প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপসারণ করে এবং দেশটির বিপুল তেলসম্পদের নিয়ন্ত্রণ নেয়। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে, এখন থেকে ভেনেজুয়েলার সব তেল বিক্রয় কার্যক্রম তারা নিয়ন্ত্রণ করবে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি তেল অবকাঠামো দখল করে ‘আমেরিকার তেল চুরি’ করেছে এবং আগ্রাসনের পর মার্কিন কোম্পানিগুলো সেখানে পুনরায় বিনিয়োগ করবে।
ভেনেজুয়েলায় বিশ্বের সর্বাধিক প্রমাণিত অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে, প্রায় ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেল, যা বৈশ্বিক মজুতের ১৭ থেকে ২০ শতাংশ। ১৯৭৬ সালে তেল শিল্প জাতীয়করণের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটির সম্পর্ক ক্রমেই তিক্ত হয়। হুগো শ্যাভেজ ও মাদুরোর সমাজতান্ত্রিক নীতি, দুর্বল সামরিক শক্তি এবং অর্থনৈতিক পতন দেশটিকে আগ্রাসনের মুখে ফেলে।
লেখক মন্তব্য করেছেন, এই আগ্রাসন আন্তর্জাতিক নিয়মভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থার পতন ঘটিয়েছে এবং শক্তির আধিপত্যের যুগে বিশ্বকে ফিরিয়ে নিয়েছে। দুর্বল দেশগুলোর জন্য এটি সতর্কবার্তা যে, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সামরিক ও কূটনৈতিক সক্ষমতা অপরিহার্য।