Web Analytics

উত্তরার বিমান দুর্ঘটনায় জীবন দিয়েছেন মাইলস্টোন স্কুলের কো-অর্ডিনেটর মাহেরীন চৌধুরী। বিকট শব্দে বিধ্বস্ত হওয়া যুদ্ধবিমানের আগুনে দগ্ধ হয়েও তিনি শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা করেন। প্রায় ১০০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় বার্ন ইউনিটে নেওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। তার আত্মত্যাগ শিক্ষকদের দায়িত্ববোধ, ভালোবাসা ও সাহসিকতার এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। মাহেরীনের সংসারে রয়েছে দুটি সন্তান—একজন নবম শ্রেণিতে পড়ছে, বয়স ১৪; অন্যজন ও লেভেলের শিক্ষার্থী, বয়স ১৫ বা ১৬। স্কুলগামী সেই দুই শিশুর জীবন থেকে মাত্র এক ঝলকেই হারিয়ে গেল তাদের সবচেয়ে বড় আশ্রয়—তাদের মা। রাষ্ট্রীয় শোকের মধ্যে মাহেরীনের মৃত্যু প্রশ্ন তোলে—যান্ত্রিক ত্রুটিপূর্ণ যুদ্ধবিমান কেন জনবহুল এলাকায় উড়ল?

22 Jul 25 1NOJOR.COM

উত্তরার বিমান দুর্ঘটনায় জীবন দিয়েছেন মাইলস্টোন স্কুলের কো-অর্ডিনেটর মাহেরীন চৌধুরী। বিকট শব্দে বিধ্বস্ত হওয়া যুদ্ধবিমানের আগুনে দগ্ধ হয়েও তিনি শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা করেন।

নিউজ সোর্স

আত্মোৎসর্গে বাঁচালেন অনেক মায়ের কোল, ঘরে রইল নিজের দুই সন্তান

দুপুর ১টার একটু পর। রাজধানীর উত্তরা তখনো স্বাভাবিক ছন্দে চলছিল। কিন্তু হঠাৎ দিয়াবাড়ি এলাকায় বিকট শব্দে কেঁপে উঠল চারপাশ। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ‘হায়দার আলী’ ভবনের ওপর আছড়ে পড়ল বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান। মুহূর্তেই পুরো ভবনটিতে ছড়িয়ে পড়ে আগুন, ধোঁয়া আর মৃত্যু। কক্ষের ভেতর ছোট ছোট কোমলমতি শিক্ষার্থীরা তখন প্রাণভয়ে ছুটোছুটি করছে।