Web Analytics

৬ ডিসেম্বর ১৯৯২ সালে ভারতের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ঘটনা দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে এক গভীর ছাপ রেখে গেছে। মীর বাকী নির্মিত ১৬শ শতকের এই স্থাপনা ভেঙে পড়া ছিল কেবল একটি ভবনের পতন নয়, বরং ভারতের বহুত্ববাদী ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রচিন্তার ওপর সরাসরি আঘাত। ঘটনাটি দেখিয়ে দেয়, ধর্মীয় জাতীয়তাবাদ যখন রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলে, তখন প্রশাসনিক নৈতিকতা ও সামাজিক ভারসাম্য ভেঙে পড়ে।

১৯৪৯ সালের মূর্তি স্থাপন থেকে ১৯৮০–৯০ দশকের হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির উত্থান পর্যন্ত দীর্ঘ উত্তেজনার ফলেই আসে ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বরের ধ্বংস। লিবারহান কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটি ছিল পরিকল্পিত ঘটনা। মানবাধিকার সংস্থার তথ্য বলছে, ১৯৯২ থেকে ২০০২ পর্যন্ত সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় দুই হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারায়।

২০১৯ সালের সুপ্রিম কোর্টের রায় মন্দির নির্মাণের অনুমতি দিলেও বিতর্কের অবসান ঘটায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, ৬ ডিসেম্বর আজও এক সতর্কবার্তা—ধ্বংস নয়, সহাবস্থান ও ন্যায়বিচারই সভ্যতার ভিত্তি।

06 Dec 25 1NOJOR.COM

বাবরি ধ্বংসের বার্ষিকীতে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচার নিয়ে নতুন বিতর্ক

নিউজ সোর্স

ধ্বংসের ওপর কোনো সভ্যতার ভিত্তি গড়ে ওঠে না

৬ ডিসেম্বর—দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে এক এমন দিন, যার ছায়া সময়ের স্রোতে মিলিয়ে যায় না। ১৯৯২ সালে ভারতের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদের ধ্বংস কোনো স্থাপনার পতন ছিল না; এটি ছিল বহুত্ববাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, নাগরিকতা ও রাষ্ট্রনৈতিক স্থিতির ওপর প্রত্যক্ষ আঘাত। 
দক্ষিণ এ