা, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ জগদিস চন্দ্র বর্মণসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।
বক্তারা ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান এবং সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজের সব স্তরের সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। তারা বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেন। আলোচনা শেষে আদিবাসী শিল্পীদের নৃত্য, গান ও অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।
মধুপুরে শোভাযাত্রা, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পালিত আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস
কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা, পর্যাপ্ত জনবল বা নিরাপত্তা প্রটোকল ছাড়াই জুলাই স্মৃতি জাদুঘর চালু করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ৯ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এ পরিস্থিতিতে শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন, ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম ও স্পর্শকাতর স্থাপনাগুলো ক্ষতির ঝুঁকিতে রয়েছে। সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী স্টাফ নিয়োগ ও নিরাপত্তা মহড়া ছাড়া জাদুঘর খোলার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
জাদুঘর প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি জানান, পেশাদার ব্যবস্থাপনা কমিটি না থাকায় গবেষকদেরও শ্রমিক ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করতে হচ্ছে। কাচে রাখা স্মারক ভাঙছে এবং দর্শনার্থীদের স্পর্শে ছবি, টিভি ও ট্যাব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। শহীদ ইব্রাহিমের সাইকেলসহ বড় স্মারকগুলো কেবল লোহার শেকলে ঘেরা এবং প্রবেশপথ থেকে হল পর্যন্ত কার্যকর নজরদারির অভাব রয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনসংক্রান্ত স্মৃতি সরানো হয়েছে। তিনি বর্ডার কিলিং রুম, ফেলানীর ভাস্কর্য এবং লংমার্চ টু ঢাকা কর্মসূচির অংশ বাদ দেওয়ার কথা বলেন। তাঁর মতে, প্রায় ২০০ জন জনবল প্রয়োজন হলেও বর্তমানে ১৫ থেকে ২০ জন কাজ করছেন এবং স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে কার্যক্রম চলছে।
জনবল ও নিরাপত্তা প্রটোকলের অভাবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের স্মারক ঝুঁকিতে
আমার দেশের সাহিত্য ডেস্ক ৮ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত বাংলাদেশের কালচারাল ক্যালেন্ডারে আগস্টের প্রথম সপ্তাহের সাহিত্যিক জন্ম-মৃত্যু, ঐতিহাসিক ঘটনা ও স্মরণীয় সাংস্কৃতিক তথ্য তুলে ধরেছে। তালিকায় আবদুল মান্নান সৈয়দ, আবুল হাসান, মহাদেব সাহা, সিকান্দার আবু জাফর, মাহবুব-উল আলম এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও কর্মসংক্রান্ত তারিখ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ৩ আগস্ট ১৯৪৩ সালে আবদুল মান্নান সৈয়দের জন্ম এবং ৪ আগস্ট ১৯৪৭ সালে আবুল হাসানের জন্ম। ৫ আগস্ট ১৯৪৪ সালে মহাদেব সাহার জন্ম, আর ৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালে সিকান্দার আবু জাফরের মৃত্যু হয়। ৭ আগস্ট ১৯৮১ সালে মাহবুব-উল আলম এবং ৭ আগস্ট ১৯৪১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মারা যান।
তালিকায় ৪ আগস্ট ১৮৩৯-এ কানাই ফকিরের মৃত্যুর কথাও রয়েছে। এছাড়া ৫ আগস্ট ২০২৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সবার জন্য খুলে দেওয়ার তথ্য দেওয়া হয়েছে; এটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী জনাব রহমান। জাদুঘরে স্বৈরাচার আমলে সংঘটিত বিশেষ অপরাধ নিয়ে আলাদা বিভাগ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
আগস্টের প্রথম সপ্তাহের সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ঘটনাপঞ্জি
জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন অংকুর জুলাই শহীদ শিশু-কিশোরদের স্মরণে রাজধানীর পল্টনের একটি মিলনায়তনে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী আয়োজন করেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার সকালে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। অংকুর পরিচালক শাহ শিহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুটি গ্রুপের প্রতিযোগীদের মধ্যে পুরস্কার দেওয়া হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ক্যালিগ্রাফি শিল্পী ও অংকুর উপদেষ্টা আরিফুর বলেন, সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে ২৪-এর জুলাইয়ে শিশু-কিশোররা যে আত্মত্যাগ দেখিয়েছে, তাদের জন্য একটি নির্মল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সবার উচিত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কথাসাহিত্যিক ও কবি রুহুল আমীন সাদী, ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন জামিল, প্রিন্সিপাল মাওলানা আজিজুল হক, নূর মোহাম্মদ ও এইচ এম এরশাদসহ অন্যরা।
অতিথিরা দুটি গ্রুপে ১০ জন বিজয়ীকে সার্টিফিকেট ও পুরস্কার দেন। ‘ক’ গ্রুপে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ আননুর হায়দায় প্রথম হয়েছে। ‘খ’ গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জন করেছে রুফাইদা তারান্নুম। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সবাইকে বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়। সহ-পরিচালক এবিএম শহিদুল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ আইমান আন্দালিব যৌথভাবে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
জুলাই শহীদ শিশু-কিশোরদের স্মরণে পল্টনে অংকুরের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ
ভারতের ওয়াহইয়াইন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মুফতি শামায়েল নাদভী এবং পাকিস্তান ইউথ ক্লাবের পরিচালক তোয়াহা বিন জলিল চলতি আগস্টে বাংলাদেশ সফরে আসছেন। তাদের অংশগ্রহণে সিয়ান পাবলিকেশন লিমিটেড ঢাকা ও চট্টগ্রামে দুটি আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন করছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরাম খা হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সফর ও সেমিনারের তথ্য জানানো হয়।
সিয়ান পাবলিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু তাসমিয়া আহমদ রফিক বলেন, দুই তরুণ বক্তা সমকালীন ইসলামী চিন্তাধারা, যুবসমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক চ্যালেঞ্জ এবং শরিয়াহ বিষয়ে প্রাঞ্জল উপস্থাপনার জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত। সেমিনারে দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত বক্তারা ইসলাম সম্পর্কে প্রচলিত বিভিন্ন ভুল ধারণার জবাব দেবেন। আধুনিক সমাজে ইসলামের প্রাসঙ্গিকতা এবং তরুণ প্রজন্মের বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও জীবনদর্শন নিয়েও আলোচনা হবে।
প্রথম সেমিনার ২১ আগস্ট চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় সেমিনারটি ২২ আগস্ট ঢাকার পিএসসি কনভেনশন হলে হওয়ার কথা রয়েছে। দুই আন্তর্জাতিক বক্তার পাশাপাশি বাংলাদেশের বিশিষ্ট আলেম ও গবেষকেরাও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বক্তব্য দেবেন। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, আগ্রহীরা event.seanpublication.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সেমিনারের আসন বুক করতে পারবেন।
আগস্টে ঢাকা ও চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক ইসলামিক সেমিনারে আসছেন ভারত ও পাকিস্তানের দুই বক্তা
আমার দেশ অনলাইনে ৬ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত একটি দীর্ঘ নিবন্ধে ১২০৪ সালে বখতিয়ার খিলজির বাংলাবিজয় থেকে ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব পর্যন্ত বাংলার স্বাধীনতা, আত্মপরিচয় ও প্রতিরোধের ইতিহাস পর্যালোচনা করা হয়েছে। নিবন্ধটি মুহিম মাহফুজ, আসিফ আযহার, মাহমুদ আহমাদ ও সিয়াম আন-নুফাইস লিখেছেন। এতে ১৩৫২ সালে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের বাংলা সালতানাত প্রতিষ্ঠা, ঈসা খানের মোগলবিরোধী প্রতিরোধ এবং ব্রিটিশ শাসনবিরোধী বিভিন্ন বিদ্রোহকে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
