রংপুরের রবার্টসনগঞ্জে কারুপণ্য রংপুর লিমিটেডের গ্রিন ফিল্ড কারখানা ২০২৬ সালের রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ব্রিটিশ আর্কিটেক্টস বা রিবা আন্তর্জাতিক পুরস্কার জিতেছে। বাংলাদেশের নকশাবিদ আর্কিটেক্টসের নকশায় নির্মিত সাততলা কারখানাটি কর্মপরিবেশ, পরিবেশবান্ধব নকশা ও কর্মীদের কল্যাণে গুরুত্ব দেওয়ার স্বীকৃতি পেয়েছে। ১৫ অক্টোবর লন্ডনের পুরস্কার অনুষ্ঠানে প্রকল্পটিকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় এবং বিচারকমণ্ডলী সর্বসম্মতভাবে এটি নির্বাচন করেন।
গালিচা ও বস্ত্র উৎপাদনের কারখানাটিতে প্রায় পাঁচ হাজার কর্মী কাজ করেন, যাদের অধিকাংশ নারী। বাংলার ঐতিহ্যবাহী বসতবাড়ি থেকে অনুপ্রাণিত নকশায় খোলা উঠান, বাগান, প্রশস্ত বারান্দা ও সবুজ জায়গা রয়েছে, যা প্রাকৃতিক আলো ও বাতাস চলাচলে সহায়তা করে। দক্ষিণ পাশের সবুজ দেয়াল ও গাছপালা ছায়া দেয় এবং পাখি ও কীটপতঙ্গের আবাস তৈরি করে। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক শীতলীকরণ ব্যবস্থাও যান্ত্রিক শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের নির্ভরতা কমায়।
কর্মী ও ব্যবস্থাপনার জন্য একই প্রধান প্রবেশপথ রাখা হয়েছে, যা সমতা ও মর্যাদার বার্তা দেয়। ছাদে শিশু দিবাযত্নকেন্দ্র, চিকিৎসাসেবা, ভর্তুকি মূল্যের দোকান, যৌথ খাবারের জায়গা, প্রার্থনাকক্ষ এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক আয়োজনের ব্যবস্থা রয়েছে। রিবা বলেছে, প্রকল্পটি দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বের শিল্পকারখানার নকশায় নতুন দৃষ্টান্ত। ২০১৬ সালে সাতক্ষীরার ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের পর এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় রিবা আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত স্থাপনা।
রংপুরের গ্রিন ফিল্ড কারখানা জিতল ২০২৬ রিবা আন্তর্জাতিক পুরস্কার
বরিশালের বাকেরগঞ্জে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেবালয় পূজামণ্ডপ দৃষ্টিনন্দন সাজসজ্জা ও পুকুরের পানিতে ভাসমান ব্যতিক্রমী গণেশ মূর্তির কারণে দর্শনার্থীদের বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। নান্দনিক আলোকসজ্জা, মন্দিরের প্রবেশপথের আলোকচিত্র এবং পুকুরপাড়ের এই আয়োজন ভক্ত ও দর্শনার্থীদের আগ্রহ বাড়িয়েছে।
মন্দিরের মূল প্রবেশপথে আকর্ষণীয় আলোকসজ্জা ও সাজসজ্জা করা হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের দৃষ্টি টানছে। পূজামণ্ডপে আগতদের জন্য আপ্যায়নের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এতে উৎসবে অংশ নেওয়া ভক্ত ও দর্শনার্থীদের মধ্যে বাড়তি আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। পুকুরের ওপর স্থাপিত গণেশ মূর্তিটি মণ্ডপের সৌন্দর্যে ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে এবং কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
দুর্গোৎসব আনন্দমুখর ও সুশৃঙ্খলভাবে উদ্যাপনের জন্য মন্দির কমিটি বিভিন্ন প্রস্তুতি নিয়েছে। দেবালয় মন্দির কমিটির সভাপতি প্রফুল্ল দাসের নেতৃত্বে পূজার সার্বিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দাস বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সম্প্রীতি, আনন্দ ও মিলনমেলারও উৎসব।
ভাসমান গণেশ মূর্তি ও আলোকসজ্জায় বাকেরগঞ্জের দেবালয় পূজামণ্ডপে দর্শনার্থীদের আগ্রহ
