ধারাবাহিকভাবে লোকসান হওয়া রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো আবার যৌথ ব্যবস্থায় চালু করার আলোচনা শুরু হয়েছে। উদ্যোগ বাস্তবায়নে ১৯ সালে কনসোর্টিয়াম গঠনের পরও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে পিছিয়ে যায় জাপান, থাইল্যান্ড ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনিয়োগকারীরা। ২১ সালে দেওয়া হয়েছিল পূর্ণাঙ্গ সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন। অংশীদারীত্বের হারসহ সার্বিক বিষয়ে পর্যালোচনা ও নেগোসিয়েশনপূর্বক সুপারিশ প্রণয়নের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের তখনকার অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। এক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা শতভাগ সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান করার কথা বললেও সরকার যৌথ মালিকানাধীন যৌথ কোম্পানির উদ্যোগ নেয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে আবার বিনিয়োগকারীরা চিঠি দিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
Related Videos
No data found yet!
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।