দেশজুড়ে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে কৃষি মন্ত্রণালয়। এ পর্যন্ত প্রায় ৫০০টি আবেদন জমা পড়েছে; দুর্গাপূজার ছুটির আগের শেষ কর্মদিবসেও অনিয়মের অভিযোগে পাঁচ-ছয়টি আবেদন আসে। কৃষি সচিব সেলিম খান বলেন, নীতিমালা ও জেলার সুপারিশের ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং প্রজ্ঞাপন জারির পর আসা অভিযোগ যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
তদন্তে চারটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: উপজেলা ও জেলা তদারকি কমিটির সুপারিশে অনিয়ম, একই পরিবারের একাধিক সদস্যের নিয়োগ, ফ্যাসিস্টদলীয় লোকদের সুপারিশের কারণ এবং নীতিমালা লঙ্ঘন করে কাউকে নির্বাচনের কারণ। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দাবি, প্রভাবশালী রাজনীতিক ও আমলাদের তদবির সত্ত্বেও বাছাই কমিটির তালিকায় প্রথম থাকা ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুসরণ করা হয়েছে।
নভেম্বর থেকে আলু, ভুট্টা, গম ও শীতকালীন সবজি চাষে সারের চাহিদা বাড়বে। কর্মকর্তারা জানান, সারের মজুতে ঘাটতি নেই এবং সৌদি আরব, বেলারুশ, মরক্কো ও কানাডা থেকে আমদানি চলছে। গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ১০ জন ডিলারের নিয়োগ পুনর্বিবেচনা হতে পারে।