উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, শ্রমিকদের চিকিৎসার জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে একটি হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। ওই হাসপাতালে শ্রমিকরা সব ধরনের চিকিৎসা সেবা পাবেন। বর্তমান সরকার শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করছে জানিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা আইএলও’র ১১টি কনভেনশনের মধ্যে আটটিতে স্বাক্ষর করেছি। কর্মক্ষেত্রে নারী, লিঙ্গ বৈষম্য এবং হয়রানি বন্ধে আমরা কাজ করছি। তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশের শ্রম আইনকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই। শ্রমিকদের ন্যায্যতা প্রাপ্তিতে আমরা কাজ করছি। উপদেষ্টা বলেন, তবে কর্মক্ষেত্রে মালিক এবং শ্রমিকদের সম্পর্ক হওয়া উচিৎ পারস্পরিক স্বার্থ এবং শ্রদ্ধাবোধের। কর্ম পরিবেশ বিনষ্টকারী কোনো কর্মকাণ্ড করা উচিত নয়।
শ্রমিকদের চিকিৎসার জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে একটি হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। ওই হাসপাতালে শ্রমিকরা সব ধরনের চিকিৎসা সেবা পাবেন: সাখাওয়াত
নারী শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে সাতটি নারী নেতৃত্বাধীন সংগঠন। প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের কাছে যে দাবিগুলো জানিয়েছে তন্মধ্যে; বিদেশগামী নারী কর্মীদের জন্য বাধ্যতামূলক ‘নিরাপত্তা ও অধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ চালু করা, দূতাবাসে ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইনসহ ‘নারী সহায়তা ডেস্ক’ চালু করা, যৌন নিপীড়নের শিকার নারী কর্মীদের দেশে ফেরার পর পুনর্বাসন, মানসিক ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা, নারী শ্রমিক প্রেরণে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা, প্রবাসী নারী ও পুরুষ শ্রমিকদের মধ্যে বেতন ও মর্যাদার সমতা নিশ্চিত করা, ‘ডিজিটাল রিপোর্টিং অ্যাপ’ চালু করা, প্রতারক নিয়োগকারী এজেন্সির বিরুদ্ধে কঠোর মনিটরিং ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া, যৌন সহিংসতার শিকার নারী শ্রমিকদের জন্য পৃথক কল্যাণ তহবিল গঠন করা, পাসপোর্ট নারীদের কাছে রাখা! শ্রম মন্ত্রণালয়ের কাছে যে দাবি জানিয়েছেন, নারীদের জন্য নিরাপদ বিশ্রাম কক্ষ, স্বাস্থ্যকর টয়লেট ও মাতৃত্বকালীন সুবিধা নিশ্চিত করা, গার্মেন্টস ও কলকারখানায় ওয়েলফেয়ার অফিসার নিয়োগ বাধ্যতামূলক করা, ৫০ বা ততোধিক নারী কর্মী থাকলে শিশু দিবা যত্ন কেন্দ্র চালু করা, শ্রম মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘নারী শ্রমিক সুরক্ষা ও প্রতিকার সেল’ গঠন ও নিয়মিত মনিটরিং, আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ও তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা।
নারী শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতে ২০ দফা ঘোষণা
টাকা দিয়ে দলীয় মনোনয়ন বিক্রির প্রবণতা বন্ধের জন্য শ্রম উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, একজন ব্যবসায়ী রাজনীতিতে আসতে চাইলে অন্তত তিন বছর তাকে কোনো দলের সঙ্গে সংযুক্ত থাকা উচিত। নির্বাচন কমিশনেরও এমন নিয়ম থাকা বাঞ্ছনীয়। উপদেষ্টা আরও বলেন, বন্ধ কারখানাগুলোর যন্ত্রপাতি ও মালিকের সম্পত্তি বিক্রি করে শ্রমিকদের পাওনা বুঝিয়ে দেয়ার কাজ চলছে। শ্রমিকদের পাওনা মিটিয়ে দিতে যদি কোনো নতুন মালিক বন্ধ হওয়া কারখানাগুলো নিতে চায় সে সুযোগ থাকছে বলেও জানান। উপদেষ্টা বলেন, রানা প্লাজা ইস্যুতে আওয়ামী সরকারের পুরোপুরি ব্যর্থতা ছিল। দোষীদের শাস্তি না দিয়ে তৎকালীন সরকার রেশমা নাটক বানিয়েছিল।
একজন ব্যবসায়ী রাজনীতিতে আসতে চাইলে অন্তত তিন বছর তাকে কোনো দলের সঙ্গে সংযুক্ত থাকা উচিত: শ্রম উপদেষ্টা
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ১২৩ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।