দুই বছরে তিনবার প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তনের পর নতুন সরকার গঠনের লক্ষ্যে রোববার জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন থাইল্যান্ডের নাগরিকরা। নির্বাচনে মুখোমুখি হয়েছে সংস্কারপন্থি পিপলস পার্টি ও ক্ষমতাসীন রক্ষণশীল জোট। কারাগারে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন শিনাওয়াত্রা এখনও রাজনীতিতে প্রভাবশালী। একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটে ভোটাররা সংবিধান সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে মত দিচ্ছেন, যদিও কোনো নির্দিষ্ট প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়নি।
ব্যাংকক থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, নতুন সরকারকে কম্বোডিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ ও বহুজাতিক সাইবার প্রতারণা চক্রের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। অর্থনৈতিক দিক থেকেও দেশটি চাপের মুখে রয়েছে; প্রবৃদ্ধি দুর্বল এবং পর্যটন খাত এখনো কোভিড-পূর্ব অবস্থায় ফেরেনি। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে ভিয়েতনাম থাইল্যান্ডকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় ফলাফল আবারও অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। সামরিক ও বিচারিক প্রভাবের কারণে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ছে, যা গণতন্ত্রের জন্য উদ্বেগজনক।