মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরও সম্প্রসারিত করে সিরিয়া, লাওস ও আফ্রিকার ছয়টি দেশ—বুরকিনা ফাসো, মালি, নাইজার, সিয়েরা লিওন ও দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের পাসপোর্টধারীরাও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষিদ্ধ হয়েছেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য এমন বিদেশিদের প্রবেশ রোধ করা, যারা যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বা সাংবিধানিক মূল্যবোধের জন্য হুমকি হতে পারে।
সিরিয়ায় দুই মার্কিন সেনা ও এক বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত আসে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে অনেকেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বৈষম্যমূলক বলে সমালোচনা করেছেন। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রাম্প আফ্রিকান ও মুসলিম বংশোদ্ভূত অভিবাসীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন, যা এই নিষেধাজ্ঞার পটভূমিতে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্ত হওয়ায় পূর্ণ বা আংশিকভাবে নিষিদ্ধ দেশের তালিকা আরও দীর্ঘ হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং শরণার্থী পুনর্বাসন কর্মসূচিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।