ঢাকার কামাল আতাতুর্ক পার্কের বনানী সার্বজনীন পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে শনিবার রাত থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত ব্যাপক জনসমাগম দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। বিকালের পর ভক্ত ও দর্শনার্থীদের ভিড় পূজামাঠ ছাড়িয়ে মূল সড়কে ছড়িয়ে পড়ে, ফলে এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উৎসবটি সহায়তা ও নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
প্রতিবেদনে উদ্ধৃত স্থানীয় বাসিন্দা, দর্শনার্থী ও কর্মকর্তারা বলেছেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসবের অংশ হিসেবে মানুষ সাময়িক যানজট মেনে নিচ্ছেন। পথচারী কামাল হোসেন বলেন, প্রতি বছর সন্ধ্যায় যানজট হলেও স্থানীয়রা এতে বিরক্ত হন না। শিক্ষার্থী সুবল কুমার নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনের কথা বলেন এবং বিভিন্ন দর্শনার্থী গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত উৎসবের আমেজের কথা জানান।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মণ্ডপ এলাকায় পুলিশ, এসআরবি, বিজিবি, আনসারসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পোশাকে ও সাদা পোশাকে নজরদারি করেছেন। ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, তিন দিন ধরে আশপাশের সড়কে সৃষ্টি হওয়া যানজট নিরসনে তারা কাজ করছেন। মণ্ডপের আশপাশে খাবার, আইসক্রিম ও অন্যান্য পণ্যের অস্থায়ী দোকান বসে; রাতে সেখানে বিক্রি ও ভিড় বেশি ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঢাকার বনানী পূজামণ্ডপে ভিড়, কঠোর নিরাপত্তা ও তীব্র যানজট
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সোমবার সকাল ১০টায় ঢাকার ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন। একই অনুষ্ঠানে আধুনিকায়ন করা উদ্যানটিরও উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও সুধী সমাবেশ শেষে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর উদ্যানটি নগরবাসীর জন্য খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে।
প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ওসমানী উদ্যানের আধুনিকায়ন সম্পন্ন হয়েছে। সম্প্রতি সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, প্রায় ১০ বছর বন্ধ থাকার পর উদ্যানটি আবার নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে। আধুনিকায়নের মাধ্যমে উদ্যানটিকে আরও দৃষ্টিনন্দন ও জনবান্ধব করে সাজানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সংস্কার করা উদ্যানে নগরবাসী স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটাচলা, অবসর যাপন এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে সময় কাটাতে পারবেন। উদ্যান প্রাঙ্গণে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ নির্মাণ করা হয়েছে। এই স্মৃতিস্তম্ভের মাধ্যমে দর্শনার্থীরা ঐতিহাসিক আন্দোলনের ঘটনাবলি এবং শহিদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করতে পারবেন।
ঢাকায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিকায়নকৃত ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন
