Web Analytics

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি সিঙ্গাপুরের এক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। তার মৃত্যু শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মীর প্রস্থান নয়, বরং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এক নৈতিক স্তম্ভের পতন হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি ছিলেন এমন এক কণ্ঠ, যিনি ভয় ও নীরবতার বিরুদ্ধে সত্য উচ্চারণে বিশ্বাসী ছিলেন।

জুলাই ৩৬ আন্দোলনের অন্যতম মুখ হাদি ১৯৭১ সালের অসমাপ্ত অঙ্গীকারকে নতুন প্রজন্মের বিবেক হিসেবে ধারণ করেছিলেন। তিনি সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদ, ইতিহাস বিকৃতি ও মতপ্রকাশের দমননীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলেন। গণতন্ত্রকে তিনি দেখতেন মানুষের দৈনন্দিন মর্যাদা হিসেবে—যেখানে ভোট, মত ও স্বাধীনতা ভয়ের ঊর্ধ্বে থাকে।

তার মৃত্যু তরুণ প্রজন্মের জন্য এক নৈতিক প্রশ্ন রেখে গেছে—তারা কি আবার নীরবতা মেনে নেবে, নাকি হাদির সাহসকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তার জীবন ও সংগ্রাম স্মরণ করিয়ে দেয়, স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই প্রতিদিনের সাহস ও সততার মধ্যেই বেঁচে থাকে।

20 Dec 25 1NOJOR.COM

শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নৈতিক শূন্যতা

নিউজ সোর্স

সত্য উচ্চারণে একটি সাহসী কণ্ঠের বিদায় | আমার দেশ

সিরাজুল আই. ভুঁইয়া
প্রকাশ : ২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০: ৫৬
সিরাজুল আই. ভুঁইয়া
বৃহস্পতিবার রাতে, ১৯৭১-এর অসমাপ্ত অঙ্গীকার আর জুলাই ৩৬-এর জাগ্রত বিবেকের মতো ভারী এক মৃত্যু ইতিহাসের বুকে আছড়ে পড়েছে। সে মৃত্যু শুধু একটি তরুণ প্রাণের নিভে যাওয়া নয়—এ ছিল বাংলাদে