নিবন্ধে বখতিয়ার খিলজির বিজয়কে সেন শাসনের অবসান ও নিপীড়িত মানুষের মুক্তির ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ তিন প্রশাসনিক অঞ্চল একত্র করে ‘সালতানাতে বাঙ্গালাহ’ প্রতিষ্ঠা করেন বলে এতে বলা হয়। ঈসা খানের নেতৃত্বাধীন বারো ভুঁইয়া জোট ভাটি অঞ্চলে মোগল বাহিনীর অগ্রযাত্রায় প্রতিরোধ গড়ে তোলে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
ঔপনিবেশিক আমলে অতিরিক্ত রাজস্ব, জমিদারি শোষণ ও নীলকরদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে ফকির-সন্ন্যাসী, ফরায়েজী, তিতুমীর, সাঁওতাল, নীল ও পাবনা কৃষক বিদ্রোহের কথা নিবন্ধে এসেছে। সিলেটের ১৭৮২ সালের মহররম বিদ্রোহও আলোচিত হয়েছে। শেষে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান ও ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবকে একই ধারার অংশ বলা হয়েছে।
বাংলার স্বাধীনতা ও প্রতিরোধের ইতিহাস নিয়ে আমার দেশের দীর্ঘ পর্যালোচনা
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নির্ভীক জুলাই’ নামে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ, ডাকসু। ৫ আগস্ট রাত ৯টায় ডাকসু ভবনের সামনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্মৃতিস্তম্ভটির আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে ডাকসুর নেতৃবৃন্দের সঙ্গে প্রায় ৫০ জন শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। একজন শহীদের বাবা মোনাজাত পরিচালনা করেন এবং দেশ, জাতি, শহীদ ও আহতদের জন্য দোয়া করা হয়। ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে অবিস্মরণীয় অধ্যায়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, স্মৃতিস্তম্ভটি আত্মত্যাগ, সাহস ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হবে।
এক শহীদের মা বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম শহীদদের আত্মত্যাগ জানলে পরিবারের কষ্টের মধ্যে কিছুটা সান্ত্বনা থাকবে। আরেক শহীদের বাবা তাদের স্বপ্ন হারিয়ে না যাওয়ার প্রত্যাশা জানান এবং উদ্যোগের জন্য ডাকসুকে ধন্যবাদ দেন। অনুষ্ঠানে ডাকসুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সমাজসেবা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি, ক্যারিয়ার উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক এবং পরিবহনবিষয়ক সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতা ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাবিতে ‘নির্ভীক জুলাই’ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণে ডাকসুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যেও ‘বর্ষা বিপ্লবের গান’ কনসার্টে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের দিন উদযাপন উপলক্ষে বুধবার কনসার্টটির আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক পার্টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মুনসুন কালচারাল অ্যালায়েন্স। বিকেল থেকে শুরু হওয়া আয়োজনে সন্ধ্যা নাগাদ মানুষের ঢল নামে।
দুপুর থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও তরুণসহ বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণিপেশার মানুষ কনসার্টে আসেন। কেউ ছাতা মাথায়, কেউ বৃষ্টিতে ভিজে গান উপভোগ করেন। বেলা ৩টা ৫৫ মিনিটে জাতীয় সংগীত বাজানোর পর জাতীয় শ্রমিক শক্তির সদস্য-সচিব ঋআজ মোর্শেদ ও তাঁর দলের পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। আমন্ত্রিত অতিথি ও সাংবাদিকদের জন্য মঞ্চের সামনে বসার ব্যবস্থা ছিল।
কনসার্টে শিরোনামহীন, আর্ক (হাসান), আর্টসেল, আর্বোভাইরাস, এভয়েড রাফা, পারসা, সেজান, কুঁড়েঘর ও আসিফ আকবর গান পরিবেশন করেন। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঐতিহাসিক ‘৩৬ জুলাই’-এর চেতনাকে সামনে রেখে সংগীতের মাধ্যমে মুক্তি, ঐক্য ও প্রতিবাদের চেতনা উদ্যাপনই ছিল আয়োজনের উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল।
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যেও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের কনসার্টে হাজারো মানুষের উপস্থিতি
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ৮১ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।