মুসলিম দেশগুলোতে মার্কিন বিনোদনশিল্পের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে উৎসে আলোচনা করা হয়েছে এবং মুসলিম পরিবার ও সমাজে এর উপযোগিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বিনোদন এখন শুধু রুচি বা শিল্পের বিষয় নয়; এটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত বৈশ্বিক করপোরেট পণ্যে পরিণত হয়েছে। উৎসে এ আলোচনার জন্য কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বা স্থান উল্লেখ করা হয়নি।
নিবন্ধটির বক্তব্য অনুযায়ী, গণমাধ্যমনির্ভর ও ভোগবাদী বিনোদন মুসলমানদের অন্যের তৈরি কনটেন্টের নিষ্ক্রিয় ভোক্তায় পরিণত করতে পারে। বয়স ও লিঙ্গভিত্তিক দর্শক বিভাজন এবং পর্দাকেন্দ্রিক অবসরের কারণে পরিবারের সদস্যরা আলাদাভাবে সময় কাটান, যা মুখোমুখি যোগাযোগ ও সামাজিক ঐক্য দুর্বল করতে পারে। পশ্চিমা বিনোদনের অনুকরণে স্থানীয় রিয়েলিটি টিভিসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান তৈরিও যথার্থ সাংস্কৃতিক বিকল্প কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
উৎসে স্থানীয় মূল্যবোধ, ঐতিহ্য, সৃজনশীলতা ও কমিউনিটির অংশগ্রহণভিত্তিক বিনোদন গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে। গল্প বলা, সংগীতচর্চা, ছবি আঁকা ও আলোকচর্চার মতো কর্মকাণ্ডকে যৌথ বিকল্প হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবার ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সব বয়সী মানুষের একসঙ্গে আনন্দ উপভোগ ও অন্যকে আনন্দ দেওয়ার পরিসর তৈরির কথাও বলা হয়েছে।
গণমাধ্যমনির্ভরতার বিকল্প হিসেবে স্থানীয় ও অংশগ্রহণমূলক বিনোদনের আহ্বান
উৎসের প্রবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ক্ষমতা-কাঠামো এখনো ঔপনিবেশিক নন্দনতত্ত্ব দ্বারা প্রভাবিত; ফলে স্বতন্ত্র বাংলাদেশি শিল্প ও সংস্কৃতির অবস্থান নির্ধারণ কঠিন হয়ে পড়ে। এতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আগের ভাষা ও সাহিত্যবিষয়ক বিতর্কের উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৯৪৭ সালে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রশ্ন এবং ১৯৪২ সালে আবুল মনসুর আহমদ ও বুদ্ধদেব বসুর বিতর্ক রয়েছে। লেখকের মতে, সাংস্কৃতিক লড়াই শুধু উর্দুর বিরুদ্ধে ছিল না, ঔপনিবেশিক ‘বাংলা সাহিত্য’ ধারণার বিরুদ্ধেও ছিল।
প্রবন্ধটির ভাষ্য অনুযায়ী, গণমাধ্যম, সাহিত্যপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় সংস্থায় বাংলাদেশি সংস্কৃতিকে প্রায়ই বাঙালি সংস্কৃতির উপসেট হিসেবে দেখা হয়। এতে বলা হয়েছে, সাংস্কৃতিক আইকন নির্বাচনের প্রক্রিয়া সময়-নির্ভর, শ্রেণি-নির্ভর এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রাক-ঔপনিবেশিক ব্যক্তিত্বদের তুলনায় ঔপনিবেশিক যুগের ব্যক্তিত্বরা বেশি গুরুত্ব পান এবং নগর মধ্যবিত্তের গ্রহণযোগ্যতা সাংস্কৃতিক স্বীকৃতিকে প্রভাবিত করে।
লেখক ভাষার শুদ্ধতার মানদণ্ড ও ঔপনিবেশিক বাংলা সাহিত্যকে কেন্দ্র করার অভ্যাস নিয়ে প্রশ্ন তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। একদল আইকনের বদলে আরেকদল আইকন দাঁড় করানোর পরিবর্তে বাংলাদেশের মানুষ, সমাজ ও প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত সাংস্কৃতিক বোঝাপড়া বিস্তারের কথা বলা হয়েছে। প্রবন্ধে নতুন রাজনীতির জন্য নতুন নন্দনতত্ত্ব ও সাংস্কৃতিক উপলব্ধিকে জরুরি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
প্রবন্ধে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও রাজনীতিতে ঔপনিবেশিক নন্দনতত্ত্বের প্রভাবের সমালোচনা
