এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় ব্যাংকের সম্মিলিত ঋণস্থিতি ১.০২ শতাংশ কমে ঋণ প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক হয়েছে। জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে এসব ব্যাংকের ঋণস্থিতি ছিল ৩ লাখ ৫১ হাজার ৫৫৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা, যা এপ্রিল-জুনে কমে ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৯৮৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকায় দাঁড়ায়। তিন মাসে কমেছে ৩ হাজার ৫৭২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। একই সময়ে সামগ্রিক ব্যাংক খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ১.৩৯ শতাংশ।
মূলত সোনালী ব্যাংকের ঋণস্থিতি কমার কারণে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক হয়েছে। মার্চ শেষে ব্যাংকটির ঋণস্থিতি ৯০ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা থাকলেও জুন শেষে তা ৮৫ হাজার ৯৮২ কোটি টাকায় নেমে আসে। তিন মাসে কমেছে ৪ হাজার ৯৯৬ কোটি টাকা বা ৫.৪৯ শতাংশ। কর্মকর্তারা জানান, ব্যাংকটি ঋণ আদায়ে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে, নতুন ঋণ তুলনামূলক কম দিচ্ছে এবং আমানতের বড় অংশ সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ করছে।
ঋণ প্রবৃদ্ধি কমতে থাকায় ১৩ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ঋণ বিতরণ বাড়ানোর নির্দেশ দেন। একই সময়ে জনতা ব্যাংকের ঋণস্থিতি ৫২৯ কোটি টাকা কমেছে। তবে অগ্রণী, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএলের ঋণস্থিতি বেড়েছে। বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে ২.০৫ ও ২.৫২ শতাংশ, আর বিশেষায়িত ব্যাংকে ছিল ঋণাত্মক ০.২২ শতাংশ।