২০২৬ সালের ১২ জুলাই বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, দেশের চার জেলার চারটি নদীর পানি পাঁচটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতি হলেও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় দেশের ছয় বিভাগ ও ভারতের ত্রিপুরা, মেঘালয়, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হতে পারে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জসহ সাতটি জেলায় ভয়াবহ বন্যায় ১০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত ৫১ জন নিহত ও ৩৯ জন আহত হয়েছেন। ১ হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪৪ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চাল, নগদ অর্থ, শুকনা ও রান্না করা খাবারসহ ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে, তবে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে নিম্নাঞ্চলে ঝুঁকি থেকে যেতে পারে।