কবি ফররুখ আহমদ ১৯ অক্টোবর ১৯৭৪ সালে ঢাকার ইস্কাটন গার্ডেন রোডের সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারের বাসায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর বয়স ছিল ৫৬ বছর। বর্ণনা অনুযায়ী, ২৭ রমজানে তিনি তীব্র জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সংজ্ঞা হারান। খাদ্যগ্রহণের শক্তি না থাকলেও তিনি পরবর্তী রোজাগুলো রাখেন। ঈদের জামাতে অংশ নিতে না পারার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে।
কবি মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান এক আত্মীয়ের বক্তব্য উদ্ধৃত করে জানান, অন্তিম সময়ে ফররুখের বাকশক্তি ও স্মৃতিশক্তি লোপ পেয়েছিল এবং তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। সূত্রে বলা হয়েছে, শেষ কয়েক বছরের তীব্র অর্থাভাবের কারণে তাঁর যথাযথ চিকিৎসা হয়নি। ঈদের সন্ধ্যায় কবি আবদুস সাত্তার তাঁকে হাসপাতালে নিতে ব্যর্থ হন; পরদিন ড. হাসান জামান অধ্যাপক ডা. গোলাম মোয়াজ্জমকে কবির বাসায় নিয়ে আসেন।
মৃত্যুসংবাদ রেডিও ও টেলিভিশনে প্রচারিত হলে কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, সাংবাদিক, আত্মীয় ও গুণগ্রাহীরা তাঁর বাসায় ভিড় করেন। কার্জন হল মসজিদের পাশে দাফনের অনুমতি না মেলায় তাঁকে কবি বেনজীর আহমদের প্রস্তাবিত শাহজাহানপুরের কবরগাহে সমাহিত করা হয়। বিভিন্ন সংবাদপত্রে সম্পাদকীয় ও ফিচার প্রকাশিত হয় এবং বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনে স্মরণানুষ্ঠান প্রচার করা হয়।
দীর্ঘ অসুস্থতার পর ১৯ অক্টোবর ১৯৭৪ ঢাকায় মারা যান কবি ফররুখ আহমদ
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির ও আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী ওয়ায়েজিনদের সমাজে বিভ্রান্তি ছড়ায় এমন বক্তব্য না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার রাজধানীর পল্টনে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে মজলিসুল ওয়ায়েজীন বাংলাদেশের আয়োজিত জাতীয় কনভেনশনে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রব্বানী বলেন, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের মূল ধারার আলেম-ওলামারা সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু শাখা-প্রশাখায় ভিন্নতা থাকলেও মূল আদর্শের জায়গায় কোনো বিভেদ নেই। তিনি বলেন, এই মূল ধারাকে সুসংহত রাখতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
ওয়াজের ময়দানের দায়িত্বের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, মসজিদ, মিম্বার ও ওয়াজের মাঠে এমন অসংলগ্ন বা বিভ্রান্তিকর কথা বলা যাবে না যা সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। ওয়াজের মঞ্চকে নাটক বা হালকা বিনোদনের জায়গায় পরিণত না করে সময়োপযোগী, দলীলভিত্তিক ও সাবলীল ভাষায় কোরআন-সুন্নাহর সঠিক বার্তা তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি। হেবা আইনের বিষয়গুলো শরিয়তসম্মতভাবে পুনর্বিবেচনার কথাও বলেন রব্বানী।
বিভ্রান্তিকর বক্তব্য এড়িয়ে দায়িত্বশীল ওয়াজের আহ্বান মুহিউদ্দীন রব্বানীর
কাল্পনিক গল্প ‘১০০% সিমেট্রিক্যাল’-এ ঢাকার স্থপতি রিশাদ নিজের ঘর ও চারপাশের সামান্য অসমতাতেও অস্থির হয়ে ওঠে। তার নিখুঁততার চাপ সহ্য করতে না পেরে স্ত্রী জেসমিন চলে গেছে। ফুফাতো ভাই মকবুল এসে জেসমিনের ফেরার কথা জানতে চায়। রাতে রিশাদ থ্রি-ডি লেজার স্ক্যানারে নিজের নগ্ন শরীর মেপে দেখে, তার ডান কান বাম কানের চেয়ে ৩ দশমিক ৪ মিলিমিটার নিচে ও সামান্য বড়; বাম হাতের মধ্যমা আঙুল ডান হাতেরটির চেয়ে ২ দশমিক ১ মিলিমিটার ছোট।
