ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের ২০২৫ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ প্রক্রিয়াজাত প্যাকেটজাত খাবারে নিরাপদ সীমার চেয়ে বেশি লবণ রয়েছে। ‘অ্যাসেসমেন্ট অব সল্ট কন্টেন্ট অ্যান্ড লেবেল কমপ্লায়েন্স অব কমনলি কনজিউমড প্রসেসড প্যাকেজড ফুডস অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক এ গবেষণায় বলা হয়, প্রায় ৯৭ শতাংশ পণ্যই উচ্চ স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ। বিস্কুট, চিপস, নুডুলস, ইনস্ট্যান্ট স্যুপসহ এসব খাবারে অতিরিক্ত সোডিয়াম, চিনি ও ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহারে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের লক্ষ্য করে আগ্রাসী বিপণন ও আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন তাদের এসব খাবারে আসক্ত করছে। এসব খাবারে থাকা লবণ, চিনি ও টেস্টিং সল্ট মস্তিষ্কে সাময়িক আনন্দ সৃষ্টি করে, ফলে শিশুরা ঘরোয়া পুষ্টিকর খাবারে আগ্রহ হারায়। বিশেষজ্ঞরা পণ্যের প্যাকেটের সামনের অংশে (এফওপিএল) স্পষ্ট সতর্কবার্তা প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন ও গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের কর্মকর্তারা বলেন, শক্তিশালী লেবেলিং আইন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।