চট্টগ্রাম–১১ (বন্দর–পতেঙ্গা) আসনে জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ শফিউল আলমের নির্বাচনি হলফনামা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। নথিতে দেখা গেছে, তার তিন সন্তান—দুই ছেলে ও এক মেয়ে—সবাই শিক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও তাদের নামে বার্ষিক প্রায় পাঁচ লাখ টাকার আয় দেখানো হয়েছে। বড় ছেলে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ পড়ছেন, দ্বিতীয় ছেলে এইচএসসি শিক্ষার্থী এবং ছোট মেয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। তবুও তাদের প্রত্যেকের নামে শিক্ষকতা, আইন পরামর্শকতা ও চাকরিজীবী হিসেবে আয় দেখানো হয়েছে, পাশাপাশি শেয়ার ও ব্যবসার উল্লেখও রয়েছে।
এই তথ্য প্রকাশের পর স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, শিক্ষার্থী অবস্থায় তারা কীভাবে এসব পেশায় যুক্ত থাকতে পারেন এবং এসব আয়ের প্রকৃত উৎস কী। কেউ কেউ ধারণা করছেন, প্রার্থী হয়তো নিজের সম্পদের অংশ সন্তানদের নামে দেখিয়েছেন। শফিউল আলমের নিজের আয়–সম্পদের হিসাবেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে; তার বার্ষিক আয় ১৪ লাখ টাকার কিছু বেশি, নগদ অর্থ ২৭ লাখ ৮৪ হাজার টাকা এবং মোট সম্পদ ১ কোটি ৭ লাখ টাকার ওপরে।
হলফনামায় দেওয়া দুটি নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।