এই মাপজোখে রিশাদ আতঙ্কিত ও ক্ষুব্ধ হয়। সারাজীবন প্রতিসাম্য খুঁজলেও নিজের শরীরকে সে ত্রুটিপূর্ণ মনে করে। টুলবক্স থেকে সার্জিক্যাল স্ক্যালপেল, স্টিল রুলার ও ক্লোরোফর্ম বের করে সে ডান কানের লতি অবশ করে অতিরিক্ত অংশ কেটে ফেলে। ছোট আঙুল বড় করা সম্ভব নয় ভেবে সে ডান হাতের মধ্যমা আঙুল ২ দশমিক ১ মিলিমিটার ছোট করার সিদ্ধান্ত নেয়।
পরদিন সকালে মকবুল শোবার ঘরে রক্তাক্ত রিশাদকে দেখতে পায়। ল্যাপটপে সবুজ অক্ষরে ‘১০০% সিমেট্রিক্যাল’ লেখা দেখা যায়। রিশাদ মকবুলের অসম চোখ ঠিক করার প্রস্তাব দিলে সে দইয়ের হাঁড়ি ফেলে পালায়। ছড়িয়ে পড়া দইয়ের অসম বিন্যাস দেখে রিশাদ আবার স্ক্যালপেল হাতে নেয়।
প্রতিসাম্যের নেশায় এক স্থপতির আত্মবিধ্বংসী হয়ে ওঠার কাল্পনিক গল্প
একটি বাংলা নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ইতিহাসচর্চা সুলতান মাহমুদ গজনবিকে নিষ্ঠুর, মন্দিরধ্বংসকারী ও ধর্মীয় উন্মাদ হিসেবে তুলে ধরে ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দু-মুসলিম বিভাজন গভীর করেছিল। নিবন্ধটির মতে, অষ্টাদশ শতকে ব্রিটিশ উপনিবেশ প্রতিষ্ঠার পর মুসলিম শাসনামলকে ‘অন্ধকার যুগ’ হিসেবে উপস্থাপন করা তাদের ডিভাইড অ্যান্ড রুল নীতির অংশ ছিল। লেখাটি মাহমুদের অভিযান বিষয়ে গভীর ও নিরপেক্ষ গবেষণার ভিত্তিতে পুনর্মূল্যায়নের আহ্বান জানায়।
সৈয়দ সুলাইমান নদভির উদ্ধৃতি দিয়ে লেখাটি বলেছে, ঔপনিবেশিক ইতিহাসে মাহমুদের অভিযানকে বাছাই করা ভাষ্যে লুটপাট হিসেবে দেখানো হয়েছে। এতে বলা হয়, নির্বিচার নির্যাতন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও ধর্মীয় নিপীড়নের প্রচলিত অভিযোগের ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। অনন্দপালকে পরাজিত করার পর নগরকোট থেকে পেশোয়ারের পথে জনপদ লুণ্ঠন না করা, কনৌজের রাজাকে ক্ষমা করা এবং হিন্দুদের ধর্মীয় স্বাধীনতার উদাহরণও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমনাথ প্রসঙ্গে নিবন্ধটি রোমিলা থাপারের গবেষণার উল্লেখ করে বলেছে, মাহমুদ মন্দিরটি পুরোপুরি ধ্বংস করেননি এবং হিন্দু শাসকদের মধ্যেও মন্দির লুণ্ঠনের ঘটনা ছিল। লর্ড এলেনবরোর ১৮৪২ সালের সোমনাথের দরজা গজনিতে নেওয়ার দাবিও প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে; থাপারের মতে, তুর্কি-ফারসি বিবরণে এ ঘটনার উল্লেখ নেই।
নিবন্ধে মাহমুদ গজনবির অভিযান নিয়ে ঔপনিবেশিক বয়ানকে প্রশ্ন করা হয়েছে
আমিরুল মুমিনিন খাল ছিল মিসরের একটি ঐতিহাসিক জলপথ, যা খলিফা ওমর (রা.)-এর শাসনামলে আরব উপদ্বীপের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ মোকাবিলার প্রেক্ষাপটে নির্মিত হয়। ১৮ হিজরি বা ৬৩৯-৬৪০ খ্রিস্টাব্দের দিকে হিজাজে খাদ্যসংকট দেখা দিলে মিসর থেকে উটের কাফেলায় খাদ্য পাঠানো হয়। কিন্তু স্থলপথে বিপুল খাদ্য পরিবহন সময়সাপেক্ষ ও শ্রমসাধ্য হওয়ায় নীলনদ ও লোহিত সাগরকে জলপথে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
মিসরের গভর্নর আমর ইবনুল আস (রা.) নীলনদ থেকে লোহিত সাগর তীরের প্রাচীন বন্দর কুলযুম পর্যন্ত জলপথ পুনঃখননের ব্যবস্থা করেন। বর্তমান সুয়েজ অঞ্চলের কাছে অবস্থিত কুলযুম পর্যন্ত খালটির দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ১৭০ কিলোমিটার। ইতিহাসবিদ মাকরিজির বর্ণনায়, খননকাজে প্রায় ছয় মাস লেগেছিল। ফুসতাত থেকে নৌকায় গম ও যব কুলযুমে পৌঁছাত, সেখান থেকে জাহাজে হিজাজের বন্দরে রসদ পাঠানো হতো।
