চিকিৎসার জন্য কলকাতায় যাওয়া বাংলাদেশি রোগীর সংখ্যা হঠাৎ কমে যাওয়ায় শহরের হাসপাতালগুলো ব্যবসায়িক চাপের মুখে পড়েছে। রোগীদের ফেরানো না গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন হাসপাতাল ব্যবসায়ীরা। রোগী ও তাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এবং বৈধ কাগজপত্র ও নিরাপত্তা ছাড়পত্র থাকা হোটেলে বুকিংয়ে সহায়তা দিতে আগামী কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশে প্রতিনিধিদল পাঠানোর চিন্তা করছে তারা।
নিউমার্কেট এলাকার অধিকাংশ থাকার হোটেল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশি রোগী ও স্বজনেরা চরম সংকটে পড়েন। অনেককে রাস্তায় থাকতে বাধ্য হয়ে দেশে ফিরে যেতে হয়েছে। শহরে প্রায় ৭০০ হোটেল বন্ধ রয়েছে এবং চালু হোটেলগুলোতে খালি জায়গা নেই। গত ১৮ আগস্ট ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের একটি গেস্ট হাউসে আগুনে সাত বাংলাদেশিসহ নয়জন নিহত হওয়ার পর হোটেলগুলোর ওপর কড়াকড়ি শুরু হয়।
রোগীদের দুর্ভোগ কমাতে কয়েকটি হাসপাতাল ব্যবস্থা নিচ্ছে। বিপি পোদ্দার হাসপাতাল আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশে দল পাঠাবে এবং দক্ষিণ কলকাতায় নিজেদের প্রাঙ্গণের কাছে বাংলাদেশিদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করছে। উডল্যান্ডস মালটিস্পেশালিটি হাসপাতাল আলিপুরের গেস্ট হাউস ও হোটেলের সঙ্গে চুক্তি করেছে। রুবি জেনারেল হাসপাতাল রোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও আগাম রুম বুকিংয়ে সহায়তার জন্য আলাদা ডেস্ক খুলেছে।
Related Videos
No data found yet!
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।