ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি সিঙ্গাপুরের এক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। তার মৃত্যু শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মীর প্রস্থান নয়, বরং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এক নৈতিক স্তম্ভের পতন হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি ছিলেন এমন এক কণ্ঠ, যিনি ভয় ও নীরবতার বিরুদ্ধে সত্য উচ্চারণে বিশ্বাসী ছিলেন।
জুলাই ৩৬ আন্দোলনের অন্যতম মুখ হাদি ১৯৭১ সালের অসমাপ্ত অঙ্গীকারকে নতুন প্রজন্মের বিবেক হিসেবে ধারণ করেছিলেন। তিনি সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদ, ইতিহাস বিকৃতি ও মতপ্রকাশের দমননীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলেন। গণতন্ত্রকে তিনি দেখতেন মানুষের দৈনন্দিন মর্যাদা হিসেবে—যেখানে ভোট, মত ও স্বাধীনতা ভয়ের ঊর্ধ্বে থাকে।
তার মৃত্যু তরুণ প্রজন্মের জন্য এক নৈতিক প্রশ্ন রেখে গেছে—তারা কি আবার নীরবতা মেনে নেবে, নাকি হাদির সাহসকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তার জীবন ও সংগ্রাম স্মরণ করিয়ে দেয়, স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই প্রতিদিনের সাহস ও সততার মধ্যেই বেঁচে থাকে।
শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নৈতিক শূন্যতা