বাংলাদেশ সরকার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বিলুপ্ত করে ‘বাংলাদেশ উচ্চশিক্ষা কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর খসড়া অনুযায়ী একটি নতুন উচ্চশিক্ষা কমিশন গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত বছরের ১০ ডিসেম্বর নোটিস দিয়ে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে অংশীজনদের মতামত চেয়েছে। খসড়া অনুযায়ী নতুন কমিশন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে গঠিত হবে, যার থাকবে স্বাধীন আইনি সত্তা, নিজস্ব সিলমোহর ও প্রশাসনিক ক্ষমতা।
খসড়ায় বলা হয়েছে, কমিশনে একজন চেয়ারম্যান, আটজন কমিশনার এবং দশজন খণ্ডকালীন সদস্য থাকবেন। চেয়ারম্যানের পদমর্যাদা হবে মন্ত্রিসভার মন্ত্রীর সমান। ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খানের নেতৃত্বে নয় সদস্যের একটি টিম খসড়া প্রণয়ন করেছে। উদ্যোক্তা ও শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, নতুন কমিশন উচ্চশিক্ষাকে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা থেকে মুক্ত করবে, তবে নেতৃত্বে যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি।
শিক্ষাবিদদের মধ্যে কেউ কেউ এ উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও অনেকে সতর্ক করেছেন যে অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন ও একাডেমিক স্বাধীনতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তারা পরামর্শ দিয়েছেন, সবার মতামতের ভিত্তিতে অধ্যাদেশটি চূড়ান্ত করে স্বচ্ছভাবে বাস্তবায়ন করা উচিত।