উত্তরার বিমান দুর্ঘটনায় জীবন দিয়েছেন মাইলস্টোন স্কুলের কো-অর্ডিনেটর মাহেরীন চৌধুরী। বিকট শব্দে বিধ্বস্ত হওয়া যুদ্ধবিমানের আগুনে দগ্ধ হয়েও তিনি শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা করেন। প্রায় ১০০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় বার্ন ইউনিটে নেওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। তার আত্মত্যাগ শিক্ষকদের দায়িত্ববোধ, ভালোবাসা ও সাহসিকতার এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। মাহেরীনের সংসারে রয়েছে দুটি সন্তান—একজন নবম শ্রেণিতে পড়ছে, বয়স ১৪; অন্যজন ও লেভেলের শিক্ষার্থী, বয়স ১৫ বা ১৬। স্কুলগামী সেই দুই শিশুর জীবন থেকে মাত্র এক ঝলকেই হারিয়ে গেল তাদের সবচেয়ে বড় আশ্রয়—তাদের মা। রাষ্ট্রীয় শোকের মধ্যে মাহেরীনের মৃত্যু প্রশ্ন তোলে—যান্ত্রিক ত্রুটিপূর্ণ যুদ্ধবিমান কেন জনবহুল এলাকায় উড়ল?
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।