খালটি পরিবহন ব্যয় ও সময় কমানোর পাশাপাশি মরুদস্যুদের ঝুঁকি এড়াতে সহায়তা করেছিল। ওমরের সম্মানে এর নাম হয় খালিজে আমিরুল মুমিনিন। পরে পলি ও বালু জমা, রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনে নৌচলাচল ব্যাহত হয়। মাকরিজির বিবরণে ১৫০ হিজরি বা ৭৬৭ খ্রিস্টাব্দের দিকে খালটি বন্ধের কথা আছে। পরে এর কিছু অংশ কায়রোর পানি সরবরাহ ও নগরভূগোলের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক নগরায়ণে তা ভরাট হয়ে সড়কে পরিণত হয়।
ঐতিহাসিক এই খাল নীলনদ থেকে লোহিত সাগর হয়ে হিজাজে খাদ্য পৌঁছাতে সহায়তা করত
চট্টগ্রামে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শুক্রবার মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে। পাঁচ দিনের এ উৎসব উপলক্ষে নগরের ২৯৪টি এবং জেলার ১ হাজার ৬৫৫টি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ১ হাজার ৯৪৯টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পূজা-অর্চনা, অঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ ও সাংস্কৃতিক আয়োজনকে কেন্দ্র করে মণ্ডপগুলোতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে।
বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী, মহাষষ্ঠীতে দেবী দুর্গার বোধন ও আনুষ্ঠানিক পূজা শুরু হয়। আজ ও আগামীকাল মহাসপ্তমী এবং মহাষ্টমীর পূজা পালিত হবে। মহাসপ্তমীতে নবপত্রিকা স্নান ও পূজা অনুষ্ঠিত হবে। মহাষ্টমীর অন্যতম আকর্ষণ সন্ধিপূজা অষ্টমী ও নবমী তিথির সন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত হবে। মহানবমীতে গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা ও দেবীর ভোগ নিবেদন করা হবে।
পূজা সমন্বয় কমিটির সদস্য বিপ্লব পার্থ বলেন, অন্য বছরের তুলনায় এবার মণ্ডপের জন্য সরকারের চাল ও আর্থিক অনুদান বেড়েছে এবং পূজার ছুটিও বাড়ানো হয়েছে। তিনি জানান, মহানবমীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঐতিহাসিক জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাবেন। উৎসবের শেষ দিনে দুর্গা ও অন্যান্য মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা করে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে বিসর্জন দেওয়া হবে।
চট্টগ্রামের ১ হাজার ৯৪৯ মণ্ডপে দুর্গাপূজা শুরু, শেষ হবে পতেঙ্গায় বিসর্জনে
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশ-বিদেশের সব হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশে দুর্গাপূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব হওয়ার পাশাপাশি একটি সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে।
ড. ইউনূস বলেন, অশুভ শক্তির বিনাশ শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রধান বৈশিষ্ট্য। তাঁর মতে, এই উৎসব জাতিগত ঐক্য ও অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য প্রতীক। তিনি উৎসবটির সামাজিক তাৎপর্যের কথা তুলে ধরে মানুষের মধ্যে বিভেদ বৃদ্ধির বিষয়টিও উল্লেখ করেন।
