সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার দিকে যাওয়ার লক্ষণ দেখিয়েছে, যদিও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ছিল মন্থর। মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, ঢাকা বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানায়, অর্থবছর ২০২৬-এ জিডিপি প্রবৃদ্ধি প্রাথমিকভাবে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশের চেয়ে বেশি।
জুনে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ, যা মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার ব্যয়ে চাপ অব্যাহত রেখেছে। তবে শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং জুন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির কারণে বৈদেশিক খাতে তুলনামূলক ভালো অবস্থা দেখা গেছে। এতে ব্যালেন্স অব পেমেন্টস ও বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের স্থিতিশীলতা কিছুটা শক্তিশালী হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এমসিসিআই বলেছে, জুনে রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিললেও সামগ্রিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধি দুর্বল ছিল। উচ্চ সুদহার ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় বেসরকারি বিনিয়োগ, ঋণপ্রবাহ এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সংগঠনটি মূল্যস্থিতি নিশ্চিত, আর্থিক খাত শক্তিশালী, বেসরকারি বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছে।