শুক্রবার রাজধানীর কেন্দ্রে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা ঘিরে দুটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদী হত্যার বিচার ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে ছাত্ররা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে, অন্যদিকে সরকারি কর্মচারীরা নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে যমুনার দিকে মিছিল নিয়ে অগ্রসর হন। শাহবাগ, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ও কাকরাইল এলাকায় পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি সদস্যদের ব্যাপক মোতায়েন করা হয়।
শাহবাগে পুলিশ ব্যারিকেড দিলে কর্মচারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশ জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে মিছিল ছত্রভঙ্গ করে, এতে কয়েকজন আহত হন এবং আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবুও আন্দোলনকারীরা যমুনার দিকে এগিয়ে গিয়ে অবস্থান নেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানান, যমুনা এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ এবং নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
যমুনা, কাকরাইল ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকায় ছয় প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। কর্মচারীরা সতর্ক করে বলেছেন, নবম পে-স্কেল দ্রুত কার্যকর না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।