হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল অ্যাপ্রোনে প্রায় ১১ বছর ধরে পড়ে থাকা চারটি বন্ধ বেসরকারি এয়ারলাইন্সের ১২টি উড়োজাহাজ কার্গো কার্যক্রম, রপ্তানি পণ্য ওঠানামা ও উড়োজাহাজ পার্কিং ব্যাহত করছে। এগুলো কার্যত স্ক্র্যাপে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছে বেবিচক। উড়োজাহাজগুলো সরানো ও বিক্রির বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে সংস্থাটি চলতি বছরের ১৬ জুলাই বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে।
উড্ডয়নযোগ্যতার সনদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর উড়োজাহাজগুলোর নিবন্ধন বাতিল করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে একাধিকবার অপসারণের চিঠি দেওয়া হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে বেবিচক ২০২৪ সালের ২৬ মে এগুলো বাজেয়াপ্ত করে। ২০২১ সালের শেষ ভাগ থেকে ২০২২ সালজুড়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করেও উপযুক্ত ক্রেতা পাওয়া যায়নি। দীর্ঘদিন রোদ-বৃষ্টিতে পড়ে থাকা, পুরোনো মডেল হওয়া এবং মালিকদের বিরুদ্ধে ঋণ ও পাওনাদারসংক্রান্ত মামলার ঝুঁকিকে প্রধান বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
১২টি উড়োজাহাজ কার্গো ভিলেজের পাশে এক লাখ ৯২ হাজার ১০০ বর্গফুট জায়গা দখল করে আছে। এর মধ্যে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের আটটি, রিজেন্ট এয়ারওয়েজের দুটি এবং জিএমজি এয়ারলাইন্স ও অ্যাভিয়েন চ্যার্টারের একটি করে উড়োজাহাজ রয়েছে। চার প্রতিষ্ঠানের কাছে বেবিচকের পাওনা প্রায় চার হাজার কোটি টাকা। ভিত্তিমূল্য ছাড়া আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের প্রস্তাব দিয়েছে বেবিচক এবং বিমান বাহিনী ও বিমান বাংলাদেশের সহযোগিতা চেয়েছে।