Web Analytics
দুই মাসের বেশি সময় ধরে চলা আন্দোলন ও ৫৭ ঘণ্টা অনশনের পর কুয়েট ভিসি-প্রোভিসি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর পরপরই পতাকা উড়িয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন শিক্ষার্থীরা। তবে কুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতারা বলেছেন, চাপের মুখে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের অব্যাহতির সিদ্ধান্তে ন্যায়বিচারের পরাজয় ঘটেছে। সাধারণ সম্পাদক ড. ফারুক হোসেন বলেছেন, ১৮ ফেব্রুয়ারির সংঘর্ষের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত শেষে দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস বর্জনের আগের সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। তারা বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম একটা রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস। কিন্তু বর্তমান সময়ে যারা রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাসের আন্দোলন করে আসছিল, আমরা দেখতে পাচ্ছি তারাই আজ অন্ধকার রাজনীতির করাল গ্রাসে বন্দি। এ কারণে ১৮ ফেব্রুয়ারি ক্যাম্পাসে উদ্ভূত সংকট নিরসনে শিক্ষকদের কোনো চেষ্টাই সফল হয়নি।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!