বর্তমান বিশ্ব নানা সংকট, বৈষম্য, যুদ্ধ, সংঘাত ও অনিশ্চয়তায় জর্জরিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। এই বাস্তবতায় দুর্গাপূজার বার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে জানান ড. ইউনূস। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই উৎসব সবার জীবনে নতুন আশা ও শক্তি সঞ্চার করবে, সব ধরনের বিভাজন কাটিয়ে উঠতে উৎসাহ দেবে এবং ঐক্যবদ্ধভাবে নতুন বাংলাদেশ ও বিশ্ব গঠনে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করবে।
দুর্গাপূজাকে ঐক্য ও অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক বললেন ড. ইউনূস
সারা দেশে শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হয়েছে শুক্রবার। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এবার দেশের ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসবটি মহাষষ্ঠীর অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে আগামী বুধবার বিজয়া দশমী পর্যন্ত চলবে। এ সময় পূজামণ্ডপগুলো ছয় দিন মুখর থাকবে।
গত বছরের তুলনায় সারা দেশে মণ্ডপের সংখ্যা ৪৯৬টি বেড়েছে। তবে ঢাকা মহানগরীতে সড়কের ওপর পূজা আয়োজনের অনুমতি না পাওয়ায় মণ্ডপের সংখ্যা তিনটি কমে ২৫৮টিতে দাঁড়িয়েছে। প্রচলিত নিয়মে মহাষষ্ঠী থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত দুর্গাপূজা পাঁচ দিন উদযাপিত হয়।
এ বছর মহাসপ্তমীর তিথি দুই দিন পড়ায় উৎসবের সময় এক দিন বেড়েছে। শনিবার মহাসপ্তমী, রোববার অধিক পূজাসহ মহাসপ্তমী, সোমবার মহাষ্টমী ও কুমারী পূজা এবং মঙ্গলবার মহানবমী পালিত হবে। বুধবার বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে ছয় দিনের দুর্গোৎসব শেষ হবে। উৎসের বর্ণনা অনুযায়ী, এবার দেবী দুর্গা ঘোটকে আসছেন এবং নৌকায় বিদায় নেবেন।
দেশের ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপে শুরু হয়েছে ছয় দিনের শারদীয় দুর্গাপূজা
রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার রংপুর নগর ভবনে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপ কমিটির নেতাদের সঙ্গে চেক বিতরণ ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দুর্গাপূজা আনন্দমুখর, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদ্যাপনে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে নগরীর ১৬৪টি পূজামণ্ডপের প্রতিটিকে ১৫ হাজার টাকা করে মোট ২৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়। প্রশাসক মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন পূজামণ্ডপ কমিটির নেতাদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন। তিনি বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বাংলাদেশের ঐতিহ্য এবং সব ধর্মের মানুষের মধ্যে এই সম্প্রীতির বন্ধন বজায় ও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।
তিনি পূজামণ্ডপে আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও সার্বিক পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদের সচেতন থাকার কথা বলেন। সিটি করপোরেশন সব ধর্মের মানুষের কল্যাণে কাজ করছে এবং সামর্থ্য অনুযায়ী ধর্মীয় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনে সহায়তা অব্যাহত রাখবে বলে জানান তিনি। তিনি কমিটির নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্দেশনা মেনে উৎসবের কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান।
রংপুরের ১৬৪ পূজামণ্ডপে ২৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা অনুদান
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ১৭৯ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।